ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

চট্টগ্রামে শুরু হচ্ছে চলতি মৌসুমে চায়ের প্রথম আন্তর্জাতিক নিলাম

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৩৭ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

চলতি মৌসুমে চায়ের প্রথম নিলাম অনুষ্ঠিত হচ্ছে সোমবার (২৭ এপ্রিল)। চট্টগ্রামের আগ্রাবাদে নিলামে অংশ নিচ্ছেন কয়েকশো বিডাররা। এর পাশাপাশি আগামীকাল পঞ্চগড় চা নিলাম ও বুধবার শ্রীমঙ্গল চা নিলাম শুরু হবে।

চলতি মৌসুমে দেশে ১০ কোটি ৪০ লাখ কেজি চা উৎপাদন ও বিপণনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে চা বোর্ড। বাংলাদেশ চা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম ও শ্রীমঙ্গলে ৪৭টি করে চা নিলাম আয়োজন হলেও পঞ্চগড়ে নিলাম হবে ২৫টি।

আরও পড়ুন

চাহিদা থাকলেও নিলামে সরবরাহ কম থাকায় সর্বশেষ মৌসুমে তিন কেন্দ্রের পাঁচটি নিলাম বাতিল করেছে চা বোর্ড। মূলত দেশে চায়ের চাহিদা থাকলেও প্রত্যাশিত চা উৎপাদন না থাকায় শেষ দিকের নিলামগুলো কমানো হয়েছে।

চা বোর্ডের তথ্যমতে, সর্বশেষ বছরে দেশের ১৭১টি চা বাগান ও ক্ষুদ্রায়তন চা খাতে ১০ কোটি ২০ লাখ কেজি চা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। তবে আবহাওয়ার কারণে চায়ের উৎপাদন হয়েছে ৯ কোটি ৪৯ লাখ ২৭ হাজার কেজি। দেশীয় প্রেক্ষাপটে নিলামে বাড়তি চাহিদা থাকায় প্রায় প্রতিটি নিলামেই রেকর্ড পরিমাণ চা বিক্রি হয়।

এজন্য শেষার্ধে এসে অবিক্রীত চায়ের সরবরাহ কমে যাওয়ায় চা শূন্যতায় ছিল অনেক নিলাম। যার কারণে মৌসুমের শেষার্ধে এসে অনেক নিলাম বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে চা বোর্ড। চলতি মৌসুমে দেশের ১৭২টি বাগান ও ক্ষুদ্রায়তন চা উৎপাদন ক্ষেত্রে পূর্ববর্তী বছরের চেয়ে ১০ লাখ কেজি বাড়তি চা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

জানা গেছে, ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দুই মাসে সর্বমোট ৫ লাখ ৯৭ হাজার কেজি চা উৎপাদন হয়েছে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২ লাখ ৫৮ হাজার কেজি বেশি। এর মধ্যে জানুয়ারিতে উৎপাদন হয়েছে ৫ লাখ ৭৩ হাজার কেজি ও ফেব্রুয়ারিতে হয়েছে ২৪ হাজার কেজি। ডিসেম্বর থেকে পরিচর্যার জন্য বাগানগুলোর চা গাছের ওপরের অংশ কর্তন করায় উৎপাদন কমে আসে। মার্চ ও এপ্রিল থেকে চা বাগানে ধারাবাহিক উৎপাদন আবার শুরু হয়।

চা সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নিলাম বর্ষের শেষদিকে চায়ের মান কমে যাওয়ার পাশাপাশি বাড়তি চায়ের কারণে বিক্রি ও দাম দুটোই কমে যায়। কিন্তু চলতি মৌসুমের শেষার্ধে এসেও চায়ের গড় দাম ২৫০ টাকার ওপরে ছিল। এমনকি প্রায় প্রতিটি নিলামেই ৬৫-৮০ শতাংশ পর্যন্ত চা বিক্রি হয়েছে। চায়ের ন্যূনতম দাম সংশোধন ও চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় মৌসুমে চায়ের চাহিদা বেশি ছিল বলে জানিয়েছেন বাগান মালিক ও ব্যবসায়ীরা।

প্রসঙ্গত, দেশের বাগানগুলোয় চা উৎপাদনের পর নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করতে হয়। উৎপাদনের পর নমুনা পাঠানো হলে সেটি নিবন্ধিত ব্রোকার্স প্রতিষ্ঠান ও ক্রেতারা সংগ্রহ করে মান যাচাই করে।

এরপর নিলামে উত্তোলন হলে গ্রেড অনুযায়ী উন্মুক্ত বিডিং করে সর্বোচ্চ দরদাতা চা সংগ্রহ করে। এজন্য ঘোষিত দরের মধ্যে সরকার ১৫ শতাংশ, ১ শতাংশ ব্রোকার্স প্রতিষ্ঠান এবং ১ শতাংশ অর্থ পরিশোধ করে নির্ধারিত গুদাম থেকে চা সংগ্রহ করে ক্রেতা প্রতিষ্ঠান।

আরটিভি/এমআই

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
৮ মাসে বিদেশ গেছেন সাড়ে ৪ লাখ কর্মী, আসছে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার
বিশ্বের ১০৯ দেশে বৈধভাবে কর্মসংস্থানের উদ্দেশে গত ফেব্রুয়ারি থেকে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত ৪ লাখ ৪৩ হাজার ২১ জন রেমিট্যান্স যোদ্ধা পাড়ি জমিয়েছেন। একই সময়ে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২৫ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৮ মাসে বিদেশ গেছেন সাড়ে ৪ লাখ কর্মী, আসছে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার
এলপিজির বাজার তদারকিতে যেসব নির্দেশনা দিল সরকার
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) একগুচ্ছ নির্দেশনা দিয়েছে সরকার।
এলপিজির বাজার তদারকিতে যেসব নির্দেশনা দিল সরকার
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নেদারল্যান্ডসের মন্ত্রীর সাক্ষাৎ, বাণিজ্য-বিনিয়োগে আগ্রহ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন নেদারল্যান্ডসের বৈদেশিক বাণিজ্য ও উন্নয়ন সহযোগিতাবিষয়ক মন্ত্রী শুর্দ শুর্দসমার নেতৃত্বাধীন একটি প্রতিনিধিদল। 
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নেদারল্যান্ডসের মন্ত্রীর সাক্ষাৎ, বাণিজ্য-বিনিয়োগে আগ্রহ
১২ দিনে এলো ১৫ হাজার ৮৬৭ কোটি টাকার প্রবাসী আয়
চলতি অক্টোবর মাসের প্রথম ১২ দিনে ১২৯ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় পাঠিয়েছেন বিভিন্ন দেশে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা। বাংলাদেশি মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১২৩ টাকা ধরে) এর পরিমাণ ১৫ হাজার ৮৬৭ কোটি টাকা।
১২ দিনে এলো ১৫ হাজার ৮৬৭ কোটি টাকার প্রবাসী আয়
ওমানের সঙ্গে সিইপিএ চুক্তির উদ্যোগ, বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে চায় বাংলাদেশ
ওমানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ঘাটতি কমানো, বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগ সম্প্রসারণে সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (সিইপিএ) স্বাক্ষরের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ।  বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, ওমানের সঙ্গে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে কার্যকর অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে রূপ দিতে চায় বাংলাদেশ। এ লক্ষ্যে দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ বাড়ানো, বাণিজ্য প্রতিবন্ধকতা দূর করা এবং নতুন বিনিয়োগের ক্ষেত্র চিহ্নিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ওমানের রাষ্ট্রদূত জামিল বিন হাজি বিন ইসমাইল আল বালুশির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ওমান বাংলাদেশের জন্য সম্ভাবনাময় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ অংশীদার। সিইপিএ চুক্তি স্বাক্ষরিত হলে দুই দেশের বাণিজ্য সম্প্রসারণ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারের নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে। বৈঠকে ওমানের রাষ্ট্রদূত ভারতের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তির অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বাংলাদেশের সঙ্গেও অনুরূপ চুক্তি সম্পাদনের প্রস্তাব দেন। বাণিজ্যমন্ত্রী এ প্রস্তাবকে স্বাগত জানান। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় কারিগরি প্রস্তুতি ও সম্ভাব্যতা সমীক্ষার ভিত্তিতে আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন। রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের সঙ্গে ওমানের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে বলেন, দেশটিতে কর্মরত প্রায় সাত লাখ বাংলাদেশি ওমানের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। এ সম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে। দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়াতে ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) এবং ওমান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সমন্বয়ে বাংলাদেশ-ওমান যৌথ বিজনেস কাউন্সিল গঠনের ওপর গুরুত্ব দেন বাণিজ্যমন্ত্রী। এ লক্ষ্যে প্রাথমিকভাবে ভার্চ্যুয়াল বৈঠক এবং পরে দুই দেশের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের পারস্পরিক সফরের বিষয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে ওমানের সোহর, দুকম ও সালালাহ বন্দর এবং বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগের সুযোগ তুলে ধরেন রাষ্ট্রদূত। এসব অঞ্চলের সুবিধা কাজে লাগিয়ে মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়। এ ছাড়া ওমানের ঐতিহ্যবাহী ‘কুমা’ টুপি তৈরিতে বাংলাদেশের নারী কারিগরদের অবদানের প্রশংসা করেন রাষ্ট্রদূত। তিনি শ্রমবাজার সম্প্রসারণ, ব্যবসায়িক ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করা এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন। বৈঠকে বাণিজ্যসচিব মো. আতাউর রহমান খান, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং ওমান দূতাবাসের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/এসআর
ওমানের সঙ্গে সিইপিএ চুক্তির উদ্যোগ, বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে চায় বাংলাদেশ
আরও পড়ুন
চবি শিক্ষার্থীদের জন্য ৫০ লাখ টাকার অ্যাম্বুলেন্স দিল চাকসু
একই দিনে দুই বিমানবন্দরে সোনা ও আইফোন জব্দ
খালেদা জিয়াকে নিয়ে চাকসু ভিপির ব্যঙ্গাত্মক ভিডিও, তদন্ত চায় ছাত্রদল
সোনার দোকানে ঝুলছিল বিশাল অজগর