বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্প ও সেবা প্রতিষ্ঠান পুনরায় চালু করতে বিশেষ ঋণ স্কিম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই স্কিমের আওতায় একক প্রতিষ্ঠান বা গ্রুপ সর্বোচ্চ ২০০ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ নিতে পারবে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, ২০ হাজার কোটি টাকার এই প্রাক-অর্থায়ন স্কিমের মাধ্যমে তিন বছরের বেশি সময় ধরে বন্ধ থাকা কারখানা ও সেবা প্রতিষ্ঠানগুলো আবার চালুর সুযোগ তৈরি করা হবে। ঋণের সুদের হার সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।
নীতিমালা অনুযায়ী, ঋণ দেয়ার আগে ব্যাংকগুলোকে প্রতিষ্ঠানটির ঋণ পরিশোধ সক্ষমতা এবং প্রয়োজন মূল্যায়ন করতে হবে। বিশেষ করে কেন প্রতিষ্ঠানটি আগের সময়ে ব্যর্থ হয়েছিল, তা বিস্তারিতভাবে যাচাই করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
এই স্কিমের আওতায় রপ্তানিমুখী শিল্পকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। তবে বিদ্যমান ঋণ পরিশোধ বা সমন্বয়ের জন্য এই অর্থ ব্যবহার করা যাবে না।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, ঋণ খেলাপি, অর্থপাচারে জড়িত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এবং অতীতে ঋণের অর্থ অপব্যবহারকারীরা এই সুবিধা পাবেন না।
এছাড়া ঋণের অর্থ ব্যবহার করা যাবে উৎপাদন বাড়ানো, কাঁচামাল কেনা, শ্রমিক-কর্মচারীর বেতন পরিশোধ, বিদ্যুৎ-গ্যাস বিল মেটানো এবং রপ্তানি আদেশ বাস্তবায়নে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধরনের স্কিমে অর্থায়ন দেওয়ার ক্ষেত্রে কঠোর যাচাই-বাছাই জরুরি, যাতে অর্থ উৎপাদনশীল খাতে ব্যবহার হয় এবং তা থেকে আয় তৈরি হয়ে ঋণ পরিশোধ সম্ভব হয়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মতে, ব্যাংক খাতের সক্ষমতা বিবেচনায় এই স্কিম অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে না বরং বেসরকারি খাতে গতি আনবে।
আরটিভি/জেএমএ



