সাভার সার্কেলের হাইওয়ে পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার মিজানুর রহমানের খুনিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করা হবে।
বললেন ঢাকা মহানগর পুলিশের কমিশনার মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান মিয়া।
বৃহস্পতিবার রাজারবাগ পুলিশ লাইনে এএসপি মিজানুর রহমানের জানাজায় গিয়ে তিনি এ কথা বলেন। তার দ্বিতীয় জানাজা হবে আশকোনায়। আর তৃতীয় জানাজা হবে টাঙ্গাইলের ঘাটাইলের ভুয়াপুরের নিজ এলাকায়।
আসাদুজ্জামান বলেন, সহকারী পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান খুন হয়েছেন এটা নিশ্চিত। যারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে।
তিনি বলেন, মিজানুর রহমানের হত্যার সঙ্গে যারা জড়িত তাদের ছাড় দেয়া হবে না।
এদিকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা দশ মিনিটে হাইওয়ে পুলিশের এএসপি মিজানুর রহমানের মরদেহের ময়নাতদন্ত শেষ হয়। পুলিশের এই কর্মকর্তার ময়নাতদন্ত করেন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের প্রভাষক ড. প্রদীপ বিশ্বাস।
তিনি বলেন, আমরা মরদেহের ভিসেরা সংরক্ষণ করেছি। নিহতের শরীরের অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর রূপনগর থানার বিরুলিয়া ব্রিজের কাছে রাস্তার পাশ থেকে এএসপি মিজানুর রহমানের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে সেখান থেকে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন করে রূপনগর থানা পুলিশ।
তার সুরতহাল প্রতিবেদনে বলা হয়, নিহত এএসপি মিজানুর রহমানের কপাল ছোলা ছিল, মুখের ডান পাশে জখম, থুতনিতে আঘাত আর গলায় কালো দাগ পাওয়া গেছে। তাকে গার্মেন্টসের ঝুট কাপড় দিয়ে গলা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এইচটি/সি




