ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

স্মার্ট টিভি থাকলেও কেন মোবাইলেই আসক্ত হচ্ছে শিশুরা?

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৮:৪৪ এএম
স্মার্ট টেলিভিশন থাকলেও কেন মোবাইলেই আসক্ত হচ্ছে শিশুরা? । ছবি: সংগৃহীত

ঘরে স্মার্ট টিভি বা টেলিভিশন থাকলেও এখন অনেক শিশুই বড় পর্দার বদলে ছোট্ট মোবাইল ফোনেই বেশি সময় কাটাতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। পরিবারের সবাই টেলিভিশন দেখলেও শিশুরা নিজের মতো করে মোবাইলে ভিডিও দেখা, খেলা বা বিভিন্ন কিছু দেখতে বেশি আগ্রহী হচ্ছে। কেন এমন হচ্ছে, তার ব্যাখ্যা দিয়েছেন মনোবিজ্ঞান ও স্নায়ুবিজ্ঞান বিশেষজ্ঞরা।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মোবাইল ব্যবহারের সময় শিশুরা নিজেরাই ঠিক করতে পারে কী দেখবে, কখন বদলাবে এবং কতক্ষণ ব্যবহার করবে। এই স্বাধীন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ তাদের মধ্যে নিয়ন্ত্রণের অনুভূতি তৈরি করে, যা টেলিভিশনে তুলনামূলকভাবে কম পাওয়া যায়।

এছাড়া অল্প সময়ের ব্যবধানে একের পর এক নতুন ভিডিও দেখার সুযোগ শিশুদের মস্তিষ্ককে বারবার উদ্দীপিত করে। ফলে তারা দ্রুত নতুন বিনোদনের প্রতি আকৃষ্ট হয়। এর কারণে দীর্ঘ সময় ধরে একটি বিষয় মনোযোগ দিয়ে দেখার অভ্যাসও কমে যেতে পারে।

আরও পড়ুন

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টেলিভিশন সাধারণত পরিবারের সবাই মিলে দেখার মাধ্যম হলেও মোবাইল একান্ত ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা তৈরি করে। পাশাপাশি স্ক্রল করা, খেলা খেলা বা নিজের ইচ্ছামতো ভিডিও চালানো ও বন্ধ করার সুবিধা শিশুদের আরও বেশি আকৃষ্ট করে।

তবে অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহার শিশুদের জন্য উদ্বেগের কারণও হতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, দীর্ঘ সময় পর্দার সামনে থাকলে মনোযোগ কমে যেতে পারে, ভাষা শেখার গতি ধীর হতে পারে, ঘুমের মান খারাপ হতে পারে এবং সামাজিক দক্ষতার ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

তাই বিশেষজ্ঞরা শুধু মোবাইল ব্যবহার বন্ধ করার পরামর্শ দিচ্ছেন না। বরং শিশুদের জন্য খেলাধুলা, বই পড়া, ছবি আঁকা, বোর্ডে খেলা এবং পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর মতো বিকল্প আনন্দের পরিবেশ তৈরি করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন।

এছাড়া খাবার খাওয়ার সময় ও ঘুমানোর আগে মোবাইল ব্যবহার সীমিত রাখা এবং পরিবারের বড়দের সচেতন প্রযুক্তি ব্যবহারের অভ্যাসও শিশুদের মধ্যে স্বাস্থ্যকর ও ভারসাম্যপূর্ণ প্রযুক্তি ব্যবহারের অভ্যাস গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
হাড়ের গঠন ও শক্তি বজায় রাখতে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও পর্যাপ্ত প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব পুষ্টির ঘাটতি হলে হাড় দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বাড়তে পারে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ক্ষয়জনিত রোগের ঝুঁকি।
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন? নাশতায় মাখানা নাকি পপকর্ন কোনটি বেছে নেবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় পড়েন অনেকেই। দুটিই হতে পারে স্বাস্থ্যকর নাশতার বিকল্প।
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
স্মৃতিশক্তি ধরে রাখা ও আলঝেইমারের ঝুঁকি কমাতে অনেকেই ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করেন। তবে নতুন এক ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় দেখা গেছে, সাপ্লিমেন্ট গ্রহণে রক্ত ও মস্তিষ্কের তরলে ওমেগা-৩-এর মাত্রা বাড়লেও স্মৃতিশক্তি, চিন্তাশক্তি কিংবা মস্তিষ্কের স্মৃতিসংশ্লিষ্ট অংশের আকারে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি।
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
আরও পড়ুন
অজু ছাড়া মোবাইল স্ক্রিনে কোরআনের আয়াত স্পর্শ করা যাবে?
মোবাইল পকেটে রাখলে কি শুক্রাণুর ক্ষতি হয়, গবেষণা যা বলছে 
মোবাইলে ইমার্জেন্সি ব্যালান্স ৫০০ টাকা করার প্রস্তাব
এবার বাবর আজমদের ফোন জব্দ করল পিসিবি