চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ আরও একবার পিছিয়েছে। এ মামলায় প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য আগামী ১৪ মে নতুন দিন ধার্য করেছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন নির্ধারিত ছিল। কিন্তু তদন্ত কর্মকর্তা রমনা মডেল থানার ইন্সপেক্টর আতিকুল ইসলাম খন্দকার প্রতিবেদন জমা দিতে না পারায় ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা নতুন এই তারিখ নির্ধারণ করেন।
প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক (এসআই) জিন্নাত আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। উল্লেখ্য, সালমান শাহর সাবেক স্ত্রী সামিরা হকসহ মোট ১১ জনের বিরুদ্ধে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছে।
সালমান শাহর মৃত্যুর ২৯ বছর পর গত ২০ অক্টোবর সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরীর পক্ষে তার ভাই মোহাম্মদ আলমগীর কুমকুম মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন— সামিরা হকের মা লতিফা হক লুসি, ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই, খলনায়ক ডন, ডেডিড, জাভেদ, ফারুক, রুবী, আব্দুস ছাত্তার, সাজু, রিজভী আহমেদ ওরফে ফরহাদ।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, এজাহারভুক্ত আসামিসহ অচেনা ব্যক্তিরা পূর্ব পরিকল্পিতভাবে সালমান শাহকে ‘হত্যা’ করেছে।
আসামিরা যেন দেশত্যাগ করতে না পারে, সে জন্য ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের সহায়তা চেয়েছে রমনা থানা পুলিশ।
দেশের চলচ্চিত্র জগতে জনপ্রিয়তার তুঙ্গে থাকা সালমান শাহ ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ঢাকার ইস্কাটনের ফ্ল্যাটে মারা যান।
ছেলের মৃত্যুর পর প্রথমে একটি অপমৃত্যু মামলা হলেও পরে সালমান শাহর বাবা কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে— এমন অভিযোগে তুলে ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই আদালতে একটি আবেদন করেন।
তখন অপমৃত্যু মামলার সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ তদন্ত করতে সিআইডিকে নির্দেশ দেয় আদালত। ১৯৯৭ সালের ৩ নভেম্বর আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়ে সিআইডি জানায়, সালমান শাহ ‘আত্মহত্যা’ করেন।
সিআইডির প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে কমরউদ্দিন চৌধুরী রিভিশন মামলা দায়ের করেন। পরে ২০০৩ সালের ১৯ মে মামলাটি বিচার বিভাগীয় তদন্তে পাঠায় আদালত।
আরটিভি/এমআই




