হরমুজ প্রণালি ব্যবহারের অনুমতি পেলো এশিয়ার আরেক দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ 

মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬ , ০৮:১২ পিএম


হরমুজ প্রণালি ব্যবহারের অনুমতি পেলো এশিয়ার আরও এক দেশ
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি সরবরাহ পথ হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান ও পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যকার স্নায়ুযুদ্ধ এখন এক নতুন মোড় নিয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই এই কৌশলগত জলপথে কার্যত একতরফা অবরোধ জারি করে রেখেছে ইরান।

বিজ্ঞাপন

 দেশটির প্রভাবশালী সামরিক শাখা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) শুরুতেই হুঁশিয়ারি দিয়েছিল, আমেরিকা, ইসরায়েল বা তাদের মিত্র কোনো দেশের জাহাজ এই পথ দিয়ে চলাচল করলে সরাসরি হামলা চালানো হবে।

এমন এক চরম উত্তপ্ত ও বিপজ্জনক পরিস্থিতির মধ্যেই দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মুসলিম প্রধান দেশ মালয়েশিয়ার একটি বিশালাকার তেলের ট্যাঙ্কার জাহাজকে নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছানোর বিশেষ অনুমতি দিয়েছে তেহরান। কুয়ালালামপুরে অবস্থিত ইরানি দূতাবাস মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছে যে, যুদ্ধ শুরুর পর এটিই প্রথম কোনো মালয়েশীয় জাহাজের নিরাপদ যাত্রা।

বিজ্ঞাপন

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে ইরানি দূতাবাস বলে, "আমরা আগে বলেছিলাম ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরান তার বন্ধুদের কখনো ভুলে যায় না।" 

হরমুজ প্রণালিতে ইরানের এই ছায়া নিয়ন্ত্রণের ফলে স্বাভাবিকভাবেই জাহাজ চলাচল অর্ধেকের নিচে নেমে এসেছে। এর সরাসরি প্রভাবে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেল ও গ্যাসের দাম হু হু করে বাড়ছে, যা উন্নত ও উন্নয়নশীল সব দেশের অর্থনীতিতেই নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। বর্তমানে বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই রুটেই পরিবাহিত হয়, যা বন্ধ থাকায় এক বৈশ্বিক সংকটের আভাস পাওয়া যাচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

এদিকে, মালয়েশিয়ার জাহাজটিকে এই বিশেষ ছাড় দেওয়া হলেও ইরানের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর ও আগ্রাসী অবস্থান এখনো অপরিবর্তিত রয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ওপর নতুন করে বিধ্বংসী হামলার চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছেন। তিনি সরাসরি হুমকি দিয়েছেন, ইরান যদি অবিলম্বে ওয়াশিংটনের দেওয়া শর্ত মেনে নিয়ে আত্মসমর্পণ না করে, তবে দেশটির প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো লক্ষ্য করে ভয়াবহ হামলা চালানো হবে।

ট্রাম্পের ভাষায়, "ইরান আত্মসমর্পণ না করলে তাদের কোনো আস্ত সেতু থাকবে না এবং কোনো বিদ্যুৎকেন্দ্র থাকবে না; মূলত কিছুই আর অবশিষ্ট থাকবে না।

আরটিভি/এআর 

আরটিভি খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

logo_appslogo_apps
বিজ্ঞাপন

Loading...

আরও পড়ুন

© All Rights Reserved 2016-2026 | RTV Online | It is illegal to use contents, pictures, and videos of this website without authority's permission