ত্রিপুরায় বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনের সামনে বিক্ষোভ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

শুক্রবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫ , ০৫:০৬ পিএম


ত্রিপুরায় বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনের সামনে বিক্ষোভ
ছবি: সংগৃহীত

এনসিপি নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহর সেভেন সিস্টার্স নিয়ে মন্তব্যের জেরে ও ময়মনসিংহে এক সংখ্যালঘুকে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনার প্রতিবাদে ভারতের ত্রিপুরায় বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনের সামনে বিক্ষোভ করেছে ত্রিপরা মোথার যুব শাখা ইয়ুথ ত্রিপরা ফেডারেশন (ওয়াইটিএফ)।

বিজ্ঞাপন

শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) দুপুর সাড়ে ১১টা নাগাদ সংগঠনটির কয়েকশো সদস্য হাইকমিশনের কিছু দূরে জমায়েত হয়ে মিছিল শুরু করে। পরিস্থিতি সামলাতে বাংলাদেশের ওই কার্যালয়ের ২০০ মিটার আগেই ব্যারিকেড দেয় পুলিশ। খবর ডেকান হেরাল্ডের। 

ত্রিপুরা ওয়েস্ট ডিস্ট্রিক্টের  এসপি নমিত পাঠক বলেন, পর্যাপ্ত পরিমাণে পুলিশ আমরা মোতায়েন করেছি। শুধু পুলিশ নয়, অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে ত্রিপুরা সশস্ত্র বাহিনী ও সিআরপিএফ ফোর্সও মোতায়ন করা হয়েছে। যদিও শান্তিপূর্ণভাবেই দীর্ঘক্ষণ বিক্ষোভ প্রদর্শন শেষে কর্মসূচির ইতি টানেন সংগঠনটির সদস্যরা। পরে শহরের সার্কিট হাউস এলাকায় পথ অবরোধ করে জোরালো প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করে সংগঠনটি।

বিজ্ঞাপন

বিক্ষোভকারীরা বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মোহাম্মদ ইউনূসের সমালোচনা করে স্লোগান দেন এবং ভারতের প্রতি ‘শত্রুতাপূর্ণ বক্তব্যের’ নিন্দা জানান।

সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ইয়ুথ ত্রিপরা ফেডারেশনের সভাপতি সুরজ দেববর্মা বলেন, এই বিক্ষোভ কোনো রাজনৈতিক এজেন্ডার চেয়ে বেশি জনসাধারণের অনুভূতির প্রতিফলন। হাসনাত আবদুল্লাহ তার বক্তব্যে ভারতীয় হাইকমিশনকে লক্ষ্যবস্তু করার হুমকি দিয়েছেন। তাই বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনারের অফিসের সামনে থেকে আমরা একটি বার্তা পাঠাতে চাই। আমি তাদের মনে করিয়ে দিতে চাই, বাংলাদেশ কীভাবে তৈরি হয়েছিল। 

বিজ্ঞাপন

পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে দেববর্মা বলেন, সীমান্তের ওপার থেকে যে বিবৃতিগুলো আসছে, তা গভীরভাবে উদ্বেগজনক। ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল দখলের বিষয়ে বাংলাদেশের নেতাদের মন্তব্য দায়িত্বজ্ঞানহীন এবং বিপজ্জনক।

তিনি আরও বলেন, তারা ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল দখল করবে এমন কথা বলে বাড়াবাড়ি করেছে। বাংলাদেশ সৃষ্টিতে ভারতের অবদান সত্ত্বেও আজ তারা আমাদের সঙ্গে শত্রুর মতো আচরণ করছে। উত্তর-পূর্বে কোনো সমুদ্র সৈকত নেই। নিকটতম সমুদ্র সৈকত হল কক্সবাজার। যদি তারা আমাদের বাধ্য করে, আমরা এর নাম পরিবর্তন করে ‘গ্রেটার ত্রিপরাল্যান্ড সমুদ্র সৈকত’ রাখব। এমনকি, ভারত সরকার পরিস্থিতি মূল্যায়ন করতে ব্যর্থ হলে জনগণ তাদের ভূমি রক্ষার অনুমতি চাইবে বলেও জানান তিনি।

বিজ্ঞাপন

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

logo_appslogo_apps
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

© All Rights Reserved 2016-2026 | RTV Online | It is illegal to use contents, pictures, and videos of this website without authority's permission