ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

বিশ্ব বাণিজ্যে নতুন যুগের সূচনা করবে বাংলাদেশ-জাপান ইপিএ 

বাসস

প্রকাশ : ২১ এপ্রিল ২০২৬, ১০:২৭ এএম

চলতি বছরের ৬ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (ইপিএ) স্বাক্ষর একটি গুরুত্বপূর্ণ ফাইলফলক। এটি বাংলাদেশকে ধাপে ধাপে এলডিসি পর্যায়ের বিশেষ সুবিধার ওপর নির্ভরতা থেকে বেরিয়ে এসে নিয়মভিত্তিক ও প্রতিযোগিতামূলক বৈশ্বিক বাণিজ্যে প্রবেশের পথ তৈরি করছে।

ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স, বাংলাদেশের (আইসিসিবি)’র সর্বশেষ ত্রৈমাসিক বুলেটিনের সম্পাদকীয়তে বলা হয়েছে, এই চুক্তি শুধু একটি সাধারণ বাণিজ্য চুক্তি নয়, এটি একটি ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, যা এলডিসি-পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী ও আধুনিক করে তুলতে সহায়তা করবে।

এই চুক্তির মাধ্যমে জাপান বাংলাদেশের ৭ হাজার ৩৭৯টি পণ্যে শুল্কমুক্ত (ডিউটি-ফ্রি) প্রবেশাধিকার দিয়েছে। এতে বাংলাদেশের মোট রপ্তানির প্রায় ৯৭ শতাংশ পণ্য অন্তর্ভুক্ত, যার মধ্যে সবচেয়ে বড় খাত তৈরি পোশাকও রয়েছে।

এটি বাংলাদেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ দেশটি এলডিসি (স্বল্পোন্নত দেশ) থেকে উত্তরণের পথে রয়েছে। সাধারণত এলডিসি থেকে বের হলে বিভিন্ন দেশে রপ্তানির ওপর শুল্ক আরোপ হয়। কিন্তু এই চুক্তির মাধ্যমে জাপানের মতো বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতিতে বাংলাদেশ আগের মতোই সহজ শর্তে পণ্য রপ্তানি করতে পারবে। ফলে এলডিসি উত্তরণের পর রপ্তানিতে শুল্ক বেড়ে যাওয়ার যে বড় ঝুঁকিটি ছিল, বাংলাদেশ অনেকটাই তা কমাতে পেরেছে।

শুল্ক সুবিধার বাইরে, এই ইপিএ চুক্তিটি অনেক বিস্তৃত ও আধুনিক। এতে শুধু পণ্য বাণিজ্য নয়, সেবা খাত, বিনিয়োগ, কাস্টমস প্রক্রিয়া সহজ করা, মেধাস্বত্ব (ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি) এবং ডিজিটাল বাণিজ্য- এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। জাপান বাংলাদেশের জন্য ১২০টি সেবা খাত খুলে দিয়েছে, আর বাংলাদেশ জাপানের জন্য ৯৭টি খাত উন্মুক্ত করেছে। এর ফলে বাংলাদেশের দক্ষ কর্মীরা, বিশেষ করে আইটি, ইঞ্জিনিয়ারিং এবং কেয়ারগিভিং খাতে জাপানে কাজের নতুন সুযোগ পাবে।

একইসঙ্গে এই চুক্তি বাংলাদেশে বিশেষ করে উচ্চমূল্যের উৎপাদন খাত ও প্রযুক্তি খাতে জাপানের বিনিয়োগ বাড়াতে উৎসাহ দেবে। এতে নতুন প্রযুক্তি আসবে এবং দেশের শিল্প খাত আরও উন্নত হবে। এই ইপিএ চুক্তির আরেকটি বড় গুরুত্ব হলো- এটি বহু বছর ধরে বাংলাদেশের রপ্তানির তৈরি পোশাকের ওপর নির্ভরশীলতা বদলে দিতে পারে।

আরও পড়ুন

এই চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ এখন ইলেকট্রনিক্স, গাড়ির যন্ত্রাংশ (অটোমোটিভ কম্পোনেন্ট) এবং প্রক্রিয়াজাত পণ্যের মতো উচ্চমূল্যের খাতে প্রবেশের সুযোগ পাচ্ছে। এ ছাড়া এই চুক্তির মাধ্যমে অশুল্ক বাধা কমবে এবং নিয়মকানুন আরও স্বচ্ছ হবে। এতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়বে এবং দেশটি বাণিজ্য ও বিনিয়োগের জন্য আরও আকর্ষণীয় গন্তব্য হয়ে উঠবে।

ভবিষ্যতের দিকে তাকালে, বাংলাদেশ-জাপান ইপিএ চুক্তিটি একটি শক্ত উদাহরণ তৈরি করেছে। এর ফলে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, আসিয়ান দেশগুলো এবং যুক্তরাজ্যের মতো বড় অর্থনীতির সঙ্গে আলোচনায় বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্ত হবে। সরকারের নীতিনির্ধারক এবং বেসরকারি খাত- দু’পক্ষই এই চুক্তিকে ভবিষ্যতের অন্যান্য ইপিএ ও ফ্রি ট্রেড এগ্রিমেন্ট (এফটিএ)-এর জন্য একটি মডেল হিসেবে দেখছে।

এদিকে এই সময়ে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তিটিও সামনে এসেছে। তবে এটি জাপানের ইপিএ’র মতো বিস্তৃত নয়, বরং কিছু শর্তযুক্ত এবং সীমিত। এই চুক্তিতে কিছু নির্দিষ্ট সুবিধা রয়েছে, যেমন-যুক্তরাষ্ট্রের তুলা বা কাঁচামাল ব্যবহার করে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার। কিন্তু এই শর্তের কারণে বাংলাদেশ ইচ্ছেমতো অন্য দেশ থেকে কাঁচামাল নিতে পারবে না। ফলে উৎপাদন খরচ বেড়ে যেতে পারে।

জাপানের ইপিএ’র মতো এখানে সেবা খাত, বিনিয়োগ বা নিয়মকানুনে সহযোগিতার বিস্তৃত সুযোগ নেই। এ ছাড়া সব ধরনের পণ্যের জন্য দীর্ঘমেয়াদে শুল্ক সুবিধার নিশ্চয়তাও দেয় না। আরেকটি বিষয় হলো, এই চুক্তি সরবরাহ ব্যবস্থা (সাপ্লাই চেইন) ও ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশলের সঙ্গে যুক্ত থাকায় কিছু ভূ-রাজনৈতিক চাপও তৈরি হতে পারে। তাই কিছু সুযোগ থাকলেও এই চুক্তির সীমাবদ্ধতাগুলো দেখায় যে দীর্ঘমেয়াদে রপ্তানি বাড়াতে বাংলাদেশের আরও ভারসাম্যপূর্ণ ও পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্য চুক্তি প্রয়োজন।

সবকিছু মিলিয়ে এই উন্নয়নগুলো দেখায় যে, বাংলাদেশের বাণিজ্য কৌশলে একটি বড় পরিবর্তন আসছে। আগে যেখানে বিভিন্ন বিশেষ সুবিধার ওপর নির্ভরতা ছিল, এখন সেখানে অংশীদারিত্বভিত্তিক এবং নিয়মভিত্তিক বৈশ্বিক বাণিজ্যের দিকে এগোচ্ছে দেশ।

তবে এই সুযোগগুলো পুরোপুরি কাজে লাগাতে হলে দেশের ভেতরেই প্রস্তুতি নিতে হবে। যেমন, পণ্যের মান নিশ্চিত করার ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা, পরিবহন ও বাণিজ্য প্রক্রিয়া সহজ ও দ্রুত করা, দক্ষ জনবল তৈরি করা এবং সঠিক ও সমন্বিত নীতিমালা নিশ্চিত করা খুবই জরুরি। এসব ঠিকভাবে করতে পারলে বাংলাদেশ এই সুযোগগুলোকে কাজে লাগিয়ে দীর্ঘমেয়াদে রপ্তানি বাড়াতে এবং শিল্পখাতে বড় পরিবর্তন আনতে পারবে।

বাংলাদেশ-জাপান ইপিএ শুধু একটি মাইলফলক নয়, এটি একটি বার্তা। এই চুক্তি দেখায় যে বাংলাদেশ এখন এলডিসি পরিচয়ের বাইরে গিয়ে একটি শক্তিশালী ও নিয়মভিত্তিক বাণিজ্য দেশ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করতে প্রস্তুত। সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে এই চুক্তির মাধ্যমে শিল্পখাতে উন্নয়ন, রপ্তানির বৈচিত্র্য বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির সঙ্গে আরও গভীরভাবে যুক্ত হওয়ার নতুন সুযোগ তৈরি হবে।

এখন মূল চ্যালেঞ্জ হলো- এই বড় সুযোগকে কাজে লাগিয়ে দীর্ঘমেয়াদে অর্থনৈতিক গতি বজায় রাখা এবং একই ধরনের চুক্তি অন্যান্য উন্নত দেশের সঙ্গে করা।

আরটিভি/আইএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
৭ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে চীনা প্রতিষ্ঠান কেপিএসটি
বাংলাদেশে ব্যবসা সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল-১ এ দ্বিতীয় কারখানা স্থাপন করতে যাচ্ছে চীনা প্রতিষ্ঠান কেপিএসটি। এ লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানটি ৭.০১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করবে। নতুন কারখানাটিতে প্রায় ২০০ বাংলাদেশির কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) ঢাকায় বেপজা কমপ্লেক্সে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষের (বেপজা) সঙ্গে কেপিএসটি নিউ ম্যাটেরিয়াল (বিডি) কোম্পানি লিমিটেডের ভূমি ইজারা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।  বেপজার সদস্য (বিনিয়োগ উন্নয়ন) মো. তানভীর হোসেন এবং প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক ঝ্যাং ইউগিউ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।  বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মোহাম্মদ মোয়াজ্জেম হোসেনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ। নতুন কারখানাটি বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল-১ এ ৭ হাজার ২০০ বর্গমিটার জমিতে স্থাপন করা হবে। সেখানে ফুটওয়্যার অ্যাকসেসরিজ, ব্যাগ ও লাগেজের যন্ত্রাংশ, কাগজজাত পণ্য, মুদ্রিত সামগ্রী এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক পণ্য উৎপাদন করা হবে। কারখানাটিতে বছরে ১১ মিলিয়ন জোড়া ফুটওয়্যার অ্যাকসেসরিজ, ২৪ হাজার ঘনমিটার ফোম, দুই লাখ পিস কাটিং বোর্ড এবং আড়াই লাখ পিস কাটিং ডাইস ও মোল্ড উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে। উৎপাদিত পণ্য ভারত ও কম্বোডিয়ার জুতা প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান এবং বাংলাদেশের রপ্তানিমুখী জুতা কারখানাগুলোতে সরবরাহ করা হবে। বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান এ বিনিয়োগকে স্বাগত জানিয়ে বাংলাদেশে কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং বেপজার ওপর অব্যাহত আস্থা রাখার জন্য কেপিএসটিকে ধন্যবাদ জানান। কেপিএসটি নিউ ম্যাটেরিয়াল (বিডি) কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালক ঝ্যাং ইউগিউ বলেন, ‘আমাদের প্রথম কারখানায় উৎপাদিত পণ্যের চাহিদা ও ক্রয়াদেশ ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়ায় নতুন আরেকটি কারখানা স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সার্বিক বিনিয়োগ পরিবেশ বিবেচনায় এ সম্প্রসারণের জন্য বেপজাকে বেছে নিয়েছি। আমরা আশাবাদী, এ নতুন উদ্যোগ আমাদের ব্যবসা সম্প্রসারণে আরও সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।’  চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বেপজার সদস্য (প্রকৌশল) আবদুল্লাহ আল মামুন, নির্বাহী পরিচালক (নিরাপত্তা) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মোহসীন হাসান, নির্বাহী পরিচালক (প্রশাসন) সমীর বিশ্বাস, নির্বাহী পরিচালক (এন্টারপ্রাইজ সার্ভিসেস) মসিহউদ্দিন বিন মেসবাহ, নির্বাহী পরিচালক (জনসংযোগ) এ.এস.এম. আনোয়ার পারভেজসহ বেপজার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও কেপিএসটি নিউ ম্যাটেরিয়াল (বিডি) কোম্পানি লিমিটেডের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/এসআর  
৭ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে চীনা প্রতিষ্ঠান কেপিএসটি
এফবিসিসিআই রপ্তানি গবেষণা সেলের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত
রপ্তানি বৈচিত্র্যকরণ, প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি গ্রহণের লক্ষ্যে বিভিন্ন খাত ভিত্তিক অ্যাসোসিয়েশন এবং চেম্বারসমূহকে নিয়ে সভা করেছে এফবিসিসিআইয়ের রপ্তানি গবেষণা সেল।  বুধবার (১৪ অক্টোবর) এফবিসিসিআই’র মতিঝিল কার্যালয়ে উক্ত গবেষণা সেলের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের প্রশাসক মো. ফজলুল হক। এক সংবাদ বিপ্তিতে বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় সংগঠনটি। এতে বলা হয়, রপ্তানি বৈচিত্র্যকরণ, সম্ভাবনাময় খাতসমূহের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সুযোগ-সুবিধা প্রদানের লক্ষ্যে সম্প্রতি সকল চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশনে রপ্তানি গবেষণা সেল গঠণের নির্দেশ দিয়েছে সরকার। এরই ধারাবাহিকতায়, দেশের শীর্ষ বাণিজ্য সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) একটি রপ্তানি গবেষণা সেল গঠন করে। সেলটি মূলত বাজার বিশ্লেষণ, পলিসি অ্যাডভোকেসি এবং বিভিন্ন চেম্বার ও খাতভিত্তিক অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে বাস্তবসম্মত গবেষণা ও কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ করবে। সেলের কার্যক্রমকে গতিশীল করতে এফবিসিসিআইয়ের সদস্যভুক্ত সকল চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশনকে নিজ নিজ খাতের বস্তুনিষ্ঠ তথ্য ও পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা প্রদানের আহ্বান জানায় সংগঠনের প্রশাসক মো. ফজলুল হক।  সভায় রপ্তানি গবেষণা সেলের কার্যক্রমের ওপর একটি বিষদ প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন এফবিসিসিআই’র মহাসচিব মো. আলমগীর। সভার মুক্ত আলোচনায় অংশ নিয়ে বিভিন্ন চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ তাদের মতামত ও পরামর্শ তুলে ধরেন। সভায় সরাসরি এবং ভার্চুয়্যালি অংশগ্রহণ করেন এফবিসিসিআইয়ের সাবেক পরিচালক, বাংলাদেশ ব্যাংক, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, এমসিসিআইর প্রতিনিধি, চাঁদপুর উইমেন চেম্বার, কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশন, ফ্রোজেন ফুড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন, অ্যালুমিনিয়াম ম্যানুফেকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনসহ হালকা প্রকৌশল এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাতের নেতারা। আরটিভি/এসআর  
এফবিসিসিআই রপ্তানি গবেষণা সেলের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত
১৩ দিনে এলো ১৭ হাজার ২৮১ কোটি টাকা রেমিট্যান্স
চলতি মাসের প্রথম ১৩ দিনে দেশে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স এসেছে ১৪০ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার, যা দেশীয় মুদ্রায় ১৭ হাজার ২৮১ কোটি ৫০ লাখ টাকা (প্রতি ডলার ১২৩ টাকা হিসাবে)।
১৩ দিনে এলো ১৭ হাজার ২৮১ কোটি টাকা রেমিট্যান্স
দুই দিন বন্ধ থাকবে সোনালী ব্যাংকের সব সেবা
কোর ব্যাংকিং সিস্টেম (সিবিএস) আপগ্রেডেশনের কারণে টানা দুই দিন বন্ধ থাকবে রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংকের এটিএম সেবা, কার্ড সার্ভিসসহ সব ধরনের ডিজিটাল ও আর্থিক লেনদেন।
দুই দিন বন্ধ থাকবে সোনালী ব্যাংকের সব সেবা
গাছের রসে ১৫০ কোটি টাকার অর্থনীতি, গতি ফিরছে যশোরের গ্রামীণ জীবনে
‘যশোরের যশ, খেজুরের রস’—শত বছরের এই চেনা প্রবাদটি কেবল লোকসংস্কৃতির অংশই নয়, বরং দেশের কৃষি অর্থনীতিতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। 
গাছের রসে ১৫০ কোটি টাকার অর্থনীতি, গতি ফিরছে যশোরের গ্রামীণ জীবনে
আরও পড়ুন
১৪ দিনের সফরে যুক্তরাষ্ট্রে চরমোনাই পীর
সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকতে বলেছে দূতাবাস
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট পুনর্নির্ধারণের সময়সীমা
ফ্রি ভিসা নিয়ে সতর্ক করল জর্ডানের বাংলাদেশ দূতাবাস