ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

বিনিয়োগ বাড়াতে সংস্কারের আহ্বান অ্যামচামের

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৫ জুন ২০২৬, ১১:১৩ পিএম
ছবি : বাসস

আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ (অ্যামচাম) বাজেট-পরবর্তী এক মতবিনিময় সভায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটকে ইতিবাচক হিসেবে স্বাগত জানানোর পাশাপাশি বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত ও প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে কাঠামোগত সংস্কারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে।

সোমবার (১৫ জুন) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অ্যামচাম সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে ভ্যাট অব্যাহতি, শুল্ক ও কর কাঠামোর কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন, চট্টগ্রাম ও প্রযুক্তিনির্ভর প্রতিষ্ঠানের জন্য ভর্তুকি বৃদ্ধি এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে কর অব্যাহতির মতো উদ্যোগ ব্যবসায়ীদের জন্য উৎসাহব্যাঞ্জক। তবে, দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক উন্নয়ন, বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য আরো বিস্তৃত কাঠামোগত সংস্কার প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. এম. মাসরুর রিয়াজ।

তিনি বলেন, প্রস্তাবিত বাজেট অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধার এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা নিশ্চিতের একটি বাস্তবসম্মত প্রচেষ্টা। তার মতে, বিনিয়োগ সহায়ক পদক্ষেপ, রপ্তানি খাতের প্রবৃদ্ধি এবং অবকাঠামো উন্নয়নে বাজেট ইতিবাচক বার্তা দিয়েছে।

তবে তিনি উল্লেখ করেন, বাজেট বাস্তবায়নে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এর মধ্যে উচ্চাভিলাষী ৬ দশমিক ৫ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা, রাজস্ব আহরণের চ্যালেঞ্জ, রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষতি এবং জ্বালানি খাতের দুর্বলতা অন্যতম। লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কার্যকর বাস্তবায়নকে তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে অভিহিত করেন।

আরও পড়ুন

মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণকারীরা বলেন, দুর্বল বৈশ্বিক ও দেশীয় অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে রাজস্ব আহরণের লক্ষ্য পূরণে সরকারকে সতর্ক থাকতে হবে। কারণ, অতিরিক্ত করের চাপ ব্যবসা সম্প্রসারণ, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। একই সঙ্গে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে বাজার ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করা, প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন নিশ্চিত করা এবং প্রতিযোগিতামূলক ব্যবসা পরিবেশ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

অ্যামচামের পক্ষ থেকে বলা হয়, প্রযুক্তি উন্নয়ন, উদ্যোক্তা সৃষ্টি, আধুনিকায়ন এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের জন্য বাজেটে গৃহীত পদক্ষেপগুলো ইতিবাচক। তবে, বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধি, ব্যবসা পরিচালনার ব্যয় হ্রাস এবং বেসরকারি খাতনির্ভর প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে ধারাবাহিক নীতিগত সংস্কার অপরিহার্য।

অনুষ্ঠানে অ্যামচামের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন খাতের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করেন।

আরটিভি/ এসকেডি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
পোশাক রপ্তানিতে নতুন রেকর্ড
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানিতে অপ্রচলিত বাজারের গুরুত্ব ক্রমেই বাড়ছে। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের আগস্টে এসব বাজারে তৈরি পোশাক রপ্তানি রেকর্ড ৬৪২ দশমিক ৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে, যা এক মাসে এ খাতে সর্বোচ্চ রপ্তানি।
পোশাক রপ্তানিতে নতুন রেকর্ড
দেশের বাজারে আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা
দেশের বাজারে সর্বশেষ নির্ধারিত দামেই বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিক্রি হচ্ছে সোনা। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)  শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সোনার দাম ভরিতে ১ হাজার ৬৯১ টাকা বাড়ানোর ঘোষণা দেয়। এর আগে আরও এক দফা দাম বাড়ানো হয়েছিল।
দেশের বাজারে আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা
তিন দেশে বাড়ছে পোপা শুঁটকির চাহিদা, সাগরে কমছে মাছ
কক্সবাজার উপকূলে উৎপাদিত পোপা শুঁটকির চাহিদা বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্র, হংকং ও চীনে। সুস্বাদু স্যুপের পাশাপাশি পোপা মাছের পটকা ও আঁইশ থেকে কোলাজেন, প্রসাধনী ও ওষুধ তৈরিতে ব্যবহার হয়। চাহিদা থাকলেও সাগরে মাছের সংকটের কারণে কমছে উৎপাদন ও রপ্তানি। ফলে এ বছর নির্ধারিত রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা পূরণ নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
তিন দেশে বাড়ছে পোপা শুঁটকির চাহিদা, সাগরে কমছে মাছ
আরও ১১ উড়োজাহাজ কিনতে বোয়িংয়ের সঙ্গে চুক্তি সই বিমানের
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকাবাহী বিমান সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এবং যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের মধ্যে আরও ১১টি অত্যাধুনিক বোয়িং উড়োজাহাজ সংগ্রহের লক্ষ্যে একটি সম্পূরক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইডলাইনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান রুমী এ হোসেন এবং বোয়িংয়ের কমার্শিয়াল সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং বিভাগের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ব্র্যাড ম্যাকমুলেন নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ূন কবির, ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্‌দী আমিন, যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিক এবং যুক্তরাষ্ট্রের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস্টোফার ল্যান্ডাউ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক বাণিজ্যবিষয়ক যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগের আন্ডার সেক্রেটারি উইলিয়াম কিমিট, বোয়িং গ্লোবালের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ব্রেন্ডান নেলসন, বোয়িং কমার্শিয়াল এয়ারপ্লেনসের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্টেফানি পোপ, দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. পল কাপুর, বোয়িং কমার্শিয়াল এয়ারপ্লেনসের ইউরেশিয়া, ভারত ও দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের বাণিজ্যিক বিক্রয় ও বিপণন বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট পল রিগি এবং উভয় প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান রুমী এ হোসেন বলেন, “আজকের এই সম্পূরক চুক্তি বিমানের চলমান বহর আধুনিকায়ন ও নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ কার্যক্রমে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। আমাদের বহর পরিকল্পনার সুনির্দিষ্ট প্রয়োজনীয়তার আলোকে এই ক্রয়াদেশ প্রদান করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে বোয়িংয়ের সঙ্গে আমাদের যে কার্যকর ও পারস্পরিক সহযোগিতামূলক সম্পর্ক রয়েছে, তা উড়োজাহাজ সরবরাহ ও পরবর্তী সহায়তা ব্যবস্থাপনার বিষয়ে আমাদের আস্থা জুগিয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “জাতীয় পতাকাবাহী বিমান সংস্থা হিসেবে বাংলাদেশে বসবাসকারী জনগণ, প্রবাসী বাংলাদেশি, ব্যবসায়ী ও পর্যটকদের ক্রমবর্ধমান যোগাযোগের চাহিদা পূরণে বিমানের নেটওয়ার্ক ও সক্ষমতা উন্নয়নে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আগামী বছরগুলোতে দেশের আন্তর্জাতিক আকাশ যোগাযোগ আরও শক্তিশালী করার জন্য একটি বিস্তৃত ও সুপরিকল্পিত দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এই চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে।” নতুন এই চুক্তি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের দীর্ঘমেয়াদি বহর আধুনিকায়ন কর্মসূচিকে আরও শক্তিশালী করবে। একই সঙ্গে এটি বিমানের পরিচালন সক্ষমতা, পরিচালনাগত নমনীয়তা ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে। বিদ্যমান বোয়িং বহরের সঙ্গে প্রয়োজনীয় সামঞ্জস্য ও ধারাবাহিকতা বজায় রাখার ক্ষেত্রেও এই চুক্তি সহায়ক হবে। বাংলাদেশের জাতীয় পতাকাবাহী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স দেশের ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক যোগাযোগের চাহিদা পূরণ এবং দীর্ঘমেয়াদে জাতীয় বিমান পরিবহন সক্ষমতা জোরদারের লক্ষ্যে একটি আধুনিক, দক্ষ ও বাণিজ্যিকভাবে টেকসই বহর গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। জাতীয় অগ্রাধিকার, প্রযোজ্য আইন ও বিধিবিধান এবং বৈশ্বিক বিমান পরিবহন খাতের ক্রমবিকাশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ভবিষ্যতেও তার বহর ও নেটওয়ার্কের প্রয়োজনীয়তা নিয়মিতভাবে পর্যালোচনা করবে।
আরও ১১ উড়োজাহাজ কিনতে বোয়িংয়ের সঙ্গে চুক্তি সই বিমানের
সার ও মসুর ডাল আমদানি নিয়ে সরকারের বড় সিদ্ধান্ত
দেশের বর্ধমান চাহিদা মেটাতে সরকার পৃথক প্রস্তাবে ১০ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল এবং ১ লাখ ৫৫ হাজার মেট্রিক টন এমওপি ও ডিএপি সার কেনার অনুমোদন দিয়েছে।
সার ও মসুর ডাল আমদানি নিয়ে সরকারের বড় সিদ্ধান্ত
আরও পড়ুন
১২ কোটি টাকা ঢেলেও গাড়ি চলে ‘হেলেদুলে’
কেসিসির ৬০১ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা
১৯ বছরেও হয়নি রাস্তা সংস্কার, ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী
এবার স্কুল সংস্কারের দাবিতে মাঠে নামল ‘ককরোচ জনতা পার্টি’