জাপানের বৃহত্তম দ্বীপ হনশুতে ৬ দশমিক ২ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। বৃহস্পতিবার (২৬মার্চ) রাতে স্থানীয় সময় এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। বিষয়টি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে জার্মানির ভূবিজ্ঞান গবেষণা সংস্থা জার্মান রিসার্চ সেন্টার ফর জিওসায়েন্সেস।
সংস্থাটির তথ্যমতে, ভূমিকম্পটির এপিসেন্টার ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে। অগভীর গভীরতায় উৎপত্তি হওয়ায় কম্পনটি বেশ তীব্রভাবে অনুভূত হওয়ার আশঙ্কা ছিল।
তবে এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
জাপানের পূর্ব উপকূলে অবস্থিত হনশু দ্বীপ দেশটির অর্থনীতি, জনসংখ্যা ও অবকাঠামোর অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। ফলে এ ধরনের ভূমিকম্প দেশটির নাগরিকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করেছে।
এর আগে, বুধবার(২৫মার্চ) রাত ৮টা ৩১ মিনিটে জাপানে ৪ দশমিক ২ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প হয়েছিল। ওই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের ২০ কিলোমিটার গভীরে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জাপান ভৌগোলিকভাবে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ‘রিং অব ফায়ার’ বা ‘আগ্নেয় মেখলা’ এলাকায় অবস্থিত হওয়ায় দেশটিতে প্রায়ই ভূমিকম্প হয়। এই অঞ্চলটি মূলত প্যাসিফিক প্লেট ও ফিলিপাইন সি প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত, যা ভূকম্পনের জন্য অত্যন্ত সক্রিয়।
নিয়মিত ভূমিকম্পের ঝুঁকি মাথায় রেখে জাপানে ভূমিকম্প-সহনশীল ভবন ও অবকাঠামো নির্মাণ করা হয়। ফলে নিম্ন থেকে মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্পে সাধারণত বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়।
তবে সাম্প্রতিক এই ভূমিকম্পের পর পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রেখেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
সূত্র : এএফপি
আরটিভি/এসকে




