হঠাৎ করেই মহাসড়কে অবতরণ করল ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে বহনকারী বিমান। তবে এতে আতঙ্কের কিছু নেই আসামের জাতীয় সড়কে নির্মিত উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রথম ইমার্জেন্সি ল্যান্ডিং ফ্যাসিলিটিতে (ইএলএফ) অবতরণের মধ্য দিয়ে নতুন নজির গড়েছে বিমানটি।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এ তথ্য জানায়। প্রতিবেদনে বলা হয়, সি-১৩০জে সামরিক পরিবহন বিমানে করে প্রধানমন্ত্রী আসামের মরান এলাকায় জাতীয় সড়ক-৩৭–এর একটি অংশে নির্মিত ইএলএফ-এ অবতরণ করেন। চাবুয়া এয়ারফিল্ড থেকে উড্ডয়ন করে তিনি সেখানে পৌঁছান। এই অবতরণের মধ্য দিয়ে রাজ্যে তার একদিনের সফরের সূচনা হয়।
প্রায় ১০০ কোটি রুপি ব্যয়ে নির্মিত ৪ দশমিক ২ কিলোমিটার দীর্ঘ শক্তিশালী রানওয়েটি মরান বাইপাসে অবস্থিত। এটি ভারতীয় বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমান ও পরিবহন বিমানের জন্য কৌশলগত ও বহুমুখী রানওয়ে হিসেবে ব্যবহৃত হবে। এখানে সর্বোচ্চ ৪০ টন ওজনের যুদ্ধবিমান এবং ৭৪ টন ওজনের পরিবহন বিমান অবতরণ করতে সক্ষম।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে প্রধানমন্ত্রী জানান, এই ইএলএফ জরুরি পরিস্থিতিতে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম দ্রুত মোতায়েনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। প্রয়োজনে এটি দিবরুগড় বিমানবন্দরের বিকল্প হিসেবেও ব্যবহার করা যাবে।
ভারতের প্রথম ইএলএফ ২০২১ সালে বারমের জেলায় উদ্বোধন করা হয়। অবতরণের পর প্রধানমন্ত্রী প্রায় ৪০ মিনিটের একটি এয়ার শো উপভোগ করেন। এতে ভারতীয় বিমান বাহিনীর তেজস, সুখোই ও রাফালসহ বিভিন্ন যুদ্ধবিমান অংশ নেয়।
সফরকালে তিনি একাধিক উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। এর মধ্যে রয়েছে ব্রহ্মপুত্র নদের ওপর নির্মিত গুয়াহাটি ও উত্তর গুয়াহাটিকে সংযুক্তকারী সেতু, যা যানজট কমানো ও যোগাযোগব্যবস্থা উন্নত করতে সহায়ক হবে।
এছাড়া বঙ্গোরায় ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট গৌহাটির অস্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন করবেন তিনি।
আরটিভি/এসকে



