ঢাকা বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে তথ্য দিলেন বিশেষজ্ঞরা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১২ জানুয়ারি ২০২৬, ০২:২১ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

শীতে কাঁচা খেজুরের রস খাওয়ার আনন্দ অনেক সময় বিষাদে রূপ নেয় নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণে। বাদুড়ের লালা কিংবা প্রস্রাবের মাধ্যমে ছড়ানো এই প্রাণিবাহিত ভাইরাসে প্রতি বছরই দেশে প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভাইরাসটির উৎস ও সংক্রমণের পথ সম্পর্কে সচেতন থাকলেই এ রোগ প্রতিরোধ সম্ভব।

সাধারণত শীত মৌসুম শুরু হলেই নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণ বাড়তে থাকে। প্রতিবছর ডিসেম্বর থেকে এপ্রিল পর্যন্ত সময়ে এর প্রকোপ বেশি দেখা যায়। স্বাস্থ্যখাতের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০০১ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত দেশের ৩২টি জেলায় নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত মোট ৩৪৩ জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ২৪৫ জন মারা গেছেন। অর্থাৎ, বাংলাদেশে নিপাহ ভাইরাসে মৃত্যুর হার প্রায় ৭১ শতাংশ।

নিপাহ ভাইরাস সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ে সংবাদমাধ্যমে কথা বলেছেন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ল্যাবরেটরি মেডিসিনের ভাইরোলজি বিভাগের প্রধান ডা. আরিফা আকরাম বর্না। তিনি জানান, নিপাহ একটি প্রাণিবাহিত ভাইরাস, যার মূল উৎস ফলখেকো বাদুড়। বাদুড়ের লালা বা প্রস্রাবে দূষিত খাবারের মাধ্যমে এই ভাইরাস মানুষে সংক্রমিত হয়।

বিশেষ করে কাঁচা খেজুরের রস কিংবা বাদুড়ে আংশিক খাওয়া ফল খেলে মানুষ সহজেই এ ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারে। এ ছাড়া আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তির শরীরেও দ্রুত নিপাহ ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে।

ডা. আরিফা আকরাম বর্না জানান, ভাইরাসটি শরীরে প্রবেশের ৪ থেকে ১৪ দিনের মধ্যে সাধারণত উপসর্গ দেখা দেয়। তবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে এটি ৪৫ দিন পর্যন্ত সুপ্ত অবস্থায় থাকতে পারে। প্রাথমিক পর্যায়ে রোগীর তীব্র জ্বর, মাথাব্যথা, পেশি ব্যথা, বমিভাব, গলা ব্যথা কিংবা ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো লক্ষণ দেখা যায়।

রোগটি জটিল আকার ধারণ করলে রোগীর মাথা ঘোরা, অতিরিক্ত তৃষ্ণা, জ্ঞান হারানো, অসংলগ্ন আচরণ এবং মারাত্মক শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত সমস্যাও দেখা দিতে পারে। গুরুতর অবস্থায় রোগীর মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। এমনকি উপসর্গ না থাকলেও নিপাহ ভাইরাস মস্তিষ্কে মারাত্মক প্রদাহ সৃষ্টি করতে পারে বলে সতর্ক করেন বিশেষজ্ঞরা।

নিপাহ ভাইরাস শনাক্তে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্ত, প্রস্রাব ও সেরিব্রো স্পাইনাল ফ্লুইড পরীক্ষা করা হয়। আরটিসিআর, এলাইজা ও কালচার পরীক্ষার মাধ্যমে ভাইরাস শনাক্ত করা সম্ভব। তবে এটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ জীবাণু হওয়ায় সাধারণত বায়োসেফটি লেভেল-৪ ল্যাবরেটরিতে এসব পরীক্ষা করা হয়। নমুনা সংগ্রহের সময় যদি ভাইরাস নিষ্ক্রিয় করা যায়, তাহলে বায়োসেফটি লেভেল-২ পরীক্ষাগারেও সতর্কতার সঙ্গে পরীক্ষা করা যেতে পারে।

বর্তমানে নিপাহ ভাইরাসের কোনো প্রতিষেধক বা কার্যকর ভ্যাকসিন আবিষ্কৃত হয়নি। তাই সচেতনতার মাধ্যমেই এ রোগ প্রতিরোধের ওপর জোর দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। এ জন্য কাঁচা বা অপরিষ্কার খেজুরের রস পান থেকে বিরত থাকা, দাগ বা কামড়ের চিহ্নযুক্ত ফল না খাওয়া এবং অসুস্থ ব্যক্তি বা প্রাণীর সংস্পর্শ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন

এ ছাড়া আক্রান্ত ব্যক্তিকে দ্রুত আইসোলেশনে রাখা ও কন্টাক্ট ট্রেসিং নিশ্চিত করা জরুরি। সন্দেহজনক উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। রোগীর সেবা বা জরুরি প্রয়োজনে সংস্পর্শে এলে মাস্কসহ প্রয়োজনীয় সুরক্ষা ব্যবস্থাও গ্রহণ করতে হবে। নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত মায়ের শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানো বন্ধ রাখা এবং রোগী সুস্থ হওয়ার পরও দীর্ঘমেয়াদি মস্তিষ্কজনিত জটিলতার আশঙ্কায় নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখার কথাও জানান বিশেষজ্ঞরা।

চিকিৎসকদের মতে, নিপাহ ভাইরাস প্রতিরোধ ও মৃত্যুঝুঁকি কমাতে সরকারি উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় নজরদারি জোরদার, প্রয়োজনীয় বিধিনিষেধ আরোপ, গণমাধ্যমে ব্যাপক প্রচার এবং পোস্টার ও লিফলেটের মাধ্যমে জনসচেতনতা বাড়ানো গেলে এ মারাত্মক ভাইরাস থেকে নিরাপদ থাকা সম্ভব।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
পেছালো মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা
আগামী ৪ ডিসেম্বর নির্ধারিত মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজের ২০২৬-২৭ সেশনের এমবিবিএস ও বিডিএস ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। আরও কিছুদিন পিছিয়ে পরীক্ষাটি নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর। বুধবার (৪ নভেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (চিকিৎসা শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. রুবীনা ইয়াসমীন। অধ্যাপক রুবীনা ইয়াসমীন বলেন, পূর্বনির্ধারিত তারিখে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তবে এখনও নতুন তারিখ নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি। অধিদপ্তরের একটি সূত্র জানিয়েছে, এইচএসসি ও সমমানের পুনঃপরীক্ষায় (সাপ্লিমেন্টারি) অংশ নেওয়া পরীক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ দেওয়ার বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্ত কী হবে, তার ওপর নির্ভর করছে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার নতুন তারিখ। এ বিষয়ে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের এডিজি রুবীনা ইয়াসমীন বলেন, সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা বর্তমানে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সমান সুযোগ পাবে কিনা, এ বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমরা ব্যবস্থা নেব।  এ ছাড়া এখনও ভর্তি নীতিমালা চূড়ান্ত হয়নি। সেটি চূড়ান্ত হলেও আমরা সে অনুযায়ী পরীক্ষা নিতে পারব। উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের সাপ্লিমেন্টারি বা বিশেষ পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দিচ্ছে সরকার। এ বছর পরীক্ষায় প্রায় ৬ লাখ শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছেন। পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ, যা গত ২২ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।  এমন পরিস্থিতিতে প্রথমবারের মতো ৪ লাখের বেশি শিক্ষার্থীকে সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। প্রাথমিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে এ পরীক্ষা নেওয়া এবং একই মাসের শেষে ফল প্রকাশের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা চলতি শিক্ষাবর্ষেই উচ্চশিক্ষায় ভর্তির সুযোগ পাবেন। আরটিভি/টিআর
পেছালো মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা
ডেঙ্গুতে একদিনে ৬ জনের মৃত্যু, নতুন ভর্তি ১৮৬৬
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৮৬৬ জন। বুধবার (৪ নভেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে মোট ১ লাখ ৪২ হাজার ৭৭৫ জন রোগী ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরে গেছেন ১ লাখ ৩৬ হাজার ৩৯৪ জন রোগী। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে ৫ হাজার ৯৩৬ জন ডেঙ্গু রোগী।  এছাড়া চলতি বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে সারাদেশে মোট ৪৪৫ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। বিভাগওয়ারি পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ডেঙ্গুর প্রকোপ সবচেয়ে বেশি রয়েছে ঢাকা বিভাগে। গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ ৮৬৮ জন নতুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এবং ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ঢাকা বিভাগে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৮ হাজার ২৮৪ জনে এবং মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২১২ জনে পৌঁছেছে। এছাড়া খুলনা বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় ২১৫ জন নতুন রোগী ভর্তি হয়েছে এবং ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। যার ফলে মোট আক্রান্ত বেড়ে ২১ হাজার ৪৪৭ জনে এবং মোট মৃত্যু ৮২ জনে দাঁড়িয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম বিভাগে ২৫৬ জন নতুন রোগী ভর্তি হলেও এই সময়ে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। তবে এই বিভাগে এখন পর্যন্ত মোট ৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আক্রান্তের সংখ্যা ২০ হাজার ৮৮৬ জন। রাজশাহী বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন ভর্তি রোগীর সংখ্যা ১৭১ জন (মৃত্যু নেই), মোট আক্রান্ত ১১ হাজার ৫২ জন এবং মোট মৃত্যু ২৯ জন। অন্যদিকে রংপুর বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় ৭১ জন নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন, যেখানে মোট আক্রান্ত ৪ হাজার ৯৮০ জন এবং এ পর্যন্ত ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। বরিশাল বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ২০৬ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, ফলে এই বিভাগে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৭ হাজার ৭১২ জনে এবং মোট মৃত্যু ৩০ জনে দাঁড়িয়েছে। তুলনামূলক কম আক্রান্ত হওয়া সিলেট বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন ভর্তি রোগীর সংখ্যা ছিল মাত্র ১৩ জন, এবং এ পর্যন্ত এই বিভাগে মোট ৯১২ জন আক্রান্ত ও ৪ জনের মৃত্যু রেকর্ড করা হয়েছে। আরটিভি/টিআর
ডেঙ্গুতে একদিনে ৬ জনের মৃত্যু, নতুন ভর্তি ১৮৬৬
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু
দেশে হাম ও হাম-সংশ্লিষ্ট উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে নিশ্চিত হামে ১০৫ শিশু এবং উপসর্গ নিয়ে ১ হাজার ১৬৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সব মিলিয়ে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২৬৯ জনে। বুধবার (৪ নভেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত নিয়মিত হামবিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে নতুন করে ১ হাজার ৩২৫ জন সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত দেশে মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৩৪ হাজার ১৪৮ জনে। এর মধ্যে ল্যাবরেটরিতে নিশ্চিত হওয়া হাম রোগীর সংখ্যা ২৪ হাজার ১৫০ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন ৭৭ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম ও হাম উপসর্গে মোট ১ হাজার ১৬৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ১০৫ জনের। বিভাগভিত্তিক তথ্যে দেখা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ৬ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৪ জন, সিলেট বিভাগে ১ জন এবং খুলনা বিভাগে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে। ঢাকা জেলাতেই সর্বোচ্চ ৪ জনের মৃত্যু নিবন্ধিত হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ ৫২০ জন নতুন সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এছাড়া চট্টগ্রামে ২৩১ জন, বরিশালে ১৫৮ জন, সিলেটে ১৪৪ জন, খুলনায় ৯৭ জন, ময়মনসিংহে ৯১ জন এবং রাজশাহী ও রংপুর বিভাগে ৪২ জন করে রোগী শনাক্ত হয়েছেন। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত মোট ২ লাখ ৮ হাজার ৬৩৪ জন সন্দেহজনক হাম রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১ লাখ ৯৯ হাজার ৮৯৪ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ২০৬ জন এবং ছাড়পত্র পেয়েছেন ১ হাজার ১৪২ জন। আরটিভি/টিআর
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু
বাংলাদেশ-সৌদি ‘ভাসমান হাসপাতাল’র সেবা পেয়েছেন ৬ লাখেরও বেশি রোগী
সৌদি আরবের সহযোগিতায় বাংলাদেশ সরকারের এই জনকল্যাণমূলক উদ্যোগের ফলে অবহেলিত গড়ইখালী ও আশপাশের অঞ্চলের দুস্থ মানুষের দীর্ঘদিনের স্বাস্থ্য বঞ্চনার অবসান হতে চলেছে।
বাংলাদেশ-সৌদি ‘ভাসমান হাসপাতাল’র সেবা পেয়েছেন ৬ লাখেরও বেশি রোগী
প্রতি মঙ্গলবার বিনামূল্যে সিজারিয়ান অপারেশন হয় এই হাসপাতালে 
কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুন্দিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রতি মঙ্গলবার সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সিজারিয়ান অপারেশন করা হবে। দুই বছরেরও বেশি সময় বন্ধ থাকার পর আজ থেকে পুনরায় এই হাসপাতালে সিজারিয়ান (সিজার) অপারেশন কার্যক্রম চালু হলো।
প্রতি মঙ্গলবার বিনামূল্যে সিজারিয়ান অপারেশন হয় এই হাসপাতালে