ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

চীনা নারীরা কেন আর সন্তান নিচ্ছেন না

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৫ মে ২০২১, ০১:৪৮ পিএম
সংগৃহীত ছবি

বিশ্বের অন্যতম পরাক্রমশালী দেশ চীনে জনসংখ্যা কমছে অস্বাভাবিক হারে। ১৯৬০-এর দশকের পর বর্তমানে দেশটিতে জন্মহার সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। এ জন্য সরকারের জন্মনিয়ন্ত্রণ নীতি কাজ করেছে বলে দাবি করা হচ্ছে। শুধু সরকারি নীতিই নয়, তার বাইরেও কিছু বিষয় আছে যেজন্য সেখানে দম্পতিরা সন্তান জন্মদানে অনাগ্রহী হয়ে উঠেছে।

সন্তান না নেয়ার জন্য বেইজিংয়ের অধিবাসী লিলির (পরিবর্তিত নাম) ওপর চাপ পড়েছে তার মায়ের। তা সত্ত্বেও সহসা তিনি সন্তান নিতে চান না। লিলি ৩১ বছর বয়সী একজন যুবতী। দু’বছর আগে বিয়ে করেছেন। লিলি বলেন, একটি সন্তানকে বড় করতে অব্যাহত যেসব উদ্বেগের মধ্যে থাকতে হয়, তার বাইরে আমি আমার জীবনকে পরিচালিত করতে চাই। আমার খুব কম পরিচিতজনই আছেন, যাদের সন্তান আছে। আবার যাদের সন্তান আছে, তারা এসব সন্তানকে লালনপালন করার জন্য এখন ভাল ন্যানি বা আয়া পাওয়া নিয়ে ভোগান্তিতে আছেন।

এমনকি ভালো একটি স্কুলে শিশুকে ভর্তি করানো নিয়েও তাদের ভোগান্তির শেষ নেই। এসব কিছুতে মনে হয় তারা নিজেদের জীবন নিয়ে বিরক্ত হয়ে পড়েছেন। তিনি বলেছেন, সন্তান নেয়ার বিষয়ে তার যে অনুভূতি তা জানতে পারলে তার মা ভেঙে পড়বেন। কিন্তু শিশু জন্মদানের জন্য চীনের শহুরে যুবক-যুবতীর মধ্যে যে ভিন্নধর্মী মনোভাব গড়ে উঠেছে, এ ঘটনা তারই প্রতিফলন। এতে আগের প্রজন্মের সঙ্গে বর্তমান প্রজন্মের মতপার্থক্য ফুটে উঠেছে।

এ মাসের শুরুর দিকে চীনের আদমশুমারির ফল ঘোষণা করা হয়। তাতে বলা হয়, গত বছর সেখানে প্রায় এক কোটি ২০ লাখ শিশু জন্মগ্রহণ করেছে। ২০১৬ সালে এই সংখ্যা ছিল এক কোটি ৮০ লাখ। ১৯৬০-এর দশক থেকে জন্মহারের যে রেকর্ড তার মধ্যে গত বছরের রেকর্ড সবচেয়ে কম। সার্বিকভাবে জনসংখ্যা যখন বাড়তে শুরু করে, তখন দশকের পর দশক ধরে তা সরকার গৃহীত নীতির কারণে আস্তে আস্তে কমতে শুরু করে। এর ফলে যে সময়ে জনসংখ্যা কমে আসবে বলে ধরা হয়, তার আগেই সেই লক্ষ্যে তারা পৌঁছে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। কিন্তু জনসংখ্যা কমে আসার ফলে অন্যরকম একটি সমস্যা বৃদ্ধি পাবে। সেখানে বিদ্যমান জনসংখ্যার মধ্যে বয়সের কাঠামোতে পার্থক্য দেখা দেবে। যুবকদের চেয়ে প্রবীণের সংখ্যা হয়ে যাবে বেশি।

যখন এমনটা ঘটবে, তখন প্রবীণদের সেবা দেয়ার জন্য পর্যাপ্ত কর্মী বা মানুষ পাওয়া যাবে না ভবিষ্যতে। এ ছাড়া স্বাস্থ্য এবং সামাজিক যত্নের দাবি জোরালো হবে। এ অবস্থায় ন্যাশনাল ব্যুরো অব স্ট্যাটিসটিকসের প্রধান নিং জিঝে সরকারি এক প্রেজেন্টেশনে বলেছেন, চীনের সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নতির স্বাভাবিক ফল হলো কম জন্মহার। দেশ যখন উন্নত হয়, তখন জন্মহার কমে যায় শিক্ষা ও অন্যান্য সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য। এক্ষেত্রে উদাহরণ হলো জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার মতো প্রতিবেশী দেশগুলো। সেখানে অধিক সন্তান নেয়ার জন্য সরকার প্রণোদনা ঘোষণা করা সত্ত্বেও কয়েক বছরে সন্তান জন্মহার রেকর্ড পর্যায়ে কমে গেছে।

কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চীনের পরিস্থিতি ভিন্ন। সেখানে ব্যতিক্রমী এক সঙ্কট দেখা দিয়েছে এরই মধ্যে। কারণ, যুবকরা বিয়ে করার জন্য একজন কনে খুঁজে পেতে কঠিন অবস্থার মুখোমুখি হচ্ছেন এখনই। আর তো তাদের জন্য পরিবার শুরু করা নিয়ে চিন্তার কথা ভাবাই যায় না। সর্বোপরি চীনে লিঙ্গগত ভারসাম্যতা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। গত বছরের হিসাবে দেখা গেছে, নারীদের তুলনায় চীনে পুরুষের সংখ্যা তিন কোটি ৪৯ লাখ বেশি। অর্থাৎ এত বিপুল সংখ্যক পুরুষ বিয়ে করার জন্য কনে খুঁজে পাবেন না। ১৯৭৯ সালে চীনে জনসংখ্যা কমিয়ে আনার জন্য এক সন্তান নীতি গ্রহণ করা হয়। এর ফলে এমন ভারসাম্যহীনতা সৃষ্টি হয়েছে। কারণ, বেশির ভাগ পরিবার ছেলে সন্তান নেয়ার দিকে ঝুঁকে পড়ে। তারা মনে করে ছেলে সন্তান হলে সে তাদেরকে দেখাশোনা করবে। এ কারণে মেয়ে সন্তান বেশির ভাগ পরিবারের কাছে কাম্য নয়। ফলে কোনো যুবতী অন্তঃসত্ত্বা হলে তারা আলট্রাসনোগ্রামে নিশ্চিত হয়ে নেন তার গর্ভে ছেলে না মেয়ে সন্তান। যদি গর্ভস্থ শিশু মেয়ে সন্তান শনাক্ত হয়, তাহলে তারা জোরপূর্বক গর্ভপাত করে সেই সন্তানকে ফেলে দেন। এর ফলে ১৯৮০র দশক থেকে পরিবারগুলোতে ছেলে সন্তানের জন্ম হতে থাকে। ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সিঙ্গাপুরের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ডি. মু ঝেঙ বলেন, এই প্রবণতা বিয়ের বাজারে প্রচণ্ড এক সমস্যা সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে এক্ষেত্রে যেসব পুরুষের আর্থসামাজিক অবস্থা কম তাদের জন্য সমস্যা আরো বেশি। ২০১৬ সালে চীন সরকার এক সন্তান নীতি বাতিল করে এবং দম্পতিদের দুটি সন্তান নেয়া অনুমোদন করে। কিন্তু তাতে তেমন কাজ হয়নি। দেশে জন্মহার কমে গেছে। সূত্র : বিবিসি

টিএস/পি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
যুক্তরাষ্ট্রের কলোরাডোয় ভয়াবহ দাবানল
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কলোরাডো অঞ্চলে ভয়াবহ দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে। নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে অন্তত ৩০ হাজার বাসিন্দাকে। দাবানলে রাজ্যটির শত শত ঘরবাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের এই অঞ্চলটিতে এ বছর তীব্র খরা দেখা দেওয়ায় ভয়াবহ এ দাবানলের সৃষ্টি হয়েছে। অঞ্চলটিতে জারি করা হয়েছে জরুরি অবস্থা। কলোরাডোর রাজধানী ডেনভারের উত্তরে বোল্ডার কাউন্টিতে দ্রুত দাবানল ছড়িয়ে পড়ছে। সেখানে ঘণ্টায় ১০৫ মাইল গতিবেগে বাতাস বয়ে যাওয়ার কারণে দাবানল খুব দ্রুত ছড়াচ্ছে।  কলোরাডোর মেয়র জানান, ভয়াবহ আগুন এখনও নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি। প্রায় ১৬০ কিলোমিটারজুড়ে লাগা আগুন নেভাতে কাজ করছেন কয়েকশ’ দমকলকর্মী। দাবানলে অঞ্চলটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহতের আশঙ্কা করা হচ্ছে।  কলোরাডোর আগের দাবানলগুলো গ্রাম্য এলাকায় সীমাবদ্ধ ছিল। তবে এ বছর দাবানলটি শহরেও ছড়িয়ে পড়েছে। ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহত হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।  এনএইচ/টিআই   
যুক্তরাষ্ট্রের কলোরাডোয় ভয়াবহ দাবানল
সরকারি চাকরিজীবী পাত্র না পাওয়ায় তরুণীর ‘আত্মহত্যা’ 
সরকারি চাকরিজীবী পাত্র না পাওয়ায় ২৬ বছর বয়সী এক তরুণী আত্মহত্যা করেছেন বলে দাবি পরিবারের। বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে ভারতের মুর্শিদাবাদের কান্দিতে গলায় ফাঁস লাগিয়ে ‘আত্মহত্যা’ করেন শিল্পী ঘোষ নামের ওই তরুণী।  স্থানীয়রা জানান, বিয়ের জন্য তার একটিই ‘শর্ত’ ছিল—পাত্রকে সরকারি চাকরিজীবী হতে হবে! দীর্ঘদিন খোঁজ করেও তার জন্য এমন কোনো পাত্র পাওয়া যায়নি। ‘শর্তপূরণ’ না হওয়ায় কোনো পাত্রকেই মনে ধরছিল না তার। মানসিক অবসাদে আত্মহত্যা করেছেন তিনি। পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ কান্দির খড়গ্রামের গুরুটিয়া গ্রামের বাসিন্দা শিল্পী ঘোষের ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান বলে জানিয়েছেন তার পরিবারের সদস্যরা। তারাই খড়গ্রাম থানায় খবর দেন। পুলিশ কর্মকর্তারা গলায় গামছার ফাঁসে শিল্পীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করেন। এরপর স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে শিল্পীকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। কান্দি হাসপাতালের মর্গে শিল্পীর দেহের ময়নাতদন্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। শিল্পী আত্মহত্যা করেছেন বলে পুলিশের কাছে দাবি করেছে তার পরিবার। এ নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে খড়গ্রাম থানা। তরুণীর মৃত্যুতে হতবাক শিল্পীর চাচা সঞ্জীব মণ্ডল। তিনি বলেন, স্নাতক স্তরের পড়াশোনা শেষ করার পর থেকেই শিল্পীর জন্য পাত্রের খোঁজ করা হচ্ছিল। তবে জমি-জায়গা, টাকাপয়সা রয়েছে, এমন পাত্রদের দেখাশোনা করা হলেও সরকারি চাকরিজীবী পাত্র ছাড়া বিয়েতে রাজি হয়নি শিল্পী।’  এই ঘটনার কথা শোকাহত শিল্পীর গ্রামের বাসিন্দা চন্দন ঘোষও। তার দাবি, কোনো প্রেমঘটিত সম্পর্ক ছিল না শিল্পীর। চন্দন বলেন, ‘শিল্পী আমার বোনের মতো ছিল। গ্রামের সকলে ওকে একডাকে ভালো মেয়ে বলে চেনে। ওর বিরুদ্ধে গ্রামের কারও কোনও অনুযোগ পর্যন্ত নেই। অনেক দিন ধরে পরপর বিয়ের জন্য দেখাশোনা চললেও সরকারি পাত্র ছাড়া বিয়ে করতে রাজি হয়নি শিল্পী। হয়তো সে জন্য ওর মানসিক চাপ বাড়ছিল। হয়তো চেয়েছিল, বিয়ের পর ভালোভাবে থাকবে। তবে কপালে না থাকলে যা হয়।’ সূত্র: আনন্দবাজার এনএইচ/টিআই
সরকারি চাকরিজীবী পাত্র না পাওয়ায় তরুণীর ‘আত্মহত্যা’ 
বিমানের টয়লেটে কোয়ারেন্টাইনে নারী 
যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো থেকে বিমানে করে আইসল্যান্ডের রাজধানী রেইক্যাভিকে যাচ্ছিলেন নারী। করোনার বিধিনিষেধ মেনে আগেই যাত্রীদের নমুনা সংগ্রহ করা হয় পরীক্ষার জন্য। তাতে সবার রিপোর্টই নেগেটিভ এসেছিল। কিন্তু মাঝ আকাশে এক নারী অসুস্থ হয়ে পড়ায় ফের তার পরীক্ষা করা হয়। সেই পরীক্ষার ফল বেরোতে জানা যায় তিনি করোনা আক্রান্ত। অতঃপর দ্রুত তাকে বিমানের টয়লেটে সাময়িক কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়।  মারিসা ফোটিও নামে ওই নারী সুইজারল্যান্ডে তার বাবা ও ভাইয়ের সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছিলেন। রেইক্যাভিক থেকে বার্নেগামী বিমানে উঠার কথা ছিল তার। মারিসা বলেন, তার দু’টি কোভিড-১৯ টিকা নেওয়া হয়ে গেছে। বিমানযাত্রার জন্য গত এক সপ্তাহে দু’বার আরটি-পিসিআর এবং পাঁচ বার ‘র‌্যাট’ পরীক্ষা করিয়েছিলেন। প্রতিবারই রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। পেশায় স্কুলশিক্ষিকা মারিসা জানান, বিমান ওড়ার ঘণ্টা দেড়েক পর থেকে তার গলায় যন্ত্রণা শুরু হয়। মাথাও ঘুরতে থাকে। এরপর ফের তার নমুনা পরীক্ষা হয় এবং রিপোর্ট পজিটিভ আসে।  তিনি বলেন, ‘নিজের পাশাপাশি আমি সহযাত্রীদের নিয়েও চিন্তায় পড়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু ফ্লাইট অ্যাটেন্ড্যান্টরা আমাকে আশ্বস্ত করেন।’  মারিসা জানান, প্রথমে বিমানের মধ্যেই তাকে অন্য যাত্রীদের থেকে দূরে বসানোর চেষ্টা হয়েছিল। কিন্তু সব আসন পূর্ণ থাকায় তা সম্ভব হয়নি। তিনি বলেন, শেষ পর্যন্ত আমি অন্য যাত্রীদের থেকে দূরে থাকার জন্য শৌচাগারে যাওয়ার কথা বলি। পরবর্তীতে সেখানেই কাটান মারিসা। অভিনব কোয়ারেন্টাইনে সেলফি তুলে পোস্টও করেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। সূত্র: গার্ডিয়ান, আনন্দবাজার এনএইচ   
বিমানের টয়লেটে কোয়ারেন্টাইনে নারী 
নাচ-গান, আতশবাজিতে বর্ষবরণে প্রস্তুত সৌদিরা
করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রন ঠেকাতে সৌদি সরকারের নতুন করে সুরক্ষা ব্যবস্থা নেওয়া সত্ত্বেও দেশটির নাগরিকরা নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে মুখিয়ে আছেন।  যদিও কিছু অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়েছে, রিয়াদের বুলেভার্ডে তিন রাতের সংগীত উৎসব অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ৩১ ডিসেম্বর শুরু হওয়া এ অনুষ্ঠানে মোহাম্মদ আবদুতে ১৩ জন প্রসিদ্ধ আরব শিল্পী সংগীত পরিবেশন করবেন।  রিয়াদের ব্যস্ত এলাকা বুলভার্ডে নববর্ষ উপলক্ষে আতশবাজি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। শহরের অন্যান্য এলাকায়ও একই ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন রেস্তোরাঁয় পরিবার ও বন্ধু নিয়ে ২০২২ সালের প্রথম প্রহর উদযাপন করা যাবে। তবে নতুন করে সামাজিক দূরত্ব মানার বিধিনিষেধ আরোপ করায় এক টেবিলে পাঁচজনের বেশি মানুষ বসে খেতে পারবেন না।  রিয়াদের বাসিন্দা ৩০ বছর বয়সী তরুণী আকিল বলেন, তিনি এবং তার বন্ধুরা নববর্ষ উদযাপনের একটি বিশেষ পদ্ধতি আছে। তিনি বলেন, ‘প্রতিবছর আমরা একটি গাড়িতে ঘুরতে বের হই। তারপর কিছু খাবার ও পানীয় কিনি এবং রিয়াদের একটি জায়গায় গিয়ে বসি এবং রাতটি উপভোগ করি।’ ‘এ বছরও আমরা একই ধরনের কিছুই করব। রিয়াদের বুলভার্ডের আশেপাশের একটি চমৎকার জায়গায় গিয়ে বসব এবং জনসমাগম থেকে একটু দূরে থেকে আতশবাজি উপভোগ করব’, যোগ করেন আকিল। এদিকে, জেদ্দায় বিভিন্ন রেস্তোরাঁয় খাবারের পাশাপাশি সরাসরি সংগীতানুষ্ঠান উপভোগ করার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এ ছাড়া মরুভূমিতে ভ্রমণের জন্য বিশেষ প্যাকেজ ঘোষণা করেছে ট্র্যাভেল এজেন্সিগুলো।  এনএইচ/টিআই
নাচ-গান, আতশবাজিতে বর্ষবরণে প্রস্তুত সৌদিরা
পাকিস্তানে বোমা বিস্ফোরণে নিহত ৪
পাকিস্তানে শক্তিশালী বোমা বিস্ফোরণে ৪ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ১৫ জন।  বৃহষ্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) রাতে দেশটির বেলুচিস্তান প্রদেশের কোয়েটার মধ্যাঞ্চলের একটি কলেজের বাইরে এ ঘটনা ঘটে।  আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের তথ্য মতে, রাজধানী কোয়েটায় বিজ্ঞান কলেজের বাইরে যখন এ বিস্ফোরণে ঘটে তখন কলেজের শীতকালীন ছুটি চলছিলো। তাৎক্ষণিক ​কেউ বোমা হামলার দায় স্বীকার করেনি। উল্লেখ্য, বিচ্ছিন্নতাবাদি জঙ্গি গোষ্ঠীগুলি অথবা পাকিস্তানি তালিবান যারা তেহরিকে তালিবান পাকিস্তান (টিটিপি) নামে পরিচিত, তারা প্রায় এ ধরণের সহিংসতার ঘটায়। সূত্র: ডন আরএ/
পাকিস্তানে বোমা বিস্ফোরণে নিহত ৪