ঢাকা শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

ফিরে দেখা ২০২৪

বলিউডের আলোচিত যত বিয়ে

হুমাইরা সিদ্দিকা

প্রকাশ : ২৭ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৩:১৮ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

২০২৪ বিদায় দিয়ে নতুন বছরকে বরণ করে নিতে বিশ্বজুড়েই চলছে এখন উৎসবের আমেজ। চলতি বছরের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দেশের শোবিজ দুনিয়ার একাধিক তারকা বসেছেন বিয়ের পিঁড়িতে। কেউ বিয়ে করেছেন ঘরোয়া আয়োজনে, কেউ বা আবার রাজকীয় আয়োজনে বিয়ে করে শোরগোল ফেলে দিয়েছিল গোটা দুনিয়ায়। তেমনি কয়েকজন তারকার বিয়ের খবর নিয়ে আমাদের এই আয়োজন।

চলুন দেখে নেওয়া যাক তারকাদের আলোচিত বিয়ের খবর—

সোনাক্ষী সিনহা-জাহির ইকবাল

চলতি বছরের ২৩ জুন জীবনের নতুন ইনিংস শুরু করেছেন সোনাক্ষী সিনহা ও জাহির ইকবাল। টানা সাত বছর প্রেমের পর বিয়ে করেন তারা। তবে বিয়ের খবর প্রকাশ্যে আসতেই অভিনেত্রীর ধর্ম পরিবর্তন নিয়ে তৈরি হয় বিতর্ক। কারণ, সোনাক্ষী হিন্দু ধর্মের অনুসারী হলেও স্বামী মুসলিম। তবে হিন্দু বা মুসলিম কোনো রীতি মেনে নয়, আইনিভাবে বিয়ে করেছেন সোনাক্ষী-জাহির।

বিশেষ দিনের জন্য সাদা রং বেছে নিয়েছিলেন এই নবদম্পতি। জাহির ইকবালের বাড়ি থেকে সেই পোশাক পাঠানো হয় সোনাক্ষীর কাছে। অন্যদিকে জাহিরও পরেছিলেন সাদা পাঞ্জাবি ও পাজামা। এদিন রাত ৮টা থেকে শুরু হয় সোনাক্ষী-জাহিরের রিসেপশনের অনুষ্ঠান। অতিথিদের জন্য ছিল বিশেষ ‘ড্রেস কোড’। বিয়ের নিমন্ত্রণপত্রে উল্লেখ করা হয়, অতিথিরা যেন লাল ছাড়া অন্য কোনো রঙের পোশাক পরে আসেন। রিসেপশনের অনুষ্ঠানে সোনাক্ষী পরেছিলেন লাল রঙের কাতান শাড়ি। জাহিরের পরনে ছিল অফ হোয়াইট রঙের কুর্তা সেট।

অনন্ত আম্বানি-রাধিকা মার্চেন্ট

কলেজজীবন থেকে প্রেম ভারতের শীর্ষ ধনকুবের মুকেশ আম্বানিপুত্র অনন্ত আম্বানি ও ব্যবসায়ী বীরেন মার্চেন্টের কন্যা রাধিকা মার্চেন্টের। সে সম্পর্কের পরিণতি পায় চলতি বছরের ১২ জুলাই। দুটি প্রাক-বিবাহ অনুষ্ঠান সেরে রাজকীয় আয়োজনে গুজরাটি রীতিতে এ দিন সাত পাকে বাঁধা পড়েন অনন্ত-রাধিকা। পরিবারের ছোট ছেলের বিয়ের আয়োজনের কোনো খামতি রাখেননি মুকেশ ও নীতা আম্বানি।

বিয়েতে আইভরি রঙের লেহেঙ্গা পরেছিলেন রাধিকা। অন্যদিকে হালকা রঙের পোশাকেই বর সেজেছিলেন অনন্ত। এদিন বলিউড থেকে ক্রিকেট তারকা, বড় বড় ব্যবসায়ী থেকে রাজনীতিবিদ, হলিউড তারকাদের নিয়ে জমে উঠেছিল নবদম্পতির বিয়ের আসর। শুধু বর-কনেই নয়, নজরকাড়া সব লুকে হাজির হয়েছিলেন তারকারা।

অনন্ত-রাধিকার বিয়েতে বিদেশ থেকে আসা অতিথিদের আনতে ভাড়া করা হয়েছিল ৩টি ফ্যালকন-২০০০ মডেলের জেট বিমান। প্রতি ঘণ্টা এসব বিমানের ভাড়া ৭ লাখ ২০ হাজার টাকা। শুধু তাই নয়, আরও ১০০টি ব্যক্তিগত বিমান তিনদিন ধরে অতিথিদের আনা-নেওয়া করে। খাবারে আয়োজনেও ছিল রাজকীয় অবস্থা।

নাগা চৈতন্য-সবিতা ধুলিপালা

গত ৪ ডিসেম্বর বিয়ে করেন নাগা চৈতন্য ও শোভিতা ধুলিপালা। পরিবার, আত্মীয় এবং কাছের বন্ধুদের উপস্থিতিতে বিয়ে করেছেন নাগা-শোভিতা। বিশেষ দিনে সোনালি রঙের সিল্কের শাড়িতে বউ সাজেন শোভিতা। শরীর ভর্তি দক্ষিণী স্টাইলে গয়না পরেছেন এবং ফুল দিয়ে বেণী বেঁধেছেন তিনি। অন্যদিকে দ্বিতীয় বিয়েতে ঘিয়ে রঙের ধুতি পাঞ্জাবি পরেছিলেন নাগা। গলায় ছিল লাল-ঘিয়ের মিশেলের ওড়না। পুরোহিতদের পাশে বসে মন্ত্র পড়তে দেখা যায় তাদের। হায়দারাবাদের অন্নপূর্ণা স্টুডিওতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করেন তারা।

২০২১ সালে সামান্থা রুথ প্রভুর সঙ্গে দাম্পত্য জীবনের ইতি টানেন নাগা। এরপর শোভিতার সঙ্গে নাগার সম্পর্ক নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছিল। গুঞ্জন থাকা সত্ত্বেও প্রকাশ্যে প্রেমের সম্পর্কের কথা কখনই স্বীকার করেননি তারা। এর তিন বছর পর বিয়ে করলেন নাগা-শোভিতা।

সামান্থার সঙ্গে সম্পর্কে থাকাকালীন অভিনেত্রী শোভিতার সঙ্গে নাকি প্রেমের সম্পর্কে জড়ান নাগা। ২০২২ সালে সবিতার সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়। সেসময় হায়দরাবাদে ‘মাঙ্কিম্যান’ সিনেমার প্রচারে ব্যস্ত ছিলেন অভিনেত্রী। নাগার সঙ্গে জন্মদিন উদ্‌যাপন করতেও দেখা যায় তাকে। সেই পার্টিতেই নাকি একে অপরকে মন দিয়ে বসেছিলেন নাগা-শোভিতা।

রাকুলপ্রীত সিং-জ্যাকি ভাগনানি

দীর্ঘদিন প্রেমের সম্পর্কে থাকার পর চলতি বছরের ২১ ফেব্রুয়ারি গাঁটছড়া বাঁধেন রাকুলপ্রীত সিং ও জ্যাকি ভাগনানি। এদিন বেশ জমকালো আয়োজনেই গোয়াতে বসেছিল তাদের বিয়ের আসর। সঙ্গীত, মেহেদী, গায়েহলুদ— বিয়ের সব আনুষ্ঠানিকতাই সম্পন্ন হয়েছে গোয়াতে।

তবে অন্যান্যদের থেকে এই জুটির বিয়ের ধরন ছিল একদমই আলদা। আর তাই এক বার নয়, দুবার বিয়ে করেছেন। বিয়েতে রাকুল পরেছিলেন হালকা পিংক রঙের লেহেঙ্গা। সঙ্গে ম্যাচিং অলংকার এবং হালকা মেকআপে আকর্ষণীয় লুকে কনে সেজেছিলেন এই অভিনেত্রী। রীতিমতো লাস্যময়ী রূপে ধরা দিয়েছেন রাকুল। অন্যদিকে জ্যাকির পরনে ছিল অফ হোয়াইট রঙের একটি শেরওয়ানি।

রাকুল শিখ ধর্ম পালন করেন। তাই প্রথমে শিখদের নিয়ম অনুযায়ী বিয়ে করেন রাকুল-জ্যাকি। অন্যদিকে জ্যাকিরা হলেন সিন্ধি। সেই কারণে ফের সিন্ধি নিয়ম মেনে বিয়ে সম্পন্ন হয় তাদের। নিজেদের সম্পর্ক নিয়ে কখনও লুকোচুরি করেননি তারা। ২০২২ সালে অভিনেত্রীর জন্মদিনে জ্যাকির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের খবর প্রকাশ্যে আনেন এই জুটি।

ইরা-নূপুর

চলতি বছরের ৩ জানুয়ারি সন্ধ্যায় পরিবার ও ঘনিষ্ঠ আত্মীয় পরিজনের উপস্থিতিতে আইনি মতে বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে ইরা-নূপুরের। প্রায় তিন বছর প্রেমের পর বিয়ে করেন তারা। বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবর হয়, বিয়েতে অতিথিদের কাছ থেকে উপহার গ্রহণ করেননি ইরা।

বিয়ের দিন সকালেও সাদামাটা সাজেই মুম্বাইয়ে দেখা যায় ইরাকে। মুম্বাইয়ের তাজ ল্যান্ডস হোটেলে সম্পন্ন হয় বিয়ের অনুষ্ঠান। মুম্বাইতে আইনি বিয়ে সারলেও ৮ জানুয়ারি উদয়পুরে হয়েছিল জমকালো বিয়ের অনুষ্ঠান। তারপর ১৩ জানুয়ারি মুম্বাইতে হয়েছে বউভাতের অনুষ্ঠান। সে অনুষ্ঠানে বলিউডের খ্যাতনামা তারকারা উপস্থিত ছিলেন।

অদিতি রাও হায়দারি-সিদ্ধার্থ

গত ১৬ সেপ্টেম্বর দক্ষিণি রীতি মেনে বিয়ে করেন অদিতি-সিদ্ধার্থ। দুজনেরই দ্বিতীয় বিয়ে এটি। ২০১২ সালে সত্যদীপ মিশ্রার সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছিলেন অদিতি। অন্যদিকে ২০০৩ সালে অভিনেত্রী মেঘনাকে বিয়ে করেন সিদ্ধার্থ। কিন্তু সে সম্পর্ক বেশি দিন টেকেনি।

২০০৯ সালে ভেঙে যায় সেই বিয়ে। তারপর থেকেই অদিতি রাও হায়দারির সঙ্গে প্রেমের শুরু সিদ্ধার্থর। এমনকি গুঞ্জনকে পাত্তা না দিয়ে একসঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবিও পোস্ট করেন সিদ্ধার্থ। তবে অদিতির সঙ্গে প্রেম নিয়ে কখনও মুখ খোলেননি তিনি।

অদিতি আর সিদ্ধার্থের ২০২১ সালে প্রথম দেখা হয়েছিল ‘মহা সমুন্দ্রম’ সিনেমার সেটে। আর এখান থেকেই তারা একে অপরের হাত ধরে প্রেমের পথে চলা শুরু করেন। তিন বছর প্রেমের পর তারা বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেন।

পুলকিত-কৃতি

গত ১৫ মার্চ বিয়ে করেন পুলকিত ও কৃতি খরবান্দা। এদিন সন্ধ্যায় দিল্লির আইটিসি গ্র্যান্ডে বসে তাদের বিয়ের আসর। এর আগে অনুষ্ঠিত হয় মেহেদি অনুষ্ঠান। সহকর্মী থেকে বন্ধু এবং তারপর প্রেমিক-প্রেমিকা। ২০১৯ সালে নিজেদের সম্পর্ক প্রকাশ্যে আনেন পুলকিত-কৃতি। চার বছর চুটিয়ে প্রেম করার পর অবশেষে সাত পাকে বাঁধা পড়ল এ যুগল।

বিয়েতে বর-কনের পরিবার ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুরা উপস্থিত ছিলেন। ২০১৮ সালে ‘ভিরে কি ওয়েডিং’ সিনেমার সেটে একে অন্যের প্রেমে পড়েন। ২০১৯ সালে নিজেদের সম্পর্কে সিলমোহর দেন এ জুটি। অবশেষে পরিণয়ে রূপ নিয়েছে তাদের প্রেম।

আরটিভি/এইচএসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
তামান্নার সঙ্গে তুলনা করে বারিশার আক্ষেপ
শোবিজের পরিচিত মুখ বারিশা হক। শুরুটা মডেলিং দিয়ে হলেও উপস্থাপনাসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ড প্রোমোটিংয়ের কাজ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় শক্ত অবস্থান গড়েছেন তিনি। নাটকেও অভিনয় করেছেন। কিন্তু মাঝে মধ্যেই নানান কারণে সমালোচনার মুখে পড়েন বারিশা। বিশেষ করে তার শারীরিক স্থূলতা নিয়ে। একটা সময় স্লিম ফিগার ছিল বারিশার। তবে পরবর্তীতে তার স্বাস্থ্য বেড়ে গেলে তাকে নিয়ে শুরু হয় নেটিজেনদের চর্চা। আবার নিজেকে খানিকটা আকর্ষণীয় করতে বোটক্সের মতো প্লাস্টিক সার্জারিও করিয়েছেন এই মডেল।   কয়েকদিন আগে বোটক্স সার্জারি নিয়ে বিদ্রুপের মুখে পড়েন বারিশা। সেসময় নিশ্চুপই ছিলেন তিনি। এমনকি কোনো প্রতিক্রিয়া জানাতে দেখা যায়নি তাকে। তবে মনের মধ্যে ক্ষোভ আর আক্ষেপ পুষে রেখেছিলেন। সম্প্রতি সেটাই প্রকাশ করতে গেল বারিশাকে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রীতিমতো দক্ষিণের জনপ্রিয় অভিনেত্রী তামান্না ভাটিয়ার সঙ্গে তুলনা করে আক্ষেপ করলেন।   নেটদুনিয়ায় তামান্নার কিছু ছবি পোস্ট করে বারিশা লিখেছেন, তামান্না ভাটিয়া আন্তর্জাতিক মানের তারকা; যিনি আমার ও আপনাদেরও প্রিয়। বাংলাদেশের মেয়েদের ও খুব প্রিয়। সে কিন্তু জিরো ফিগার এর নয়, বরং তার শরীরের মেদ নিয়েও স্টেজ এ আকর্ষণীয় পোশাকে সবাইকে মুগ্ধ করে তার প্রতিভায়। তিনি আরও লেখেন, তাকে আমাদের দেশের মেয়েরা খুব প্রশংসায় ভাসিয়ে দেয়। সে প্রশংসা পাওয়ারই যোগ্য, তবে আমরা নই।ম কারণ আমরা অকর্ম, আমরা সব গালাগাল পাওয়ার যোগ্য; কারণ আমরা বলিউড নই, আমরা শ্যাম বাঙালি! ভালোবাসি সবাইকে। বর্তমানে মডেলিং কিংবা অভিনয়ের চেয়ে ব্রান্ড প্রমোশনেই বেশি ব্যস্ত থাকেন বারিশা। ২০০৮ সালে বিটিভিতে কুইজ শো এবং বিতর্কে অংশ নেন তিনি। বুলবুল ললিতকলা একাডেমি থেকে ক্লাসিক্যাল নৃত্যে দীক্ষা নেন। এভাবেই শুরু হয় বারিশার পথ চলা। অল্প দিনের পথচলায় নৃত্য ও উপস্থাপনার পাশাপাশি বেশ কিছু নাটকেও অভিনয় করেছেন তিনি।  আরটিভি/এইচএসকে/এআর  
তামান্নার সঙ্গে তুলনা করে বারিশার আক্ষেপ
জুলাই ফাউন্ডেশনে গেল রাহাত ফতেহ আলীর কনসার্টের টাকা
চব্বিশের জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের পরিবারকে সহায়তার জন্য গত ২১ ডিসেম্বর রাজধানীর আর্মি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় চ্যারিটি কনসার্ট ‘ইকোস অব রেভল্যুশন’। এতে পারফর্ম করেন জনপ্রিয় পাকিস্তানি সংগীতশিল্পী রাহাত ফতেহ আলী খান। কনসাটর্টির আয়োজক ‘স্পিরিটস অব জুলাই’ প্ল্যাটফর্ম।  এই কনসার্ট থেকে আয় হওয়া ১ কোটি ৬৫ লাখ ১১ হাজার ৪৮৫ টাকা আন্দোলনে শহীদ ও আহতদের পরিবার নিয়ে কাজ করা কল্যাণমূলক সংস্থা ‘জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন’-এ দান করা হয়েছে।  মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুর ২টায় রাজধানীর শাহবাগস্থ হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল সংলগ্ন ফাউন্ডেশনটির কার্যালয়ে প্রতিষ্ঠানটির সাধারণ সম্পাদক সারজিস আলমের হাতে এই চেক তুলে দেওয়া হয়।  এ সময় ‘স্পিরিটস অব জুলাই’র পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন, ‘ইকোস অব রেভোল্যুশন’ কনসার্টের আয়োজক মহিউদ্দিন মুজাহিদ মাহি, এস এম এহসান উল্লাহ ধ্রুব, খাইরুল আহসান মারজান, সাদেকুর রহমান সানি, মো. নূর এ আলম চৌধুরী, মো. জাফর আলী এবং রাইয়ান রহমান ইরাত। কনসার্টে এ দিন বিনা পারিশ্রমিকে গান পরিবেশন করেন রাহাত ফতেহ আলী। তিনি ছাড়া আরও গান পরিবেশন করেন ছাত্র-জনতার আন্দোলনে গান গেয়ে জেল-জুলুমের শিকার হওয়া শিল্পী হান্নান, র‍্যাপার সেজান, দেশীয় ব্যান্ডদল চিরকুট, আর্টশেল ও আফটারম্যাথ। কনসার্টে টাইটেল স্পন্সর হিসেবে ছিল প্রাইম ব্যাংক পিএলসি। আয়োজকরা জানান, স্পিরিটস অব জুলাই কর্তৃক আয়োজিত কনসার্টটির যাবতীয় আর্থিক হিসাবের স্বচ্ছতা নিশ্চিতে অডিট রিপোর্ট প্রস্তুতের জন্য দেশের স্বনামধন্য অডিট কোম্পানি ‘Hoda Vasi Chowdhury & Co’র সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। উল্লেখ্য, অর্থসংক্রান্ত সার্বিক বিষয়ের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ ও পরামর্শ প্রদানের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ নিয়ে একটি উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হয়েছিল।  এ পরিষদে ছিলেন—ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যার এ এফ রহমান হলের প্রাধ্যক্ষ ড. কাজী মাহফুজুল হক সুপণ, আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. আনসারুল আলম, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর মুহাম্মদ মাহবুব কায়সার, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক মুহাম্মদ রুহুল আমিন, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস ও সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. সাইফুল আলম চৌধুরী, ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. রেজওয়ানুল হক খান এবং বারডেম হাসপাতালের অধ্যাপক ডা. মাহবুবুল হাসান মুনির। আরটিভি/এইচএসকে/এআর  
জুলাই ফাউন্ডেশনে গেল রাহাত ফতেহ আলীর কনসার্টের টাকা
কেন বলিউড ছাড়ছেন অনুরাগ কাশ্যপ
মেধা ও রুচিশীল কাজ দিয়ে বলিউডে নিজের শক্ত অবস্থান প্রতিষ্ঠা করেছেন গুণি নির্মাতা অনুরাগ কাশ্যপ। দর্শকদের উপহার দিয়েছেন বেশ কিছু জনপ্রিয় সিনেমা। শুধু নির্মাণই নয়, ভালো অভিনয়ও করেন তিনি। চলতি বছরের ‘মহারাজা’সিনেমায় অনুরাগ অভিনয় দাগ কেটেছে দর্শকের মনে। এবার জানা গেল, বলিউড ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন এই নির্মাতা।   এরপর থেকেই অনুরাগের ভক্তদের প্রশ্ন, হঠাৎ কি হলো নির্মাতার? কী কারণে বলিউড ছাড়তে চাচ্ছেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে ভারতীয় একটি গণমাধ্যমে কথা বলেছেন অনুরাগ। পাশাপাশি হিন্দি ভাষার শোবিজ ত্যাগ করার জন্য বেশ কিছু কারণও দেখিয়েছেন নির্মাতা।  অনুরাগ বলেন, বলিউডে এখন আর সৃজনশীলতার কোনো জায়গা নেই। সবকিছুই অর্থের দিকে চলে গেছে। চলচ্চিত্রের খরচ বেড়ে যাওয়ায় এখন সিনেমা তৈরি করা কঠিন হয়ে পড়েছে। কোনো সিনেমা নির্মাণের আগে থেকেই চিন্তা থাকে কিভাবে তা বিক্রি করা যাবে। আর এই চাপের মধ্যে সৃজনশীলতা হারিয়ে যায়। বলিউডের পরিবর্তে দক্ষিণী সিনেমায় নিয়মিত হতে চান জানিয়ে নির্মাতা বলেন,  আমি দক্ষিণে যেতে চাই। সেখানে এমন পরিবেশ আছে যেখানে সৃজনশীলতার সুযোগ বেশি। এখানে যদি থাকা না হয়, আমি একজন বৃদ্ধ মানুষ হয়ে মরে যাব। আমি নিজের ইন্ডাস্ট্রির প্রতি অত্যন্ত হতাশ এবং খুবই অসন্তুষ্ট। কিন্তু মলায়ালম সিনেমাতে আমার এমন কিছু অনুভূতি হয়নি। সেখানে অভিনয় অভিজ্ঞতা বেশ ইতিবাচক। প্রতিভা ব্যবস্থাপনা করে এমন এজেন্সিগুলোর বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেছেন নানা তিনি বলেন, এই এজেন্সিগুলো তরুণ অভিনেতাদের শুধুমাত্র মুনাফার জন্য ব্যবহার করে। তাদের মনোযোগ কেবল স্টার তৈরির দিকেই থাকে। অভিনয় দক্ষতা গড়ে তোলার দিকে মনোযোগ নেই তাদের। অনুরাগ আরও বলেন, বলিউডে এখন আর কেউ অভিনয় করতে চায় না, সবাই স্টার হতে চায়। এজেন্সি কাউকে স্টার বানায় না। কিন্তু একবার যদি কেউ স্টার হয়ে যায়, তখন তারা তাদের থেকে মুনাফা তৈরির প্রতিযোগিতায় নেমে যায়।    আরটিভি/এইচএসকে  
কেন বলিউড ছাড়ছেন অনুরাগ কাশ্যপ
আতশবাজির জ্বলন্ত টুকরোতে পুড়ে যায় পাখিদের ছোট্ট শরীর: নওশাবা
প্রতিবছর আতশবাজি, পটকা ফুটিয়ে ও ফানুস উড়িয়ে থার্টিফার্স্ট নাইট উদযাপন করেন সবাই। কিন্তু এই উৎসবে অনেক সময় বিপাকে পরতে হয় সাধারণ মানুষকে। আতশবাজি ও পটকা ফোটানোর শব্দে অত্যন্ত আতঙ্কের মাঝে কাটে শিশু থেকে শুরু করে অসুস্থ মানুষ, এমনকি পশু-পাখিও। শুধু তাই নয়, প্রাণনাশের ঘটনাও ঘটে। বিষয়টি নিয়ে মানুষকে সচেতন করতে কাজ করছে সরকার, সামাজিক কিংবা প্রাণী কল্যাণ সংগঠনগুলো। কেউ কেউ নিজ উদ্যোগেও সামাজিক মাধ্যমে আতশবাজি-ফানুস তাণ্ডবের ভয়াবহতা তুলে ধরে সচেতনতার বার্তা দিচ্ছেন। পিছিয়ে নেই অভিনেত্রী কাজী নওশাবা আহমেদ।  পটকা ফুটিয়ে ইংরেজি নববর্ষ উদযাপনকে হেলিকপ্টার থেকে গুলির সঙ্গে তুলনা করেছেন তিনি। পাশাপাশি থার্টিফার্স্ট নাইট বর্জনের আহ্বান জানিয়েছেন অভিনেত্রী।  গণমাধ্যমে এ প্রসঙ্গে নওশাবা বলেন, ২০২৪-এ আমাদের সবচেয়ে ভয়াবহ এক অভিজ্ঞতা ছিল হেলিকপ্টার থেকে গুলিতে নিরপরাধ শিশুর প্রাণ হারানো। কখনও কী ভেবে দেখেছেন, আমাদের উল্লাসে আকাশে ছুঁড়ে দেওয়া আতশবাজির জ্বলন্ত টুকরোতে পাখিদের ছোট্ট শরীর পুড়ে যায় একইভাবেই।  তিনি আরও বলেন, আমাদের উৎসবের শব্দে আতঙ্কে তাদের জীবনের আলো নিভে যায়! অথচ এই পৃথিবী তো শুধু আমাদের নয়, তাদেরও। ছোট্ট শিশু উমায়ের প্রাণ হারিয়েছিল এই বর্ষবরণের আতশবাজির ভয়াবহ শব্দে। অভিনেত্রী বলেন, এবারের বর্ষবরণ আগ্রাসী না হোক, চলুন দেশের আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হই। আপনার বাসার অসুস্থ বুড়ো বাবা-মা এবং শিশুদের কথা ভেবে, রাস্তার অসহায় পথপ্রাণী আর পাখিদের কথা ভেবে এবারের বর্ষবরণ হোক আতশবাজি মুক্ত। ২০২৫ হোক মঙ্গলময় পরিবর্তনের বছর। নতুন বছরের শুভেচ্ছা সবাইকে।   আরটিভি/এইচএসকে  
আতশবাজির জ্বলন্ত টুকরোতে পুড়ে যায় পাখিদের ছোট্ট শরীর: নওশাবা
জুয়ার প্রচারণায় তোপের মুখে যা বললেন পিয়া জান্নাতুল
মাঝে মধ্যেই জুয়ার অ্যাপের প্রচারণায় খবরের শিরোনামে উঠে আসে তারকাদের নাম। কেউ শুভেচ্ছাদূত হয়ে, কেউ বা আবার বিভিন্ন অনুষ্ঠানে এসব অ্যাপের স্পন্সরশিপের মাধ্যমে প্রচারণায় অংশ নেন। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হয়েছেন মডেল ও অভিনেত্রী পিয়া জান্নাতুলের নাম।  চলমান বিপিএলকে কেন্দ্র করে একটি জুয়ার অ্যাপের পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে কথা বলতে দেখা গেছে তাকে। আর এতেই তোপের মুখে পড়েছেন পিয়া। অবশেষে বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমে মুখ খুলেছেন তিনি। পিয়া বলেন, আমি একজন ক্রিকেটপ্রেমী। বাংলাদেশের ক্রিকেট নিয়ে কথা বলতে ভালোবাসি। আমি শুধু ক্রিকেট নিয়ে পোস্ট করেছি, যা ক্রিকেট সম্পর্কে আমার ভালোবাসা প্রকাশ করে। তাছাড়া আমি শুধু ওই অনুষ্ঠানের সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করছি। এখানে কে স্পনসর দিলো সেটা তো বিষয় না। এর বেশি আর কিছুই বলতে চাই না। জানা গেছে, যে জুয়ার অ্যাপের টি-শার্ট পরে পিয়া অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেছেন তা বাংলাদেশের সেরা জুয়ার এজেন্টদের একটি। এদিকে প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইনে বলা হয়েছে, ‘যদি কোনো ব্যক্তি সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার জন্য কোনো পোর্টাল বা অ্যাপ বা ডিভাইস তৈরি করেন বা পরিচালনা করেন বা জুয়া খেলায় অংশগ্রহণ করেন বা খেলায় সহায়তা বা উৎসাহ প্রদান করেন বা উৎসাহ প্রদানের জন্য বিজ্ঞাপনচিত্রে অংশগ্রহণ করেন, তা হবে ওই ব্যক্তির অপরাধ।’ এর আগে পরীমণি, নুসরাত ফারিয়া, অপু বিশ্বাস, মাহিয়া মাহি, এবং শবনম বুবলীর মতো তারকাদের এ ধরনের প্রচারণায় দেখা গেছে। আরটিভি/এইচএসকে/এস/এআর  
জুয়ার প্রচারণায় তোপের মুখে যা বললেন পিয়া জান্নাতুল
আরও পড়ুন
অন্তঃসত্ত্বার গুঞ্জনে মুখ খুললেন সোনাক্ষী
তবে কি মা হতে চলেছেন সোনাক্ষী সিনহা
অনেকে বিনা দাওয়াতেই বিয়েতে এসেছিলেন: সোনাক্ষী
বিয়েতে ‘সেরা উপহার’ পেয়ে আপ্লুত সোনাক্ষী