ঢাকা শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩

চীনের সঙ্গে সমঝোতায় দেশের নিউ মিডিয়ায় গুণগত পরিবর্তন আসবে: তথ্যমন্ত্রী

বাসস

প্রকাশ : ২৮ জুন ২০২৬, ০৮:১৯ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

চীনের সঙ্গে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকগুলোর মাধ্যমে বাংলাদেশের নিউ মিডিয়ায় গুণগত পরিবর্তন আসবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

চীনের সঙ্গে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের চারটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হিসেবে আমি চীন সরকারের সঙ্গে চারটি সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেছি। এর মাধ্যমে দুই দেশের তথ্য ব্যবস্থাপনায় পারস্পরিক অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান বিনিময়ের বিষয়ে আমরা একমত হয়েছি।

‘চীনের মতো একটি আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর দেশের সঙ্গে গণমাধ্যমে প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ে গবেষণার বিষয়ে আমরা একমত হয়েছি। এই যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশের নিউ মিডিয়ায় গুণগত পরিবর্তন আনতে পারব বলে আমরা আস্থাবান।’

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) চীনের রাজধানী বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও চীনের প্রধানমন্ত্রী লি চিয়াংয়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর দুই দেশের মধ্যে ১৭টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। এর মধ্যে দুই প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে ১৩টি সমঝোতা স্মারকে সই হয়। এসবের মধ্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়-সংশ্লিষ্ট চারটি সমঝোতা স্মারকে বাংলাদেশের পক্ষে স্বাক্ষর করেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী।

আরও পড়ুন

তথ্যমন্ত্রী বলেন, চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং, প্রধানমন্ত্রী ও পার্লামেন্টের স্পিকারের মতো সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে যে সম্মান ও গুরুত্ব পেয়েছি এবং যে আলোচনা হয়েছে তাতে আমরা আশাবাদী যে, বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্ক আমাদের দেশের অর্থনীতি, প্রযুক্তি এবং আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক মর্যাদা ও সম্মানকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে। বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে দুটি চুক্তি এবং বেশ কয়েকটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।

চীনে প্রধানমন্ত্রীর এই সফর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের এটাই প্রথম বিদেশ সফর। চীনের আন্তরিকতা ও ভালোবাসায় আমরা মুগ্ধ। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এই প্রতিনিধি দলের প্রতি চীনের যে আন্তরিকতা, তা প্রকৃত অর্থে আমাদের দেশের জনগণের প্রতি তাদের প্রতিশ্রুতি ও ভালোবাসারই প্রতিফলন।’

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে উল্লেখ করেছেন যে, এই সফরের মধ্য দিয়ে দুই দেশের সম্পর্ক গুণগতভাবে এক নতুন যুগে প্রবেশ করবে। যে সম্পর্কের সূচনা হয়েছিল শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাত ধরে এবং যা বিকশিত হয়েছিল আমাদের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও গণতন্ত্রের মাতা মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার হাত ধরে- তা এখন আমাদের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে এক নতুন স্তর অতিক্রম করতে যাচ্ছে। এই মন্তব্য আমার নয়, স্বয়ং চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংয়ের।’

গত ১২ জুন প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রথমে মালয়েশিয়া এবং পরে চীন সফর করেন। চার দিনের চীন সফরের প্রথম দুই দিন তিনি দালিয়ানে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের সম্মেলনে অংশ নেন। এরপর বুধবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রী চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে যান।

বেইজিং সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীনের প্রধানমন্ত্রী লি চিয়াংয়ের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক এবং প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংয়ের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় ও একান্ত বৈঠক করেন।

এছাড়া তিনি ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসের স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান ঝাও লেজির সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন। এসব বৈঠকই অনুষ্ঠিত হয় দেশটির পার্লামেন্ট ভবন ‘গ্রেট হল অব দ্য পিপল’-এ।

প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গীদের মধ্যে ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, একেএম শামসুল ইসলাম, রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর ও মাহাদী আমিন।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
দেশে আরও তিনটি নতুন সার কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা সরকারের
এর মধ্যে ভোলায় দৈনিক ১ হাজার ৭০০ মেট্রিক টন ইউরিয়া, চট্টগ্রামে বছরে ৪ লাখ মেট্রিক টন টিএসপি ও নরসিংদীর পলাশে বছরে ২৪ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া ফরমালডিহাইড-৮৫ (ইউএফ-৮৫) উৎপাদন ক্ষমতার কারখানা স্থাপনের উদ্যোগ রয়েছে। 
দেশে আরও তিনটি নতুন সার কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা সরকারের
হাতিরঝিলে ‘সিএ বাংলাদেশ অ্যাকাউন্টিং ডে রান ২০২৬’ অনুষ্ঠিত
আন্তর্জাতিক হিসাববিজ্ঞান দিবস উদ্‌যাপন উপলক্ষে রাজধানীর হাতিরঝিলে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘সিএ বাংলাদেশ অ্যাকাউন্টিং ডে রান ২০২৬’। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) ভোর ৫টায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক তত্ত্বাবধানে পরিচালিত দেশের শীর্ষস্থানীয় পেশাদার অ্যাকাউন্টিং সংস্থা, ইনষ্টিটিউট অফ চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অফ বাংলাদেশের (আইসিএবি) ঢাকা আঞ্চলিক কমিটি (ডিআরসি) ঢাকার হাতিরঝিলে ‘স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের সৌজন্যে সিএ বাংলাদেশ অ্যাকাউন্টিং ডে রান ২০২৬-এর আয়োজন করেছে। অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্টারন্যাশনাল ম্যারাথনস অ্যান্ড ডিসট্যান্স রেসেস (AIMS)-এর সাথে অনুমোদিত এবং ওয়ার্ল্ড অ্যাথলেটিক্স-স্বীকৃত এই ইভেন্টটির লক্ষ্য হলো অ্যাকাউন্টিং পেশাজীবী এবং বৃহত্তর সম্প্রদায়ের মধ্যে শারীরিক সুস্থতা, মানসিক প্রশান্তি এবং স্বাস্থ্যকর কর্ম-জীবনের ভারসাম্যকে উৎসাহিত করা। আইসিএবি প্রেসিডেন্ট জনাব সাব্বির আহমেদ এফসিএ, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশ-এর সিইও জনাব মোহাম্মদ এনামুল হক, ডিআরসি চেয়ারম্যান মো. কামরুজ্জামান এফসিএ, ডিআরসি সেক্রেটারি মোহাম্মদ এখলাস উদ্দিন এফসিএ, ডিআরসি কোষাধ্যক্ষ রাশিদুল ইসলাম এফসিএ, ইভেন্ট কনভেনার পারুল দাস এফসিএ, ইভেন্ট চেয়ারম্যান মো. মাকসুদুর রহমান এফসিএ এবং ডিআরসি সদস্যবৃন্দসহ অন্যান্য বিশিষ্ট অতিথিরা এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। ‘সুস্থতা ও অ্যাকাউন্টিংয়ের মেলবন্ধন’ প্রতিপাদ্যকে ধারণ করে, ইভেন্টটি স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনকে উৎসাহিত করা, সম্প্রদায়ের সম্পৃক্ততা জোরদার করা এবং পেশাগত উৎকর্ষের পাশাপাশি শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার গুরুত্বকে তুলে ধরার লক্ষ্য নিয়ে আয়োজন করা হয়েছে। আয়োজকদের মতে, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট, তাদের পরিবার, সিএ শিক্ষার্থী, কর্পোরেট পেশাজীবী এবং বিভিন্ন অঙ্গনের দৌড়বিদসহ ৩,৮০০ জনেরও বেশি অংশগ্রহণকারী এই ইভেন্টে অংশ নিয়েছেন। অংশগ্রহণকারীরা ১৫ কিমি, ৭.৫ কিমি এবং ১ কিমি—এই তিনটি ক্যাটাগরিতে দৌড়েছেন, যার মধ্যে ১ কিমি ক্যাটাগরিটি বিশেষভাবে মা ও শিশুদের জন্য রাখা হয়েছিল। দৌড়টি শুক্রবার ভোর ৫টায় হাতিরঝিল অ্যাম্ফিথিয়েটার থেকে শুরু হয়। অংশগ্রহণকারীরা হাতিরঝিলের মনোরম পথ ধরে দৌড়ে নির্দিষ্ট ফিনিশ লাইনে ফিরে আসেন, যা সহনশীলতা, দৃঢ়সংকল্প এবং ঐক্যবোধের এক উদযাপনে পরিণত হয়। দৌড়ের দিনটির আগে, ২ নভেম্বর তারিখে ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকা বাই আইএইচজি (IHG)-তে দুপুর ১টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত একটি এক্সক্লুসিভ কিট এক্সপো অনুষ্ঠিত হয়। নিবন্ধিত অংশগ্রহণকারীরা এক্সপো চলাকালীন তাদের অফিসিয়াল রেস কিট এবং বিশেষ গুডি ব্যাগ সংগ্রহ করেন। এই ইভেন্টে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড, সিটি ব্যাংক পিএলসি, স্প্রিন্ট বাই অ্যাপেক্স, আমিন মোহাম্মদ এগ্রো, ব্র্যাক ব্যাংক, শাহ সিমেন্ট, বিকাশ, পূবালী ব্যাংক, রানার, ট্রান্সকম লিমিটেড, ফকির টেকনোলজিস, রুচি এবং ডিবিএল সিরামিকসসহ বেশ কিছু শীর্ষস্থানীয় কর্পোরেট পৃষ্ঠপোষক যুক্ত ছিল। ইভেন্টের বিশিষ্ট অংশীদারদের মধ্যে রয়েছে ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকা বাই আইএইচজি, এসএমসি প্লাস, গ্লুকোম্যাক্স-ডি, ইস্পাহানি, কোকা-কোলা, আরাম, ম্যাগি, ডেটল, জিরোক্যাল, মাইলো, নেসকাফে, পোলার আইসক্রিম, রিন, ভিম, কল্লোল গ্রুপ অফ কোম্পানিজ, কিটক্যাট, নাফকো ফার্মা, লাক্স, সেনোরা কনফিডেন্স, ব্লেন্ডারস চয়েস টি, জিরোক্যাল, টিকিফাই, আপসাইট বাংলাদেশ, স্পোর্টস বাংলা, ইউসিআর রেস ক্রু, কন্টিনেন্টাল হাসপাতাল এবং কোটপিন বিডি। তাদের অবদান রেস-দিনের সামগ্রিক অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করেছে। আরটিভি এই ইভেন্টের অফিসিয়াল মিডিয়া পার্টনার হিসেবে কাজ করেছে, যা ইভেন্টটির প্রচার প্রসার ঘটিয়েছে এবং দেশব্যাপী দর্শকদের কাছে সুস্থতা ও ফিটনেসের বার্তা পৌঁছে দিয়েছে। কেবল একটি ক্রীড়া ইভেন্ট নয়, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের সৌজন্যে আয়োজিত ‘সিএ বাংলাদেশ অ্যাকাউন্টিং ডে রান ২০২৬’ সুস্থতা, সহনশীলতা এবং সামাজিক সম্পৃক্ততার সংস্কৃতি গড়ে তোলার ক্ষেত্রে আইসিএবি-এর অঙ্গীকারকে তুলে ধরে। পেশাজীবী, পরিবার এবং ফিটনেস উৎসাহীদের একটি অভিন্ন প্ল্যাটফর্মে একত্রিত করার মাধ্যমে, এই উদ্যোগটি শৃঙ্খলার মূল্যবোধ, দৃঢ়সংকল্প এবং পেশাগত উৎকর্ষ উদযাপন করার পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রায় অনুপ্রাণিত করার লক্ষ্য নিয়েছে। এই ইভেন্টটি ছিল ফিটনেস, ঐক্য এবং অ্যাকাউন্টিং পেশার এক অসাধারণ উদযাপন, যা এই বার্তাকেই শক্তিশালী করে যে পেশাগত সাফল্য এবং ব্যক্তিগত সুস্থতা একে অপরের পরিপূরক। আরটিভি/টিআর
হাতিরঝিলে ‘সিএ বাংলাদেশ অ্যাকাউন্টিং ডে রান ২০২৬’ অনুষ্ঠিত
রমজানের আগেই বাড়ছে ছোলার দাম, কাটছে না সয়াবিন তেলের সংকট
রমজান শুরু হওয়ার এখনো কয়েক মাস বাকি। এরই মধ্যে ছোলার কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়েছে বাজারে। পণ্যটির দাম কেজিতে বেড়ে গেছে  প্রায় ১০ থেকে ১৫ টাকা। কাটছে না সয়াবিন তেলের সংকটও; বিক্রি হচ্ছে বাড়তি দামে। সেইসঙ্গে এখনো চড়া মাছের বাজার।
রমজানের আগেই বাড়ছে ছোলার দাম, কাটছে না সয়াবিন তেলের সংকট
হঠাৎ দেশবাসীর জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের সতর্কবার্তা
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টের মাধ্যমে এ সতর্কবার্তা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
হঠাৎ দেশবাসীর জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের সতর্কবার্তা
দেশের রিজার্ভ এখন ৩৪ বিলিয়ন ডলার
এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) আমদানি বিল পরিশোধের পর দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৪৮৫ কোটি ৫৮ লাখ ১০ হাজার ডলার বা ৩৪ দশমিক ৮৫ বিলিয়ন ডলারে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সবশেষ তথ্যানুযায়ী, সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসের আকুর বিল পরিশোধ করা হয়েছে ১ হাজার ৬৪২ দশমিক ৪৬ মিলিয়ন বা ১ দশমিক ৬৪ বিলিয়ন ডলার। এতে ৫ নভেম্বর পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৪৮৫ কোটি ৫৮ লাখ ১০ হাজার ডলার বা ৩৪ দশমিক ৮৫ বিলিয়ন ডলারে। আর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাবায়ন পদ্ধতি (বিপিএম৬) অনুযায়ী রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৯৯৮ কোটি ৫৭ লাখ ৫০ হাজার ডলার বা ২৯ দশমিক ৯৮ বিলিয়ন ডলারে। এর আগে গত ৪ নভেম্বর পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩৬ হাজার ৩৮৩ দশমিক ৬৬ মিলিয়ন বা ৩৬ দশমিক ৩৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আর বিপিএম-৬ পদ্ধতিত রিজার্ভ ছিল ৩১ হাজার ৫১৫ দশমিক ৮৭ মিলিয়ন বা ৩১ দশমিক ৫১ বিলিয়ন ডলার। উল্লেখ্য, নিট রিজার্ভ গণনা করা হয় আইএমএফের বিপিএম-৬ পরিমাপ অনুসারে। মোট রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদি দায় বিয়োগ করলে নিট বা প্রকৃত রিজার্ভের পরিমাণ পাওয়া যায়। আকু কী? আকু হলো এশিয়ার কয়েকটি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মধ্যকার একটি আন্তঃআঞ্চলিক লেনদেন নিষ্পত্তিব্যবস্থা। এর মাধ্যমে বাংলাদেশসহ এশিয়ার ৯টি দেশের মধ্যে যেসব আমদানি-রফতানি হয়, তার মূল্য দুই মাস পরপর নিষ্পত্তি করা হয়। অন্য দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের আমদানি-রফতানিসংক্রান্ত লেনদেন আকুর মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে সম্পন্ন হয়। আমদানি বিল পরিশোধ করার ফলে রিজার্ভ সাময়িকভাবে কিছুটা হ্রাস পায়। জাতিসংঘের এশিয়া অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের (ইএসক্যাপ) উদ্যোগে ১৯৭৪ সালের ৯ ডিসেম্বর আকু প্রতিষ্ঠিত হয়। এর সদর দফতর ইরানের তেহরানে। আকুর সদস্যদেশগুলো হচ্ছে-বাংলাদেশ, ভারত, ইরান, নেপাল, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, মিয়ানমার, ভুটান ও মালদ্বীপ। আরটিভি/টিআর
দেশের রিজার্ভ এখন ৩৪ বিলিয়ন ডলার
আরও পড়ুন
হরমুজ প্রণালিতে ভারত-চীনসহ ৪ দেশের জাহাজ চলাচলে ছাড় দিল ইরান
অনলাইনে বিয়ের দাওয়াত এতিম তরুণের, হাজির ১০ হাজারের বেশি অতিথি!
বাংলাদেশে আরও বেশি চীনা বিনিয়োগের ওপর গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর
বাংলাদেশ-চীনের মধ্যে অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত সহযোগিতায় সমঝোতা স্মারক সই