এপস্টেইন ফাইলে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ

ধর্ষণে নিহত দুই তরুণীকে বাংলোর মাটিতে পুঁতে রাখার দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ , ১১:২৬ পিএম


ধর্ষণে নিহত দুই তরুণীকে বাংলোর মাটিতে পুঁতে রাখার দাবি
ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন অর্থলগ্নিকারী ও যৌন অপরাধে অভিযুক্ত জেফ্রি এপস্টেইনকে ঘিরে প্রকাশিত সর্বশেষ নথিতে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের প্রকাশিত তথাকথিত ‘এপস্টেইন ফাইল’-এ থাকা একটি ইমেইলে গুরুতর অভিযোগের কথা উঠে এসেছে।

বিজ্ঞাপন

ওই ইমেইলের প্রেরক নিজেকে এপস্টেইনের সাবেক কর্মী হিসেবে পরিচয় দিয়ে দাবি করেছেন, নিউ মেক্সিকোর জোরো র‍্যাঞ্চ এলাকায় দুইজন ‘বিদেশি তরুণীর’ মৃত্যু হয় এবং পরে তাদের মরদেহ র‍্যাঞ্চের বাংলোর মাটিতে পুঁতে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। অভিযোগগুলো যাচাই করা হয়নি এবং নথিতে সেগুলোকে অভিযোগ হিসেবেই উল্লেখ করা হয়েছে। খবর প্রকাশ করেছে ডেইলি মেইল।

নথি অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২১ নভেম্বর পাঠানো ইমেইলটি পরে এফবিআইয়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়। শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ প্রায় ৩০ লাখ নথি প্রকাশ করে, যার অংশ হিসেবেই এই ইমেইলটি সামনে আসে। ইমেইলের প্রেরকের পরিচয় গোপন রাখা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

ইমেইলে প্রেরক দাবি করেন, তিনি জোরো র‍্যাঞ্চে কাজ করার সময় এসব ঘটনার প্রত্যক্ষ সাক্ষী ছিলেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এপস্টেইন এবং ‘ম্যাডাম জি’ নামে পরিচিত এক ব্যক্তির নির্দেশেই দাফনের কাজ সম্পন্ন করা হয়। তবে অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রত্যক্ষ প্রমাণ ইমেইলে সংযুক্ত করা হয়নি।

নথিতে আরও বলা হয়, ইমেইলের প্রেরক কিছু ভিডিও ফুটেজের লিংকের কথা উল্লেখ করেন এবং সেগুলোর বিনিময়ে অর্থ দাবি করেন। এফবিআই এপস্টেইনের মৃত্যুর কয়েক মাস পর এই ইমেইলটি পায়। উল্লেখ্য, জেফ্রি এপস্টেইন ২০১৯ সালে নিউইয়র্কের একটি কারাগারে বিচারাধীন অবস্থায় মারা যান।

বিজ্ঞাপন

প্রকাশিত নথিতে এপস্টেইনের সম্পত্তি সংক্রান্ত তথ্যও রয়েছে। জোরো র‍্যাঞ্চটি তিনি ১৯৯৩ সালে কিনেছিলেন এবং মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তার মালিকানায় ছিল। পরে সেটি বিক্রি করা হয়। বিচ্ছিন্ন অবস্থান ও গোপন যাতায়াতের কারণে র‍্যাঞ্চটি আগেও আলোচনায় ছিল।

আরও পড়ুন

বিশ্লেষকদের মতে, নথিতে থাকা অভিযোগগুলো অত্যন্ত গুরুতর হলেও যাচাই-বাছাই ছাড়া সেগুলোকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে ধরা যায় না। যুক্তরাষ্ট্রের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রয়োজন হলে প্রকাশিত নথির ভিত্তিতে তদন্ত এগিয়ে নেওয়া হবে।


আরটিভি/এসকে

 

আরটিভি খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

logo_appslogo_apps
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

© All Rights Reserved 2016-2026 | RTV Online | It is illegal to use contents, pictures, and videos of this website without authority's permission