ঢাকা শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩

নকল পেট্রোল চিনবেন যেভাবে

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৬ জানুয়ারি ২০২৬, ১০:২০ এএম
ছবি: সংগৃহীত

মোটরযান চালানোর জন্য জ্বালানি তেল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণত পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেল ব্যবহৃত হয়, কিন্তু অনেক সময় অসাধু ব্যবসায়ী এসব জ্বালানিতে ভেজাল মিশিয়ে বিক্রি করেন, যা ইঞ্জিনের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। তাই পেট্রোল আসল না নকল তা চিনতে কিছু সহজ উপায় জানা প্রয়োজন।

১. পেট্রোলের গন্ধ পরীক্ষা:
আসল পেট্রোলের গন্ধ তীব্র এবং স্বাভাবিক। নকল পেট্রোলের গন্ধ অনেক সময় হালকা ও অস্বাভাবিক হয়ে থাকে, কারণ এতে থাকে ক্ষতিকারক উপাদান।

২. রং দেখে পার্থক্য করা:
আসল পেট্রোল সাধারণত হালকা হলুদ অথবা সম্পূর্ণ বর্ণহীন হয়। যদি পেট্রোলের রং গাঢ় বা অন্য কোনো রঙের হয়, তাহলে সেটি নকল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

৩. পানি দিয়ে পরীক্ষা:
অল্প পরিমাণ পেট্রোল পানি দিয়ে মিশিয়ে দেখুন। আসল পেট্রোল পানির ওপর ভেসে থাকবে, কিন্তু নকল পেট্রোল পানির সঙ্গে মিশে যেতে পারে বা রঙ পরিবর্তিত হতে পারে।

৪. কাগজে ফোঁটা দিয়ে পরীক্ষা:
সাদা কাগজে কয়েক ফোঁটা পেট্রোল দিয়ে শুকাতে দিন। আসল পেট্রোল সম্পূর্ণ বাষ্পীভূত হয় এবং দাগ ফেলে না। নকল পেট্রোল শুকানোর পর কাগজে তেলের মতো দাগ থাকতে পারে।

৫. পোড়ানোর পরীক্ষা:
একটি ধাতব পাত্রে অল্প পেট্রোল রেখে পোড়ানোর চেষ্টা করুন। আসল পেট্রোল পুরোপুরি পুড়ে সাদা ধোঁয়া সৃষ্টি করে, কিন্তু নকল পেট্রোল পোড়ার সময় কালো ধোঁয়া দিতে পারে বা সম্পূর্ণ পুড়ে না যেতে পারে।

৬. গাড়ির কর্মক্ষমতা পর্যবেক্ষণ:
পেট্রোল ভর্তি করার পর যদি গাড়ির কর্মক্ষমতা কমে যায়, ইঞ্জিন মাঝে মাঝে আটকে যায়, মাইলেজ কমে বা ইঞ্জিন দ্রুত গরম হয়, তাহলে পেট্রোল নকল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

সতর্ক থাকুন, ভালো মানের জ্বালানি ব্যবহার করুন এবং প্রয়োজনে উপরোক্ত পরীক্ষা করে নিন। যাতে আপনার গাড়ির ইঞ্জিন সুস্থ থাকে এবং দীর্ঘদিন ভালো কাজ করে।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
এনার্জি ড্রিংকেই বাড়তে পারে তরুণদের হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি
সারাদিনের ক্লান্তি দূর করতে কিংবা কাজের ফাঁকে চাঙা থাকতে অনেকেই ভরসা করেন এনার্জি ড্রিংকের ওপর।
এনার্জি ড্রিংকেই বাড়তে পারে তরুণদের হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি
বিশ্ব চিৎকার বন্ধ দিবস আজ
আজ ৬ নভেম্বর, বিশ্ব চিৎকার বন্ধ দিবস। রাগ, ক্ষোভ কিংবা মতবিরোধের সময় চিৎকারের পরিবর্তে ধৈর্য, সহনশীলতা ও শান্তিপূর্ণ যোগাযোগের অভ্যাস গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে দিবসটি পালিত হয়।
বিশ্ব চিৎকার বন্ধ দিবস আজ
কেন হাসতে হাসতে চোখে পানি আসে
প্রাণ খুলে হাসছেন, অথচ হঠাৎ চোখ দিয়ে পানি গড়িয়ে পড়ছে।
কেন হাসতে হাসতে চোখে পানি আসে
পেঁয়াজ কাটলেই চোখে পানি আসে কেন
রান্নার প্রস্তুতি নিতে গিয়ে পেঁয়াজ কাটতে হয় প্রায় প্রতিদিনই।
পেঁয়াজ কাটলেই চোখে পানি আসে কেন
অতিরিক্ত গরম চা খেয়ে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াচ্ছেন না তো?
সকালের শুরুতে এক কাপ চা, বিকেলে ক্লান্তি দূর করতে আবারও চায়ের কাপে চুমুক—এমন অভ্যাস অনেকেরই।
অতিরিক্ত গরম চা খেয়ে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াচ্ছেন না তো?
আরও পড়ুন
ফার্নেস তেলের দামে বড় লাফ
স্ত্রীকে নিয়ে যাওয়ায় ‘মাথা নষ্ট’ হয়ে যায় যুবকের, নিলেন ‘চরম সিদ্ধান্ত’
আগারগাঁও থেকে ২ পেট্রোল বোমা উদ্ধার
ভারতের ‘ক্রাইম পেট্রোল’ দেখে সিরিয়াল কিলার কুমিল্লার ছেলে মানিক