সপ্তাহের বাজারে গিয়ে চাপে সাধারণ মানুষ

আরটিভি নিউজ

শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬ , ১১:২৯ এএম


সপ্তাহের বাজারে গিয়ে চাপে সাধারণ মানুষ
সপ্তাহের বাজারে গিয়ে চাপে সাধারণ মানুষ। ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর বাজারে আগের বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য। আগের বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে অধিকাংশ পণ্য। উচ্চমূল্যের কারণে স্বস্তি নেই সাধারণ মানুষের মনে।

শুক্রবার (১৯ জুন) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

কাঁচা পেঁপে ৪০ থেকে ৫০ টাকা, সবজির বাজারে বেগুন আকারভেদে ৮০ থেকে ১০০ টাকা, করলা ও উচ্ছে ৮০ টাকা, শসা ৮০ টাকা, ভেন্ডি ৬০ টাকা, পটল ৬০ টাকা, বরবটি ৮০ টাকা এবং গাজর ১৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। 

এছাড়া লাউ ৭০ থেকে ৮০ টাকা, ধুন্দল ৬০ টাকা, লতি ৮০ টাকা, চাল কুমড়া ৬০ টাকা, ঝিঙে ৬০ টাকা ও জালি কুমড়া ৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

কলার হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকায়।শাকের বাজারে লালশাক ১৫ টাকা, পুঁইশাক ও লাউশাক ৩০ টাকা, কচুশাক ও কলমিশাক ১০ টাকা আঁটি বিক্রি হচ্ছে। আলুর কেজি ২৫ টাকা।

সবজির বাজারের মতো একই অবস্থা মাংস ও মাছে বাজারের। মাংসের বাজারে গরুর মাংস ৮০০ টাকা, খাসির মাংস ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা এবং বকরির মাংস ১ হাজার ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ব্রয়লার মুরগি ১৭০ টাকা, লেয়ার ও সোনালি মুরগি ৩৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ডিমের হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪৫ টাকায়।

আরও পড়ুন

মাছের বাজারে এক কেজি বা তার বেশি ওজনের ইলিশ ৩ হাজার টাকা, ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ১ হাজার ৫০০ থেকে ১ হাজার ৭০০ টাকা এবং ছোট আকারের ইলিশ ৯০০ থেকে ১ হাজার টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া রুই ও কাতল মাছ ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকা, বড় সিলভার কার্প ২০০ টাকা, ছোট সিলভার কার্প ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা, বোয়াল ৭০০ টাকা, হাইব্রিড ট্যাংরা ৮০০ টাকা, পোয়া মাছ ৫০০ টাকা এবং কাচকি মাছ ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এ ছাড়াও মসলার বাজারে দেশি রসুন ১০০ টাকা, আমদানি করা বড় রসুন ১৬০ টাকা, কাঁচা মরিচ ১২০ টাকা এবং আদা ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে মুদি দোকান ঘুরে দেখা যায়, চালের বাজারে স্বর্ণা চাল ৫০ থেকে ৫৫ টাকা, মিনিকেট ও মোজাম্মেল চাল ৮৫ টাকা, বিআর-২৮ চাল ৬০ টাকা এবং পাইজাম চাল ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

ডালের মধ্যে দেশি চিকন মসুর ডাল ১৬০ টাকা, বড় মসুর ডাল ১০০ টাকা এবং ছোলার ডাল ১০০ থেকে ১১০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। একই ধরনের ডাল সুপারশপে ১০ থেকে ২০ টাকা বেশি দামে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

ছুটির দিনে সকালে মিরপুর-১০ নম্বরে কেনাকাটা করতে এসে অসন্তোষ প্রকাশ করেন বেসরকারি চাকরিজীবী মো. শাহিন মিয়া। তিনি বলেন, বাজারে বেশিরভাগ নিত্যপণ্যের দাম আগের মতোই বেশি রয়েছে, যা সাধারণ মানুষের জন্য বড় চাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে। 

তার ভাষ্য, আয় বাড়েনি কিন্তু সংসার চালানোর খরচ দিন দিন বেড়েই চলেছে। বিশেষ করে মাছ, মাংস ও সবজির দাম মধ্যবিত্ত পরিবারের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। বাজারে নতুন করে দাম না বাড়লেও বর্তমান উচ্চমূল্যে স্বস্তি পাচ্ছেন না বলে জানান শাহিন। 

আরটিভি/এসআর
 

আরটিভি খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

logo_appslogo_apps

Loading...

আরও পড়ুন

© All Rights Reserved 2016-2026 | RTV Online | It is illegal to use contents, pictures, and videos of this website without authority's permission