রাজধানীতে ঈদের কেনাকেটার আমেজ, বাড়তি দামে হতাশ ক্রেতা

আরটিভি নিউজ

মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ , ০৭:৪০ পিএম


রাজধানীতে ঈদের কেনাকেটার আমেজ, বাড়তি দামে হতাশ ক্রেতা
ছবি: সংগৃহীত

সারাদেশে পালিত হচ্ছে পবিত্র মাহে রমজান। আসন্ন ঈদুল ফিতর পালন উপলক্ষে এখন চলছে মানুষের কেনাকাটার প্রস্তুতি। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হওয়ার সুযোগে অনেকেই আগে থেকেই কেনাকাটার কথা ভাবছেন। আবার অনেকে গ্রামে ঈদ উদযাপনের জন্য আগেভাগেই ঈদের শপিং করার জন্য বিপণি বিতানগুলোতে ভিড় জমাচ্ছেন। শেষ মুহূর্তের ভিড় এড়াতে অনেকেই আগেভাগেই ঈদের কেনাকাটা সেরে ফেলতে চাইছেন। 

বিজ্ঞাপন

রাজধানীর নিউমার্কেট, গাউছিয়া, নূরজাহানের মতো কিছু মার্কেটে ভিড় বাড়লেও বড় শপিংমলে নেই ক্রেতা সমাগম। গরমে আরামদায়ক পোশাকের চাহিদা বাড়লেও উচ্চমূল্যে হতাশ ক্রেতারা। ঈদের আনন্দ ঘিরে কেনাকাটায় আগ্রহ থাকলেও দামের চাপই এখন বড় বাস্তবতা। 

বিক্রেতারা জানান, এবার হালকা ও আরামদায়ক গ্রীষ্মকালীন পোশাকের চাহিদা বেশি। নারীদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে পাকিস্তানি, চায়না ও ইন্ডিয়ান থ্রি-পিস। মানভেদে এসব থ্রি-পিস বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকার উপরে। দেশিয় থ্রি-পিস মিলছে ৭০০ থেকে ৫ হাজার টাকায়, আর শাড়ির দাম শুরু হচ্ছে ১ হাজার ২০০ টাকা থেকে, যা ভালো মানে পৌঁছাচ্ছে ৮ হাজার টাকায়।

বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন

পুরুষদের পোশাকেও রয়েছে বৈচিত্র্য। ভালো মানের পাঞ্জাবি, শার্ট বা জিন্স ১৫০০ টাকার নিচে পাওয়া কঠিন বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।

ক্রেতারা জানান, ঈদের সময় অনেক পণ্যের দামই বেড়ে যায়। অতিরিক্ত ভিড় এড়াতেই আগেই কেনাকাটা শেষ করতে চাচ্ছেন অনেক ক্রেতা। আবার অনেকে বসে আছেন ঈদ বোনাসের অপেক্ষায়। 

বিজ্ঞাপন

ব্যবসায়ীদের দাবি, গত বছরের তুলনায় এবার বেচাকেনায় কিছুটা ভাটা রয়েছে। কিছু কিছু শপিংমলে ক্রেতা নেই বললেই চলে। বিক্রেতারা বলছেন, আমদানি জটিলতা, বাড়তি কর এবং ডলারের উচ্চমূল্যের কারণে পোশাকের দাম বেড়েছে। ফলে অনেক ক্রেতাই দাম শুনে দোকান থেকে ঘুরে যাচ্ছেন। 

একজন পোশাক বিক্রেতা বলেন, আগের তুলনায় পোশাকের দাম অনেকটাই বেশি। ডলার রেট বেশি। তাই আমরা ক্রেতা পাচ্ছি না। 

শুধু শপিংমল নয়, ফুটপাতের দোকানেও আসছেন ক্রেতারা। প্রতিবার গজ কাপড়ের চাহিদা থাকলেও, এবার অনেকেই ঝুঁকছেন রেডিমেড পোশাকের দিকে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, রমজানের আগের নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতির প্রভাবেও গজ কাপড়ের বিক্রি প্রত্যাশার তুলনায় কম।

গজ কাপড়ের ব্রিকেতারা জানান, বর্তমানে সবার রেডিমেড পোশাকের দিকে আগ্রহ। ফলে চাহিদা নেই বিভিন্ন গজ কাপড়ের।

ক্রেতাদের প্রত্যাশা দাম কিছুটা সহনীয় হলে ঈদের আনন্দ আরও পূর্ণতা পাবে। আর ব্যবসায়ীরা আশাবাদী, রমজানের শেষভাগে বিক্রি বাড়বে এবং ঈদের কেনাকাটায় ফিরবে প্রাণচাঞ্চল্য। 

আরটিভি/এমআই 

 

 

 

আরটিভি খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

logo_appslogo_apps
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

© All Rights Reserved 2016-2026 | RTV Online | It is illegal to use contents, pictures, and videos of this website without authority's permission