সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বদলি-পদায়নের নীতিমালায় আবারও বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এর অংশ হিসেবে কমিটিতে গণ্যমান্য ব্যক্তি রাখার বিধান বাদ দিয়ে শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। একইসঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে ৭টি নতুন শর্ত।
শনিবার (১৮ জুলাই) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে এ তথ্য।
গত বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সংশোধিত নীতিমালা অনুযায়ী, উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের বদলি কমিটিতে সভাপতির মনোনীত দুজন করে বিদ্যোৎসাহী বা শিক্ষানুরাগী ব্যক্তি সদস্য থাকবেন। আর জাতীয় কমিটির সভাপতি হবেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি)। আগে এ পদে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিবকে রাখা হয়েছিল।
নতুন শর্ত অনুযায়ী, চাকরির ন্যূনতম দুই বছর পূর্ণ না হলে কোনো সহকারী শিক্ষক বদলির আবেদন করতে পারবেন না। বদলির পর তিন বছর না হলে পুনরায় বদলির সুযোগ মিলবে না। শূন্য পদের বিপরীতে বদলি করা যাবে এবং শিক্ষকের আবেদন ছাড়া বদলি করা যাবে না। তবে জনস্বার্থে জাতীয় কমিটির অনুমোদনে ব্যতিক্রম করা যাবে।
এছাড়া, পাঁচজন বা তার কম শিক্ষক থাকা কিংবা শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত ১ দশমিক ৪০-এর বেশি এমন বিদ্যালয় থেকে বদলি করা যাবে না। একই বিদ্যালয় থেকে একাধিক আবেদন হলে জ্যেষ্ঠ শিক্ষক অগ্রাধিকার পাবেন। একটি বিদ্যালয়ে সর্বোচ্চ তিনজন শিক্ষককে সংযুক্তি পদায়ন করা যাবে। সব শর্ত পূরণ সাপেক্ষে নারী শিক্ষকদের স্থায়ী বা স্বামীর ঠিকানার কাছাকাছি বিদ্যালয়ে বদলির ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
আরটিভি/এসএইচএম



