ঢাকা বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

ইরানে কবে হামলা হতে পারে, মধ্যপ্রাচ্যের মিত্রকে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৬:৪৩ পিএম
ছবি সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের দামামা বাজিয়ে ইরানে সামরিক হামলার সুনির্দিষ্ট সময়সীমা চূড়ান্ত করেছে ওয়াশিংটন। মার্কিন জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তারা মধ্যপ্রাচ্যের একটি প্রভাবশালী মিত্র দেশের নেতৃত্বকে জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চূড়ান্ত অনুমোদন পেলে রোববার(১ ফেব্রুয়ারি) থেকেই এই অভিযান শুরু হতে পারে।

শনিবার(৩১ জানুয়ারি) মার্কিন সংবাদমাধ্যম ড্রপ সাইট নিউজের এক বিশেষ প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

ট্রাম্প প্রশাসনের মধ্যপ্রাচ্য নীতি বিষয়ক এক অনানুষ্ঠানিক উপদেষ্টা ড্রপ সাইট নিউজকে জানিয়েছেন, এই পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য কেবল ইরানের পারমাণবিক বা ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ধ্বংস করা নয়; বরং এর নেপথ্যে রয়েছে ‘শাসনব্যবস্থা পরিবর্তন’ বা সরকার পতনের সুদূরপ্রসারী লক্ষ্য।

আরও পড়ুন

যুক্তরাষ্ট্রের রণকৌশল অনুযায়ী, ইরানের সামরিক অবকাঠামো এবং বিশেষ করে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) নেতৃত্ব ও সক্ষমতা পুরোপুরি ধূলিসাৎ করে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। ওয়াশিংটন মনে করছে, শীর্ষ নেতৃত্বকে দুর্বল করে দিলে ইরানি জনগণ আবারও রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করবে, যা বর্তমান সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে বাধ্য করবে।

দুই জন জ্যেষ্ঠ আরব গোয়েন্দা কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছে, মার্কিন সামরিক বাহিনী এখন ‘স্ট্যান্ডবাই’ মোডে রয়েছে এবং যেকোনো মুহূর্তে আক্রমণের নির্দেশ কার্যকর হতে পারে। এমন চরম উত্তেজনার মধ্যেই তেহরান তার শেষ মুহূর্তের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

গত শুক্রবার তুরস্কের নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। সম্ভাব্য যুদ্ধ এড়াতে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও তুরস্কের মধ্যে একটি গোপন ‘ব্যাকচ্যানেল’ আলোচনার কাঠামো তৈরির চেষ্টা চলছে। ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলী লারিজানিও ইঙ্গিত দিয়েছেন, তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি দরকষাকষির জন্য প্রস্তুত রয়েছেন।

এর আগে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মন্তব্য করেছিলেন, হামলার জোরালো সম্ভাবনা বুঝতে পেরে ইরান এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি ‘গুরুত্ব সহকারে’ কথা বলছে। তবে আলোচনার প্রস্তাবের আড়ালে পারস্য উপসাগর ও আরব সাগরে মার্কিন রণতরী এবং বোমারু বিমানের উপস্থিতি তেহরানের ওপর এক প্রকার শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতি তৈরি করে রেখেছে।

আরটিভি/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
প্রেসিডেন্টের ফোনে আড়িপাতার অভিযোগ, গ্রেপ্তার ইন্দোনেশিয়ার শীর্ষ পুলিশ কর্মকর্তা
ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তোর ফোনে অবৈধভাবে আড়িপাতার অভিযোগে দেশটির তিন জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
প্রেসিডেন্টের ফোনে আড়িপাতার অভিযোগ, গ্রেপ্তার ইন্দোনেশিয়ার শীর্ষ পুলিশ কর্মকর্তা
অস্ট্রেলিয়ায় হঠাৎ বাড়ল পারিবারিক ব্যয়
অস্ট্রেলিয়ায় সেপ্টেম্বরে পারিবারিক ব্যয় বেড়েছে ০.৬ শতাংশ।
অস্ট্রেলিয়ায় হঠাৎ বাড়ল পারিবারিক ব্যয়
‘আমি থাকলে হারত না রিপাবলিকানরা’, নির্বাচনে হারার পর ট্রাম্প 
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের জয়ে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
‘আমি থাকলে হারত না রিপাবলিকানরা’, নির্বাচনে হারার পর ট্রাম্প 
৯৪ বছর পর কানসাসে সিনেট আসন পেল ডেমোক্র্যাটরা
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কানসাস অঙ্গরাজ্যের সিনেটে জয় পেয়েছেন ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী অ্যাডাম হ্যামিল্টন।
৯৪ বছর পর কানসাসে সিনেট আসন পেল ডেমোক্র্যাটরা
আমি নির্বাচনের ফল মেনে নিতে প্রস্তুত: ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফল মেনে নিতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করতেও আগ্রহ প্রকাশ করেছেন তিনি। সম্প্রতি দ্য নিউইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন ট্রাম্প। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, আমি অবশ্যই নির্বাচনের ফল মেনে নিতে প্রস্তুত। আমরা ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করব। আশা করি, একসঙ্গে কাজ করার কোনো পথ বের করতে পারব। নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয়ের জন্য ট্রাম্প দায়ী করেছেন নিজের নাম ব্যালটে না থাকাকে। অর্থাৎ, তিনি নিজে প্রার্থী না হওয়ায় দলের প্রার্থীরা প্রত্যাশিত ফল পাননি বলে মনে করেন তিনি। ট্রাম্প বলেন, ব্যালটে আমি ছিলাম না। যদি থাকতাম, তাহলে আমরা বিপুল ব্যবধানে জয়ী হতাম! নির্বাচনে নিজের সমর্থন দেওয়া পরাজিত প্রার্থীদের নিয়েও কোনো অনুশোচনা নেই বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প।  তবে সাউথ ক্যারোলাইনার প্রার্থী ডারলিন গ্রাহামের পরাজয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেন তিনি। ট্রাম্প বলেন, ‘দেখলাম ডারলিন হেরে গেছেন। বাহ, এটা তো অবিশ্বাস্য!’ এবারের নির্বাচনে প্রতিনিধি পরিষদের ৪৩৫টি আসন, সিনেটের ১০০টির মধ্যে ৩৫টি আসন এবং বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের গভর্নরসহ স্থানীয় পর্যায়ের বেশ কয়েকটি পদে ভোট হচ্ছে। বর্তমানে কংগ্রেসের দুই কক্ষ সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদ; দুটির নিয়ন্ত্রণই রিপাবলিকানদের হাতে।  যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হলো প্রতিনিধি পরিষদ। সদস্যরা দুই বছরের জন্য নির্বাচিত হন। সাধারণত আইন প্রণয়নের প্রস্তাব প্রথমে এই কক্ষে উত্থাপন ও আলোচনা করা হয়, পরে তা সিনেটে পাঠানো হয়। আরটিভি/এসআর
আমি নির্বাচনের ফল মেনে নিতে প্রস্তুত: ট্রাম্প
আরও পড়ুন
‘আমি থাকলে হারত না রিপাবলিকানরা’, নির্বাচনে হারার পর ট্রাম্প 
৯৪ বছর পর কানসাসে সিনেট আসন পেল ডেমোক্র্যাটরা
আমি নির্বাচনের ফল মেনে নিতে প্রস্তুত: ট্রাম্প
টেক্সাসে ৩২ বছর পর সিনেটে ডেমোক্র্যাটদের জয়, ইতিহাস গড়লেন টালারিকো