ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

‘সক্ষম’ আট তরুণ-তরুণী গল্প, সীমাবদ্ধতার ওপারে সম্ভাবনার আলো

হাবিপ্রবি সংবাদদাতা, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১০ জুলাই ২০২৬, ০৭:২৪ পিএম
ছবি: আরটিভি

ছোট্ট দুটি হাত বাড়িয়ে জড়িয়ে ধরল অতিথিদের। মুখভরা হাসি, চোখে উচ্ছ্বাস। কিছুক্ষণ আগেও যে শিশুটি ছিল নিজের মতো, নতুন মানুষ দেখে একটু সংকোচে, সে-ই এখন গল্প করছে, গান গাইছে, নিজের হাতে বানানো একটি ছোট্ট ফুলের তোড়া দেখিয়ে গর্বভরে বলছে—‘এটা আমি বানিয়েছি।’

এই হাসির পেছনে আছে দীর্ঘদিনের অপেক্ষা, যত্ন আর ভালোবাসা। আর আছে একদল তরুণের নিরলস প্রচেষ্টা। যারা বিশ্বাস করেন, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের করুণা নয়, প্রয়োজন সুযোগ; দয়া নয়, প্রয়োজন সমান মর্যাদা। সেই বিশ্বাস থেকেই যাত্রা শুরু সামাজিক উদ্যোগ ‘সক্ষম’-এর।

হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) আটজন তরুণ-তরুণীর এই উদ্যোগের লক্ষ্য—বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের নিয়ে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গড়ে তোলা, যেখানে তারা নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী বিকশিত হওয়ার সুযোগ পাবে এবং সমাজও তাদের নতুন চোখে দেখতে শিখবে।
আশপাশের কিছু পরিবারের বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তানদের সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন জীবনযাপন এই তরুণদের ভাবিয়ে তুলেছিল। তাদের মনে প্রশ্ন জেগেছিল—এই শিশুদের জন্য কি কিছু করা যায় না? সেই ভাবনা থেকেই তারা খুঁজে পান দিনাজপুর বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক বিদ্যালয়কে।

80b22e20-48b1-4964-b29c-db3370eefcde

২০২৬ সালের ১০ মে প্রথমবারের মতো বিদ্যালয়টিতে যান আটজন তরুণ-তরুণী। মূল উদ্দেশ্য ছিল একটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সামাজিক প্রকল্পের অংশ হিসেবে বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করা। কিন্তু সেদিনের অভিজ্ঞতা বদলে দেয় তাদের ভাবনা।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কাছ থেকে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জীবন, তাদের চ্যালেঞ্জ এবং তাদের সঙ্গে সংবেদনশীলভাবে আচরণের বিষয়গুলো সম্পর্কে জানার পর দীর্ঘ সময় কাটে শিশুদের সঙ্গে গল্প, খেলাধুলা ও আনন্দ ভাগাভাগিতে। সেই একটি দিনের অভিজ্ঞতাই পরিণত হয় দীর্ঘমেয়াদি একটি সামাজিক উদ্যোগে।

আটজন কো-ফাউন্ডারের পরিচয় হয়েছিল একটি ট্রেনিং প্রোগ্রামে। সেখানে দুই মাসের একটি সামাজিক প্রকল্প বাস্তবায়নের দায়িত্ব পেয়ে তারা একসঙ্গে কাজ করেন। কাজ করতে গিয়েই উপলব্ধি করেন, সমাজের জন্য কিছু করার স্বপ্ন তাদের সবারই এক। অ্যাসাইনমেন্ট শেষ হলেও শেষ হয়নি তাদের পথচলা; বরং সেখান থেকেই শুরু হয় ‘সক্ষম’-এর যাত্রা।

বর্তমানে দিনাজপুর বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক বিদ্যালয়ের বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের সঙ্গে নিয়মিত কাজ করছে ‘সক্ষম’। এখন পর্যন্ত সংগঠনটি ১১টি ফিল্ড ভিজিট সম্পন্ন করেছে।

প্রতিটি ভিজিটে শিশুদের সঙ্গে গল্প, খেলাধুলা, গান, শিক্ষামূলক কার্যক্রম ও সৃজনশীল চর্চায় অংশ নেন সদস্যরা। পাশাপাশি হাতে-কলমে বিভিন্ন ধরনের হস্তশিল্প তৈরির প্রশিক্ষণও দেন। পরে সেই পণ্যগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত স্টল এবং ‘সক্ষম’-এর ফেসবুক পেজের মাধ্যমে মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

শিশুদের তৈরি পণ্যের সংগ্রহে রয়েছে ওয়াল ম্যাট, ফুলের তোড়া (বুকে), কানের দুল, চুলের ক্লিপসহ নানা ধরনের হস্তশিল্প। সংগঠনের সদস্যদের ভাষ্য, এসব পণ্য বিক্রির উদ্দেশ্য শুধু অর্থনৈতিক সহায়তা নয়; বরং শিশুদের সৃজনশীল কাজের স্বীকৃতি দেওয়া এবং তাদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করা।

আরও পড়ুন

‘সক্ষম’-এর কো-ফাউন্ডার সাফওয়াত সাইমা শাহানা বলেন, “আমাদের উদ্দেশ্য ছিল সমাজের মানুষের ভ্রান্ত ধারণাগুলো দূর করা—অটিজম আক্রান্ত শিশু ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুরা কিছুই করতে পারে না, এই ধারণা বদলানো। তাদের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে আমরা নিজেরাও প্রতিনিয়ত অবাক হয়েছি। তারা অনেক ক্ষেত্রেই সাধারণের চেয়েও অসাধারণ। তাদের উপস্থিত বুদ্ধি ও প্রতিক্রিয়া আমাদের মুগ্ধ করেছে। আমরা তাদের শেখাতে গিয়েছিলাম, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তারাই আমাদের অনেক কিছু শিখিয়েছে। এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।”

আরেক কো-ফাউন্ডার ইয়ামিন ফারিয়া বলেন, “আজ ‘সক্ষম’কে যতটা সক্ষম মনে হয়, এর পেছনের পথটা ছিল অনেক কঠিন। অটিজম স্পেকট্রামের শিশুদের সঙ্গে কাজ করতে প্রচুর সময়, ধৈর্য ও শ্রম দিতে হয়। কিন্তু দিন শেষে আমরা গর্বিত যে এমন একটি ক্ষেত্রকে বেছে নিতে পেরেছি। আমরা দেখাতে পেরেছি, অটিজম স্পেকট্রামের শিশু এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরাও অনেক কিছু করতে পারেন। প্রয়োজন শুধু ধৈর্য, আন্তরিকতা এবং তাদের প্রতি বিশ্বাস।”

দিনাজপুর বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আবুল শাহনেওয়াজ বলেন, “প্রতিবন্ধীরা সমাজের বোঝা নয়। আমাদের শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন নিজেদের সীমাবদ্ধতাকে অতিক্রম করে সামনে এগিয়ে যাচ্ছে। তাদের পাশে আমাদের সবার এগিয়ে আসা উচিত।”

একজন অভিভাবক বলেন - "তারা অনেকেই আছে যারা সূক্ষ্ম সূক্ষ্ম কাজ করতে পারে বা কোনো নির্দিষ্ট কাজে পারদর্শী।কিন্তু তাদেরকে ভরসা করে কাজ দিতে চায় না বা করাতে চায় না।'সক্ষম' তাদেরকে সেই ভরসা করায় আমরা আনন্দিত এবং আশাবাদী যে তারা এই সক্ষমের মাধ্যমে আরো মানুষের মন ও ভরসা জয় করতে পারবে।'

এ পর্যন্ত ‘সক্ষম’-এর মূল দলে রয়েছেন আটজন কো-ফাউন্ডার। তারা হলেন মাহামুদুল হাসান রিফাত, ইয়ামিন ফারিয়া, আনিকা জাহান অবন্তি, মেহেদী হাসান সাকিব, সাফওয়াত সাইমা শাহানা, হাবিবুল বাশার, মো. রাহুল চৌধুরী এবং ত্রয়ী সরকার।

সংগঠনটির এখনো কোনো স্পন্সর, অনুদানদাতা বা প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদার নেই। সব ধরনের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে প্রতিষ্ঠাতাদের ব্যক্তিগত অর্থায়নে। স্বেচ্ছাসেবক কার্যক্রমও এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়নি। তবে খুব শিগগিরই স্বেচ্ছাসেবক যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।


সংগঠনের সদস্যদের কাছে সবচেয়ে বড় সাফল্য কোনো পুরস্কার বা সম্মাননা নয়। তাদের ভাষায়, প্রতিবার বিদ্যালয়ে গেলে যখন শিশুরা ছুটে এসে জড়িয়ে ধরে, হাসিমুখে গল্প করে কিংবা নিজের হাতে তৈরি কোনো জিনিস দেখাতে উচ্ছ্বসিত হয়—সেই মুহূর্তগুলোই তাদের সবচেয়ে বড় অর্জন।

61a61327-aa8d-4573-a2a8-ae59e836f7ce


একদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থীকে নিয়ে বিদ্যালয়টি পরিদর্শনে গিয়েছিলেন তারা। শুধু শিশুরাই নয়, সেই শিক্ষার্থীরাও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের সঙ্গে সময় কাটিয়ে বদলে ফেলেছিলেন নিজেদের দৃষ্টিভঙ্গি। তখনই ‘সক্ষম’-এর সদস্যরা আরও দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন, সচেতনতা ছড়িয়ে দিতে পারলে সমাজও বদলাবে।

আগামী এক বছরে স্বেচ্ছাসেবক যুক্ত করা, আরও বেশি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুর কাছে পৌঁছানো এবং সচেতনতামূলক নতুন কার্যক্রম চালুর পরিকল্পনা রয়েছে ‘সক্ষম’-এর। দীর্ঘমেয়াদে তাদের লক্ষ্য আরও বড়। এই মুহূর্তে একটি বিদ্যালয়ের সঙ্গে কাজ করলেও ভবিষ্যতে আরও বেশি বিশেষায়িত বিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত হতে চায় সংগঠনটি। পাশাপাশি যেসব বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু কোনো বিদ্যালয়ে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছে না, তাদের কাছেও পৌঁছে যেতে চান তারা। শুধু শিশুদের ক্ষমতায়ন নয়, সমাজে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলাই তাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য।


এই উদ্যোগে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে যুক্ত হতে কিংবা শিশুদের তৈরি হস্তশিল্প সম্পর্কে জানতে যোগাযোগ করা যাবে ‘সক্ষম’-এর ফেসবুক পেজে।

একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ এক দিনে গড়ে ওঠে না। সেটি গড়ে ওঠে ছোট ছোট উদ্যোগ, আন্তরিকতা, ধৈর্য এবং মানুষের প্রতি বিশ্বাসের ওপর দাঁড়িয়ে। ‘সক্ষম’-এর তরুণেরা সেই বিশ্বাস নিয়েই এগিয়ে চলেছেন।

9f80f8c7-d394-4e58-9f30-0a0a86062e5e

তাদের প্রত্যাশা, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের সীমাবদ্ধতা নয়, বরং তাদের প্রতিভা, সৃজনশীলতা এবং সক্ষমতাই একদিন সমাজের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হবে। কারণ, সুযোগ পেলে তারাও পারে—স্বপ্ন দেখতে, সৃষ্টি করতে এবং নিজের পরিচয়ে মাথা উঁচু করে বাঁচতে।

সেই বিশ্বাস থেকেই ‘সক্ষম’-এর পথচলা। আর সেই বিশ্বাসই বলে—প্রত্যেক মানুষেরই একটি পরিচয় আছে, সে সক্ষম।

আরটিভি/ এসকেডি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ইবির একই কক্ষের ৩ বন্ধু এখন বিচারক
ক্যাম্পাস জীবনে একই ছাদের নিচে একই কক্ষে পড়াশোনা করতেন তিন বন্ধু। নিয়মিত গ্রুপ স্টাডি করতেন তারা। ১৬তম বিজেএস-এ একজন সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার পর দুইবার ব্যর্থ হলেও হাল ছাড়েননি অপর দুই বন্ধু। এবার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আইন বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের তিন শিক্ষার্থী ও সাদ্দাম হোসেন হলের একই কক্ষের তিন বন্ধুই এখন সিভিল জজ হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। তারা হলেন—১৬তম বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষায় সুপারিশপ্রাপ্ত আরিফ হোসাইন এবং সর্বশেষ প্রকাশিত ১৮তম বিজেএস পরীক্ষায় সুপারিশপ্রাপ্ত মো. আনোয়ার হোসেন ও শাকির আলম। বিশ্ববিদ্যালয়ের সাদ্দাম হোসেন হলের ৪২২ নম্বর কক্ষে একসূত্রে বাঁধা পড়েছিল এই তিন সহপাঠীর স্বপ্ন ও সংগ্রামের পথচলা। ১৬তম বিজেএস পরীক্ষায় আরিফ হোসাইন প্রথম জজ হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে বাকি দুই বন্ধুর জন্য অনুপ্রেরণার দুয়ার খুলে দেন। তিনি বলেন, আলহামদুলিল্লাহ, মহান রবের প্রতি কৃতজ্ঞতা, যিনি আমাদের তিন বন্ধুকে এমন সম্মান দিয়েছেন। সকলের জন্য শুভকামনা ও ভালোবাসা। সর্বশেষ প্রকাশিত ১৮তম বিজেএস-এ সুপারিশপ্রাপ্ত শাকির আলম বলেন, প্রথমেই মহান আল্লাহ তাআলার প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা, যিনি আমাকে এই জায়গায় নিয়ে এসেছেন। টানা দুইবার ব্যর্থ হওয়ার পরও হাল ছাড়িনি। তৃতীয়বারের চেষ্টায় উত্তীর্ণ হয়েছি। কুরআনের সেই আয়াত মনে পড়ে যায় যে, শিগগিরই তোমার রব তোমাকে এত বেশি দেবেন যে তুমি খুশি হয়ে যাবে। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পর থেকেই আমার ইচ্ছে ছিল যে একদিন বিচারক হয়ে দেশ ও দেশের মানুষের জন্য ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করব। পরিবার ও সমাজের এ ব্যাপারে উৎসাহিত করতে অবদান আছে। পাশাপাশি উৎসাহিত হয়েছি বিশ্ববিদ্যালয়ের বড় ভাই-আপুদের সুপারিশপ্রাপ্ত হতে দেখে। আমার সবচেয়ে বড় ভালো লাগা, সাদ্দাম হোসেন হলের ৪২২ নম্বর কক্ষ থেকে আমরা তিনজনই জজ হয়েছি। তারা জানান, ক্যাম্পাস জীবনে সাদ্দাম হোসেন হলের ৪২২ নম্বর কক্ষটি ছিল তাদের পড়াশোনা ও একে অপরকে সহযোগিতা করার মূল কেন্দ্র। গভীর রাতের দীর্ঘ পড়াশোনা, গ্রুপ ডিসকাশন এবং লক্ষ্যপূরণের অদম্য ইচ্ছা তাদের এই যৌথ সাফল্যের পেছনের মূল শক্তি হিসেবে কাজ করেছে। আইন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. হালিমা খাতুন বলেন, আমাদের বিভাগ প্রতিবছরই জুডিশিয়ারিতে ভালো করে থাকে। এবার আরও ভালো করেছে। এই ধারা অব্যাহত থাকবে, আশা করি। যারা জুডিশিয়ারিকে প্রফেশন হিসেবে নিতে চান, তাদের গাইডলাইন দেওয়া থেকে শুরু করে তাদের বেজলাইন দৃঢ় করতে আমরা কাজ করব। জুডিশিয়ারি একটি মহৎ পেশা। আমাদের বিভাগের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করছি। অন্যদিকে তিন রুমমেট বন্ধু জজ হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে। তারা ঈর্ষণীয় সাফল্য অর্জন করেছে। তারা আমাদের শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। উল্লেখ্য, বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ১৮তম জুডিশিয়াল সার্ভিসের (বিজেএস) চূড়ান্ত ফল প্রকাশিত হয়। ফলাফল অনুযায়ী, সর্বশেষ তথ্য অনুসারে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ থেকে ১৪ জন, আইন ও ভূমি প্রশাসন বিভাগ থেকে ৪ জন এবং আল-ফিকহ অ্যান্ড ল’ থেকে ১ জন সিভিল জজ হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। আরটিভি/টিআর
ইবির একই কক্ষের ৩ বন্ধু এখন বিচারক
শেষ ছয় জজ নিয়োগ পরীক্ষার পাঁচটিতেই প্রথম রাবির শিক্ষার্থীরা
বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষায় ধারাবাহিক সাফল্য ধরে রেখেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থীরা। সর্বশেষ ছয়টি বিজেএস পরীক্ষার মধ্যে পাঁচটিতেই মেধাতালিকায় প্রথম স্থান অর্জন করেছেন এই বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষার্থীরা। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় প্রকাশিত ১৮তম বিজেএস পরীক্ষার ফলাফলে দেশসেরা হওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আরিফুল করিম সিয়াম। এর আগে ১৩তম থেকে ১৬তম বিজেএস পরীক্ষায় টানা চারবার প্রথম হন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র ও ফলাফল বিশ্লেষণ করে জানা গেছে, ১৩তম থেকে ১৮তম—সর্বশেষ ছয়টি বিজেএস পরীক্ষার মধ্যে পাঁচটিতেই প্রথম হয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এ সময় ১৩তম, ১৪তম, ১৫তম ও ১৬তম পরীক্ষায় টানা চারবার রাবির শিক্ষার্থীরা প্রথম হওয়ার পর ১৭তম পরীক্ষায় অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শীর্ষস্থান অর্জন করেন। ১৮তম পরীক্ষায় সিয়ামের সাফল্যের মাধ্যমে আবারও মেধাতালিকার শীর্ষে রাবি। ১৩তম বিজেএস পরীক্ষায় প্রথম হন শিউলী নাহার। ১৪তম বিজেএস পরীক্ষায় প্রথম হন সুমাইয়া নাসরিন। ১৫তম বিজেএসে প্রথম স্থান অর্জন করেন একই বিশ্ববিদ্যালয়ের আশিক-উজ-জামান। ১৬তম বিজেএস পরীক্ষায়ও শীর্ষস্থান ধরে রাখেন রাবির শিক্ষার্থী নুসরাত জেরিন জেনি। তবে ১৭তম বিজেএস পরীক্ষায় এ ধারাবাহিকতার অবসান ঘটে। ওই পরীক্ষায় প্রথম হন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হালিমাতুস সাদিয়া। এর ফলে রাবির শিক্ষার্থীদের টানা চারবার প্রথম হওয়ার ধারাটি থেমে যায়। পরবর্তী ১৮তম বিজেএস পরীক্ষায় আরিফুল করিম সিয়ামের প্রথম হওয়ার মাধ্যমে আবারও শীর্ষস্থান ফিরে আসে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে। ১৮তম বিজেএসে প্রথম হওয়া আইন বিভাগের শিক্ষার্থী আরিফুল করিম সিয়াম তার সাফল্যের বিষয়ে বলেন, আমার যতটুকু সামর্থ্য ছিল, তা দিয়ে ভালো করার চেষ্টা করেছি। বাকিটা মহান আল্লাহর দান। অনেকেই হয়তো আমার চেয়েও বেশি যোগ্য ছিলেন, কিন্তু দিন শেষে সৃষ্টিকর্তা যাকে ইচ্ছা কবুল করেন। ভবিষ্যতে এ পরীক্ষায় অংশ নিতে আগ্রহীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, এই দীর্ঘ যাত্রায় যেন কেউ ধৈর্য না হারায়। প্রস্তুতি নিতে গিয়ে প্রতিদিন সমান সাফল্য আসবে না, কখনো ঘাটতি থাকবে, কখনো ভালো হবে। কিন্তু পড়াশোনার ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং নিয়মিত পরীক্ষার মাধ্যমে নিজেকে একটু একটু করে ঝালিয়ে নেওয়া খুবই জরুরি। সাফল্যের বিষয়ে অনুভূতি প্রকাশ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. সাঈদা আনজু বলেন, খুবই ভালো লাগছে শুনে। রাবির আইন বিভাগ থেকে আবারও দেশসেরা হয়েছে—এটা অবশ্যই আমার জন্য, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য গর্বের। সিয়ামসহ ১৮তম বিজেএসে যে ২০০ জন উত্তীর্ণ হয়েছে, তাদের সবাইকে প্রাণঢালা অভিনন্দন জানাচ্ছি। আরটিভি/টিআর  
শেষ ছয় জজ নিয়োগ পরীক্ষার পাঁচটিতেই প্রথম রাবির শিক্ষার্থীরা
১৮তম বিজেএস পরীক্ষায় জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত খুবির ৬ শিক্ষার্থী
১৮তম বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষায় সিভিল জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) আইন ডিসিপ্লিনের ছয় শিক্ষার্থী। বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের অধীনে অনুষ্ঠিত এ পরীক্ষার বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে তারা সিভিল জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। ২৩ সেপ্টেম্বর (বুধবার) ১৮তম বিজেএস পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর এ তথ্য জানা যায়। সুপারিশপ্রাপ্তরা হলেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮ ব্যাচের মাহবুবা সুলতানা এবং ১৯ ব্যাচের শিক্ষার্থী নাসিম বিল্লাহ, হাফসা বিনতে আইয়ুব, সজল আহমেদ বাপ্পী, কামরুজ্জামান বাদশা ও ২০ ব্যাচের নাজমুল ইসলাম সিয়াম। মেধাতালিকায় হাফসা বিনতে আইয়ুব ৭ম, সজল আহমেদ বাপ্পী ৮ম, নাজমুল ইসলাম সিয়াম ৩০তম, কামরুজ্জামান বাদশা ৫৭তম এবং নাসিম বিল্লাহ ৬৫তম স্থান অর্জন করেছেন। বিজেএস পরীক্ষায় সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে নাসিম বিল্লাহ বলেন, “সর্বপ্রথম সৃষ্টিকর্তার নিকট অশেষ শুকরিয়া। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পর আমরা ছিলাম তৃতীয় ব্যাচ। আমাদের সিনিয়র ব্যাচ যখন জুডিশিয়ারির পরীক্ষা দিতেন, আমরা খুবই আগ্রহ নিয়ে তাদের সাফল্যের খবর শোনার জন্য অপেক্ষা করতাম। অনেক পরিশ্রমের পরও আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে এ সাফল্য ধরা দিচ্ছিল না। কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ, ১৮তম বিজেএস পরীক্ষায় আমাদের ছয়জন সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছি।” তিনি আরও বলেন, আমাকে এই দিনে নিয়ে আসার পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান আমাদের শিক্ষকদের, আমাদের সিনিয়রদের, আমার জুনিয়রদের, আমার খাজা হলের সকল মানুষের এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি মানুষের। অনেক অনেক ধন্যবাদ খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়। সকলের নিকট দোয়া চাই, যেন বিচারক হিসেবে ন্যায় ও সুষ্ঠু বিচার প্রতিষ্ঠিত করতে পারি। এছাড়াও সজল আহমেদ বাপ্পী বলেন, আইন ডিসিপ্লিন তথা খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই অনন্য ইতিহাসের সাক্ষী হতে পেরে নিজেকে গর্বিত মনে করছি। আমার সকল শুভাকাঙ্ক্ষীর কাছে দোয়া চাই, যাতে সারাজীবন ন্যায়ের পথে থাকতে পারি এবং মানুষের জন্য সবসময় ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারি। এ বিষয়ে আইন ডিসিপ্লিনের প্রধান সহযোগী অধ্যাপক পুনাম চক্রবর্তী বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এবারই প্রথমবারের মতো বিচারক হিসেবে কয়েকজন শিক্ষার্থী সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। আইন ডিসিপ্লিন প্রতিষ্ঠার পর থেকে এই প্রথম ১৪ জন ভাইভায় অংশগ্রহণ করে তাদের মধ্যে ছয়জন জজ হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। এটি শুধু আইন ডিসিপ্লিনের জন্য নয়, পুরো খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্যও অত্যন্ত গর্বের বিষয়। আমরা আশা করি, ভবিষ্যতেও এই সাফল্যের ধারা অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি বর্তমান শিক্ষার্থীরাও যেন এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে ভালো করতে পারে, সে জন্য আইন ডিসিপ্লিনের শিক্ষকরা তাদের সর্বোচ্চ সহযোগিতা ও দিকনির্দেশনা দিয়ে যাবেন। উল্লেখ্য, বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন দেশের অধস্তন আদালতের বিচারক নিয়োগের জন্য বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষা আয়োজন করে। প্রাথমিক, লিখিত ও মৌখিকসহ বিভিন্ন ধাপের পরীক্ষার মাধ্যমে যোগ্য প্রার্থীদের বাছাই করা হয়। আরটিভি/টিআর  
১৮তম বিজেএস পরীক্ষায় জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত খুবির ৬ শিক্ষার্থী
ছাত্রীকে ডাকাডাকি করেও মেলেনি সাড়া, দরজা ভাঙতেই সামনে ‘অপ্রত্যাশিত দৃশ্য’
হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (হাবিপ্রবি) সংলগ্ন একটি ছাত্রীনিবাস থেকে এক ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। জানা গেছে, তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন বিসিএস গলির শেষপ্রান্তে অবস্থিত ফজিলা ছাত্রীনিবাসের তৃতীয় তলার ৩০১ নম্বর কক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাতে মেসে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে ওই ছাত্রীকে সর্বশেষ দেখা যায়। এরপর থেকে তাকে আর বাইরে দেখা যায়নি। বুধবার সন্ধ্যায় বারবার ডাকাডাকি করেও তার কোনো সাড়া না পাওয়ায় মেসের মালিক ও কয়েকজন ছাত্রী হাতুড়ি দিয়ে দরজা খুলে ভেতরে প্রবেশ করেন। এ সময় তারা তাকে জানালার সঙ্গে কাপড় দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। তিনি প্রায় ৮-৯ মাস ধরে ওই ছাত্রীনিবাসে অবস্থান করছিলেন বলে জানা গেছে। এর আগে তিনি দিনাজপুর শহরের অন্য একটি মেসে থাকতেন। খবর পেয়ে দিনাজপুর সদর কোতোয়ালি থানা পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতিনিধিরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তরের জন্য প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শুরু করে। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়, ছাত্রীর পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে। আইনগতভাবে পরিবারের সম্মতিতে বাকি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। পুলিশের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে। দিনাজপুর সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল হালিম বলেন, প্রাথমিক লক্ষণগুলো দেখে আমাদের কাছে আত্মহত্যা বলে মনে হয়েছে। তবে পোস্টমর্টেম রিপোর্ট পাওয়ার আগে আমরা নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারছি না। তার মধ্যে আত্মহত্যার কিছু প্রাথমিক লক্ষণ ছিল। পোস্টমর্টেমের পর এসব বিষয় নিশ্চিত করে বলা যাবে। ছাত্রীর পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে। তারা এলে বাকি প্রক্রিয়া শুরু হবে। আরটিভি/টিআর
ছাত্রীকে ডাকাডাকি করেও মেলেনি সাড়া, দরজা ভাঙতেই সামনে ‘অপ্রত্যাশিত দৃশ্য’
১৬তম বিজেএস পরীক্ষায় স্বামী, এবার জজ হলেন স্ত্রী
বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের (বিজেএস) ১৮তম পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে বিচারক হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী চৈতি বিশ্বাস। এর আগে একই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া তার স্বামী উদাস গোস্বামী একই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে কর্মজীবনে আছেন। এবার স্ত্রীর সাফল্যে পরিবারে যোগ হয়েছে নতুন আনন্দ। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন সচিবালয়ের ওয়েবসাইটে ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। ১৮তম বিজেএস পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর জানা গেছে, চৈতি বিশ্বাস পরীক্ষায় সফল হয়ে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসে যোগ দেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। তার স্বামীও এর আগে একই পরীক্ষার মাধ্যমে বিচারক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন। দুজনের এই সাফল্যের গল্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ও আইন অঙ্গনে প্রশংসা কুড়াচ্ছে। একই পরিবারের স্বামী-স্ত্রী দুজনের বিচার বিভাগে যুক্ত হওয়াকে অনেকে অনুপ্রেরণাদায়ক ঘটনা হিসেবে দেখছেন। স্ত্রীর সাফল্যে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট উদাস গোস্বামী লিখেছেন, জজ-ম্যাজিস্ট্রেট দেখার প্রতি ছোটবেলা থেকেই খুব আগ্রহ ছিল। এখন ঘুম থেকে উঠেই একজন জজ দেখার সৌভাগ্য হবে। স্রষ্টার অশেষ কৃপায় তোমার (তার স্ত্রী) পরিশ্রম তোমাকে সম্মানিত করেছে। স্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি লিখেছেন, ১৮তম জুডিশিয়ারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ায় তোমাকে অভিনন্দন, প্রিয়তমা সহধর্মিণী চৈতি বিশ্বাস। বাবা তার এত প্রিয় বউমার এই সাফল্য অল্প সময়ের ব্যবধানে দেখতে পারলেন না—এটাই আফসোস। যাহোক, আবারও অভিনন্দন, জজ সাহেবা। আরটিভি/টিআর
১৬তম বিজেএস পরীক্ষায় স্বামী, এবার জজ হলেন স্ত্রী
আরও পড়ুন
হাবিপ্রবিতে ভেটেরিনারি শিক্ষার্থীদের ৩ দফা দাবিতে মানববন্ধন
হাবিপ্রবি প্রাথমিক স্কুলের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ
হাবিপ্রবির ডিবেটিং সোসাইটির নেতৃত্বে আর্নিকা ও তন্ময়
বিয়ের প্রলোভনে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ হাবিপ্রবি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে