ওয়াশিংটন ও সিউলের মধ্যকার প্রতিরক্ষা কৌশল নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার মাঝেই আবারও শক্তি প্রদর্শন করল পিয়ংইয়ং। মঙ্গলবার(২৭ জানুয়ারি) স্থানীয় সময় বিকেলে উত্তর কোরিয়া তার পূর্ব উপকূলে একাধিক স্বল্পপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের প্রতিরক্ষা বিভাগ এই ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের খবরটি নিশ্চিত করেছে। পিয়ংইয়ংয়ের কাছাকাছি এলাকা থেকে ছোড়া এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো সমুদ্রের ওপর দিয়ে প্রায় ৩৫০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে জাপান সাগরে আছড়ে পড়ে। খবর রয়টার্সের।
জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি জানিয়েছেন, উত্তর কোরিয়ার এই উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ড জাপানের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তায় কোনো প্রভাব ফেলবে না। তবে দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফ বিষয়টিকে গুরুত্বের সাথে পর্যবেক্ষণ করছে। গত কয়েক মাস ধরেই উত্তর কোরিয়া ধারাবাহিকভাবে স্বল্পপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ও রকেটের পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছে। কিম জং উন সরকারের দাবি, যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার সম্ভাব্য হুমকি থেকে আত্মরক্ষার জন্য তারা তাদের কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডারকে আরও আধুনিক ও সমৃদ্ধ করছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, উত্তর কোরিয়ার এই সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার পেছনে রাশিয়ার সাথে ক্রমবর্ধমান সামরিক সম্পর্কের প্রভাব থাকতে পারে। ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যবহারের জন্য রাশিয়াকে অস্ত্র সরবরাহ করার পর উত্তর কোরিয়ার সামরিক প্রযুক্তি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে কৌতূহল ও উদ্বেগ দুই-ই বেড়েছে। বর্তমানে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের এক শীর্ষ কর্মকর্তা সিউল সফরে থাকা অবস্থায় এই ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপকে ওয়াশিংটন-সিউল সামরিক জোটের আধুনিকায়ন প্রক্রিয়ার প্রতি একটি শক্তিশালী পাল্টা জবাব হিসেবে দেখা হচ্ছে।
আরটিভি/এআর





