কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারের ডিভিশনপ্রাপ্ত বন্দিদের বহনকারী প্রিজন ভ্যানের সঙ্গে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার একটি খবর সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। তবে কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এ তথ্য সম্পূর্ণ বিভ্রান্তিকর।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান, কারা অধিদপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক (উন্নয়ন ও মিডিয়া) জান্নাত উল ফরহাদ।
এতে বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত পোস্টে দাবি করা হয়েছে— কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে আদালতে নেওয়ার পথে ডিভিশন বন্দিদের বহনকারী প্রিজন ভ্যানের সঙ্গে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা ঘটেছে। তবে বাস্তবে এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি।
কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, প্রকৃত ঘটনা হলো—গত ১৯ এপ্রিল পোস্তগোলা ব্রিজ থেকে প্রিজন ভ্যান নিচে নামার সময় হঠাৎ ব্রেক করলে ভ্যানের ভেতরে থাকা চারজন ডিভিশন বন্দির মধ্যে জুনায়েদ আহমেদ পলক নিজেকে সামলাতে না পেরে অন্য বন্দি ফজলে করিম চৌধুরীর সঙ্গে ধাক্কা খান। এতে তার ঘাড়ে সামান্য ব্যথা অনুভূত হয়।
এ ঘটনায় এমআরআইসহ প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে। তবে এতে কারও কোনো গুরুতর ক্ষতি হয়নি বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
এদিকে, মঙ্গলবার ঢাকার একটি আদালতে হাজির হয়ে নিজের শারীরিক অবস্থার বিষয়টি তুলে ধরেন জুনায়েদ আহমেদ পলক। এ সময় বিচারক তাকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দেন।
সকালে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এ মোহাম্মদপুর থানার একটি মামলার অভিযোগ গঠন শুনানিতে তাকে হাজির করা হয়। শুনানির সময় পলক আদালতকে জানান, গত ১৯ এপ্রিল আদালত থেকে কারাগারে নেওয়ার পথে প্রিজন ভ্যান দুর্ঘটনার কবলে পড়ে তিনি আহত হন।
এ বিষয়ে পলকের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ফারজানা ইয়াসমিন রাখি বলেন, ওই ঘটনায় পলকসহ প্রিজন ভ্যানে থাকা কয়েকজন আহত হন। আদালতকে বিষয়টি জানানো হলে বিচারক তার চিকিৎসার বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।
আরটিভি/এমএ



