ঈদের আগেই বেড়েছে মুরগির দাম, স্বস্তি ফিরছে না বাজারে

আরটিভি নিউজ

শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬ , ০৭:১৮ পিএম


ঈদের আগেই বেড়েছে মুরগির দাম, স্বস্তি ফিরছে না বাজারে
ছবি: সংগৃহীত

প্রতিবছর ঢাকায় ঈদুল ফিতর ঘিরে বাজারে মুরগির চাহিদা বাড়ে। চাহিদার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ে দাম। এ বছরও ঈদ সামনে রেখে চড়া মুরগির বাজার। সেইসঙ্গে সবজির পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও দামের উত্তাপ সহনীয় পর্যায়ে আসেনি।

বিজ্ঞাপন

শুক্রবার (১৩ মার্চ) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। 

লাউ প্রতি পিস ৬০ টাকা এবং পেঁপে ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। স্থিতিশীল আছে আলু ও পেয়াজের বাজার। বেগুন, টমেটোর দাম নিম্নমুখী। বেগুনের দাম কেজি প্রতি ২০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়।

বিজ্ঞাপন

ইফতারের অন্যতম অনুষঙ্গ লেবুর বাজার এখনও চড়া। মানভেদে হালি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১২০ টাকায়। শসার কেজি ৬০-৭০ টাকা,

মাছের বাজারেও অস্থিরতা কমেনি। রোজায় কেজি প্রতি মাছের দাম বেড়েছে ১০০ থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত। ৮০০ টাকার নিচে মিলছে না বোয়াল মাছ। রুই ও পাবদা মাছের জন্য গুণতে হচ্ছে ৫০০ টাকা। পাঙ্গাস বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা দরে।

বিজ্ঞাপন

অন্যদিকে, ঈদের আগে মুরগির দামে আগুন লেগেছে বললে ভুল হবে না। খামার থেকে চালান আসছে কিছুটা ধীর গতিতে। ফলে ব্রয়লার কিংবা লাল, প্রায় সব জাতের দর বেড়েছে কেজিতে ৫০ থেকে ১০০ টাকা। সাড়ে ৩শ' টাকার আশপাশে ঘোরাফেরা করেছে সোনালী মুরগির দর। আগের চেয়ে যোগানও কিছুটা কম।

আরও পড়ুন

ব্যবসায়ীরা জানান, নির্বাচনের আগে মুরগির বাচ্চার যে দাম বেড়েছিল, সে ধাক্কা এখন এসে লাগছে। তার ওপর বার্ড ফ্লু সংক্রমণে অনেক খামারে মুরগি মারা গেছে। ফলে চাপ লাগছে ঈদের বাজারে।

রাজধানীর রামপুরা বাজারের মুরগি বিক্রেতা ফরিদ হোসেন বলেন, রমজানের ঈদে অধিকাংশ মানুষ মুরগি খায়। বড়লোকেরাও খায়, গরিবরা আরও বেশি খায়। রেস্টুরেন্টেও চাহিদা বাড়ে। যে কারণে এরই মধ্যেও কিছুটা চাহিদা বাড়তে শুরু করেছে। কিন্তু চাহিদা বাড়লেও সেভাবে সাপ্লাই নেই। প্রত্যন্ত এলাকা থেকে সেভাবে মুরগি সরবরাহ হচ্ছে না। আর পাইকারি বাজারে প্রতিদিন ৫-১০ টাকা করে দাম বাড়ছে।

অন্যদিকে, বাজারে অনেকদিন ধরে ফার্মের মুরগির ডিমের দাম নিম্নমুখী ছিল। এখন সেই দামও কিছুটা বেড়েছে। এক ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১১০–১২০ টাকায়। প্রতি ডজনে দাম বেড়েছে ১০ টাকা।

রমজান শেষ হয়ে আসায় বাজারে ছোলা ও ডালের দাম কেজিপ্রতি প্রায় ১০ টাকা কমে বিক্রি হতে দেখা গেছে। চিনির দামও আগের মতো ১০০ থেকে ১১০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।  

এছাড়া বাজারে কিছুদিন ভোজ্যতেলের সংকট থাকলেও এখন সরবরাহ আগের চেয়ে বেড়েছে। যদিও তাতে সংকট পুরোপুরি কাটেনি। ক্রেতারা এক দোকানে না পেলেও অন্য দোকান ঘুরে তেল পাচ্ছেন। প্রতি লিটার বোতলজাত তেল বিক্রি হচ্ছে ১৯৫ টাকা দরে।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

logo_appslogo_apps
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

© All Rights Reserved 2016-2026 | RTV Online | It is illegal to use contents, pictures, and videos of this website without authority's permission