২০৩০ সালের মধ্যে মালয়েশিয়ায় চালু হবে এয়ার ট্যাক্সি ও ড্রোন সেবা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬ , ০৪:০৪ পিএম


২০৩০ সালের মধ্যে মালয়েশিয়ায় চালু হবে এয়ার ট্যাক্সি ও ড্রোন সেবা
এয়ার ট্যাক্সি। ছবি: সংগৃহীত

মালয়েশিয়া ২০৩০ সালের মধ্যে এয়ার ট্যাক্সি ও ড্রোনভিত্তিক সেবা চালুর লক্ষ্যে একটি নতুন কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। দেশটির উদীয়মান ‘লো-অ্যালটিটিউড ইকোনমি’ বা নিম্ন-উচ্চতার অর্থনীতিকে আঞ্চলিক পর্যায়ে আরও শক্তিশালী করতে মঙ্গলবার (২৪ জুন) আনুষ্ঠানিকভাবে এ উদ্যোগের উদ্বোধন করেন পরিবহনমন্ত্রী লোকে সিউ ফুক।

ঘোষিত পরিকল্পনার আওতায় দেশটির আকাশসীমায় চালকবিহীন উড়োজাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে একটি বিস্তৃত আইনি ও নিয়ন্ত্রক কাঠামো প্রণয়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সিভিল এভিয়েশন অথরিটি অব মালয়েশিয়াকে (সিএএএম)। সরকারের আশা, এই কাঠামো নিরাপদ আকাশসীমা ব্যবস্থাপনা, কার্যক্রম তদারকি, শিল্পের বিকাশ এবং ভবিষ্যৎ বিমান যোগাযোগ ব্যবস্থার জন্য একটি শক্ত ভিত্তি তৈরি করবে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৭ সালের প্রথম প্রান্তিকের মধ্যেই সীমিত পরিসরে বাণিজ্যিক মালবাহী ড্রোন সেবা চালুর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে যাত্রীবাহী ড্রোন ও এয়ার ট্যাক্সির মতো প্রযুক্তি সাধারণ মানুষের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করার আগে আরও বিস্তৃত গবেষণা, পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং পরীক্ষামূলক ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে।

সরকার জানিয়েছে, প্রচলিত বিমান শিল্পের তুলনায় এ খাত এখনও বিকাশের প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। তাই ড্রোন ও এয়ার ট্যাক্সির রক্ষণাবেক্ষণ, মেরামত, ওভারহোলিং এবং স্থানীয় উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

‘লো-অ্যালটিটিউড ইকোনমি’র আওতায় ১ হাজার মিটার বা তার কম উচ্চতায় পরিচালিত বিভিন্ন অর্থনৈতিক কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এর মধ্যে রয়েছে পণ্য পরিবহন, অবকাঠামো পরিদর্শন, জরুরি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং উন্নত এয়ার মোবিলিটি সেবা।

এদিকে, সিএএএম-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নূরাজমান মাহমুদ জানিয়েছেন, মালয়েশিয়ার এই নতুন শিল্প খাতে বিনিয়োগের জন্য ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি চীনা প্রতিষ্ঠান আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তবে দেশটির বিদ্যমান আইন অনুযায়ী, বিদেশি অপারেটরদের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য স্থানীয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগ গঠন করতে হবে।

পরিবহনমন্ত্রী লোকে সিউ ফুক বলেন, নতুন রোডম্যাপটি অপারেটর, বিনিয়োগকারী এবং সরকারি সংস্থাগুলোর জন্য একটি সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা হিসেবে কাজ করবে। এ সংক্রান্ত পূর্ণাঙ্গ ব্লুপ্রিন্ট চলতি বছরের শেষ নাগাদ প্রকাশ করা হবে।

আরও পড়ুন

উল্লেখ্য, চীনসহ বিশ্বের বিভিন্ন উন্নত দেশে বর্তমানে পণ্য সরবরাহ, যাত্রী পরিবহন, অগ্নিনির্বাপণ এবং কৃষিকাজে ড্রোনের ব্যাপক ব্যবহার হচ্ছে। সেই ধারাবাহিকতায় মালয়েশিয়ার গ্রামীণ কৃষি খাতেও ড্রোন প্রযুক্তির ব্যবহার দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জন করছে।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

logo_appslogo_apps

Loading...

আরও পড়ুন

© All Rights Reserved 2016-2026 | RTV Online | It is illegal to use contents, pictures, and videos of this website without authority's permission