ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

এসএসসি, এইচএসসি ও স্নাতক পর্যায়ে বৃত্তি নিয়ে বড় সুখবর

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৫ জানুয়ারি ২০২৬, ০৭:৩৩ পিএম
ফাইল ছবি

দেশের মাধ্যমিক থেকে উচ্চশিক্ষা স্তর পর্যন্ত ‘মেধা’ ও ‘সাধারণ’ বৃত্তির সংখ্যা বৃদ্ধিসহ এর অর্থের পরিমাণ বাড়ানোর বড় পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।

জুনিয়র শিক্ষাবৃত্তি বাড়ানোর উদ্যোগের পর এবার এসএসসি, এইচএসসি এবং স্নাতক পর্যায়ের সব ধরনের বৃত্তির হার ২০ শতাংশ এবং বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মাসিক ও এককালীন অর্থের পরিমাণ বর্তমানের চেয়ে দ্বিগুণ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এই সমন্বিত প্রস্তাবটি ইতোমধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) এসব তথ্য জানিয়েছেন মাউশির মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক বি. এম. আব্দুল হান্নান।

প্রস্তাবনাটি কার্যকর হলে বর্তমানে বিদ্যমান ৪১ হাজার বৃত্তির সঙ্গে আরও নতুন করে যুক্ত হবে ৮ হাজার ১৯২ জন শিক্ষার্থী। প্রস্তাবিত সংখ্যা বাড়লে এই তিন স্তরের বৃত্তিযোগ্য শিক্ষার্থীর মোট সংখ্যা দাঁড়াবে মোট ৪৯ হাজার ১৫১ জনে।

মাউশির মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক বি. এম. আব্দুল হান্নান বলেন, জুনিয়র শিক্ষাবৃত্তির হার ও আর্থিক সুবিধা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে এসএসসি, এইচএসসি ও স্নাতক পর্যায়ের বৃত্তি না বাড়ালে একটি অসামঞ্জস্য তৈরি হবে। এই বিষয়টি বিবেচনায় রেখেই আমরা একটি বড় পরিকল্পনা প্রস্তুত করেছি।

তিনি আরও বলেন, উচ্চতর শিক্ষাস্তর পর্যন্ত বৃত্তির সংখ্যা এবং অর্থের পরিমাণ বাড়ানোর প্রস্তাবটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। আশা করছি, শিগগিরই অর্থ বিভাগের অনুমোদন মিলবে এবং চলতি অর্থবছর থেকে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।

আরও পড়ুন

মাউশির তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে নির্ধারিত হারে শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে। তবে গত এক দশকে জীবনযাত্রার ব্যয় এবং শিক্ষা উপকরণ সামগ্রীর দাম কয়েকগুণ বাড়লেও বৃত্তির অর্থের পরিমাণ বাড়েনি। বর্তমান বাজারদরের ঊর্ধ্বগতির কারণে বিদ্যমান বৃত্তির অর্থ শিক্ষার্থীদের মৌলিক চাহিদা পূরণে একেবারেই পর্যাপ্ত নয়। এই বাস্তবতায় দীর্ঘ ৯ বছর পর মেধাবীদের পড়ালেখায় উৎসাহিত করতে আর্থিক সুবিধা ও বৃত্তির সংখ্যা— উভয়ই বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ে পাঠানো প্রস্তাবনায় মাউশি বলেছে, কেবল জুনিয়র শিক্ষাবৃত্তির সংখ্যা ও আর্থিক সুবিধা বাড়ানো হলে তা উচ্চতর স্তরের (এসএসসি, এইচএসসি ও স্নাতক) বৃত্তির হারের চেয়ে বেশি হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে, যা কোনোভাবেই যৌক্তিক নয়।

মাউশির পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের সহকারী পরিচালক কামরুন নাহার জানান, প্রতিটি স্তরের শিক্ষায় সামঞ্জস্য বজায় রাখতেই এসএসসি ও এইচএসসি এবং স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতক (পাস)সহ সকল স্তরের রাজস্ব খাতভুক্ত বৃত্তির হার বাড়ানোর এই সমন্বিত প্রস্তাব তৈরি করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা শুধু শিক্ষাবৃত্তির হার নয়, বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মাসিক ও এককালীন অর্থের পরিমাণ বর্তমানের চেয়ে দ্বিগুণ করার প্রস্তাবনা দিয়েছি।

প্রস্তাবনাটির বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের যুগ্ম-সচিব সাইদুর রহমান বলেন, মাউশি থেকে জুনিয়র বৃত্তি ছাড়াও মাধ্যমিক থেকে উচ্চশিক্ষা স্তরের বৃত্তির হার, মাসিক ও এককালীন আর্থিক সুবিধা বাড়ানোর সমন্বিত একটি প্রস্তাবনা আমাদের কাছে এসেছে। আমরা বর্তমানে প্রস্তাবটি যাচাই-বাছাই করছি। এটি চূড়ান্ত করে অর্থ বরাদ্দের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।

এসএসসি পর্যায়ে বর্তমানে সারা দেশে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীর ২৫ হাজার ৫০০ জন। প্রস্তাবিত খসড়ায় এই সংখ্যা ২০ শতাংশ বাড়িয়ে ৩০ হাজার ৬০০ করার কথা বলা হয়েছে। এর মধ্যে ট্যালেন্টপুল বৃত্তির সংখ্যা ৩ হাজার ৬০০ এবং সাধারণ বৃত্তি ২৭ হাজার। আর এসএসসির ট্যালেন্টপুল বৃত্তির মাসিক হার ৬০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ২০০ টাকা এবং বার্ষিক এককালীন অনুদান ৯০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ৮০০ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

অন্যদিকে, সাধারণ বৃত্তির হার মাসিক ৩৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭০০ টাকা এবং বার্ষিক এককালীন অনুদান ৪৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৯০০ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে এই খাতে সরকারের দুই বছরে ব্যয় ২৫ কোটি ৭৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ৬১ কোটি ৮৮ লাখ ৪০ হাজার টাকায় দাঁড়াবে।

আরও পড়ুন

নতুন প্রস্তাবনা অনুযায়ী, এইচএসসি পর্যায়ে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১০ হাজার ৫০০ থেকে বাড়িয়ে ১২ হাজার ৬০০ করার প্রস্তাব করা হয়েছে, যা আগের তুলনায় ২০ শতাংশ বেশি। আর এইচএসসির ট্যালেন্টপুল বৃত্তির মাসিক হার ৮২৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ৬৫০ টাকা এবং এককালীন অনুদান ১ হাজার ৮০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩ হাজার ৬০০ টাকা করার কথা বলা হয়েছে।

বিপরীতে সাধারণ বৃত্তির মাসিক হার ৩৭৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭৫০ টাকা এবং এককালীন অনুদান ৭৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ৫০০ টাকা করার কথা বলা হয়েছে। এই খাতে ৫ বছরে সরকারের সম্ভাব্য মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৭৪ কোটি ৮৫ লাখ ৭৫ হাজার টাক, এতে আগে বরাদ্দ ছিল ৩১ কোটি ২৯ লাখ ৬ হাজার ২৫০ টাকা।

মাউশি জানিয়েছে, এইচএসসি বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে যারা মেডিকেলে অধ্যয়নরত, তারা ৫ বছর বৃত্তির অর্থ প্রাপ্য হবেন। এক্ষেত্রে প্রাপ্যতা ৫ বছর ধরে এইচএসসির বৃত্তির হিসাব করা হয়েছে।

এছাড়া, স্নাতক সম্মানে বৃত্তির সংখ্যা ৪ হাজার ৬৫০ থেকে বাড়িয়ে ৫ হাজার ৫৮০ এবং স্নাতক পাস কোর্সের জন্য ৩০৯ থেকে বাড়িয়ে ৩৭১ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এক্ষেত্রেও মাসিক ও এককালীন অর্থের পরিমাণ দ্বিগুণ করার সুপারিশ করা হয়েছে।

প্রস্তাবনা অনুযায়ী, স্নাতক স্তরের ট্যালেন্টপুল বৃত্তির মাসিক হার ১ হাজার ১২৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২ হাজার ২৫০ টাকা এবং এককালীন অনুদান ১ হাজার ৮০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩ হাজার ৬০০ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

অন্যদিকে, সাধারণ বৃত্তির মাসিক হার ৪৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৯০০ টাকা এবং এককালীন অনুদান ৯০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ৮০০ টাকা করার কথা বলা হয়েছে। এই খাতে এক বছরে সরকারের সম্ভাব্য মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৭ কোটি ৩৫ লাখ ৪৮ হাজার টাকা। আগে বরাদ্দ ছিল ৩ কোটি ৬ লাখ ৩৫ হাজার টাকা।

একইভাবে, স্নাতক (পাস) কোর্সের ট্যালেন্টপুল বৃত্তির মাসিক হার ১ হাজার ৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২ হাজার ১০০ টাকা এবং এককালীন অনুদান ১ হাজার ৮০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩ হাজার ৬০০ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

অন্যদিকে, সাধারণ বৃত্তির মাসিক হার ৩৭৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭৫০ টাকা এবং এককালীন অনুদান ৬০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ২০০ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। স্নাতক (পাস) বৃত্তির বার্ষিক সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৭৯ লাখ ৭৭ হাজার ৬০০ টাকা, যা আগে ছিল ৩৩ লাখ ১৯ হাজার ২০০ টাকা।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
গুরুতর আহত রুয়েটের রাফিদ, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নেওয়া হলো ঢাকায়
রাজশাহীর বিনোদপুরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মস্তিষ্কে গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) শিক্ষার্থী রাফিদকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় পাঠিয়েছে রুয়েট প্রশাসন। চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
গুরুতর আহত রুয়েটের রাফিদ, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নেওয়া হলো ঢাকায়
রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব গ্রহণের পর সমাবর্তন ঘোষণার হিড়িক, কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে কবে
বিভাগের সাইনবোর্ড, ক্লাসরুম, শিক্ষক, কর্মকর্তা কিংবা কর্মচারীদের মধ্যে মান অভিমান, নানা রাগ, দ্বন্দ্ব, আনন্দ, হাসি তামাশা এমনকি ৪/৫ বছরের জমানো ক্লান্তির ইতি টেনে একজন শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিদায় নেয়। শেষ সময়ের স্মৃতিকে সম্মিলিতভাবে স্বযত্নে ধরে রাখতে চাইলেও কর্তৃপক্ষ হাতে ধরিয়ে দেয় পরবর্তী চালিকাশক্তি হিসেবে সাময়িক সার্টিফিকেট (প্রোভিশনাল সার্টিফিকেট)। স্বাভাবিকভাবে একাডেমিক মূল সনদপত্র বিতরণ সমাবর্তনে করা হয়। সেই সমাবর্তনের জন্য বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে হয় প্রাক্তনদের। ৩ বছর থেকে শুরু করে ২০ বছরও অপেক্ষায় থাকার নজির রয়েছে। এতক্ষণে কেউ চাকরিজীবী, কেউ বুদ্ধিজীবী, কেউ ব্যবসায়ী, কেউ বা প্রবাসী বনে যায়। স্বাভাবিক রেওয়াজে বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য অর্থাৎ রাষ্ট্রপতির হাত থেকে মূল সনদ গ্রহণ করেন বিদায়ী শিক্ষার্থীরা। শুধু সার্টিফিকেট নয়; বরং কালো ‘গাউন আর টুপি’ পরিধানের বাসনা শিক্ষার্থীদের মনে আরও উদ্দীপনা সৃষ্টি করে। রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের দায়িত্ব গ্রহণের পর সমাবর্তন আয়োজনের বিষয়টি নতুন করে আবারও আলোচনায় এসেছে। ২১ আগস্ট তিনি দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য হিসেবে রাষ্ট্রপতির উপস্থিতি ও সময়সূচির সঙ্গে সমাবর্তন আয়োজনের বিষয়টি সরাসরি যুক্ত থাকায় নতুন রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও সাবেক শিক্ষার্থীদের মধ্যে সমাবর্তন নিয়ে তৈরি হয়েছে নানান প্রত্যাশা। একই সঙ্গে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সৌজন্যে সাক্ষাতে সমাবর্তনের প্রসঙ্গও ওঠে এসেছে। আগামী বছরের শুরুতে একযোগে একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন। একদিকে আর্থিক চ্যালেঞ্জ অন্যদিকে ধারাবাহিক ব্যবস্থাপনার বিষয়টিও এড়িয়ে যাওয়ার মতো নয়। কোন বিশ্ববিদ্যালয় কবে সমাবর্তন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম। ১৪ সেপ্টেম্বর বঙ্গভবনে এক সাক্ষাতকারে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭ম সমাবর্তন আয়োজন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করা হয়। বৈঠকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য হিসেবে রাষ্ট্রপতি আগামী ১৮ জানুয়ারি সমাবর্তন আয়োজনের বিষয়ে সম্মতি দিয়েছেন।  এ সময় সুন্দরবন, উপকূল, লবণাক্ততা, জলবায়ু পরিবর্তন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় উৎকর্ষতার বিষয়টি তুলে ধরেন উপাচার্য। একই সঙ্গে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট, শ্রেণিকক্ষের অপ্রতুলতা এবং মাঠ গবেষণাগারের সীমাবদ্ধতার কথাও উপস্থাপন করেন তিনি। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় দীর্ঘ ৮ বছর পর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) পঞ্চম সমাবর্তন। রাষ্ট্রপতির সম্মতি নিয়ে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির ১, ২ ও ৩ তারিখে মধ্যে সুবিধাজনক কোনো একদিন সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ১৪ সেপ্টেম্বর বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সঙ্গে এক সাক্ষাতকালে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর (আচার্য) মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই সমাবর্তন আয়োজনের বিষয়ে সম্মতি জ্ঞাপন করেন।  এদিকে ৫ম সমাবর্তন আয়োজন উপলক্ষে একটি স্টিয়ারিং কমিটি গঠন করেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। কমিটিতে সভাপতি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. মতিনুর রহমান এবং সদস্য সচিব বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. আতিকুর রহমান রয়েছেন। জনসংযোগ দপ্তর বলছে, সমাবর্তনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সর্বশেষ অর্থাৎ চতুর্থ সমাবর্তন ২০১৮ সালের ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়েছিল। দীর্ঘদিন পর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আনুষ্ঠানিকভাবে ডিগ্রি প্রদান ও একাডেমিক জীবনের গুরুত্বপূর্ণ এই আয়োজনকে ঘিরে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও গ্র্যাজুয়েটদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করে একটি সফল ও স্মরণীয় সমাবর্তন আয়োজনের লক্ষ্যে কাজ করবে কমিটি। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সম্প্রতি রাষ্ট্রপতির সঙ্গে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসানের সৌজন্যে সাক্ষাৎ হয়েছে। এতে রাষ্ট্রপতি সমাবর্তনে উপস্থিত থাকার বিষয়ে সম্মতি দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য। সম্ভাব্য আগামী বছরের এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭ম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হবে। ১৭ সেপ্টেম্বর বঙ্গভবনে সাক্ষাতকালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) শিক্ষা ও গবেষণার গুণগত মান বাড়াতে শিক্ষক নিয়োগসহ সব ক্ষেত্রে মেধা ও যোগ্যতাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি। একই সঙ্গে আগামী বছরের এপ্রিলে অনুষ্ঠেয় জাবির ৭ম সমাবর্তনে যোগ দেওয়ার সম্মতি দিয়েছেন তিনি। নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) তৃতীয় সমাবর্তন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে সম্মত হয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানীর আমন্ত্রণে তিনি এ সম্মতি জানান। ৩১ আগস্ট বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন নোবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী। সাক্ষাৎকালে উপাচার্য নোবিপ্রবির শিক্ষা, গবেষণা ও সামগ্রিক অগ্রগতি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। এসময় দেশের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার বিকাশে নোবিপ্রবির অবদান, বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান কার্যক্রম এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়েও তাদের মধ্যে আলোচনা হয়। পরে উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী আগামী ২৪ জানুয়ারি ২০২৭ অনুষ্ঠিতব্য নোবিপ্রবির তৃতীয় সমাবর্তনে রাষ্ট্রপতিকে উপস্থিত থাকার আমন্ত্রণ জানান। রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আমন্ত্রণ গ্রহণ করে সমাবর্তন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার সদয় সম্মতি জানান। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) দ্বিতীয় সমাবর্তন আগামী বছরের ৩০ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন। ২৩ আগস্ট গণমাধ্যমে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি এ তথ্য নিশ্চিত করেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, রাষ্ট্রপতির অনুমোদনক্রমে জবির ২য় সমাবর্তন উপলক্ষ্যে একটি খসড়া তারিখ করা হয়েছে। ২০২৭ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ জানুয়ারি সমাবর্তনের তারিখ নির্ধারণ করা হয় এবং ভেন্যু হিসেবে জবির কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ (ধূপখোলা মাঠ) প্রাথমিকভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে। শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) দ্বিতীয় সমাবর্তন আগামী  বছরের ৬ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। এ সমাবর্তনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার বিষয়ে সম্মতি জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য ও রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ১৬ সেপ্টেম্বর বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল লতিফের সৌজন্য সাক্ষাতে এ বিষয়ে আলোচনা হয়।সাক্ষাৎকালে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাকার্যক্রম, সার্বিক উন্নয়ন, গবেষণার অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। পাশাপাশি আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি এই সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হওয়ার বিষয়টি নির্ধারিত হয়েছে। রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) সমাবর্তন আগামী ২০২৭ সালের জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এসএম আবদুর রাজ্জাক। সম্প্রতি বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে রুয়েটের উপাচার্যের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎকালে সমাবর্তন আয়োজনের বিষয়ে প্রাথমিক সম্মতি পাওয়া গেছে। সাক্ষাৎকালে রুয়েটের শিক্ষা কার্যক্রম, গবেষণা, অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও সামগ্রিক একাডেমিক অগ্রগতি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিরা। রাষ্ট্রপতির অনুমতিক্রমে আগামী বছরের জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে সমাবর্তন আয়োজনের সম্মতি পাওয়া গেলেও চূড়ান্ত তারিখ পাওয়া যায়নি। পরে রাষ্ট্রপতির সময়সূচি অনুযায়ী নির্ধারণ করা হবে। পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আগামী বছরের মার্চ মাসে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সমাবর্তন অনুষ্ঠান। সমাবর্তনের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্প্রসারণ, নতুন বিভাগ চালু, শিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়ন এবং উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন পাবিপ্রবি প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা। ২২ সেপ্টেম্বর বেলা সাড়ে ১১টায় রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহা. শামীমের সাক্ষাতে পাবিপ্রবির প্রথম সমাবর্তনের সম্ভাব্য তারিখ নিয়ে আলোচনা হয়। রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আলোচনার ভিত্তিতে আগামী বছরের ১৫ অথবা ১৬ মার্চ  সমাবর্তন আয়োজনের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তন আগামী ২৩ জানুয়ারি ২০২৭ অনুষ্ঠিত হবে। গণমাধ্যমে দেওয়া তথ্য মতে, সমাবর্তন উপলক্ষে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ এস এম আমানুল্লাহর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল সাক্ষাৎ করেছে। দ্বিতীয় সমাবর্তন আগামী ২৩ জানুয়ারি ২০২৭ অনুষ্ঠিত হবে এবং রাষ্ট্রপতি সম্মতি প্রদান করেছেন। এর আগে, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রায় ২৫ বছর পর ২০১৭ সালের ১৭ জানুয়ারিতে প্রথম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়। আরটিভি/এসএস
রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব গ্রহণের পর সমাবর্তন ঘোষণার হিড়িক, কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে কবে
মাভাবিপ্রবিতে ইংরেজি বিভাগে ভর্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ
মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) ওয়েবসাইটে ২০২৫–২০২৬ শিক্ষাবর্ষে ইংরেজি বিভাগের এমএ কোর্সে ভর্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। এ শিক্ষাবর্ষে MA in English Literature এবং MA in English Language Teaching (ELT)—দুইটি কোর্সে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে।
মাভাবিপ্রবিতে ইংরেজি বিভাগে ভর্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ
দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হবে মাদক-জুয়া প্রতিরোধ কমিটি
দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাদক ও জুয়া প্রতিরোধে কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা (পরিচালক) ফয়সল হাসানের সই করা এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।
দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হবে মাদক-জুয়া প্রতিরোধ কমিটি
জুডিসিয়াল সার্ভিস পরীক্ষায় জজ হলেন তিন শিক্ষার্থী, ববিতে খুশির বন্যা
১৮তম বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) আইন বিভাগের তিন শিক্ষার্থী সিভিল জজ হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর এ তথ্য জানা যায়। বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশনের (বিজেএসসি) অধীনে অনুষ্ঠিত প্রাথমিক, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষাসহ বিভিন্ন ধাপের পরীক্ষা শেষে তাদের সিভিল জজ পদে সুপারিশ করা হয়। সুপারিশপ্রাপ্ত তিন শিক্ষার্থী হলেন, আইন বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের ৭ম ব্যাচের জান্নাতুল আইশা, ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের ৬ষ্ঠ ব্যাচের জয়ন্ত হালদার এবং ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের ৪র্থ ব্যাচের মো. নাইম হোসাইন। প্রকাশিত ফলাফলে জান্নাতুল আইশা ১৫তম এবং জয়ন্ত হালদার ৬৭তম স্থান অর্জন করেছেন। একই পরীক্ষায় মো. নাইম হোসাইনও সিভিল জজ হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। তিন শিক্ষার্থীর এ সাফল্যে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে। সাফল্যের অনুভূতি জানিয়ে জয়ন্ত হালদার বলেন, দীর্ঘদিনের পরিশ্রম, ধৈর্য ও একাগ্রতার পর এই সাফল্য অর্জন করতে পেরে তার অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। এই দীর্ঘ ও কঠিন যাত্রায় পরিবার, শিক্ষক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের অবদান অপরিসীম উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাদের দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থন ছাড়া এ পথ অতিক্রম করা সম্ভব হতো না। তিনি আরও বলেন,মেধা তালিকায় ৬৭তম স্থান অর্জন করেছি। আমার জন্য সবাই দোয়া করবেন, যেন অর্পিত দায়িত্ব সততা, নিষ্ঠা ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে পালন করতে পারি। এ বিষয়ে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের চেয়ারম্যান ড. কাইসার আহমেদ বলেন, সিভিল জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত আমাদের তিন কৃতী শিক্ষার্থী জান্নাতুল আইশা, নাইম হোসাইন ও জয়ন্ত হালদারকে আইন বিভাগের পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আশা করি, তারা কর্মক্ষেত্রে নিজেদের মেধা, দক্ষতা ও সততার মাধ্যমে দেশ, জাতি ও বিচার বিভাগের সেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ও আইন বিভাগের সুনাম অক্ষুণ্ন রাখবে। তিনি বলেন, তাদের এই সাফল্য বিভাগের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে কাজ করবে। ভবিষ্যতেও বিভাগের শিক্ষার্থীরা সাফল্যের এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। আরটিভি/এসকে
জুডিসিয়াল সার্ভিস পরীক্ষায় জজ হলেন তিন শিক্ষার্থী, ববিতে খুশির বন্যা
আরও পড়ুন
এসএসসি পাসে ২ জেলায় চাকরি দেবে ওয়ালটন
উত্তরপত্রে মোবাইল নম্বর পেয়ে শিক্ষার্থীকে বাসায় ডাকেন শিক্ষক, অতঃপর...
এসএসসির খাতা পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশ
এসএসসির পুনর্নিরীক্ষণের ফল আজ, জানা যাবে যেভাবে