ঢাকা শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩

যেসব দেশে বোরকা-নিকাব নিষিদ্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ০১ মে ২০১৯, ০২:৩৯ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

শ্রীলঙ্কায় চার্চ ও হোটেলে জঙ্গি হামলার পর গত সোমবার থেকে দেশটিতে মুখ দেখা যায় না এমন পোশাক নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে শ্রীলঙ্কাই প্রথম দেশ নয়, যেখানে এ ধরনের পোশাক নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বোরকা বা নিকাবের মতো মুখ ঢেকে রাখার পোশাক নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

ফ্রান্স

ইউরোপের দেশ হিসেবে প্রথম জনসম্মুখে বোরকা নিষিদ্ধ করে ফ্রান্স। ২০০৪ সালে দেশটির সব সরকারি স্কুলে ধর্মীয় পোশাক নিষিদ্ধ করা হয়। পরবর্তীতে ২০১১ সালে ফরাসি সরকার পুরো দেশজুড়ে জনসম্মুখে মুখ ঢেকে রাখে এমন পোশাক নিষিদ্ধ করে। এমনকি দেশটির সরকার আইন অমান্য করলে জরিমানার বিধানও চালু করে।

বেলজিয়াম

ফ্রান্সের পর ইউরোপের দ্বিতীয় দেশ হিসেবে বেলজিয়াম ২০১১ সালে বোরকা ও নিকাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। এমন পোশাক যা পরলে মুখ দেখা যায় না, জনসম্মুখে এ ধরনের পোশাক নিষিদ্ধ করে দেশটি। একইসঙ্গে এ ধরনের পোশাক পরলে সর্বোচ্চ সাত দিনের কারাদণ্ড বা জরিমানার বিধান রাখা হয়।

নেদারল্যান্ডস

২০১৫ সালে জনসম্মুখে বোরকা ও নিকাব পরার ওপর আংশিক নিষেধাজ্ঞা জারি করে নেদার‌ল্যান্ডস। ওই সময় সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, স্কুল, হাসপাতাল ও গণপরিবহনে বোরকা ও নিকাব নিষিদ্ধ করা হয়। নেদারল্যান্ডসে এখনও বোরকা ও নিকাব পুরোপুরি নিষিদ্ধ নয়। তবে নিরাপত্তার কারণে ‘নির্ধারিত পরিস্থিতিতে মানুষজনকে মুখ দেখানোর’ বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

ইতালি

ইতালিজুড়ে বোরকা ও নিকাবের ওপর কোনও নিষেধাজ্ঞা নেই। তবে ২০১০ সালে দেশটির নোভারা শহরে এসব পোশাকের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। সেখানে কেউ এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে তাকে জরিমানা দিতে হয়। এদিকে ইতালি বিভিন্ন অংশে বুরকিনি বা ইসলামি সুইমসুটের ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

স্পেন

স্পেনের কাতালোনিয়ার বিভিন্ন অংশে বোরকা ও নিকাবের বিরুদ্ধে আইন রয়েছে। ২০১৩ সালে স্পেনের সুপ্রিম কোর্ট কিছু এলাকায় এই নিষেধাজ্ঞা অবৈধ বলে রায় দেন। এর মাধ্যমে ‘ধর্মীয় স্বাধীনতা খর্ব’ হয় বলে উল্লেখ করেন আদালত। তবে ২০১৪ সালে ইউরোপিয়ান কোর্ট অব হিউম্যান রাইটস জানিয়েছে, বোরকা ও নিকাবের ওপর নিষেধাজ্ঞায় মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয় না।

চাদ

২০১৫ সালের জুন মাসে দুটি আত্মঘাতী বোমা হামলা হওয়ার পর থেকে আফ্রিকার দেশ চাদে বোরকা ও নিকাব নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এ ধরনের পোশাককে ‘ছদ্মবেশ’ উল্লেখ করে দেশটির তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী কালজুবে পাহিমি দুবেট বলেন, কোনও বোরকা বিক্রি করতে দেখা গেলে তা পুড়িয়ে ফেলা হবে। এমনকি এ ধরনের ধর্মীয় পোশাক পরার কারণে কারাদণ্ডের বিধান চালু করে চাদের সরকার।

ক্যামেরুন

বোরকা ও নিকাবকে চাদ সরকার নিষিদ্ধ করার এক মাস পর আফ্রিকার আরেক দেশ ক্যামেরুন এ ধরনের পোশাক নিষিদ্ধ করে। বর্তমানে দেশটির পাঁচটি প্রদেশে এই নিষেধাজ্ঞা বলবৎ রয়েছে।

নাইজার

নাইজারের দিফফা অঞ্চলে মুখ ঢেকে রাখে এমন পোশাক নিষিদ্ধ। দেশটির এই অঞ্চলে প্রায়ই হামলা চালায় বোকা হারামের জঙ্গিরা। এদিকে দেশটিতে হিজাব বা হেডস্কার্ফও নিষিদ্ধ করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে নাইজারের সরকার।

কঙ্গো

আফ্রিকার দেশ কঙ্গোয় বোরকা ও নিকাব নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সরকারি ঘোষণায় বলা হয়েছে, ‘যেকোনও সন্ত্রাসী হামলা ঠেকাতে’ ২০১৫ সাল থেকে জনসম্মুখে মুখ ঢেকে রাখার পোশাক নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

তুরস্ক

মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ তুরস্কে ২০১৩ সাল পর্যন্ত নারীদের সরকারি প্রতিষ্ঠানে হেডস্কার্ফ পরার ওপর নিষেধাজ্ঞা ছিল। কিন্তু এখন আদালত, সেনাবাহিনী ও পুলিশে কর্মরত নারীরাও হেডস্কার্ফ পরতে পারেন।

সুইজারল্যান্ড

ইউরোপের দেশ সুইজারল্যান্ডে মুখ ঢেকে রাখে এমন পোশাক নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ২০১৬ সালের ১ জুলাই থেকে এ ধরনের পোশাকের ওপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়। কেউ এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে তাকে জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।

ডেনমার্ক

ডেনমার্ক সরকারও বোরকা ও নিকাব পরার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। কেউ যদি এই নিয়ম অমান্য করে তবে তাকে জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।

জার্মানি

জার্মানিতে গাড়ি চালানোর সময় নিকাব পরা বেআইনি। জার্মানির সংসদে পাস করা একটি আইনে বিচারক, সরকারি কর্মচারী এবং সেনাবাহিনীতে নিকাব নিষিদ্ধ করা হয়। এছাড়া পরিচয় শনাক্ত করার প্রয়োজন হলে নিকাব সরানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

অস্ট্রিয়া

অস্ট্রিয়ায় স্কুল ও আদালতসহ অনেক জায়গায় নিকাব নিষিদ্ধ করে ২০১৭ সালের অক্টোবরে আইন করা হয়।

নরওয়ে

স্ক্যান্ডিনেভিয়া অঞ্চলের দেশ নরওয়েতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিকাব নিষিদ্ধ করে আইন হয়েছে।

বুলগেরিয়া

বুলগেরিয়াতে ২০১৬ সালে এক আইনে নিকাব পরার জন্য জরিমানার পাশাপাশি সরকারি কল্যাণ ভাতা কমিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

লুক্সেমবার্গ

লুক্সেমবুর্গে হাসপাতাল, আদালত ও সরকারি অফিস-আদালতসহ কিছু কিছু জায়গায় পুরোপুরি মুখ ঢেকে রাখার ওপর বিধিনিষেধ রয়েছে।

আলজেরিয়া

আলজেরিয়ায় ২০১৮ সালের অক্টোবর মাস থেকে সরকারি কর্মচারীদের নিকাব পরা নিষিদ্ধ করা হয়।

চীন

চীনের উইঘুর মুসলিম অধ্যুষিত শিনজিয়াং প্রদেশে জনসমক্ষে নিকাব এবং লম্বা দাড়ি রাখা নিষিদ্ধ।

এ/পি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
আফগানিস্তানে বায়ুদূষণে ১৭ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৮,৮০০
আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে বিপজ্জনক মাত্রার বায়ু দূষণের কারণে শ্বাস-প্রশ্বাসের সংক্রমণে আক্রান্ত হয়ে গত সপ্তাহে কমপক্ষে ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দেশটির গণস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানায় কাতারের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যম আল জাজিরা। মন্ত্রণালয়টির উপমন্ত্রী ফিদা মোহাম্মদ পাইকান সোমবার সাংবাদিকদের বলেন, এই সপ্তাহে ফুসফুসের সমস্যাসহ বায়ুদূষণ জনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে আট হাজার ৮০০ এর বেশি রোগী হাসপাতালে ভর্তি হন। আফগানিস্তানের ন্যাশনাল এনভায়রনমেন্টাল প্রটেকশন এজেন্সির নারী মুখপাত্র লেইলা সামানি এদিন ডিপিএ নিউজ এজেন্সিকে বলেন, কাবুলের এই বায়ু দূষণের জন্য দায়ী স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। আফগান প্রেসিডেন্ট তাদের বিরুদ্ধে সরকারি কর্মকর্তাদের কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এই মিউনিসিপালিটি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল  এজেন্সি রোববার সন্ধ্যায় জানায়, তিনটি ওয়েডিং হল ও দুটি প্রোপার্টি ম্যানেজমেন্ট অফিস বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। সামানি জানান, স্থানীয়দের  প্রতি আবাসস্থল গরম রাখার জন্য কয়লা, টায়ার ও প্লাস্টিক ব্যবহার না করার আহ্বান জানানো হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, বায়ুদূষণের প্রাথমিক কারণ হলো দারিদ্র্য ও বিদ্যুতের অভাব। সস্তায় গ্যাস ও বিদ্যুৎ পাওয়া না গেলে এই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব নয়। কে/সি
আফগানিস্তানে বায়ুদূষণে ১৭ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৮,৮০০
সিএএ বাতিলের দাবিতে প্রস্তাব পাস কেরালার বিধানসভায়
ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের বিতর্কিত নাগরিকত্ব সংশোধন আইন (সিএএ) বাতিল করার দাবিতে মঙ্গলবার একটি প্রস্তাব পাস হয়েছে দেশটির কেরালার বিধানসভায়। কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নের উদ্যোগে রাজ্যটির বিধানসভায় প্রস্তাবটি পাস হয়। খবর স্থানীয় গণমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া এবং আনন্দবাজারের। মঙ্গলবার বিধানসভার এক দিনের বিশেষ অধিবেশনে রাজ্য সরকারের আনা সিএএ বাতিল করার প্রস্তাবে সম্মতি দেয় বিরোধী দলগুলো। পিনারাই বিজয়ন সিএএ বিরোধী প্রস্তাবটি পাঠ করার সময় বলেন, ভারতের ধর্মনিরপেক্ষতার আদর্শ ক্ষুণ্ণ করছে ধর্ম ভিত্তিক নাগরিকত্ব প্রদানের আইনটি। তিনি বলেন, সংবিধানের আদর্শের একেবারে বিরোধী এই আইন। এছাড়া আইনটি পাসের পর দেশব্যাপী উদ্বেগ, প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ দেখা গেছে। কেরালার মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কেন্দ্র সরকারের উচিত ধর্মনিরপেক্ষতার খাতিরে এই আইন প্রত্যাহার করা। তিনি স্পষ্টভাবে জানান, কেরালায় কোনও ডিটেনশন ক্যাম্প হবে না। গত রোববার সিএএ প্রত্যাহারের প্রস্তাব আনার জন্যে সর্বদলীয় বৈঠক ডাকেন পিনারাই বিজয়ন। বৈঠকে কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ (ইউনাইটেড ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্ট) দাবি করে, এক দিনের বিশেষ অধিবেশন করে সিএএ বাতিলের প্রস্তাব পাস করা হোক। বছরের শেষ দিনটিকে এই অধিবেশনের জন্যে ধার্য করা হয়। কে/সি
সিএএ বাতিলের দাবিতে প্রস্তাব পাস কেরালার বিধানসভায়
সিএএ বিরোধী বিক্ষোভ সামলাতে গুরুর শরণাপন্ন মোদি
দেশব্যাপী নাগরিকত্ব সংশোধন আইন (সিএএ) বিরোধী বিক্ষোভ সামলাতে শেষপর্যন্ত সদগুরু জাগ্গি বাসুদেবের শরণাপন্ন হলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। খবর স্থানীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজারের। তিনি সোমবার গুরুর একটি ভিডিও টুইট করে লিখেছেন, শুনে দেখুন সদগুরু পানির মতো ব্যাখ্যা করেছেন সিএএ। মজার বিষয় হলো গুরু বাসুদেব শুরুতেই জানান, তিনি আইনটি পুরোপুরি পড়েননি। মোদির টুইট করা ২০ মিনিটের বেশি সময়ের ভিডিওটির শুরুতেই সদগুরু বলেন, আমি আইনটি পুরোপুরি পড়িনি। আইনটি সম্পর্কে যতটা জেনেছি তা গণমাধ্যম থেকে। এই আইন সব দেশেই আছে। আইনটি না পড়ে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করার জন্য শিক্ষার্থীদের তিরস্কার করেন বাসুদেব। তিনি তাদের পাথরের খনিতে কাজ করা শ্রমিকদের সঙ্গে তুলনা করেন কর্ণাটকের মহীশুরে জন্মগ্রহণ করা এই গুরু। তিনি বলেন, সবাই বলছে পুলিশ বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকে পড়েছে। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও তো পাথরের খনিতে কাজ করা শ্রমিকদের মতো আচরণ করেছে। সবাইকে লক্ষ্য করে পাথর ছুড়েছে তারা। তার দাবি, এমন প্রতিক্রিয়া হবে ভাবেনি বলে বেশি পুলিশ নামায়নি সরকার। তাই পুলিশই মার খেয়েছে। পুলিশের দিকে কেউ পাথর ছুড়েছে, কেউ ছোড়েনি। সংঘর্ষে দুজনই পুলিশের মার খাবে এটাই স্বাভাবিক। দিল্লিতে সিএএ বিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্বে থাকা সিপিআই (এমএল) নেত্রী কবিতা কৃষ্ণন বলেন, প্রধানমন্ত্রী মরিয়া হয়ে রং নম্বর করে ফেললেন। উনি (সদগুরু জাগ্গি বাসুদেব) তো আইনটিই পড়েননি। কে/সি
সিএএ বিরোধী বিক্ষোভ সামলাতে গুরুর শরণাপন্ন মোদি
ভয়ংকর রূপ নিচ্ছে অস্ট্রেলিয়ার দাবানল, আটকা চার হাজার বাসিন্দা
ভয়ংকর রূপ ধারণ করছে অস্ট্রেলিয়ার দাবানল। দেশটির নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যে মঙ্গলবার দাবানলে পুড়ে এক দমকলকর্মীসহ কমপক্ষে দুজন নিহত হয়েছেন। এ নিয়ে চলমান দাবানলের কারণে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১২ হলো। খবর ইরানের নিউজ সাইট পার্সটুডে ও যুক্তরাজ্যের সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের। রাজ্যটিতে দাবানলের কারণে দুজন আহত এবং চারজন নিখোঁজ হয়েছেন। দাবানল সবচেয়ে বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছেছে ভিক্টোরিয়া রাজ্যে। এখানে ১১ নম্বর সতর্কতা জারি করা হয়েছে। রাজ্যটির ছোট শহর মাল্লাকুটার চার হাজার বাসিন্দা একটি উপকূলে আটকা পড়েছে। তাপমাত্রা ধারাবাহিকভাবে বাড়তে থাকায় দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোতেও দাবানল ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। দেশটির প্রতিটি রাজ্যের তাপমাত্রা প্রায় ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস অতিক্রম করে যাওয়ায় এই আশঙ্কা বেড়েছে।   ভিক্টোরিয়ার ইস্ট গিপসল্যান্ড থেকে ৩০ হাজার অধিবাসী এবং পর্যটককে অঞ্চলটি ছেড়ে চলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল কর্তৃপক্ষ। কিন্তু আগুন প্রধান সড়কগুলোতে ছড়িয়ে পড়ায় তাদের জন্য অঞ্চলটি ছেড়ে যাওয়া অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। ইস্ট গিপসল্যান্ডে বাতাসের সঙ্গে আগুন উপকূলের দিকে ছড়িয়ে পড়ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকারি কর্মকর্তারা। এদিকে মেলবোর্নের বুনদুরায় অসংখ্য মানুষ এবং তাদের বাড়িঘর দাবানলে পুড়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে আছে বলে জানিয়েছেন এখানকার কর্মকর্তারা। কে/সি
ভয়ংকর রূপ নিচ্ছে অস্ট্রেলিয়ার দাবানল, আটকা চার হাজার বাসিন্দা
চীনে জিন এডিট করে শিশু জন্ম দেয়ায় তিন গবেষককে কারাদণ্ড
অবৈধভাবে জিন এডিট করে শিশু জন্ম দেয়ায় জড়িত থাকা তিন গবেষককে সোমবার কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন চীনের এক আদালত। খবর দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়ার। তিন গবেষকের প্রধান হি জিয়ানকুইকে তিন বছরের কারাদণ্ড ও ৩০ লাখ ইউয়ান (চার লাখ ৩০ হাজার ডলার) অর্থদণ্ড দেন গুয়াংডং প্রদেশের শেনঝেন শহরের ন্যানশ্যান ডিস্ট্রিক্ট পিপলসের এই আদালত। তার দুই সহকারী ঝ্যাং রেনলি এবং কিন জিনঝৌর শাস্তি কমিয়ে তাদেরকে যথাক্রমে দুই ও দেড় বছরের কারাদণ্ড দেন আদালত। এছাড়া তাদেরকে অর্থদণ্ড দেয়া হয়। হি জিয়ানকুই ২০১৮ সালের নভেম্বরে বিশ্বে প্রথমবারের মতো জিন এডিট করে সন্তান জন্ম দেয়ায় সাহায্য করার কথা জানালে জিন এডিটিংয়ের নৈতিকতা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। এছাড়া জিন এডিট করে শিশু জন্ম দেয়ার আরেকটি ঘটনায় জড়িত ছিলেন সাউদার্ন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর হি জিয়ানকুই। কে/সি
চীনে জিন এডিট করে শিশু জন্ম দেয়ায় তিন গবেষককে কারাদণ্ড
আরও পড়ুন
নির্যাতনের শিকার বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরীর সন্তান প্রসব
এগিয়ে চলছে মহিলাদের আয়বর্ধক প্রশিক্ষণ
কাভার্ড ভ্যানের চাপায় নারী শ্রমিক নিহত
বিশ্বের ক্ষমতাধর ১০০ নারীর তালিকায় ২৯তম শেখ হাসিনা