দাম্পত্য কলহ ও পরকীয়ার জেরে আত্মহত্যা করা অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী ইভনাথ খান ইকরাকে ময়মনসিংহের ভালুকার রানদিয়া গ্রামে নানাবাড়িতে দাফন করা হয়েছে।
রোববার (১ মার্চ) বাদ মাগরিব জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হয়। এ সময় স্বজনদের কান্নায় থমথমে হয়ে ওঠে পরিবেশ।
দাফনের আগে রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল মর্গে ইকরার ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। দুপুর ২টায় ময়নাতদন্ত শেষ হলে মরদেহ নিয়ে ঢাকার বাসা থেকে ভালুকার উদ্দেশে রওনা হন স্বজনরা।
দাফনের সময় উপস্থিত হতে পারেনি ইকরার স্বামী ও অভিনেতা আলভী। বর্তমানে একটি নাটকের শুটিংয়ে নেপালে অবস্থান করছেন তিনি। স্ত্রীর করুণ মৃত্যুর পরও কেন তিনি দেশে পৌঁছাতে পারেননি, তা নিয়ে নেটদুনিয়ায় শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা। তবে অভিনেতা জানিয়েছেন, ঢাকার ফ্লাইটের টিকিট না পাওয়ার কারণেই দ্রুত রওনা হতে পারেননি তিনি।
এদিকে স্ত্রীর আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে অভিনেতা জাহের আলভীকে প্রধান আসামি করে মামলা হয়েছে। একই মামলায় অভিনেত্রী তিথি ও অভিনেতার মাকেও আসামি করা হয়েছে। রাজধানীর পল্লবী থানায় ইকরার মামা শেখ তানভীর আহমেদ বাদী হয়ে মামলাটি করেন।
অভিযোগে বলা হয়েছে, ভুক্তভোগীকে বিভিন্নভাবে মানসিক চাপ ও নির্যাতনের মাধ্যমে আত্মহত্যার দিকে ঠেলে দেয়া হয়েছে। মামলার বিষয়টি সময় সংবাদকে নিশ্চিত করেছেন পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ কে এম আলমগীর জাহান।
২০১০ সালে ভালোবেসে ঘর বেঁধেছিলেন আলভী-ইকরা। তাদের ঘরে রয়েছে এক পুত্রসন্তান। তবে দীর্ঘ ১৫ বছরের দাম্পত্যে স্বামীর পরকীয়া ও মানসিক নির্যাতনে আত্মহত্যার পথ বেছে নেন ইকরা। সামাজিক মাধ্যমে ঘনিষ্ঠদের সঙ্গে ইকরার ব্যক্তিগত চ্যাট নেটদুনিয়ায় ফাঁস হওয়ার পর বিষয়টি ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে দেশজুড়ে।
আরটিভি/এমএ




