ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

সিএনএনের অনুসন্ধান

ইরানি হামলায় লণ্ডভণ্ড মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন সামরিক ঘাঁটি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০২ মে ২০২৬, ০১:১৩ পিএম
ইরানি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত কয়েকটি মার্কিন ঘাঁটি। ছবি: নিউইউর্ক টাইমস

ইরান ও তার মিত্রদের ধারাবাহিক হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলো নজিরবিহীন ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে বলে সিএনএন-এর এক বিশেষ অনুসন্ধানে উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, এই অঞ্চলের অন্তত আটটি দেশে ছড়িয়ে থাকা ১৬টি মার্কিন সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে এসব হামলা চালানো হয়। এর ফলে বেশ কিছু ঘাঁটি বর্তমানে কার্যত ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের কৌশলগত অবস্থান বড় ধরনের সংকটে পড়েছে।

সিএনএন-এর এই তদন্তে স্যাটেলাইট ছবি এবং বিভিন্ন দেশের সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর সাক্ষাৎকার বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এই অঞ্চলে মার্কিন কিছু সামরিক স্থাপনা পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে এবং সেগুলো স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেওয়ার উপক্রম হয়েছে। সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র একে মার্কিন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য একটি 'নাজুক' পরিস্থিতি হিসেবে বর্ণনা করেছে।

আরও পড়ুন

অনুসন্ধানে আরও দেখা যায়, ইরান অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে ব্যয়বহুল এবং দুষ্প্রাপ্য সরঞ্জামগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। স্যাটেলাইট চিত্রে স্পষ্ট, ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনগুলো মূলত উন্নত রাডার সিস্টেম, যোগাযোগ অবকাঠামো এবং অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমানগুলোকে আঘাত করেছে।

এক মার্কিন কংগ্রেসনাল এইডের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অবস্থানের একটি বড় অংশই এখন অচল, যা ওয়াশিংটনের নীতি নির্ধারকদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে৷ রাডার ব্যবস্থাগুলো ওই অঞ্চলে আমেরিকার সবচেয়ে দামি এবং সীমিত সম্পদ হওয়া সত্ত্বেও ইরান সেগুলোকে সবচেয়ে লাভজনক লক্ষ্যবস্তু হিসেবে চিহ্নিত করে ধ্বংস করেছে। এই সম্পদগুলো প্রতিস্থাপন করা যেমন ব্যয়সাধ্য, তেমনি অনেক সময়সাপেক্ষ কাজ বলে মনে করছেন সামরিক বিশেষজ্ঞরা।

এদিকে, আর্থিক ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে পেন্টাগনের পক্ষ থেকে ২৫ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ের কথা বলা হলেও সিএনএন-এর দাবি অনুযায়ী প্রকৃত ব্যয়ের পরিমাণ ৪০ থেকে ৫০ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি৷ এই বিশাল সামরিক ও আর্থিক ক্ষয়ক্ষতির ফলে উপসাগরীয় অঞ্চলের মিত্র দেশগুলোর মধ্যেও এখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আস্থার সংকট দেখা দিয়েছে৷

একজন সৌদি কর্মকর্তার মতে, এই যুদ্ধ প্রমাণ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মিত্রতা অভেদ্য নয়৷ ইরান দাবি করেছে যে, তাদের ওপর হামলার জন্য এসব ঘাঁটি ব্যবহৃত হওয়ায় তারা কেবল আত্মরক্ষার্থে পাল্টা আঘাত করেছে৷

উল্লেখ্য, গত ফেব্রুয়ারি মাসে কোনো সমঝোতা ছাড়াই পারমাণবিক সংলাপ শেষ হওয়ার পর ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরান অভিমুখে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ ও ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু করে৷ এই হামলায় ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ বেশ কয়েকজন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা নিহত হন এবং দেশটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়৷ এর জবাবে ইরান ও তার মিত্ররা মধ্যপ্রাচ্যের ছয়টি দেশে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরায়েলে দফায় দফায় ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়৷

টানা ৩৮ দিন হামলা-পাল্টা হামলার পর পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় গত ৭ এপ্রিল ১৫ দিনের অস্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয় দুইপক্ষ৷ গত ২৩ এপ্রিল সেই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হলেও এখন পর্যন্ত দুই পক্ষ থেকেই নতুন করে কোনো হামলা হয়নি, তবে কোনো স্থায়ী সমঝোতাতেও পৌঁছানো সম্ভব হয়নি৷

আরটিভি/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতির দপ্তরের প্রশংসাপত্র পেলেন বাংলাদেশি আলোকচিত্রী ফরিদ আহাম্মদ রনি
বাংলাদেশের আলোকচিত্রী ও লেখক ফরিদ আহাম্মদ রনির আলোকচিত্রভিত্তিক গ্রন্থ ‘প্যারিসের ছবি’ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনায় এসেছে। ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর হাতে গ্রন্থটি উপহার দেওয়ার পর এবার রাষ্ট্রপতির দপ্তর থেকে পাওয়া আনুষ্ঠানিক প্রশংসাপত্র তার সৃজনশীল উদ্যোগকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে। ২০২৫ সালের ৩০ অক্টোবর ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর হাতে নিজের প্রকাশিত গ্রন্থ ‘প্যারিসের ছবি’ তুলে দেওয়ার সুযোগ পান ফরিদ আহাম্মদ রনি। প্যারিসের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সৌন্দর্যকে আলোকচিত্রের মাধ্যমে তুলে ধরা এই গ্রন্থ রাষ্ট্রপতির হাতে পৌঁছে দেওয়া তার দীর্ঘদিনের সৃজনশীল যাত্রার একটি স্মরণীয় ঘটনা। এর আগে ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতির দপ্তর এবং প্যারিসের মেয়র দপ্তর থেকেও গ্রন্থটির জন্য প্রশংসাপত্র ও ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পাওয়ার কথা জানান লেখক। সেই ধারাবাহিকতায় ২০২৬ সালের ২০ অক্টোবর ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতির দপ্তর থেকে প্রাপ্ত আনুষ্ঠানিক চিঠি তার এই উদ্যোগে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। প্রাপ্ত চিঠিতে গ্রন্থটি উপহার দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশের পাশাপাশি ফ্রান্সের সাংস্কৃতিক মর্যাদা ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দেশটির ভাবমূর্তি তুলে ধরার ক্ষেত্রে লেখকের উদ্যোগের প্রশংসা করা হয়েছে। একই সঙ্গে ফ্রান্স ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং সাংস্কৃতিক বন্ধন সুদৃঢ় করার ক্ষেত্রে তার অবদানের স্বীকৃতিও উল্লেখ করা হয়েছে। ‘প্যারিসের ছবি’ কেবল একটি আলোকচিত্রের বই নয়, বরং ফ্রান্সের রাজধানীর ইতিহাস, স্থাপত্য, শিল্প, সংস্কৃতি ও নগরজীবনের এক নান্দনিক উপস্থাপনা। গ্রন্থটিতে আইফেল টাওয়ার, লুভর জাদুঘর, ঐতিহাসিক স্থাপনা, ভাস্কর্য, নগরজীবন এবং প্যারিসের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য আলোকচিত্রের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে। বাংলা, ইংরেজি ও ফরাসি ভাষায় প্রকাশিত গ্রন্থটি বাংলাদেশের প্রকাশনা ও আলোকচিত্রচর্চার আন্তর্জাতিক পরিচিতি বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছে। বহুভাষিক উপস্থাপনার মাধ্যমে বইটি বাংলাদেশ, ফ্রান্সসহ বিভিন্ন দেশের পাঠক ও শিল্পানুরাগীদের কাছে প্যারিসের সৌন্দর্য ও ঐতিহ্য তুলে ধরার সুযোগ সৃষ্টি করেছে। ২০২৫ সালের নভেম্বরে প্রকাশিত সংবাদ প্রতিবেদনেও গ্রন্থটির বহুভাষিক প্রকাশনা এবং ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতির হাতে পৌঁছানোর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে উঠে আসে। ফরিদ আহাম্মদ রনির এই গ্রন্থ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বের কাছে পৌঁছেছে। ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর পাশাপাশি প্যারিসের সাবেক মেয়র আন্নে ইদালগোর হাতেও বইটি তুলে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া প্যারিসের ঐতিহাসিক গ্রঁ পালে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ChangeNOW Summit-এ মোনাকোর যুবরাজ প্রিন্স আলবার্ট দ্বিতীয়, ফ্রান্সের সাবেক প্রধানমন্ত্রী লরাঁ ফাবিউস এবং জাতিসংঘের আন্ডার-সেক্রেটারি-জেনারেল মেলিসা ফ্লেমিংয়ের হাতেও গ্রন্থটি পৌঁছে দেন তিনি। ২০২৬ সালের জুনে প্যারিসের বর্তমান মেয়র ইমানুয়েল গ্রেগোয়ারের কাছেও গ্রন্থটি উপহার দেওয়া হয়। একই বছরের আগস্টে ফ্রান্সের সাবেক রাষ্ট্রপতি ফ্রাঁসোয়া ওলান্দের হাতেও বইটি তুলে দেওয়ার খবর প্রকাশিত হয়। ফ্রান্স ও বাংলাদেশের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব, সহযোগিতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ওপর প্রতিষ্ঠিত। শিল্প, সাহিত্য, আলোকচিত্র ও সংস্কৃতির মাধ্যমে দুই দেশের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ আরও গভীর করার সুযোগ রয়েছে। ফরিদ আহাম্মদ রনির ‘প্যারিসের ছবি’ সেই সাংস্কৃতিক যোগাযোগের একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ। একজন বাংলাদেশি আলোকচিত্রীর দৃষ্টিতে ফ্রান্সের রাজধানীকে আন্তর্জাতিক পাঠকের সামনে তুলে ধরার এই প্রচেষ্টা দুই দেশের সাংস্কৃতিক বিনিময়কে নতুনভাবে পরিচিত করার সুযোগ সৃষ্টি করেছে। রাষ্ট্রপতির দপ্তর থেকে পাওয়া আনুষ্ঠানিক প্রশংসাপত্র তার ব্যক্তিগত সৃজনশীল অর্জনের পাশাপাশি বাংলাদেশের আলোকচিত্র ও প্রকাশনা জগতের জন্যও অনুপ্রেরণার বিষয়। সংস্কৃতির কোনো ভৌগোলিক সীমারেখা নেই। শিল্প ও সৃজনশীলতার মাধ্যমে মানুষে মানুষে সম্পর্ক গড়ে ওঠে, দেশ থেকে দেশে তৈরি হয় বন্ধুত্বের সেতু। ‘প্যারিসের ছবি’ সেই সেতুবন্ধনেরই একটি নান্দনিক প্রয়াস, যা ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের সাংস্কৃতিক সম্পর্ককে আরও সমৃদ্ধ করবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। আরটিভি/টিআর
ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতির দপ্তরের প্রশংসাপত্র পেলেন বাংলাদেশি আলোকচিত্রী ফরিদ আহাম্মদ রনি
বিশ্ববাজারে বাড়ল সোনার দাম
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের বড় জয়ের পর ডলারের দরপতনে বিশ্ববাজারে সোনার দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
বিশ্ববাজারে বাড়ল সোনার দাম
নিউ ইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে পুনর্নির্বাচিত হলেন লেটিশিয়া জেমস
নিউ ইয়র্ক অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে পুনর্নির্বাচনের লড়াইয়ে জয়ী হয়েছেন লেটিশিয়া জেমস। তিনি রিপাবলিকান প্রতিদ্বন্দ্বী সারিতা কোমাতিরেডিকে পরাজিত করেছেন বলে ঘোষণা করেছে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস। স্থানীয় সময় বুধবার (৪ নভেম্বর) রাত সাড়ে ১২টার দিকে এই নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হয়, যেখানে জেমস ৬০ শতাংশেরও বেশি ভোট পেয়েছেন বলে জানা গেছে। ২০১৯ সাল থেকে জেমস নিউ ইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি কর্মজীবী ​​পরিবারগুলোর ব্যয় কমানো, অপরাধীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা এবং নিউ ইয়র্কবাসীর অধিকার ও নিরাপত্তা রক্ষায় কাজ করেছেন। দায়িত্বকালে গত সাত বছরে তিনি ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে ৫০ বারেরও বেশি মামলা করেছেন। ২০২০ সালে ট্রাম্প কোমাতিরেডিকে নিউ ইয়র্কের পূর্বাঞ্চলীয় ডিস্ট্রিক্ট কোর্টের বিচারক হিসেবে মনোনীত করেছিলেন। তিনি নিউ ইয়র্কে নিরাপত্তা বৃদ্ধি, মানসিক অসুস্থতার মোকাবিলা এবং নিউ ইয়র্কবাসীর অধিকার রক্ষার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। আরটিভি/টিআর
নিউ ইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে পুনর্নির্বাচিত হলেন লেটিশিয়া জেমস
নিজেদের ইতিহাসে প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ স্পিকার পেতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র?
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের হারিয়ে প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে নিয়েছে ডেমোক্র্যাটরা। এরই ধারাবাহিকতায় এবার মার্কিন কংগ্রেসে নতুন ইতিহাস গড়ার পথে রয়েছেন ডেমোক্র্যাট নেতা হাকিম জেফ্রিস। 
নিজেদের ইতিহাসে প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ স্পিকার পেতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র?
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে যে ৫ কারণে ভরাডুবি হলো রিপাবলিকানদের
এবারের নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয়ের ব্যাপকতাকে হোয়াইট হাউজে ট্রাম্পের দুই বছরের শাসনের বিরুদ্ধে মার্কিন ভোটারদের জোরালো প্রত্যাখ্যান হিসেবে দেখা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে যে ৫ কারণে ভরাডুবি হলো রিপাবলিকানদের
আরও পড়ুন
হরমুজ পার হতে বাংলাদেশকে ইরানের নির্দেশনা মানতে হবে: রাষ্ট্রদূত
‘আমরা ট্রাম্পকে হত্যা করব’, তেহরানে বিশাল বিলবোর্ডে ইরানের হুমকি
নির্বাচনে ভরাডুবির পেছনে ইরান যুদ্ধকে দায়ী করলেন ট্রাম্প
হঠাৎ ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচার হচ্ছে পারমাণবিক হামলা থেকে বাঁচার উপায়