সিরাজগঞ্জে শ্মশান নিয়ে বিরোধকে সংখ্যালঘু নির্যাতন হিসেবে অপপ্রচার: প্রেস উইংস ফ্যাক্টস

আরটিভি নিউজ

মঙ্গলবার, ০৬ জানুয়ারি ২০২৬ , ০৬:৩৪ পিএম


‘সিরাজগঞ্জে শ্মশান নিয়ে বিরোধকে সংখ্যালঘু নির্যাতন হিসেবে অপপ্রচার’
ছবি: সংগৃহীত

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় শ্মশানের নাম পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে হিন্দু সম্প্রদায়ের অভ্যন্তরীণ বিরোধের ঘটনাকে ‘সংখ্যালঘু নির্যাতন’ হিসেবে চালিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা শনাক্ত করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার (৬ জা) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংস ফ্যাক্টস তাদের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে এ তথ্য প্রকাশ করে।

প্রেস উইংস ফ্যাক্টসের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের একাধিক পোস্টে দাবি করা হয়, উল্লাপাড়ায় এক হিন্দু বৃদ্ধার মরদেহ সৎকারে ‘তৌহিদি জনতা’ বাধা দেয়। এই ঘটনাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সংখ্যালঘু নির্যাতন হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

প্রকৃত তথ্য যাচাই করে দেখা যায়, এই ঘটনার সাথে সাম্প্রদায়িকতার কোনো সম্পর্ক নেই। মূলত শ্মশানের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি চাবি দিতে দেরি করায় স্বজনরা বিক্ষোভ করেন। পরবর্তীতে উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে চাবির ব্যবস্থা করা হয় এবং ওই দিনই মরদেহ সৎকার সম্পন্ন হয়।

ঘোষগাতি গ্রামের বাবলু ভৌমিক জানান, মৃত মিনা বণিকের ছেলেরা উল্লাপাড়া মহাশ্মশানের নাম উল্লেখ করে মাইকিং করেছিলেন। কিন্তু ওই শ্মশানের বর্তমান নাম ‘ঘোষগাতি মহাশ্মশান’। একারণে তাদের চাবি না দিয়ে মাইকিং করা মহাশ্মশান যেখানে আছে, সেখানে যেতে বলা হয়েছিল।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিষয়টি নিশ্চিত করে উল্লাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এটিএম আরফি জানান, পরিবারের পক্ষ থেকে শ্মশানের চাবি চাওয়া হলে তা তাৎক্ষণিক না দেওয়ায় কিছু সমস্যার সৃষ্টি হয়েছিল, যা পরে সমাধান করা হয়।

সিরাজগঞ্জে সৎকার নিয়ে তৈরি হওয়া এই জটিলতাটি সম্পূর্ণ একটি অভ্যন্তরীণ বিষয় এবং এতে সাম্প্রদায়িকতার কোনো সংযোগ নেই। মূল ঘটনা আড়াল করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে বলে সতর্ক করেছে প্রেস উইংস ফ্যাক্টস। সূত্র: বাসস

আরটিভি/এমএ

আরটিভি খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

logo_appslogo_apps
বিজ্ঞাপন

Loading...

আরও পড়ুন

© All Rights Reserved 2016-2026 | RTV Online | It is illegal to use contents, pictures, and videos of this website without authority's permission