অবশেষে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ২৭ লাখ টাকা জমা দিলেন জমির উদ্দিন সরকার

আরটিভি নিউজ

মঙ্গলবার, ১৪ মার্চ ২০২৩ , ০৭:৪৪ পিএম


অবশেষে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ২৭ লাখ টাকা জমা দিলেন জমির উদ্দিন সরকার
ফাইল ছবি

আদালতের নির্দেশে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ২৭ লাখ ৮৬ হাজার ৩৬৪ টাকা জমা দিয়েছেন সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার। 

মঙ্গলবার (১৪ মার্চ) সোনালী ব্যাংকের সুপ্রিম কোর্ট শাখায় এ টাকা চালানের মাধ্যমে জমা দেন তিনি।

জমির উদ্দিন সরকারের আইনজীবী সাংবাদিকদের বলেন, প্রথমে জরিমানা খাতে আমাদের টাকা জমা দিতে বলা হলেও পরে তা সংশোধন করে অন্যান্য আদায় খাত করা হয়েছে। আমরা আজ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে অন্যান্য আদায় খাতে ২৭ লাখ ৮৬ হাজার ৩৬৪ টাকা জমা দিয়েছি।

এর আগে ২০১০ সালের ২৮ ডিসেম্বর শেরেবাংলা নগর থানায় চারজনের বিরুদ্ধে পাঁচটি মামলা করেন দুদকের উপপরিচালক মো. মনিরুজ্জামান খান ও উপসহকারী পরিচালক এস এম খবীরউদ্দিন।

মামলায় জমির উদ্দিন সরকারের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগে বলা হয়, জাতীয় সংসদের স্পিকার থাকাকালীন তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিদেশে চিকিৎসার জন্য অবৈধ উপায়ে সরকারি অর্থ অনুমোদন এবং তা নগদে তুলে আত্মসাৎ করেছেন। সেই সঙ্গে সরকারি বাসভবনের আসবাব কেনা ও তা আত্মসাৎ এবং অতিরিক্ত অর্থ তোলার অভিযোগও করা হয়েছে।

এর মধ্যে একটি (১৪-২০১৯) মামলায় জমির উদ্দিনকে চিকিৎসা ভাতা হিসেবে নেওয়া ২৭ লাখ ৮৬ হাজার ৩৬৪ টাকা সরকারি কোষাগারে জরিমানা হিসেবে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন আদালত। আদেশে বিচারক উল্লেখ করেন, এ মামলায় জরিমানার টাকা জমা দিলে বাকি চার মামলা থেকেও তিনি অব্যাহতি পাবেন।

মামলার অন্য তিন আসামি হলেন বিএনপির সাবেক মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন, জাতীয় সংসদের সাবেক ডেপুটি স্পিকার আখতার হামিদ সিদ্দিকী ও জাতীয় সংসদের কর্মকর্তা আশরাফুল ইসলাম।

গত বছরের ২৫ আগস্ট জমির উদ্দিন সরকারের পাঁচটি মামলার কার্যক্রম বাতিল করে পূর্ণাঙ্গ রায় দেন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন ছয় সদস্যের আপিল বিভাগ। তবে চিকিৎসা ভাতা হিসেবে নেওয়া অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দিতে বলা হয়।

পরে এ পাঁচ মামলায় অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। অভিযোগ আমলে নেন আদালত। এ অবস্থায় পাঁচ মামলা বাতিল চেয়ে জমির উদ্দিন সরকার হাইকোর্টে আবেদন করেন। হাইকোর্ট মামলাগুলোর কার্যক্রম স্থগিত করে রুল জারি করেছিলেন।

এরপর ২০১৬ সালের ১৯ মে শুনানি শেষে মামলায় দ্বিধাবিভক্ত রায় দেন হাইকোর্টের বিচারপতি মো. রেজাউল হক ও বিচারপতি মো. খসরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ। পরে তৎকালীন প্রধান বিচারপতি গঠিত একক বেঞ্চ বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য মামলা বাতিলের আবেদন খারিজ করেন। এরপর ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়। ওই আপিলের শুনানি নিয়ে সর্বশেষ রায় দেন আদালত।

আরটিভি খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

logo_appslogo_apps

Loading...

আরও পড়ুন

© All Rights Reserved 2016-2026 | RTV Online | It is illegal to use contents, pictures, and videos of this website without authority's permission