লেবাননে একদিনে ৪১ জনের প্রাণ কেড়ে নিলো ইসরায়েল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

রোববার, ০৩ মে ২০২৬ , ০৭:০৪ পিএম


লেবাননে একদিনে ৪১ জনের প্রাণ কেড়ে নিলো ইসরায়েল
ফাইল ছবি

যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে লেবাননে দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে একের পর এক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি বাহিনীর বিমান হামলা ও গোলাবর্ষণে অন্তত ৪১ জন নিহত হয়েছে দেশটিতে। মার্চের শুরু থেকে চলমান এসব হামলায় এখন পর্যন্ত দেশটিতে প্রাণ হারিয়েছেন ২ হাজার ৬০০ জনেরও বেশি বেসামরিক মানুষ। 

রোববার (৩ মে) রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে এ তথ্য। 

প্রতিবেদন অনুযায়ী, শনিবার (২ মে) লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় একাধিক বিমান হামলা চালায় ইসরায়েল। এতে বেশ কয়েকজন নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করেছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

নাবাতিয়েহ, সিডন ও টাইর অঞ্চলের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে এসব হামলার ঘটনা ঘটে। কোথাও বসতবাড়ি, কোথাও চলন্ত গাড়ি লক্ষ্য করে আঘাত হানা হয়। এসব হামলায় নারী ও শিশুসহ বহু বেসামরিক হতাহতের অভিযোগ উঠেছে। 

আরও পড়ুন

তবে, পাল্টা আক্রমণ অব্যাহত রেখেছে হিজবুল্লাহও। সংগঠনটি জানিয়েছে, দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন ফ্রন্টলাইনে ইসরায়েলি সেনা ও সামরিক যান লক্ষ্য করে আর্টিলারি ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। বিশেষ করে ফাইবার-অপটিক নিয়ন্ত্রিত ছোট ড্রোন ব্যবহার করে ট্যাংক ও সামরিক সরঞ্জামে আঘাত হানার নতুন কৌশল প্রয়োগ করছে তারা। এতে ইসরায়েলি সেনা হতাহতের ঘটনাও ঘটছে।

গত ১৬ এপ্রিল প্রথমে ১০ দিনের জন্য যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে সম্মত হয় হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েল। পরবর্তীতে এ যুদ্ধবিরতি তিন সপ্তাহের জন্য বাড়ানো হয়। কিন্তু, বর্ধিত যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার অনেক আগেই লেবাননে হামলা করে বসে ইসরায়েল। হিজবুল্লাহকে টার্গেট করে দক্ষিণ লেবাননে নিয়মিতই এখন বিমান হামলা ও গোলাবর্ষণ করছে ইসরায়েলি বাহিনী।

মার্চের শুরু থেকে নতুন করে শুরু ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত ২ হাজার ৬০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত এবং ৮ হাজারের বেশি আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে লেবানন কর্তৃপক্ষ। সেইসঙ্গে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন ১০ লাখেরও বেশি মানুষ।

আরটিভি/কেডি

আরটিভি খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

logo_appslogo_apps

Loading...

আরও পড়ুন

© All Rights Reserved 2016-2026 | RTV Online | It is illegal to use contents, pictures, and videos of this website without authority's permission