বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ , ০৭:০৪ পিএম

গোপালগঞ্জের তিনটি সংসদীয় আসনে জয় পেয়েছেন বিএনপির তিন নেতা। এর আগে ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে গোপালগঞ্জ-১ আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী এফ ই শরফুজ্জামান জাহাঙ্গীর জয়ী হয়েছিলেন। এরপর এবারই প্রথম এই জেলার সব আসনে জয় পেল সরকার গঠনের অপেক্ষায় থাকা দলটি।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) দিবাগত রাতে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. আরিফ-উজ-জামান বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করেন।
গোপালগঞ্জ-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী সেলিমুজ্জামান মোল্যা ৬৮ হাজার ৮৬৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী গণঅধিকার পরিষদের মো. কাবির মিয়া পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৯৬১ ভোট।
গোপালগঞ্জ-২ আসনে বিএনপির কে এম বাবর ৪০ হাজার ৪৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী এম এইচ খান মঞ্জু পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৩৯ ভোট।
গোপালগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত এস এম জিলানী ৬০ হাজার ১৬৬ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৮৬৭ ভোট।
ঢাকা-১ আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী খোন্দকার আবু আশফাক। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৭৩ হাজার ৭৮১ ভোট। আর তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম পেয়েছেন ১ লাখ ১২ হাজার ৬২২ ভোট।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোট পড়ার হার ৫৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ। বৃহস্পতিবার(১২ ফেব্রুয়ারি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট হয়।
শুক্রবার সকালে ফলাফল ঘোষণা কার্যক্রম শেষ করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এরপর আজ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ইসির জনসংযোগ পরিচালক রুহুল আমিন মল্লিক সাংবাদিকদের জানান, ‘প্রদত্ত ভোটের শতকরা হার ৫৯.৪৪।’
বরিশাল-১ (গৌরনদী-আগৈলঝাড়া) আসনে বিএনপির প্রার্থী জহির উদ্দিন স্বপন ১ লাখ ৫৫২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী কামরুল ইসলাম খান পেয়েছেন ৪৬ হাজার ২৬৩ ভোট।
বরিশাল-২ (বানারীপাড়া-উজিরপুর) আসনে ১ লাখ ৪১ হাজার ৬২২ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন বিএনপি প্রার্থী সরদার সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর আবদুল মন্নান পেয়েছেন ৭৪ হাজার ৮২ ভোট।
বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে ৮০ হাজার ৯৩০ ভোট পেয়েছেন বিএনপির প্রার্থী জয়নুল আবেদীন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী জোটের প্রার্থী আমার বাংলাদেশ পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান ভুইয়া পেয়েছেন ৬১ হাজার ১৯২ ভোট।
বরিশাল-৪ (হিজলা-মেহেন্দীগঞ্জ) বিএনপির প্রার্থী রাজীব আহসান পেয়েছেন ১ লাখ ২৮ হাজার ৩২২ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ আব্দুল জব্বার পেয়েছেন ৭৪ হাজার ৬৮৪ ভোট।
বরিশাল-৫ (মহানগরী ও সদর) আসনে বিএনপির প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার ১ লাখ ৩৫ হাজার ১৪৬ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমির মুফতি ফয়জুল করীম ৯৫ হাজার ৪৪ ভোট পেয়েছেন।
বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) ৮২ হাজার ২১৭ ভোট পেয়েছেন বিএনপির আবুল হোসেন খান।তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাহমুদুন্নবী ৫৫ হাজার ৯৮৮ ভোট পেয়েছেন।
ঢাকা-৩ আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ৯৮ হাজার ৭৮৫ ভোট। বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে শাহীনুল ইসলাম ৮২ হাজার ২৩২ ভোট।
পটুয়াখালী-১ (সদর-মির্জাগঞ্জ-দুমকী) আসন, আলতাফ হোসেন চৌধুরী (বিএনপি)- ১ লাখ ৫২ হাজার ৮৭ ভোট, এবি পার্টির আব্দুল ওহাব (ইসলামী জোট- ঈগল) ৪৬ হাজার ৩১০ ভোট।
পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসন: শফিকুল ইসলাম (দাড়িপাল্লা)-১০০৭৫০ ভোট, সহিদুল আলম তালুকদার (বিএনপি)-৭২৬৭৬ ভোট।
পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসন, নুরুল হক নূর (ট্রাক)-৯৭৩২৩ ভোট, হাসান মামুন (বিএনপির স্বতন্ত্র)- ৮১৩৬১ ভোট।
পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী) আসন, এবিএম মোশাররফ হোসেন (বিএনপি)- ১২৪০১৩ ভোট, মোস্তাফিজুর রহমান (হাতপাখা)- ৭০১২৭ ভোট।
পাবনা-২: বিএনপির সেলিম রেজা হাবিব ২ লাখ ১৩ হাজার ৯৫০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম জামায়াতের দাড়িপাল্লার হেসাব উদ্দিন পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৩৮৭ জন।
পাবনা- ৩: জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী আলি আসগর ১ লাখ ৪৭ হাজার ৪৭৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির শেখ তুহিন পেয়েছেন ১ লাখ ৪৪ হাজার ২০৬ ভোট। রাত ৩ টা ১৫ মিনিটে জেলা রিটার্নিং অফিসার জেলা প্রশাসক শাহেদ মোস্তফা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা।
পাবনা-৪: জামায়াতের আবু তালেব মন্ডলকে রাত ৩.২০ মিনিটে আনুষ্ঠানিক বিজয়ী ঘোষণা করেন জেলা প্রশাসক শাহেদ মোস্তফা। তিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পান ১ লাখ ৩৭ হাজার ৬৭৫ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে বিএনপির হাবিবুর রহমান হাবিব পান ১ লাখ ৩৩ হাজার ৮৭৪ ভোট।
পাবনা-৫: বিএনপি প্রার্থী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস ১ লাখ ৮১ হাজার ৯২৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের ইকবাল হুসাইন পেয়েছেন ১ লাখ ৬৪ হাজার ৯৯৪ ভোট। রাত ৪ টা ১৫ মিনিটে জেলা রিটার্নিং অফিসার জেলা প্রশাসক শাহেদ মোস্তফা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন।
ঢাকা-১০ আসনের ভোটে বেসরকারিভাবে পাওয়া ফলে জয়ী হয়েছেন বিএনপি প্রার্থী শেখ রবিউল আলম। তিনি নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের ইসলামীর প্রার্থী মো. জসীম উদ্দীন সরকারের তুলনায় ৩ হাজার ৩০০ ভোট বেশি পেয়েছেন।
নির্বাচনে শেখ রবিউল আলম মোট ৮০ হাজার ৪৩৬ ভোট পেয়েছেন। আর জসিম উদ্দীন পেয়েছেন ৭৭ হাজার ১৩৬ ভোট। শুক্রবার সকাল সোয়া নয়টায় দিকে ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার (রিটার্নিং কর্মকর্তা) শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী এ ফল ঘোষণা করেন।
শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী জানান, ঢাকা-১০ আসনে পোস্টাল ভোটসহ ১৩৭টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ হয়। ভোটের হার ছিল ৪৩ শতাংশ।
ঢাকা-১০ আসনে মোট ভোটার ছিলেন ৩ লাখ ৮৮ হাজার ৬৫৪ জন। এর মধ্যে ভোট দিয়েছেন ১ লাখ ৬৮ হাজার ৬৫১ জন। ভোট বাতিল হয়েছে ২ হাজার ৬৮৪টি। সে হিসেবে বৈধ ভোট ছিল ১ লাখ ৬৫ হাজার ৯৬৭টি।
এ আসনে মোট ১০ জন প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন। অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. আ. আউয়াল হাতপাখা প্রতীকে ৩ হাজার ৪৪৬ ভোট, লাঙ্গল প্রতীকে জাতীয় পার্টির প্রার্থী বহ্নি বেপারি ১ হাজার ৫৮০ ভোট, এবিপার্টির ঈগল প্রতিকের প্রার্থী নাসরীন সুলতানা ১ হাজার ৫০৫ ভোট, জনতার দলের কলম প্রতীকের প্রার্থী মো. জাকির হোসেন ১ হাজার ৫৯ ভোট পেয়েছেন।
ঢাকা-১৬ আসনের ভোটে বেসরকারি ফলে জয়ী হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আব্দুল বাতেন। তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মো. আমিনুল হকের চেয়ে ৩ হাজার ৩৬১ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন৷
নির্বাচনে আব্দুল বাতেন মোট ৮৮ হাজার ৮২৮ ভোট পেয়েছেন। আর আমিনুল হক পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৪৬৭ ভোট।
আজ শুক্রবার সকাল সোয়া আটটার দিকে ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার (রিটার্নিং কর্মকর্তা) শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী ফলাফল ঘোষণা করে জানান, ঢাকা-১৬ আসনে পোস্টাল ভোটসহ ১৩৮টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ হয়। ভোটের হার ছিল ৪৬ শতাংশ।
ঢাকা-১৬ আসনে মোট ভোটার ছিলেন ৪ লাখ ৪৯৯ জন। এর মধ্যে ভোট দিয়েছেন ১ লাখ ৮৪ হাজার ৫৬৩ জন। ভোট বাতিল হয়েছে ৩ হাজার ৭৬৪টি। সে হিসেবে বৈধ ভোট ছিল ১ লাখ ৮০ হাজার ৭৯৯টি।
এ আসনে মোট ১১ জন প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন। অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. সাইফুল ইসলাম হাত পাখা প্রতীকে ৩ হাজার ৬৭৯ ভোট ও লাঙ্গল প্রতীকে জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. সুলতান আহম্মেদ সেলিম ১ হাজার ৪৬৪ ভোট পেয়েছেন।
ঢাকা-১৬ আসনের ভোটে বেসরকারি ফলে জয়ী হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আব্দুল বাতেন। তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মো. আমিনুল হকের চেয়ে ৩ হাজার ৩৬১ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন৷
নির্বাচনে আব্দুল বাতেন মোট ৮৮ হাজার ৮২৮ ভোট পেয়েছেন। আর আমিনুল হক পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৪৬৭ ভোট।
আজ শুক্রবার সকাল সোয়া আটটার দিকে ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার (রিটার্নিং কর্মকর্তা) শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী ফলাফল ঘোষণা করে জানান, ঢাকা-১৬ আসনে পোস্টাল ভোটসহ ১৩৮টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ হয়। ভোটের হার ছিল ৪৬ শতাংশ।
ঢাকা-১৬ আসনে মোট ভোটার ছিলেন ৪ লাখ ৪৯৯ জন। এর মধ্যে ভোট দিয়েছেন ১ লাখ ৮৪ হাজার ৫৬৩ জন। ভোট বাতিল হয়েছে ৩ হাজার ৭৬৪টি। সে হিসেবে বৈধ ভোট ছিল ১ লাখ ৮০ হাজার ৭৯৯টি।
এ আসনে মোট ১১ জন প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন। অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. সাইফুল ইসলাম হাত পাখা প্রতীকে ৩ হাজার ৬৭৯ ভোট ও লাঙ্গল প্রতীকে জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. সুলতান আহম্মেদ সেলিম ১ হাজার ৪৬৪ ভোট পেয়েছেন।
বিএনপির জোটে প্রার্থী ও বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থীকে হারিয়ে ঢাকা-১২ আসনে জিতেছেন জামায়াতের প্রার্থী মো. সাইফুল আলম। এ আসনে তিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে তিনি মোট ৫৩ হাজার ৭৭৩ ভোট পেয়েছেন।
সাইফুল আলমের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির কোদাল প্রতীকের প্রার্থী সাইফুল হক। তিনি বিএনপি জোটের প্রার্থী। তিনি পেয়েছেন ৩০ হাজার ৯৬৩ ভোট।
তৃতীয় অবস্থানে থাকা ফুটবল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব পেয়েছেন ২৯ হাজার ৮৬৯ ভোট। তিনি ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ছিলেন। বিএনপি থেকে মনোনয়ন না পেয়ে তিনি স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচন করেছেন।
জামায়াতের প্রার্থী মো. সাইফুল আলম বিএনপি জোট প্রার্থীর চেয়ে ২২ হাজার ৮১০ ভোট ও স্বতন্ত্র সাইফুল আলমের চেয়ে ২৩ হাজার ৯০৪ ভোট বেশি পেয়েছেন। অবশ্য সাইফুল হক ও সাইফুল আলমের (স্বতন্ত্র) যৌথ ভোট জামায়াত প্রার্থীর চেয়ে বেশি, ৬০ হাজার ৮৩২টি।
শুক্রবার সকাল সোয়া আটটার দিকে ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার (রিটার্নিং কর্মকর্তা) শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী এ ফল ঘোষণা করেন। শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী জানান, ঢাকা-৯ আসনে পোস্টাল ভোটসহ ১৩১টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ হয়। ভোটের হার ছিল ৩৭ শতাংশ।
ঢাকা-১২ আসনে মোট ভোটার ছিলেন ৩ লাখ ৩৩ হাজার ৩১৮ জন। এর মধ্যে ভোট দিয়েছেন ১ লাখ ২৪ হাজার ৭১২ জন। ভোট বাতিল হয়েছে ২ হাজার ৪৪৪টি। বৈধ ভোট ছিল ১ লাখ ২২ হাজার ২৬৮টি।
এ আসনে মোট ১৫ জন প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন। অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মাহমুদুল হাসান হাত পাখা প্রতীকে ২ হাজার ৫৮ ভোট, লাঙ্গল প্রতীকে জাতীয় পার্টির প্রার্থী সরকার মোহাম্মদ সালাউদ্দিন ১ হাজার ৭৭০ ভোট, গণসংহতি আন্দোলনের মাথাল প্রতীকের প্রার্থী তাসলিমা আক্তার ১ হাজার ৫১১ ভোট, আমজনতার দলের প্রজাপতি প্রতীকের তারেক রহমান ১ হাজার ৪৪ ভোট, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির কাস্তে প্রতীকের প্রার্থী কল্লোল বনিক ৪৫৩ ভোট পেয়েছেন।
ঝালকাঠি-২ (ঝালকাঠি সদর-নলছিটি) আসনের ১৪৭ কেন্দ্রে পোস্টাল ভোটসহ বিএনপি জোটের প্রার্থী ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো ধানের শীষ প্রতীক পেয়েছেন ১ লাখ ১৩ হাজার ১০০ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী এস এম নেয়ামুল করিম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৮০৫ ভোট।
রংপুর-১ আসন: দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মোহাম্মদ রায়হান সিরাজী পেয়েছেন ১ লাখ ৪৭ হাজার ২৪৫ ভোট ধানের শীষ প্রতীকে মোকাররম হোসেন সুজন পেয়েছেন ৬৯ হাজার ১৩১ ভোট
ভোলা-১ (সদর) : বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও বিএনপি জোটের প্রার্থী গরুর গাড়ী প্রতীকে আন্দালিব রহমান পার্থ পেয়েছেন ১ লাখ ৫ হাজার ৫৪৩ ভোট। তাঁর নিটকতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৩৩৭ ভোট।
ভোলা-২ (দৌলতখান বোরহানউদ্দিন): বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী হাফিজ ইব্রাহিম পেয়েছেন ১ লাখ ১৯ হাজার ৮৫ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মাওলানা মুফতি ফজলুল করিম পেয়েছেন ৯৩ হাজার ৭০৩ ভোট।
ভোলা-৩ (লালমোহন-তজুমদ্দিন) : ধানের শীষের প্রার্থী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব:) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীরবিক্রম পেয়েছেন ১ লাখ ৪৫ হাজার ৯৯০ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির ও জামায়াতে ইসলামী জোটের প্রার্থী মুহা. নিজামুল হক ফুলকপি প্রতীকে পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৩৫১ ভোট।
ভোলা-৪ (চরফ্যাশন-মনপুরা): বিএনপি ধানের শীষের প্রার্থী ও যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ৮৯ হাজার ৩৫১টি। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোস্তফা কামাল ভোট পেয়েছেন ৮১ হাজার ৪৩৭ ভোট।
শরীয়তপুর-১ আসন: ১৩৯টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফলে ধানের শীষ প্রতীকের সাঈদ আহমেদ পেয়েছেন ৭৭ হাজার ৩৯৮ ভোট। খেলাফতে মজলিসের রিকশা প্রতীকের প্রার্থী জালালুদ্দীন আহমদ পেয়েছেন ৬২ হাজার ৭১৭ ভোট। ধানের শীষের প্রার্থী- ১৪ হাজার ৬৮১ ভোটে জয়ী।
শরীয়তপুর-২ আসন: ১৩৬টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফল। ধানের শীষ প্রতীকের সফিকুর রহমান কিরন পেয়েছেন ১ লাখ ২৯ হাজার ৮১৪। জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মাহমুদ হোসেন পেয়েছেন ৭০ হাজার ৮৯২ ভোট। ধানের শীষ প্রার্থী ৫৮ হাজার ৯২২ ভোটে বেসরকারিভাবে বিজয়ী।
যশোর-১ (শার্শা) আসনে জামায়াতের প্রার্থী মোহাম্মদ আজীজুর রহমান ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ১৯ হাজার ৯৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী নুরুজ্জামান লিটন পেয়েছেন ৯৩ হাজার ৫৪২ ভোট।
যশোর-২ (ঝিকরগাছা- চৌগাছা) আসনে জামায়াতের প্রার্থী মোসলেহউদ্দিন ফরিদ বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ৮০ হাজার ৯৬৫ ভোট পেয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বিএনপির প্রার্থী সাবিরা সুলতানা ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৪৬ হাজার ৬৪৭ ভোট পেয়েছেন।
যশোর-৩ (সদর) আসনে বিএনপির প্রার্থী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে ২ লাখ ১ হাজার ৩৩৯ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর আব্দুল কাদের পেয়েছেন ১ লাখ ৮৭ হাজার ৪৬৩ ভোট।
যশোর-৫ (মনিরামপুর) আসনে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াতের প্রার্থী গাজী এনামুল হক। তিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ৩২ হাজার ৮৭৬ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী শহীদ ইকবাল হোসেন কলস প্রতীকে ৮৫ হাজার ৪৫ ভোট পেয়েছেন।
যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনে বিজয়ী জামায়াতে ইসলামীর মো. মোক্তার আলী। ভোট পেয়েছে ৯১ হাজার ১৮। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আবুল হোসেন আজাদ ৭৯ হাজার ৩২১ ভোট পেয়েছেন।
সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াতের প্রার্থী মো. ইজ্জত উল্লাহ। তিনি ১৬৯টি কেন্দ্রে ১ লাখ ৯৩ হাজার ৭৭২ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা হাবিবুল ইসলাম হাবিব (ধানের শীষ) পেয়েছেন ১ লাখ ৬৯ হাজার ৯৯৫ ভোট।
এ আসনে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ২ লাখ ২৮ হাজার ৪০৪টি এবং 'না' ভোট ১ লাখ ২১ হাজার ২৫৬টি। এই আসনে মোট ভোট পড়েছে ৭৫ দশমিক ৬৪ শতাংশ।
সাতক্ষীরা-২ (সদর-দেবহাটা) আসনে বড় ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াতের প্রার্থী আব্দুল খালেক। তিনি ১৮১টি কেন্দ্রে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ২ লাখ ৬৬ হাজার ৯৫৯ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মো. আব্দুর রউফ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ১৬ হাজার ২২৯ ভোট।
এ আসনে গণভোটে 'হ্যাঁ' ভোট পড়েছে ২ লাখ ৯২ হাজার ৮২৮টি এবং 'না' ভোট ৮৬ হাজার ৬১৯টি। মোট ভোট পড়েছে ৭৩ দশমিক ৭৯ শতাংশ।
সাতক্ষীরা-৩ (আশাশুনি-কালীগঞ্জ) আসনে জয় পেয়েছেন জামায়াতের মুহা. রবিউল বাসার। ১৬৬টি কেন্দ্রে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৮৪ হাজার ২৩৩ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী শহিদুল আলম (ফুটবল প্রতীক) পেয়েছেন ১ লাখ ৫ হাজার ৩৮৯ ভোট। আসনটিত বিএনপির প্রার্থী কাজী আলাউদ্দিন ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫৬ হাজার ৮১৯ ভোট।
এ আসনে গণভোটে 'হ্যাঁ' ভোট পড়েছে ২ লাখ ৩২ হাজার ৯২৫টি এবং 'না' ভোট ১ লাখ ৪ হাজার ৮৮৩টি। মোট ভোট পড়েছে ৭০ দশমিক ৯৯ শতাংশ।
সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর) আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াতের প্রার্থী গাজী নজরুল ইসলাম। ৯৭টি কেন্দ্রে তিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৬ হাজার ৯১৩ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো. মনিরুজ্জামান পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৪২৬ ভোট।
এ আসনে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ২৯ হাজার ৭৪১টি এবং 'না' ভোট ৬০ হাজার ৭৭৯টি। মোট ভোট পড়েছে ৬৭ দশমিক ৭৬ শতাংশ।
প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থির চেয়ে ২১ হাজার ৬১৪ ভোট পেয়ে ঢাকা-১৫ আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয় পেয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমীর মো. শফিকুর রহমান।
শুক্রবার ভোরে নির্বাচন কমিশনের ফলাফল সংগ্রহ ও পরিবেশন কেন্দ্র থেকে এ ফলাফল ঘোষণা করা হয়।
জামায়াতের আমীর মোট ভোট পেয়েছেন ৮৫ হাজার ১৩১টি। তার প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মো. শফিকুল ইসলাম খান পেয়েছেন ৬৩ হাজার ৫১৭ ভোট। বৃহস্পিতবার সন্ধ্যার পর থেকে জামায়াতের পক্ষ থেকে ঢাকা-১৫ আসনের নির্বাচন ফলাফল নিয়ে কারসাজির অভিযোগ করা হয়। ঢাকার অন্যান্য আসনের ফলাফল নির্বাচন কমিশনে আসলেও দীর্ঘ সময় আটকে ছিল এ আসনের ফল ঘোষণা।
ঢাকা-১৩ আসনের ফলাফলে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী ববি হাজ্জাজ বিজয়ী হয়েছেন।
নির্বাচন কমিশনের ফলাফল সংগ্রহ ও পরিবেশন কেন্দ্র থেকে ঢাকা-১৩ আসনের ফলাফলে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী ববি হাজ্জাজকে জয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। ববি হাজ্জাজ ২ হাজার ৩২০ ভোট বেশি পেয়েছেন ১১ দলের প্রার্থী মামুনুল হকের চেয়ে।
ববি হাজ্জাজ মোট ভোট পেয়েছেন ৮৮ হাজার ৩৮৭ টি। অন্যদিকে মামুনুল হক পেয়েছেন ৮৬ হাজার ৬৭টি।
ঢাকা-১১ আসনের প্রাথমিক ফলাফলে জয়ী হয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাহিদ ইসলাম। এই আসন থেকে শাপলা কলি প্রতীকে তিনি মোট ৯৩ হাজার ৮৭২ ভোট পেয়েছেন৷
নাহিদ ইসলামের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী এম এ কাইয়ুম পেয়েছেন ৯১ হাজার ৮৩৩ ভোট। নাহিদ ইসলাম ২ হাজার ৩৯ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন।
আজ শুক্রবার সকাল পৌনে সাতটার দিকে ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার (রিটার্নিং কর্মকর্তা) শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী এ ফল ঘোষণা করে জানান, ঢাকা-১১ আসনে পোস্টাল ভোটসহ ১৬৩টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ হয়। ভোটের হার ছিল ৪৫ শতাংশ।
ঢাকা-১১ আসনে মোট ভোটার ছিলেন ৪ লাখ ৩৯ হাজার ৭৫ জন। এর মধ্যে ভোট দিয়েছেন ১ লাখ ৯৬ হাজার ৩৭০ জন। ভোট বাতিল হয়েছে ৩ হাজার ৫১৭টি। সে হিসেবে বৈধ ভোট ছিল ১ লাখ ৯২ হাজার ৮৫৩টি।
এ আসনে অন্যান্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী শেখ ফজলে বারী মাসউদ হাত পাখা প্রতীকে ৪ হাজার ৩৭৫ ভোট, লাঙ্গল প্রতীকে জাতীয় পার্টির প্রার্থী শামীম আহমেদ ১ হাজার ৪৮ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী কহিনূর আক্তর ফুটবল প্রতীক নিয়ে ৭৯৪ ভোট পেয়েছেন।
চুয়াডাঙ্গা–১ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মো. মাসুদ পারভেজ ২ লাখ ১১ হাজার ৪১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মো. শরীফুজ্জামান ১ লাখ ৫৩ হাজার ১৯৩ ভোট পেয়েছেন।
চুয়াডাঙ্গা–২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মো. রুহুর আমিন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ২ লাখ ৮ হাজার ১১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মাহমুদ হাসান খান ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৬৩ হাজার ৮৭৭ ভোট পেয়েছেন। এই আসনে মোট ভোট পড়েছে ৩ লাখ ৮৫ হাজার ৪৪৭টি। যা মোট ভোটের ৭৮ দশমিক ২৭ শতাংশ।
মানিকগঞ্জ-১ (ঘিওর, দৌলতপুর ও শিবালয়) আসনে বিএনপির প্রার্থী এস এ জিন্নাহ কবীর ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৩৭ হাজার ৭৭৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছে।
তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী মো. তোজাম্মেল হক ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ৭৭ হাজার ৮১৮ ভোট।
মানিকগঞ্জ-২ (সিঙ্গাইর, হরিরামপুর ও সদরের দুটি ইউনিউন) আসনে বিএনপির প্রার্থী মঈনুল ইসলাম খান শান্ত ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৭৫ হাজার ৭৭৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছে। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. সালাহ উদ্দিন দেওয়াল ঘড়ি প্রতীকে পেয়েছেন ৮১ হাজার ৫৩১ ভোট।
মানিকগগঞ্জ-৩ (সাটুরিয়া, মানিকগঞ্জ পৌর ও জেলা সদরের ৮ ইউনিয়ন) আসনে বিএনপির প্রার্থী আফরোজা খানম ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৬৭ হাজার ৩৪৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছে। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মুহাম্মদ সাইদ নূর (রিকশা) পেয়েছেন ৬৪ হাজার ২৪২ ভোট।
নারায়ণগঞ্জ-১ আসনে বেসরকারিভাবে বড় জয় পেয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৫৫ হাজার ৪২১ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর দক্ষিণের শুরা সদস্য আনোয়ার হোসেন পেয়েছেন মোল্লা পেয়েছেন ৯০ হাজার ২৮৯ ভোট।
বিএনপির প্রার্থী দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন ১ লাখ ৯০ হাজার ৯৭৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির প্রার্থী দিলশানা পারুল পেয়েছেন ১ লাখ ২৫ হাজার ২৮৩ ভোট।
কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) আসনে ১ লাখ ২৪ হাজার ৬৬০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী হামিদুর রহমান আজাদ পেয়েছেন ৮৯ হাজার ৮১৭ ভোট। দুজনের ভোটের ব্যবধান ৩৪ হাজার ৮৪৩ ভোট।
আজ রাতে মহেশখালী ও কুতুবদিয়া উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা স্ব স্ব উপজেলা কার্যালয়ে এ ফলাফল ঘোষণা করেন। এ আসনে মোট ভোটকেন্দ্র আছে ১২৪টি। ভোটার রয়েছেন তিন লাখ ৮৩ হাজার ৬৪১ জন। ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন দুই লাখ ২৯ হাজার ৬২৪ জন ভোটার।
বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে বিএনপির প্রার্থী হয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। অন্য দিকে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আজাদ ২০০৮ সালে বিএনপি-জামায়াত জোটের প্রার্থী হিসেবে অংশ নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।
নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনে ১ লাখ ৫৬ হাজার ৩৫৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া (দিপু)। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী আনোয়ার হোসেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৯১ হাজার ৬৯০ ভোট পেয়েছেন।
আসনটির ১৩০টি কেন্দ্রে মোট ভোটার ৪ লাখ ৮ হাজার ৮২৯ জন। এর মধ্যে ৬৩ দশমিক ৯৬ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ-২ (আড়াইহাজার) আসনের বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির নজরুল ইসলাম (আজাদ)। আসনের ১১৯টি কেন্দ্রে তিনি ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ২৫ হাজার ৬৩ ভোট পেয়েছেন। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ইলিয়াস মোল্লা পেয়েছেন ৮২ হাজার ৯৮৭ ভোট। আসনটির মোট ভোটার ৩ লাখ ৬৪ হাজার ৯৮ জন। ভোট পড়েছে ৬৫ শতাংশ।
নারায়ণগঞ্জ-৫ (শহর-বন্দর) আসনে বিএনপির প্রার্থী আবুল কালাম বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ১৪ হাজার ৭৯৯ ভোট পেয়েছেন। আসনটিতে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য মনোনীত খেলাফত মজলিসের প্রার্থী এ বি এম সিরাজুল মামুন পেয়েছেন ১ লাখ ১ হাজার ১৯৬ ভোট। আসনটির ১৬৪ কেন্দ্রে ভোট পড়েছে ৫৬ দশমিক ৫১ শতাংশ।
গাইবান্ধা-১ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মাজেদুর রহমান ১ লাখ ৪০ হাজার ৭২৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির জিয়াউল ইসলাম পেয়েছেন ৩৭ হাজার ৯৯৭ ভোট।
গাইবান্ধা-২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মো. আবদুল করিম ১ লাখ ২২ হাজার ৬৩০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আনিসুজ্জামান খান পেয়েছেন ৯২ হাজার ৮৯০ ভোট।
গাইবান্ধা-৩ আসনে জামায়াতের ইসলামীর মাওলানা নজরুল ইসলাম ১ লাখ ৬২ হাজার ৪৫৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি'র মইনুল হাসান সাদিক পেয়েছেন ১ লাখ ৩৯ হাজার ৮৬৪ ভোট।
গাইবান্ধা-৫ আসনে ৮৯ হাজার ২৭৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল ওয়ারেছ। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ফারুক আলম সরকার পেয়েছেন ৭৩ হাজার ৪৮৩ ভোট।
এদিকে গাইবান্ধা-৪ আসনে বিএনপির শামীম কায়সার ১ লাখ ৪২ হাজার ৭৭২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের আবদুর রহিম পেয়েছেন ১ লাখ ৩৯ হাজার ৭৩৮ ভোট।
রাজশাহী-২ আসনে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মো. মিজানুর রহমান মিনু ১ লাখ ২৮ হাজার ৫৪৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর পেয়েছেন ১ লাখ ৩৭০ ভোট।
রাজশাহী-৩ আসনে ১ লাখ ৭৬ হাজার ৩১৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ পেয়েছেন ১ লাখ ৩৭ হাজার ৯২৭ ভোট।
রাজশাহী-৫ আসনে জেলা বিএনপির সদস্য অধ্যাপক নজরুল ইসলাম ১ লাখ ৫৩ হাজার ৪২৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মনজুর রহমান ৭৩ হাজার ৪৪৫ ভোট পেয়েছেন।
রাজশাহী-৬ আসনে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. আবু সাইদ চাঁদ ১ লাখ ৪৮ হাজার ৬৭২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী নাজমুল হক ৯২ হাজার ৯৬৫ ভোট পেয়েছেন।
এদিকে, রাজশাহী-১ আসনে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মো. মুজিবুর রহমান বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৭১ হাজার ৭৮৬ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মো. শরীফ উদ্দীন পেয়েছেন ১ লাখ ৬৯ হাজার ৯০২ ভোট।
রাজশাহী-৪ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আব্দুল বারী সরদার ১ লাখ ১৫ হাজার ২২৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী ডিএমডি জিয়াউর রহমান ১ লাখ ৯ হাজার ৪৬১ ভোট পেয়েছেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৪ আসনে (মিরপুর) বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে তিনি পেয়েছেন এক লাখ এক হাজার ১১৩ ভোট।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী সানজিদা ইসলাম পেয়েছেন ৮৩ হাজার ৩২৩ ভোট।
নড়াইল-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী বিশ্বাস জাহাঙ্গীর ৯৯ হাজার ৯৭৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের ওবায়দুল্লাহ পেয়েছেন ৭৫ হাজার ২২৫ ভোট।
নড়াইল-২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর আতাউর রহমান ১ লাখ ১৮ হাজার ১৪২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মনিরুল ইসলাম পেয়েছেন ৭৮ হাজার ৪৫৭ ভোট।
চাঁদপুর -১ আসনে বিএনপির আ ন ম এহসানুল হক মিলন ১ লাখ ৩৩ হাজার ৩২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর আবু নসর মো. মকবুল আহমদ পেয়েছেন ৭০ হাজার ৩৬৮ ভোট।
চাঁদপুর -২ আসনে বিএনপির মো. জালাল উদ্দিন ১ লাখ ৭২ হাজার ৫০৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এলডিপির মো. বিল্লাল হোসেন পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৪০৬ ভোট।
চাঁদপুর -৩ আসনে বিএনপির শেখ ফরিদ আহমেদ ১ লাখ ৬৫ হাজার ৪০৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর মো. শাহজাহান মিয়া পেয়েছেন ১ লাখ ৮৬৫ ভোট।
চাঁদপুর -৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল হান্নান ৭৩ হাজার ৫৯৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো.হারুনুর রশিদ পেয়েছেন ৬৭ হাজার ৮৩৩।
চাঁদপুর -৫ আসনে ১ লাখ ২৩ হাজার ৭৮৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির মো. মমিনুল হক। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এলডিপির মো. নেয়ামুল বশির পেয়েছেন ৫০ হাজার ৫৮৫।
জামালপুর-১ আসনে বিএনপির এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত ১ লাখ ৭২ হাজার ১১৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর মো.নাজমুল হক পেয়েছেন ৯৩ হাজার ৬৬১ ২ ভোট।
জামালপুর-২ আসনে বিএনপির সুলতান মাহমুদ (বাবু) ৯৫ হাজার ৩৭৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর ছামিউল হক ফারুকি পেয়েছেন ৬১ হাজার ৬৫৫ ভোট।
জামালপুর-৩ আসনে বিএনপির মো.মোস্তাফিজুর রহমান (বাবুল) ২ লাখ ৬ হাজার ২১৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর মো.মজিবুর রহমান পেয়েছেন ৭৯ হাজার ৬০৭ ভোট।
জামালপুর-৪ আসনে বিএনপির মো.ফরিদুল কবীর তালুকদার ১ লাখ ৪৬ হাজার ৫৪৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ আব্দুল আওয়াল পেয়েছেন ৪৪ হাজার ১৬১ ভোট।
জামালপুর-৫ আসনে বিএনপির শাহ্ মো.ওয়ারেছ আলী (মামুন) ১ লাখ ৯৮ হাজার ২৯২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর মুহাম্মদ আব্দুস সাত্তার পেয়েছেন ১ লাখ ১১ হাজার ৬৯৫ ভোট।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১১ (রামপুরা, বাড্ডা, ভাটারা ও হাতিরঝিলের আংশিক এলাকা) আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী নাহিদ ইসলাম বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। ১৬২টি কেন্দ্রের সব কটির ফলাফলে তার জয় নিশ্চিত হয়।
ঘোষিত ফল অনুযায়ী, শাপলা কলি প্রতীকে নাহিদ ইসলাম পেয়েছেন ৯৮ হাজার ২০২ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী পেয়েছেন ৯২ হাজার ২১২ ভোট। ফলে ৫ হাজার ৯৯০ ভোটের ব্যবধানে জয় পান তিনি।

পোস্টাল ভোটেও শাপলা কলি এগিয়ে ছিল। নাহিদ ইসলাম পোস্টাল ভোটে পেয়েছেন ১ হাজার ৮৩৪ ভোট, আর ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী পেয়েছেন ৮৬৬ ভোট।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৬ আসনের ১৩৭টি কেন্দ্রের বেসরকারি ফল ঘোষণা করা হয়েছে। এতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল মো. আব্দুল বাতেন জয়ী হয়েছেন।

ঘোষিত ফল অনুযায়ী, তিনি পেয়েছেন ৮৬ হাজার ৮২৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আমিনুল ইসলাম পেয়েছেন ৮৪ হাজার ২০৭ ভোট। ফলে ২ হাজার ৬১৬ ভোটের ব্যবধানে জয় নিশ্চিত হয়।
ফেনী-২ আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জুকে হারিয়ে জয় পেয়েছেন বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক জয়নাল আবেদিন ভিপি।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাত ২টার দিকে ফেনীর জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মনিরা হক এ ফলাফল ঘোষণা করেন।
ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, এ আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী অধ্যাপক জয়নাল আবেদিন ১ লাখ ৩১ হাজার ২১০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু ঈগল প্রতীকে ৮০ হাজার ৫৮ ভোট।
ফেনী-২ আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জুকে হারিয়ে জয় পেয়েছেন বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক জয়নাল আবেদিন ভিপি। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাত ২টার দিকে ফেনীর জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মনিরা হক এ ফলাফল ঘোষণা করেন।
ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, এ আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী অধ্যাপক জয়নাল আবেদিন ১ লাখ ৩১ হাজার ২১০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু ঈগল প্রতীকে ৮০ হাজার ৫৮ ভোট।
রাঙামাটি আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী দীপেন দেওয়ান। তিনি ভোট পেয়েছেন ২ লাখ ১ হাজার ৫৪৪। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী পহেল চাকমা পেয়েছেন ৩১ হাজার ২২২ ভোট।
রাত আড়াইটায় জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে প্রাথমিক ফলাফল সংগ্রহ ও পরিবেশন কেন্দ্রে এই ফল ঘোষণা করেন জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী ।
রাঙামাটি সংসদীয় আসনে ভোট কেন্দ্র ২১৩টি। পোষ্টাল ভোট কেন্দ্র ১টিসহ মোট ২১৪টি ভোটকেন্দ্র। ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৯ হাজার ২৬৭ জন। মোট প্রার্থী ৭ জন।
বরগুনা-১ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মাওলানা মাহমুদুল হোসাইন অলি উল্লাহ বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন এক লাখ ৩৮ হাজার ৫১০ ভোট।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম মোল্লা পেয়েছেন এক লাখ ৩৪ হাজার ৩৩৭ ভোট।
বরগুনা-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী নূরুল ইসলাম মণি ৮৯ হাজার ৪২৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামে প্রার্থী সুলতান আহমদ পেয়েছেন ৮৩ হাজার ১৫ ভোট।
চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ) আসনে ৭৬ হাজার ৪৯৩ ভোট পেয়ে প্রাথমিক ফলাফলে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী জসীম উদ্দীন আহমেদ। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির ওমর ফারুক। তিনি পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৪৬৭ ভোট।
রাত ২ টার দিকে এ আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার সই করা চূড়ান্ত বার্তা থেকে এ তথ্য জানা গেছে৷
চট্টগ্রাম-১৪ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ১৩ হাজার ৫১৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১ লাখ ৬৫ হাজার ৮৪৭ জন, নারী ১ লাখ ৪৭ হাজার ৬৬৫ জন এবং হিজড়া ১ জন। আসনের ১০০টি ভোট কেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন তাঁরা।
সিলেট-১ (নগর ও সদর) আসনে চূড়ান্ত বেসরকারি ফলাফলে বিএনপির প্রার্থী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরকে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়েছে। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৭৬ হাজার ৯৩৬ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা হাবিবুর রহমান পেয়েছেন ১ লাখ ৩৪ হাজার ৯৮৩ ভোট।
সিলেট-৫ (জকিগঞ্জ ও কানাইঘাট) আসনের চূড়ান্ত বেসরকারি ফলাফলে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য মনোনীত খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মোহাম্মদ আবুল হাসান নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি দেওয়াল ঘড়ি প্রতীকে পেয়েছেন ৭৯ হাজার ৩৫৫ ভোট।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের প্রার্থী উবায়দুল্লাহ ফারুক পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৭৭৪ ভোট।
হবিগঞ্জ–১ আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী রেজা কিবরিয়া। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ১১ হাজার ৯৯৯ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস প্রার্থী মাওলানা মো. সিরাজুল ইসলাম পেয়েছেন ৫৬ হাজার ১৩২ ভোট।
হবিগঞ্জ–২ আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী আবু মনসুর সাখাওয়াত হাসান। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ২৬ হাজার ৫৮৩ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মাওলানা আবদুল বাছিত আজাদ পেয়েছেন ৬৫ হাজার ৭৬২ ভোট।
হবিগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী জি কে গউছ ১ লাখ ৪২ হাজার ৪৫৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী কাজী মহসিন আহমদ পেয়েছেন ৪৫ হাজার ৫৬৮ ভোট।
হবিগঞ্জ-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী এস এম ফয়সল ১ লাখ ৮৮ হাজার ৭২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামিক ফ্রন্টের প্রার্থী মাওলানা গিয়াস উদ্দিন তাহেরী পেয়েছেন ৮৪ হাজার ৩২৩ ভোট।
বগুড়া-৭ আসনের অন্তর্ভুক্ত গাবতলী উপজেলায় বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পৈতৃক বাড়ি। ১৯৯১ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত সব কটি নির্বাচনে এখানে বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া জয়ী হয়েছেন।
এবারের নির্বাচনে খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে মনোনয়নপত্র দাখিল করা হয়। তাঁর মৃত্যুর পর গাবতলী উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোরশেদ মিল্টনকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়।
যে ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ৬২ হাজার ৫০১ ভোট। বৃহস্পতিবার রাত ১১টায় রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান বেসরকারিভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করেন।

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ১৭৩ কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফলে মোরশেদ মিল্টন ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ২ লাখ ৬২ হাজার ৫০১ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর গোলাম রব্বানী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ১৫ হাজার ৫৮৪ ভোট।
এই আসনে ভোটারসংখ্যা ৫ লাখ ৩৮ হাজার ৯২। ভোট পড়েছে ৭১ দশমিক ৮৬ শতাংশ। এ আসনে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ২ লাখ ৫১ হাজার ৭৯৩। ‘না’ ভোট পড়েছে ৯৩ হাজার ৯১৩।
বগুড়া-১ আসনে বিএনপির কাজী রফিকুল ইসলাম ১ লাখ ৭১ হাজার ৪৪০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. শাহাবুদ্দিন পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৯৫৯ ভোট।
বগুড়া-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী মীর শাহে আলম ১ লাখ ৪৫ হাজার ২৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের আবুল আজাদ মোহাম্মদ শাহাদুজ্জামান পেয়েছেন ৯৩ হাজার ৫৪৮ ভোট।

বগুড়া-৩ আসনে বিএনপির আবদুল মহিত তালুকদার ১ লাখ ২৭ হাজার ৪০৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর নূর মোহাম্মদ আবু তাহের পেয়েছেন ১ লাখ ১১ হাজার ২৬ ভোট।
বগুড়া-৫ আসনে বিএনপির গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ ২ লাখ ৪৮ হাজার ৮৪৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর দবিবুর রহমান পেয়েছেন ১ লাখ ৪৩ হাজার ৩২৯ ভোট।
বগুড়া-৬ আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ১৫০টি কেন্দ্রের ফলাফলে তারেক রহমান পেয়েছেন ২ লাখ ১৬ হাজার ২৮৪ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবিদুর রহমান সোহেল দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৯৭ হাজার ৬২৬ ভোট পেয়েছেন।
কুড়িগ্রাম-৩ (উলিপুরা) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাহবুবুল আলম সালেহী ১ লাখ ৬ হাজার ৯২৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী আক্কাছ আলী সরকার পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৩৮০ ভোট।
১ লাখ ২৩ হাজার ১৬২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন খুলনা-৪ আসনে বিএনপির এস কে আজিজুল বারী হেলাল। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খেলাফত মজলিসের এস এম সাখাওয়াত হোসাইন পেয়েছেন ১ লাখ ৯ হাজার ৫৩০ ভোট।
গোপালগঞ্জ-০১ আসন (পোষ্টাল ব্যালট এখনো পাওয়া যায় নি)
মোট কেন্দ্র-১৩৮টি
প্রাপ্ত কেন্দ্র : ১৩৮টি
সেলিমুজ্জামান মোল্যা-বিএনপি-ধানের শীষ-৬৮৮৬৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী
নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী
মো: কাবীর মিয়া-গণঅধিকার পরিষদ-ট্রাক- ৫৩৯৬১ ভোট
গোপালগঞ্জ-০২
মোট কেন্দ্র-১৫১টি
প্রাপ্ত কেন্দ্র : ১৫১টি (পোস্টাল ব্যালটসহ)
ডা: কে এম বাবর-বিএনপি-ধানের শীষ-৪০০৪৮ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত।
নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী
এম এইচ খান মঞ্জু - স্বতন্ত্র প্রার্থী- হরিণ- ৩৩০৩৯ ভোট।
গোপালগঞ্জ-৩ আসন
মোট কেন্দ্র-১০৮টি,
প্রাপ্ত কেন্দ্র : ১০৮টি (পোস্টাল ব্যালটসহ)
এস এম জিলানী-বিএনপি-ধানের শীষ- ৬০১৬৬ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত।
নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক-স্বতন্ত্র-ঘোড়া- ৩৩৮৬৭ ভোট পেয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে ঘোষিত বেসরকারি ফলাফলে ১৪২ কেন্দ্রে (পোস্টালসহ) মাহবুব উদ্দিন খোকন ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ২৬ হাজার ৮৩৩টি ভোট।
পটুয়াখালী-২ বাউফল আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ ৯৮ হাজার ৪৩৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের শহিদুল আলম তালুকদার পেয়েছেন ৭২ হাজার ১৯১ ভোট।
তৃতীয় অবস্থানে থাকা হাতপাখার প্রার্থী আবদুল মালেক পেয়েছেন ১৪ হাজার ১৫৯ ভোট। মোট ১১৫টি কেন্দ্রে মোট ৩১৫০০০ ভোটারের মধ্যে ১৮৫১৯৩ জন ভোট দিয়েছেন। এদিকে হ্যাঁ ভোট দিয়েছেন ১১১৪৯১ জন আর না ভোট দিয়েছেম ৬০৭২০ জন।
টাঙ্গাইল জেলার আটটি সংসদীয় আসনে বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যায়, জেলার অধিকাংশ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। একটি আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।
টাঙ্গাইল ১ (মধুপুর-ধনবাড়ি)
এ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ফকির মাহবুব আনাম ধানের শীষ প্রতীকে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী আব্দুল্লাহেল কাফি, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে।
টাঙ্গাইল ২ (ভুয়াপুর-গোপালপুর)
বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আব্দুস সালাম পিন্টু ধানের শীষ প্রতীকে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জামায়াতের মাওলানা মো. হুমায়ুন কবির, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে।
টাঙ্গাইল ৩ (ঘাটাইল)
এ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী লুৎফর রহমান খান আজাদ মোটরসাইকেল প্রতীকে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ওবায়দুল হক নাছির, ধানের শীষ প্রতীকে।
টাঙ্গাইল ৪ (কালিহাতি)
বিএনপি মনোনীত প্রার্থী লুৎফর রহমান খান মতিন ধানের শীষ প্রতীকে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী, হাঁস প্রতীকে।
টাঙ্গাইল ৫ (সদর)
এ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু ধানের শীষ প্রতীকে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জামায়াতের আহসান হাবিব মাসুদ, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে।
টাঙ্গাইল ৬ (দেলদুয়ার-নাগরপুর)
বিএনপি মনোনীত প্রার্থী রবিউল আউয়াল লাভলু ধানের শীষ প্রতীকে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জামায়াতের আব্দুল হামিদ, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে।
টাঙ্গাইল ৭ (মির্জাপুর)
এ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী ধানের শীষ প্রতীকে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জামায়াতের আব্দুল্লাহ তালুকদার, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে।
টাঙ্গাইল ৮ (বাসাইল-সখীপুর)
বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আহমেদ আজব খান ধানের শীষ প্রতীকে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন রাসেল, হরিণ প্রতীকে।
মৌলভীবাজার–৩ (সদর ও রাজনগর) আসনে বিএনপির প্রার্থী নাসের রহমান ১ লাখ ৫৬ হাজার ৭৫৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. আব্দুল মান্নান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৭৭ হাজার ৬৩৬ ভোট। আসনটিতে হ্যাঁ ভোট পড়েছে ১ লাখ ৩৩ হাজার ৯১৬টি। না ভোটের সংখ্যা ৭৮ হাজার ৬৭১।
প্রথমবারের মতো মৌলভীবাজারের চারটি আসনে একযোগে ধানের শীষের প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। তাঁদের তিনটি আসনে জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা ও একটি আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের রিকশা প্রতীকের প্রার্থী মূল প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন।
মৌলভীবাজার-১ আসনে মোট ভোটকেন্দ্র ১১৩টি। সব কটি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী নাসির উদ্দীন আহমেদ মিঠু ধানের শীষ প্রতীকে ৯৭ হাজার ৪৯২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৭৭ হাজার ৬১০ ভোট পেয়েছেন।
মৌলভীবাজার-২ কুলাউড়া সংসদীয় আসনে মোট ভোটকেন্দ্র ১০৩টি। সব কটি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী মো. শওকতুল ইসলাম শকু ধানের শীষ প্রতীকে ৭৪ হাজার ৬৩৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. সায়েদ আলী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৫৩ হাজার ৯৭ ভোট পেয়েছেন।
মৌলভীবাজার-৩ রাজনগর ও সদর উপজেলা সংসদীয় আসনে মোট ভোটকেন্দ্র ১৭৫টি। সব কটি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী নাসের রহমান ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৯৫ হাজার ৩৪২টি ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. আব্দুল মন্নান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৭৫ হাজার ৩৯৭ ভোট পেয়েছেন।
মৌলভীবাজার-৪ কমলগঞ্জ-শ্রীমঙ্গল সংসদীয় আসনে মোট ভোটকেন্দ্র ১৬৩টি। সব কটি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী মুজিবুর রহমান চৌধুরী ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৬৯ হাজার ৬০৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শেখ নূরে আলম হামিদী রিকশা প্রতীকে ৪৯ হাজার ১৮৯ ভোট পেয়েছেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নরসিংদী-২ (পলাশ) আসনে বিএনপির মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ড. আবদুল মঈন খান জয়ী হয়েছেন।
সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এই আসনের মোট ৯১টি ভোটকেন্দ্রের ফল ঘোষণা করা হয়েছে।
সব কটি কেন্দ্রের চূড়ান্ত ফল অনুযায়ী ধানের শীষের ড. আবদুল মঈন খান পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৬৯৪ ভোট, শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থী পেয়েছেন ১৪ হাজার ৫৬৭ ভোট, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী পেয়েছেন ৩৬ হাজার ৬৬৯ ভোট।
১৩৮ ভোটকেন্দ্র
১৩৮ কেন্দ্রের ফল (পোস্টাল ভোট সহ)
ববি হাজ্জাজ (ধানের শীষ): ৯০,৬০১
মামুনুল হক (রিকশা): ৮৬,৮৮৯
ববি হাজ্জাজ ৩,৭১২ ভোটে বিজয়ী
ফরিদপুর-২ (নগরকান্দা-সালথা) আসনে বেসরকারিভাবে প্রাপ্ত চূড়ান্ত ফলাফলে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী শামা ওবায়েদ ৩২ হাজার ৯৫৩ ভোট বেশী পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।

তিনি ভোট পেয়েছেন এক লাখ ২০ হাজার ৯০৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বদ্বী খেলাফতে মজলিশ রিকশা প্রতীকের মো. আকরাম আলী ৮৭ হাজার ৯৫৬ ভোট।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসন (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের আংশিক) থেকে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফলাফলে এ তথ্য জানা যায়।

হাঁস প্রতীকে তিনি মোট ভোট পেয়েছেন ৫০ হাজার ৫৭৯। এ আসনে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ ও বিএনপি জোটের প্রার্থী মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব (খেজুরগাছ প্রতীক) পেয়েছেন ৩২ হাজার ৫৭৯ ভোট।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে ৯ জন প্রার্থী থাকলেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন ৮ জন।
নির্বাচনের আগ থেকেই আলোচনায় ছিলেন ঢাকা-০৬ আসনে বিএনপির প্রার্থী ইশরাক হোসেন। বেসরকারি ফলাফলে ধানের শীষ প্রতীকের এ প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।
প্রাপ্ত ফল অনুযায়ী, ইশরাক হোসেন পেয়েছেন ৭৮ হাজার ১৪১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী আব্দুল মান্নান পেয়েছেন ৫৪ হাজার ৪৬৫ ভোট।
দুই প্রার্থীর মধ্যে ভোটের ব্যবধান হয়েছে ২৩ হাজার ৬৭৬। বৃহস্পতিবার সারা দেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। সকাল সাড়ে ৭টায় শুরু হয়ে ভোটদান চলে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ বির্বাচনে কক্সবাজার-১ আসনে বিজয়ী হয়েছেন ধানের শীষের প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমদ। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে ঘোষিত বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী তিনি জয়লাভ করেন।
ধানের শীষ প্রতীকের এই প্রার্থী পেয়েছেন ২ লাখ ২ হাজার ৫৬৬ ভোট এবং তার নিকতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের আব্দুল্লাহ আল ফারুক পেয়েছেন ১ লাখ ২৪ হাজার ৭২৬ ভোট। আসনে মোট ১৭৭টি কেন্দ্রের ফলাফলে এই ভোট পান তারা।
জয়ের পর সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ভোটের প্রতি মানুষের আস্থা ফিরে এসেছে৷ এই দিনটির জন্য মানুষ অপেক্ষা করছে৷ এখন দায়িত্ব অনেক বেশি। শহীদের ও গণতন্ত্রের আকাঙ্খা পূরণ করতে হবে৷
তিনি আরও বলেন, সংসদ সদস্যদের দ্বায়িত্ব হবে সংস্কার, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনতে হবে৷ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরে আনা হবে৷ দুই-তৃতীয়াংশ বেশি আসনে নিয়ে বিএনপি জয়লাভ করবে৷ এই বিজয় প্রত্যাশিত ছিল। সংসদ একটি শক্ত একটা বিরোধী দল পাবে বলেও আসা প্রকাশ করেন তিনি৷
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরার চারটি সংসদীয় আসনেই বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। জেলার সব কেন্দ্রের ফলাফলে তারা নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীদের পরাজিত করেন।
সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া)
সংসদীয় আসন নম্বর ১০৫-এর ১৬৮টি কেন্দ্রের ফলাফলে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের ইজ্জত উল্যাহ পেয়েছেন ২ লাখ ৭ হাজার ৫৯৪ ভোট। ধানের শীষ প্রতীকের হাবিবুর রহমান পেয়েছেন ১ লাখ ৮১ হাজার ৯৬৮ ভোট।
সাতক্ষীরা-২ (দেবহাটা-সাতক্ষীরা সদর)
সংসদীয় আসন নম্বর ১০৬-এর ১৮০ কেন্দ্রের ফলাফলে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মুহাদ্দিস আবদুল খালেদ পেয়েছেন ২ লাখ ৬০ হাজার ৪২৩ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকের আব্দুর রউফ পেয়েছেন ১ লাখ ৪৬ হাজার ৯১ ভোট।
সাতক্ষীরা-৩ (আশাশুনি-কালিগঞ্জ)
মোট ১৬৫টি কেন্দ্রের ফলাফলে এ আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের রবিউল বাশার পেয়েছেন ১ লাখ ৩২ হাজার ৮৭৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ফুটবল প্রতীকের ডা. শহিদুল আলম পেয়েছেন ৯৩ হাজার ৮৩৪ ভোট। ধানের শীষ প্রতীকের কাজী আলাউদ্দীন পেয়েছেন ৪৮ হাজার ৭৩৪ ভোট।
সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর)
সংসদীয় আসন নম্বর ১০৮, সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর) আসনে মোট ৯৬ কেন্দ্রের ফল পাওয়া গেছে। এ আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী গাজী নজরুল ইসলাম পেয়েছেন ১ লাখ ৫ হাজার ৪৬২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকের ড. মো. মনিরুজ্জামান পেয়েছেন ৮৪ হাজার ৪২৪ ভোট।
চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসনে বেসরকারি ফলে বিএনপির মোস্তফা কামাল পাশাকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে ৭২ হাজার ৩৫৩ ভোট পেয়েছেন।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী মুহাম্মদ আলা উদ্দীন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৩৭ হাজার ১৫৭ ভোট পেয়েছেন। এই আসনে পোস্টাল ভোট পড়েছে ৪ হাজার ৭৮৪টি। এর মধ্যে ২ হাজার ৫০৫ ভোট দাঁড়িপাল্লা এবং ধানের শীষ পেয়েছে ৬৮৪ ভোট।
রাত সাড়ে ১১টায় সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সন্দ্বীপ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মংচিংনু মারমা বেসরকারি এই ফলাফল ঘোষণা করেন। আসনটিতে মোট ভোটার ২ লাখ ৬০ হাজার ৪৮৫ জন।
কুড়িগ্রাম-৪ (চিলমারী, রৌমারী ও রাজিবপুর) আসনে বেসরকারি ফলাফলে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. মোস্তাফিজুর রহমান বিজয়ী হয়েছেন। তিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৯১ হাজার ৪১৪ ভোট পেয়েছেন।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো. আজিজুর রহমান (ধানের শীষ) পেয়েছেন ৭১ হাজার ৩৩৫ ভোট।
রিটার্নিং কর্মকর্তা ও কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ এই ফলাফল ঘোষণা করেন। এই আসনে ১৩০টি ভোটকেন্দ্রে মোট ভোটার ছিলেন ৩ লাখ ৬২ হাজার ৭৫৩ জন।
ভোলা -১ (সদর) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীকে বিপুল ভোটে হারিয়ে বিজেপি চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন।
বিএনপি জোটের প্রার্থী হয়ে জেলার গুরুত্বপূর্ণ এ আসন থেকে দ্বিতীয়বারের মতো তিনি সংসদ সদস্য (এমপি) নির্বাচিত হন। এর আগে ২০০৮ সালে তিনি এ আসন থেকে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।
সহকারী রিটানিং অফিসারের দপ্তরের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী গরুরগাড়ি প্রতীকে আন্দালিব রহমান পার্থ পেয়েছেন ১ লাখ ৪ হাজার ৪৬২ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম পেয়েছেন পেয়েছেন ৭৩ হাজার ৭৭৩ ভোট। ইসলামী আন্দোলনের মাওলানা ওবায়দুর রহমান পেয়েছেন ১৫ হাজার ৯১ ভোট।
১০৮/১০৮ কেন্দ্রের ফলাফল
মির্জা আব্বাস (ধানের শীষ): ৫৭০৯২
নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারী (শাপলা কলি): ৫১৩৯৬
বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও সাবেক এমপি হারুনুর রশীদ হারুনকে হারিয়ে জয় তুলে নিয়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-০৩ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুল ইসলাম বুলবুল।
তথ্যমতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে নুরুল ইসলাম বুলবুল পেয়েছেন ১ লাখ ৮৯ হাজার ৬১৩। অন্যদিকে ধানের শীষ প্রতীকে হারুনুর রশীদ পেয়েছেন ১ লাখ ২৬ হাজার ৯৯৭ ভোট।
একটি পৌরসভা ও ১৪টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এ আসনে পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন- বিএনপির মো. হারুনুর রশীদ, জামায়াতের নূরুল ইসলাম বুলবুল, জেএসডির ফজলুর ইসলাম খাঁন সুমন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. মনিরুল ইসলাম, গণঅধিকার পরিষদের মো. শফিকুল ইসলাম।
পটুয়াখালী-৩ আসনে (গলাচিপা ও দশমিনা) বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী নুরুল হক নুর বিজয়ী হয়েছেন। ১৬ হাজার ৮২৪ ভোট বেশি পেয়ে তিনি বিজয়ী হয়েছেন।
নুরুল হক নুরের প্রাপ্ত ভোট ৯৬ হাজার ৪৪৩। তার প্রতিদ্বন্দ্বী বিদ্রোহী প্রার্থী হাসান মামুন ঘোড়া প্রতীকে ৭৯ হাজার ৬১৯ ভোট পেয়ে পরাজিত হয়েছেন।
চট্টগ্রাম-১৫ (লোহাগাড়া-সাতকানিয়া) আসনে জামায়াত প্রার্থী আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ৭২ হাজার ০৬১ ভোট।
নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী বিএনপির প্রার্থী ধানের শীষ প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ২৭ হাজার ০২৫ ভোট। ৪৫ হাজার ৩৬ ভোটে জয় লাভ করেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীক প্রার্থী আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরী।
এ আসনে পোস্টাল ব্যালটে ভোট নিবন্ধন করেছিলেন ১৪ হাজার ২৭২ জন। পোস্টাল ভোটে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক পেয়েছে ১০ হাজার ২ শত ৫৫ ভোট। ধানের শীষ প্রতীক পেয়েছে ২ হাজার ৩ শত ৫৪ ভোট।
সুনামগঞ্জ–১ (ধর্মপাশা ও তাহিরপুর) আসনে বিএনপির কামরুজ্জামান কামরুল ৩৪, ৯৪১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের তোফায়েল আহমদ পেয়েছেন ২০ হাজার ৪০ ভোট।
সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা জনি রায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান ভূইয়া দিপু প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর কাছে থেকে ৬৫ হাজার ১৩২ ভোট বেশি পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। ভোটগ্রহণ শেষে বেসরকারি ফলাফলের ভিত্তিতে তাকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।
এই আসনে মোট সাতজন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্বাচনী লড়াইয়ে উল্লেখযোগ্য ভোট পেয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আনোয়ার হোসেন মোল্লা। তিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৯০ হাজার ২৮৯ ভোট।
গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী ওয়াসিম উদ্দিন ট্রাক মার্কা নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়ে পেয়েছেন ২০৮ ভোট। এছাড়া হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী পেয়েছেন ৭ হাজার ১৩৭ ভোট।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ (নাচোল-গোমস্তাপুর-ভোলাহাট) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ড. মিজানুর রহমান জয়ী হয়েছেন। ১৮৪টি কেন্দ্রে তিনি মোট ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ৬৯ হাজার ৫২৫।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী আমিনুল ইসলাম পেয়েছেন ১ লাখ ৫৪ হাজার ৫৩২ ভোট। দুই প্রার্থীর মধ্যে ভোটের ব্যবধান দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার ৯৯৩ ভোট।
খাগড়াছড়ি ২৯৮নং আসনের বেসরকারি ফলাফলে বিএনপির প্রার্থী আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া বিজয়ী হয়েছেন। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৪৮ হাজার ২১২ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী ধর্মজ্যোতি চাকমা ঘোড়া প্রতীকে ৫৮ হাজার ১৩৬ ভোট পেয়েছেন।
এ আসনে সংসদ সদস্য পদে ভোটের ফল ঘোষণা করা হলেও গণভোটে ‘হ্যাঁ’, ‘না’ ভোটের ফলাফল এখনো ঘোষণা করা হয়নি। খাগড়াছড়ি এ আসনে মোট ১১ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৬ (সদর) আসনে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছেন। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ২ লাখ ১৬ হাজার ২৮৪ ভোট।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবিদুর রহমান সোহেল পেয়েছেন ৯৭ হাজার ৬২৬ ভোট। তিনি ১ লাখ ১৮ হাজার ৬৫৮ ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেছেন।
ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ৫৪ হাজার ৮২৫ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী ডাঃ খালিদুজ্জামান ৪৬ হাজার ৮৪০ ভোট পেয়েছেন। তিনি ডাঃ খালিদুজ্জামান থেকে ৭ হাজার ৯৮৫ ভোট বেশি পেয়েছেন।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১১ দলীয় ঐক্য জোটে এখন পর্যন্ত ৫৯টি আসনে জয়ের তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে দলটির অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
তাদের তথ্যানুযায়ী, আনঅফিশিয়াল এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ৫৯ জন প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত (রাত ১০টা ৮ মিনিট) তারা ৩৮ জনের তালিকা প্রকাশ করেছে। তালিকাটি নিচে দেওয়া হলো।
১. মো. শফিকুল ইসলাম (পটুয়াখালী-২)
২. মো. নূরুল ইসলাম (চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩)
৩. মো. আমির হামজা (কুষ্টিয়া-৩)
৪. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের (কুমিল্লা-১১)
৫. শাহজাহান চৌধুরী (চট্টগ্রাম-১৫)
৬. মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম (চট্টগ্রাম-১৬)
৭. মো. আবুল হাসনাত (কুমিল্লা-৪)
৮. মো. গোলাম রব্বানী (রংপুর-৫)
৯. মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান (পাবনা-১)
১০. এ টি এম আজহারুল ইসলাম (রংপুর-২)
১১. শেখ মনজুরুল হক (রাহাদ) (বাগেরহাট-২)
১২. মো. আবুল কালাম আজাদ (খুলনা-৬)
১৩. মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম (মৌলভীবাজার-১)
১৪. মো. সাইফুল আলম (ঢাকা-১২)
১৫. মো. রাশেদুল ইসলাম রাশেদ (শেরপুর-১)
১৬. মো. আব্দুল গফুর (কুষ্টিয়া-২)
১৭. মো. তাজউদ্দীন খান (মেহেরপুর-১)
১৮. মো. নাজমুল হুদা (মেহেরপুর-২)
১৯. মাসুদ সাঈদী (পিরোজপুর-১)
২০. মো. মাহবুবুর রহমান (বেলাল) (রংপুর-৩)
২১. মো. রায়হান সিরাজী (রংপুর-১)
২২. আখতার হোসেন (রংপুর-৪)
২৩. মো. ইজ্জত উল্লাহ (সাতক্ষীরা-১)
২৪. মুহাম্মাদ আব্দুল খালেক (সাতক্ষীরা-২)
২৫. হাফেজ মুহা. রবিউল বাশার (সাতক্ষীরা-৩)
২৬. মো. রফিকুল ইসলাম খান (সিরাজগঞ্জ-৪)
২৭. মো. আব্দুস সাত্তার (নীলফামারী-১)
২৮. আলফারুক আব্দুল লতীফ (নীলফামারী-২)
২৯. ওবায়দুল্লাহ সালাফী (নীলফামারী-৩)
৩০. আব্দুল মুনতাকিম (নীলফামারী-৪)
৩১. মো. মাজেদুর রহমান (গাইবান্ধা-১)
৩২. মো. আব্দুল করিম (গাইবান্ধা-২)
৩৩. আবুল কাওছার মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম (গাইবান্ধা-৩)
৩৪. মো. আব্দুর রহিম সরকার (গাইবান্ধা-৪)
৩৫. মো. আব্দুল ওয়ারেছ (গাইবান্ধা-৫)
৩৬. মো. মাসুদ পারভেজ (চুয়াডাঙ্গা-১)
৩৭. মো. রুহুল আমিন (চুয়াডাঙ্গা-২)
৩৮. মো. আফজাল হোসেন (কুষ্টিয়া-৪)
জয়পুরহাট-০২ আসনে মো: আব্দুল বারী ( বিএনপি) ধানের শীষের প্রার্থী বে-সরকারীভাবে নির্বাচিত।
মোট কেন্দ্রঃ১০৪
প্রাপ্ত ফলাফলঃ ১০৪
মো: আব্দুল বারী(বিএনপি) ধানের শীষ-১,৫৭,১২৮
রাশেদুল আলম সবুজ(দাড়িপাল্লা)- ৯১,০১২
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ ৪ (ইটনা, মিঠামইন, অষ্টগ্রাম) বিএনপির প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান বেসরকারি ফলাফলে জয়লাভ করেছেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, কিশোরগঞ্জ ৪ আসনে ১৫০ কেন্দ্রের ফলাফল অনুযায়ী অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৩২ হাজার ৩৫৩ ভোট।

অন্যদিকে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাড়িপাল্লার প্রার্থী অ্যাডভোকেট রোকন রেজা শেখ পেয়েছেন ৫৫ হাজার ৬৪৬ ভোট। কিশোরগঞ্জ-৪ আসনে ৭৬ হাজার ৯০৭ ভোটের বিশাল ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন ধানের শীষের প্রার্থী ফজলুর রহমান।
পিরোজপুর-২ (ভাণ্ডারিয়া, কাউখালী ও নেছারাবাদ) আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে জামায়াতে ইসলামীর শামীম সাঈদী ২৩টি কেন্দ্রে পেয়েছেন ১২ হাজার ২৯৮ ভোট।
বিএনপির আহম্মদ সোহেল মনজুর ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১২ হাজার ৫১ ভোট। এ আসনে মোট কেন্দ্র ১৬৬ টি। ঘোষিত ২৩ কেন্দ্রে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ১৮ হাজার ৪ টি, ‘না’ পড়েছে ৯ হাজার ৮৫৫ টি।
কুড়িগ্রাম-২ (সদর, রাজারহাট, ফুলবাড়ী) আসনে ১৩৪টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলে এগিয়ে আছেন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য মনোনীত প্রার্থী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আতিকুর রহমান মোজাহিদ।
শাপলা কলি প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ২২ হাজার ৪৯৮ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো. সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ১৬ হাজার ২৭২ ভোট পেয়েছেন।
আসনটিতে মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ২০৫টি। মোট ভোটার রয়েছে ৬ লাখ ৪ হাজার ৭৩৬ জন।
বগুড়া পৌরসভার ২১টি ওয়ার্ড ও সদর উপজেলা নিয়ে গঠিত বগুড়া-৬ আসনের ২১টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে দ্বিগুণের বেশি ভোট পেয়ে এগিয়ে আছেন। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৩৮ হাজার ৪২৮ ভোট। জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবিদুর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১৭ হাজার ৪২৮ ভোট।
আসনটিতে মোট ভোট কেন্দ্র ১৫০টি। এখানে মোট ভোটার ৪ লাখ ৫৪ হাজার ৪৩ জন। ভোট পড়েছে ৭১ দশমিক ১৫ শতাংশ।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসনে জয় পেয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের মোট ৬২টি কেন্দ্রের ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে যে ধানের শীষের প্রার্থী শুরু থেকেই ভোটের দৌড়ে অনেক এগিয়ে ছিলেন। মির্জা ফখরুলের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দেলাওয়ার পেয়েছেন ৪৪ হাজার ৪০২ ভোট। অর্থাৎ মির্জা ফখরুল প্রায় ২৮ হাজার ১৪৫ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোলা-১ সংসদীয় আসনের ভোট শেষে চলছে গণনা ও ফলাফল প্রকাশ। এই আসনে মোট ১১৪টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে এখন পর্যন্ত ৪০টি কেন্দ্রের বেসরকারি প্রাথমিক ফলাফল পাওয়া গেছে। এতে অনেকটাই এগিয়ে রয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান (বিজেপি) বিএনপি জোটের প্রার্থী ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ।

প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী ৪০টি কেন্দ্রে ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ পেয়েছেন ৩৩ হাজার ১৮৪ ভোট। জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম পেয়েছেন ২৪ হাজার ২৭০ ভোট ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মাওলানা ওবায়দুর রহমান বিন মোস্তফা পেয়েছেন ৬ হাজার ৮৫১ ভোট।
লালমনিরহাট ৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব জয়ী।
মেহেরপুর-১ আসনে বিজয়ী জামায়াত
(মাসুদ অরুন) ধানের শীষ- ১০৪২২৪
(দাঁড়িপাল্লা) তাজউদ্দীন খান- ১২২৮২৯ ( বিজয়ী)
ব্যবধান- ১৮৬০৫
কেন্দ্র-১২৩
ভোটের ফলাফলে ঝালকাঠি-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী রফিকুল ইসলাম জামাল। ঝালকাঠি-২ আসনে ইসরাত সুলতানা এলিন ভুট্টো এগিয়ে আছেন।
এখন পর্যন্ত প্রাপ্তি ফলাফল
ঝালকাঠি-০১ আসন
মোট কেন্দ্র: ৯০
প্রাপ্ত ফলাফল : ৪২
ধানের শীষ :২৯৭১৬
দাড়িপাল্লা :২৭০১৬
ঝালকাঠি-০২ আসন
মোট কেন্দ্র: ১৪৭
প্রাপ্ত ফলাফল : ৬৩
ধানের শীষ : ৫৬৬৭২
দাড়িপাল্লা : ২৯৪৭২
ফেনী-৩ আসনের ৭৪টি কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মনিরা হক। এতে এগিয়ে রয়েছেন বিএনপির প্রার্থী আব্দুল আউয়াল মিন্টু। ৭৪টি কেন্দ্রে বিএনপির প্রার্থী পেয়েছেন ১ লাখ ৪১ হাজার ২৩০ ভোট।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন ওরফে মানিক পেয়েছেন ৮৪ হাজার ৮১২ ভোট। এ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ৮ হাজার ১৯২ জন। মোট প্রার্থী ৯ জন। কেন্দ্র রয়েছে ১৬১টি।
রংপুর-৫ আসনে জয় পেয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক গোলাম রব্বানী। সেখানকার ১৫২টি কেন্দ্রের ভোট গণণা শেষে দেখা গেছে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে ১ লাখ ৭৫ হাজার ২০৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী গোলাম রব্বানী ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ১৪ হাজার ১৪১ ভোট। তিনি ৬০ হাজারের বেশি ভোটের জয়।
পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনে বিজয়ের পথে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের প্রার্থী জামায়াত মনোনীত ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ। ইতোমধ্যে ২০ কেন্দ্রে বেসরকারি ফলাফল পাওয়া গেছে। এতে এ আসনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে ড. মাসুদ বিজয়ী হতে চলছেন এমন আভাস পাওয়া যাচ্ছে।
উপজেলার নাজিপুর ছোট ডালিমা কেন্দ্রের ভোটার নুরুল মোমেন জানান, ড. মাসুদের বিজয় এখন সময়ের ব্যবধান মাত্র। বিপুল ভোটে বিজয় হচ্ছেন তিনি। প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মো. সহিদুল আলম তালুকদারের ভোটব্যাংক হিসেবে পরিচিত কেন্দ্রগুলোতেই ড. মাসুদ এগিয়ে থাকায় এমনটাই প্রমাণ হতে চলছে।
জামায়াতের উপজেলা কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, মাধবপুর নিশিকান্ত মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কালিশুরী এসএ ইনস্টিটিউট, চন্দ্রদ্বীপের বিভিন্ন কেন্দ্র, নাজিরপুরের সুলতানাবাদ দাখিল মাদ্রাসা, নাজিরপুর ছোটডালিমা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বড়ডালিমা আযাদ সরকারি প্রাইমারি, মদনপুরা দরগাবাড়ি, পূর্বকালাইয়া, বামনিকাঠি, কেশবপুর ডিগ্রি কলেজ, মমিনপুর রজ্জবিয়া দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্রসহ ২০ কেন্দ্রের ফলাফলে ড. মাসুদের দাঁড়িপাল্লা ১৮,১৪৭ ভোট এবং প্রতিদ্বন্দ্বী সহিদুল আলম তালুকদার পেয়েছেন ৯,৫৪৩ ভোট।
ঢাকা-১৫ আসনের (মিরপুর, ডিএনসিসি ওয়ার্ড ৪, ১৩, ১৪, ক্যান্টনমেন্ট, ডিএনসিসি ওয়ার্ড ১৬) ৬৬টি কেন্দ্রের ফলাফল পাওয়া গেছে। এতে ৪১ হাজার ৩৯০ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী শফিকুল ইসলাম খান পেয়েছেন ৩০ হাজার ৩২৬ ভোট।

এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৫১ হাজার ৭১৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৭৯ হাজার ৬১৬ জন, নারী ভোটার ১ লাখ ৭২ হাজার ৯৮ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের চারজন ভোটার রয়েছে। এ আসনে মোট কেন্দ্র ১২৭।
কালাই, ক্ষেতলাল, আক্কেলপুর উপজেলা- মোট কেন্দ্রঃ১০৪
প্রাপ্ত ফলাফলঃ৮৯
আব্দুল বারী(বিএনপি) ধানের শীষ-১৩৪২৪৬
রাশেদুল আলম সবুজ(দাড়িপাল্লা)-৮১৪২৪
জয়পুরহাট সদর ও পাঁচবিবি উপজেলা- মোট কেন্দ্রঃ ১৫১
প্রাপ্ত ফলাফলঃ ৯৩
ফজলুর রহমান সাঈদ (জামায়াত) দাঁড়িপাল্লা-১০৪৫৭২
মাসুদ রানা প্রধান (বিএনপি) ধানের শীষ =৯৫২১৩
কুড়িগ্রাম-৪ আসনে বেসরকারিভাবে জামায়াতের প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান জয়ী হয়েছেন। তিনি মোট ১৩০টি কেন্দ্রে পেয়েছেন ৭৮ হাজার ৯৪৩ ভোট।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী ও তার বড় ভাই আজিজুর রহমান পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৯৪৫ ভোট।
ঠাকুরগাঁও -১ (সদর) আসনের ৩৫টি কেন্দ্রে ৩৯ হাজার ১০১ ভোট পেয়ে এগিয়ে আছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর (ধানের শীষ)।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ২৫ হাজার ৯৭৬ ভোট পেয়েছেন। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী খাদিমুল ইসলাম পেয়েছেন ৭০৫ ভোট। আসনটির মোট কেন্দ্র ১৮৫টি।
কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনে ১৭৭ কেন্দ্রের মধ্যে ৭৪ কেন্দ্রের প্রাথমিক ফলাফলে এগিয়ে আছেন বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী সালাউদ্দিন আহমেদ। এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত ফলাফলে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ২ হাজার ১১৯ ভোট।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়োতে ইসলামীর আবদুল্লাহ আল ফারুখ দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪৫ হাজার ৭৩ ভোট। সালাউদ্দিন ৬০ হাজারের বেশি ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে আছেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগর আংশিক) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা এগিয়ে আছেন। রাত ৮ টা ২৪ মিনিট পর্যন্ত ১২ টি কেন্দ্রে রুমিন ফারহানা ভোট পেয়েছেন ৯ হাজার ৬৪৮।

তার নিকটবর্তী প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি জোটের প্রার্থী জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব পেয়েছেন ৬ হাজার ৭৪৫ ভোট।
এই আসনের মোট ভোটকেন্দ্র ১৫১।
নিজ কেন্দ্রে হেরে গেলেন ঢাকা-১৫ আসনে প্রার্থী জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ধানের শীষের শফিকুল ইসলাম খানের কাছে মাত্র ৫ ভোটের ব্যবধানে হেরেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে জামায়াত আমির দাঁড়িপাল্লা প্রতিকে পেয়েছেন ৫৬০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের শফিকুল ইসলাম খান পেয়েছেন ৫৬৫ ভোট। এই কেন্দ্রে মোট ভোটার ১ হাজার ১৪৭ জন।
ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসনের বেসরকারি ফলে বিএনপির প্রার্থী মো. আসাদুজ্জামানকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৭১ হাজার ৫৯৮ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী আবু ছালেহ মো. মতিউর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৫৫ হাজার ৫৭৭ ভোট পেয়েছেন।

বৃহস্পতিবার রাত ৮টার কিছু আগে রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহ আল মাসউদ বেসরকারি এই ফলাফল ঘোষণা করেন। আসনটিতে মোট ভোটার ৩ লাখ ২৫ হাজার ২৭৮ জন।
পঞ্চগড়-১ আসনের ১৫৫টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ২০টি কেন্দ্রের প্রাথমিক ফলাফল পাওয়া গেছে। এতে ২২ হাজার ১৩৪ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী নওশাদ জমির।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সারজিস আলম পেয়েছেন ২০ হাজার ১৯৯ ভোট।
ঢাকা-১৭ আসনের ১৮টি কেন্দ্রের ফলাফল পাওয়া গেছে। এতে ধানের শীষ প্রতীকে ৯ হাজার ৯৬২ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী ডা. এসএম খালিদুজ্জামান পেয়েছেন ৯ হাজার ২২৮ ভোট।
রংপুর-১ (গঙ্গাচড়া ও সিটি করপোরেশন ১ থেকে ৯ নম্বর ওয়ার্ড) আসনে ১৬৯ টি কেন্দ্রের মধ্যে ২৫টির ভোটে এগিয়ে আছেন জামায়াতের প্রার্থী মো. রায়হান সিরাজী। তিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ২৫ হাজার ৪০১ ভোট পেয়েছেন। আর বিএনপির মোকাররম হোসেন ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১২ হাজার ৫৮৫।
মোট ভোট কেন্দ্র- ১৪৭
প্রাপ্ত ১০টি কেন্দ্রের ফলাফল
বিএনপি প্রার্থী- ইসরাত সুলতানা ইলেন ভূট্টো- ৭ হাজার ৮৩০
জামায়াত প্রার্থী- শেখ নেয়ামুল করিম- ৫ হাজার ৭১১
ঢাকা-৭ আসনের ২৫টি কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফলে বিএনপি প্রার্থী হামিদুর রহমান হামিদ এগিয়ে আছেন। তিনি পেয়েছেন ১৬ হাজার ৫১২ ভোট।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মো. এনায়েত উল্লা দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১২ হাজার ৯৯৫ ভোট
ফরিদপুর–২ (সালথা–নগরকান্দা) আসনের ১৯টি কেন্দ্রের ফলাফল পাওয়া গেছে। এরমধ্যে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী শামা ওবায়েদ এগিয়ে আছেন ১৬টি আসনে। বাকি ৩টি কেন্দ্রে এগিয়ে আছেন নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রিকশা প্রতীকের শাহ আকরাম আলী।
১৯ কেন্দ্রের ফল অনুযায়ী, ধানের শীষের শামা ওবায়েদ ২১ হাজার ১৩৬ ভোট পেয়েছেন। অন্যদিকে রিকশা প্রতীকের প্রার্থী পেয়েছে ১৩ হাজার ৬৪৫ ভোট। অর্থাৎ ১৯ কেন্দ্রে শামা ওবায়েদ ৭ হাজার ৪৯১ ভোটে এগিয়ে আছেন।
ঢাকা-৮ আসনের ১২টি কেন্দ্রের প্রাথমিক ফলাফল পাওয়া গেছে। এতে শাপলা কলি প্রতীকের নাসীরউদ্দীন পাটওয়ারীর কাছ থেকে মোট ৯২৬ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন বিএনপি প্রার্থী মির্জা আব্বাস।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮ টা পর্যন্ত বেসরকারিভাবে প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, ঢাকা-৮ আসনের ১২টি কেন্দ্রে ৭ হাজার ৪২৩টি ভোট পেয়েছেন মির্জা আব্বাস। অন্যদিকে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নাসীরউদ্দীন পাটওয়ারী পেয়েছেন ৬ হাজার ৪৯৭ ভোট।
রংপুর–৪ (পীরগাছা–কাউনিয়া) আসনের ১৬৩ কেন্দ্রের মধ্যে ৫৭টির ভোটে এগিয়ে আছেন এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন। তিনি শাপলা কলি প্রতীকে পেয়েছেন ৭২ হাজার ৮৯৭ ভোট।
এই আসনে বিএনপির প্রার্থী এমদাদুল হক ভরসা ধানের শীষে পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৪৩৯ এবং জাতীয় পার্টির আবু নাসের শাহ মো. মাহবুবার রহমান পেয়েছেন ১৭ হাজার ৮৯৫ ভোট।
ঢাকা-৯ আসনের ১১৬ নম্বর কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষিত হয়েছে। মহানগর আইডিয়াল স্কুল কেন্দ্রে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী হাবিবুর রশিদ হাবীব বিজয়ী হয়েছেন।

কেন্দ্রটির প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা যায়, মোট ১ হাজার ৪৩টি ভোটের মধ্যে ধানের শীষ পেয়েছে ৫৯৬ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শাপলা কলি প্রতীকের মোহাম্মদ জাবেদ মিয়া পেয়েছেন ২৬১ ভোট। আর ফুটবল প্রতীকের ডা. তাসনিম জারা পেয়েছেন ১৩৬ ভোট।
| প্রার্থী | প্রতীক | স্থানীয় সূত্রে প্রাপ্ত ভোট | নির্বাচন কমিশন সূত্রে প্রাপ্ত ভোট |
| মুহাম্মদ নওশাদ জমির | ধানের শীষ | ৯৪,২১০ | ০ |
| মোঃ সারজিস আলম | শাপলা কলি | ৯৩,৬৯০ | ০ |
| নাজমুল হক প্রধান | মোটরগাড়ি | ৩,৩২০ | ০ |
| মোঃ আব্দুল ওয়াদুদ (বাদশা) | একতারা | ০ | ০ |
| মোঃ সিরাজুল ইসলাম | টেলিভিশন | ০ | ০ |
খুলনা-১ (দাকোপ-বটিয়াঘাটা) আসনের চারটি কেন্দ্রের ভোটে বিএনপির প্রার্থী আমীর এজাজ খান ধানের শীষ প্রতীকে ৫ হাজার ৪৫ ভোট পেয়ে এগিয়ে আছেন। আসনটিতে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী ১ হাজার ৪৮০ ভোট পেয়েছেন।
ঘোষিত কেন্দ্রগুলোর মধ্যে কৈলাশগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আমীর এজাজ খান ধানের শীষে ৭৭৯ ভোট পেয়েছেন। কৃষ্ণ নন্দী দাঁড়িপাল্লায় পেয়েছেন ১৯৫ ভোট। বাজুয়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ে ধানের শীষ ১ হাজার ১৯৮ ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১৯০ ভোট পড়েছে।
কালাবগী সালেহা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ধানের শীষ ১ হাজার ৭১৪ ও দাঁড়িপাল্লা ৯৯২ ভোট পেয়েছে। দাকোপ থানা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে আমীর এজাজ খান ধানের শীষে ১ হাজার ৩৫৪ ভোট ও কৃষ্ণ নন্দী দাঁড়িপাল্লায় ১০৩ ভোট পেয়েছেন।
অনেকটা নিশ্চিত হয়েছে গেছে আলোচিত কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনের ফল। এখন পর্যন্ত পরিস্থিতি বিবেচনায়, এই আসনে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের মনোনীত প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ জয়ী হতে যাচ্ছেন।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে ৪৬টি কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করা হয়।
ঘোষিত ৪৬ কেন্দ্রে হাসনাত আবদুল্লাহ শাপলা কলি প্রতীকে পেয়েছেন ৬১ হাজার ৯৪২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ট্রাক প্রতীকের প্রার্থী জসীম উদ্দিন পেয়েছেন ১৮ হাজার ৯৯২ ভোট।
রাজধানীর মোহাম্মদপুর, শ্যামলী ও আদাবর এলাকা নিয়ে গঠিত ঢাকা-১৩ আসনের নির্বাচনি ফলাফল ঘিরে বর্তমানে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
এখন পর্যন্ত পাওয়া ১২টি কেন্দ্রের বেসরকারি ও প্রাথমিক ফলাফলে দেখা গেছে, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মাওলানা মামুনুল হক তার রিকশা প্রতীক নিয়ে সামান্য ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৭ হাজার ৩৭১ ভোট। তার ঠিক পেছনেই ধানের শীষ প্রতীকের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ববি হাজাজ্জ ৭ হাজার ৩৬৮ ভোট পেয়েছেন।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা-১৩ আসনে মোট ভোটারের সংখ্যা ৪ লাখ ৮ হাজার ৭৯১ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৯ হাজার ৮১২ জন এবং নারী ভোটারের সংখ্যা ১ লাখ ৯৮ হাজার ৯৭১ জন। এছাড়া এই আসনে তৃতীয় লিঙ্গের ৮ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।
ঢাকা-১১ আসনে (রামপুরা, বাড্ডা, ভাটারা ও হাতিরঝিলের আংশিক এলাকা) ভোটের তিনটি কেন্দ্রের ফলাফল পাওয়া গেছে। এতে ২ হাজার ৩৪১ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী ও দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের মনোনীত বিএনপি প্রার্থী এম এ কাইয়ুম পেয়েছেন ১ হাজার ৫২০ ভোট। অর্থাৎ, ৮২১ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন নাহিদ ইসলাম।
| প্রার্থী | প্রতীক | স্থানীয় সূত্রে প্রাপ্ত ভোট | নির্বাচন কমিশন সূত্রে প্রাপ্ত ভোট |
| মোঃ শফিকুর রহমান | দাঁড়িপাল্লা | ১৩,০৮০ | ০ |
| মো. শফিকুল ইসলাম খান | ধানের শীষ | ১১,৬৩০ | ০ |
| মোঃ সামসুল হক | লাঙ্গল | ০ | ০ |
৫ কেন্দ্রের ভোটে তৃতীয় স্থানে জি এম কাদের, এগিয়ে জামায়াত
রংপুর-৩ (সিটি কর্পোরেশনে ও সদর) আসনে ৫টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলে ২ হাজার ৭০৬ ভোটে পিছিয়ে আছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের। তিনি পেয়েছেন ১ হাজার ৫৪ ভোট। এসব কেন্দ্রে জামায়াতে ইসলামীর মাহবুবুর রহমান ৩ হাজার ৭৬০ ভোট পেয়ে এগিয়ে আছেন। ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির সামসুজ্জামান সামু পেয়েছেন ২ হাজার ২০৪ ভোট।
রংপুর-৩ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ২ হাজার ৯৯২। মোট কেন্দ্র ১৬৯। ফল পাওয়া কেন্দ্রগুলো হলো ধাপ সাত গড়া মাদ্রাসা, দি মিলেনিয়াম স্কুল, মেডিকেল কলেজ হাইস্কুল, মরিয়ম নেসা সরকারি বালিকা বিদ্যালয় ও শাহাবাজপুর সরকারি বিদ্যালয়।
কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনে ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপি সমর্থিত ও গণ অধিকার পরিষদের ট্রাক প্রতীকের প্রার্থী মো. আ. জসিম উদ্দিন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণের শেষ সময়ে বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
আসনটিতে ১১-দলীয় জোটের প্রার্থী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ।
| প্রার্থী | প্রতীক | স্থানীয় সূত্রে প্রাপ্ত ভোট | নির্বাচন কমিশন সূত্রে প্রাপ্ত ভোট |
| মোঃ আসাদুজ্জামান | ধানের শীষ | ৬৬,১৩০ | ০ |
| আবু ছালেহ মোঃ মতিউর রহমান | দাঁড়িপাল্লা | ৯৪,৪৪০ | ০ |
| মনিকা আলম | লাঙ্গল | ০ | ০ |
| মোঃ মতিয়ার রহমান | ঈগল | ০ | ০ |
| মোঃ সহিদুল এনাম পল্লব মিয়া | কাঁচি | ০ | ০ |
সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রের ফলাফল
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর (ধানের শীষ): ১৭৯৫
দেলাওয়ার হোসেন (দাঁড়িপাল্লা): ৬১২
রেজাউল করিম (হাতপাখা): ২৬
হ্যাঁ-১৭৯৫
না-৫২১
কেন্দ্র: উম্মে কুলসুম স্কুল অ্যান্ড কলেজ
মোট ভোট: ৩২৭২
প্রাপ্ত ভোট: ১৭৫৬
দাঁড়িপাল্লা: ১২৪৭
ধানের শীষ: ৪৫১
হ্যাঁ ভোট: ১৩১০
না ভোট : ৩০৫
মোট কেন্দ্র গণনা -২( স্থানীয় সূত্র)
মোট কেন্দ্র গণনা - (ইসি সূত্র)- ০
প্রার্থীর নাম: মোকাররম হোসেন (বিএনপি): ৬১৬
রায়হান সিরাজী (জামায়াত): ২০৪৫
মোট কেন্দ্র গণনা ১৩টি (স্থানীয় সূত্র):
সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ (বিএনপি): ১০,০৯৮ ভোট
ড. আতিক মুজাহিদ (এনসিপি): ৯৭৫৬
মোট প্রাপ্ত ভোট সংখ্যা: ১৯৮৫৪ (দুই প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোট)
জিলা স্কুল মহিলা কেন্দ্র
ধানের শীষ: ৮৭২
দাঁড়িপাল্লা: ৮১১
হ্যাঁ ভোট: ১০৩৭৮
না ভোট: ৩২৭
ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
এই কেন্দ্রে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ভোট দিয়েছেন।
ধানের শীষ: ১৭৭৭
দাঁড়িপাল্লা: ৬১২
হাতপাখা: ২৬
হ্যাঁ ভোট: ১৭৯৫
না ভোট: ৫২১
ধানের শীষ: ৭৩৫
দাঁড়িপাল্লা: ৪৪৬
জামদিয়া ইউনিয়নের বাকড়ি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ধানের শীষ: ৬৮৩
দাঁড়িপাল্লা: ৮৩
পেয়ারাতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
দাঁড়িপাল্লা: ৫৪৬
ধানের শীষ: ৮৪৮
জীবননগর পাইলট হাইস্কুল
দাঁড়িপাল্লা: ১১৯০
ধানের শীষ: ৮৪৯
চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ কেন্দ্রে
ধানের শীষ: ৭০৫
দাঁড়িপাল্লা: ৮৬৫
যশোর জেলা স্কুল পুরুষ কেন্দ্র
ধানের শীষ: ৯৭৮
দাঁড়িপাল্লা: ৮২০
হাকিমপুর উপজেলায় কেন্দ্র মোট: ২৮ টি ফলাফল।
নন্দিপুর।
আবু জাফর মো: জাহিদ হোসেন (ধানের শীষ): ৬০৯
আনোয়ারুল (দাঁড়িপাল্লা) = ৪৫৩
গণভোট: হ্যাঁ: ৬৫৯, না ভোট: ৩১৯
মোট কেন্দ্র গণনা ২৮টি (স্থানীয় সূত্র):
মোট কেন্দ্র গণনা (ইসি সূত্র):
সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ (বিএনপি): ২০৯৯৪ ভোট
ড. আতিক মুজাহিদ (এনসিপি): ২০৯৬৮
মোট প্রাপ্ত ভোট সংখ্যা: ৪১৯৬২ (দুই প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোট)
মোট কেন্দ্র গণনা -২ ( স্থানীয় সূত্র)
মোট কেন্দ্র গণনা - (ইসি সূত্র)- ০
প্রার্থীর নাম: মোকাররম হোসেন (বিএনপি): ৬১৬
রায়হান সিরাজী (জামায়াত): ২০৪৫
হাকিমপুর উপজেলায় কেন্দ্র মোট: ২৮ টি।
নন্দিপুর:
আবু জাফর মো: জাহিদ হোসেন (ধানের শীষ): ৬০৯
আনোয়ারুল (দাঁড়িপাল্লা) = ৪৫৩
গণভোট: হ্যাঁ: ৬৫৯, না ভোট: ৩১৯
মহিলা কলেজ পাড়া:
ধানের শীষ: ৫৮৩
দাঁড়িপাল্লা: ৪৮৯
হ্যাঁ ভোট: ৮২০
না ভোট: ২৩২টি
চকচকা রিকাবি:
আবু জাফর মো: জাহিদ হোসেন (ধানের শীষ):৭০০
আনোয়ারুল (দাঁড়িপাল্লা): ১১০১ টি
হরিহর পুর:
আবু জাফর মো: জাহিদ হোসেন (ধানের শীষ): ৮৭৫
আনোয়ারুল (দাঁড়িপাল্লা): ১১৫২টি
নয়ানগড় প্রাথমিক বিদ্যালয়
আবু জাফর মো: জাহিদ হোসেন (ধানের শীষ):৬০৭
আনোয়ারুল (দাঁড়িপাল্লা): ৯৮৮ টি
মোটকেন্দ্র ১৩০
৪ কেন্দ্রের ফলাফল
সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম (বিএনপি ): ৫৮০০
অ্যাডভোকেট মাইনুল আলম (জামায়াত ): ৩৫৬১
রাজবাড়ী-১
গণনা হওয়া কেন্দ্রের সংখ্যা (স্থানীয় সূত্র): ২
মার্কা ও প্রাপ্ত ভোট:
ধানের শীষ: ১০২৫
দাঁড়িপাল্লা: ৬৪৩
গোলাপ ফুল: ৪৭
লাঙ্গল: ১৪
ঢাকা-১৪
মুহাম্মাদাবাদ ফাজিল মাদ্রাসা মহিলা কেন্দ্র -২
ফুটবল: ৮০
ধানের শীষ: ৩৮৩,
দাঁড়িপাল্লা: ৬৪৩
পটুয়াখালী-৪ আসন
এবিএম মোশাররফ হোসেন (ধানের শীষ): ৪০৮০
মোস্তাফিজুর রহমান (হাতপাখা): ২৩০৯
জহির উদ্দিন আহমেদ (দেয়াল ঘড়ি): ২৪২
পটুয়াখালী-১
সহিদুর আলম তালুকদার (ধানের শীষ): ৯৫৪৩
শফিকুল ইসলাম মাসুদ (দাঁড়িপাল্লা): ১৮১৪৭
বরগুনা-২
মো. নুরুল নুরুল ইসলাম মণি (বিএনপি): ৯০২২
ডা. সুলতান আহমদ (জামায়াত): ৭৫৫০
বরিশাল-৫
মজিবর রহমান সরোয়ার (বিএনপি): ১৮৮৬
মুফতি ফয়জুল করীম (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ): ৬৮৩
মনীষা চক্রবর্তী (মই): ৫৫২
ভোলা-১
আন্দালিভ রহমান পার্থ (গরুর গাড়ি): ৫৯২৩
মো. নজরুল ইসলাম (দাঁড়িপাল্লা): ৩৩৪৮
ভোলা-৩
হাফিজ উদ্দিন আহমদ (ধানের শীষ): ২৮৪৪১
মুহা. নিজামুল হক (ফুলকপি): ১০০৭১
বরগুনা-১ আসন
মো. নজরুল ইসলাম মোল্লা (বিএনপি): ২২১২০
মো. অলিউল্লাহ (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ): ১০৬০৬
রাজবাড়ী-১
গণনা হওয়া কেন্দ্রের সংখ্যা: ৪
ধানের শীষ: ৩৯২৫
দাঁড়িপাল্লা: ১৯৩৯
রাজবাড়ী-১
গণনা হওয়া কেন্দ্রের সংখ্যা: ৪
ধানের শীষ: ৩৯২৫
দাঁড়িপাল্লা: ১৯৩৯
রাজবাড়ী-২
গণনা হওয়া কেন্দ্রের সংখ্যা (স্থানীয় সূত্র): ৩
ধানের শীষ: ৫০৮১
শাপলা কলি: ৯৩৫
কলস: ৩১৭
মুন্সীগঞ্জ-৩
১টি কেন্দ্রের ফলাফল
নূর হোসাইন নূরানী (রিক্সা): ২৮৪
মোঃ আরিফুজ্জামান (লাঙ্গল): ০৩
মোঃ কামরুজ্জামান (ধানের শীষ) : ১০২৬
মোঃ মহিউদ্দিন (ফুটবল) : ৩০৯
রাজবাড়ী-২
গণনা হওয়া কেন্দ্রের সংখ্যা (স্থানীয় সূত্র): ২
ধানের শীষ: ৩২৭২
শাপলা কলি: ৭২৫
কলস: ১৯৭
হাতপাখা: ১০৯
লাঙ্গল: ২৮
ফুটবল: ১৩
নরসিংদী ৫
৫টি কেন্দ্রে ফলাফল
ধানের শীষ: ৩৪৫১
মাইক (স্বতন্ত্র): ৯৫৩
হাতপাখা: ৬৭২
নারায়ণগঞ্জ-৩
৪টি কেন্দ্রের মোট প্রাপ্ত ফলাফল (স্থানীয় সূত্র)
ধানের শীষ: ৩৫২৭
দাঁড়িপাল্লা: ১৯৪৭
ফুটবল: ৩২৮
ঘোড়া: ২২৩ ভোট।
ঢাকা-১২
কেন্দ্র ১টি
কেন্দ্র নং: ৩৩
সাইফুল ইসলাম নীরব (ফুটবল): ১৩৪
সাইফুল আলম (দাঁড়িপাল্লা): ৩১৮
সাইফুল হক (কোদাল): ২১৫
মো তারেক রহমান (প্রজাপতি): ৫
মাহমুদুল হাসান (হাতপাখা): ৭
সরকার মোহাম্মদ সালাউদ্দিন (লাঙ্গল): ১৪
তাসলিমা আখতার (মাথাল): ৭
নোয়াখালী-৩
কেন্দ্র: ২৮ নং ফাজিলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
ধানের শীষ: ৮১৭
দাঁড়িপাল্লা: ১১৫৩
হাতপাখা: ৪৫
হ্যাঁ - ১৩২৭
না- ৬৫৫
বান্দরবান
মোট কেন্দ্র: ১৮৭
মোট প্রাপ্ত কেন্দ্র:০৫
সাচিং প্রু জেরী (বিএনপি): ৪৫৭৭
আবু জাফর মো.ওয়ালী উল্লাহ (জাতীয় পার্টি): ৬০
আবু সাঈদ মো.সুজা উদ্দীন (এনসিপি):৮৩৯
আবুল কালাম আজাদ (ইসলামী আন্দোলন): ১২৮
নোয়াখালী-৩
কেন্দ্র নাম: করিমপুর নূরানী ও হাফেজিয়া মাদ্রাসা।
ধানের শীষ: ৯৪০
দাঁড়িপাল্লা: ৭৩৩
ঘড়ি: ৬১
গণভোট
না: ৬৭৪
হ্যাঁ: ১০১৩
মাদারীপুর-২
মোট কেন্দ্র: ১৪৫টি
মোট কেন্দ্র গণনা (স্থানীয় সূত্র): ০৭ টি
জাহান্দার আলী মিয়া (ধানের শীষ): ৪১৬০
মিল্টন বৈদ্য (কলস): ৯১১
আলী আহমদ চৌধুরী (হাতপাখা): ৮৫৩
আব্দুস সোবাহান (রিক্সা): ২১০০
নেত্রকোনা-৪
ধানের শীষ: ৯৪৪
দাড়িপাল্লা: ৪১৬
জামালপুর-২
ড.সামিউল হক ফারুকী (দাড়িপাল্লা): ১০৮৭
সুলতান মাহমুদ বাবু (ধানের শীষ): ৩২৮
জামালপুর -২
ড.সামিউল হক ফারুকী (দাড়িপাল্লা): ৯৭৮
সুলতান মাহমুদ বাবু (ধানের শীর্ষ): ৯২৬
ময়মনসিংহ-৪
তিন কেন্দ্রের ফলাফল
ধানের শীষ: ৩৫৫৮
দাঁড়িপাল্লা: ২৫০২
হবিগঞ্জ-২
ধানের শীষ: ৯৩৭৮
দেয়াল ঘড়ি: ৩৩৯৫
সুনামগঞ্জ-১
কামরুজ্জামান কামরুল (ধানের শীষ): ১০২৩৩
তোফায়েল আহমেদ (দাঁড়িপাল্লা): ৫৪৭৮
ময়মনসিংহ-২
ধানের শীষ: ৩১৩
রিকশা: ৪০৬
নেত্রকোনা-১
ধানের শীষ: ১৫৫০
রিকশা: ৬৩৪
ময়মনসিংহ-৬
ধানের শীষ: ৩২১
দাঁড়িপাল্লা: ৩০০
ফুটবল: ৮০১
ঘোড়া: ৫৭২
সিলেট-১
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির (ধানের শীষ): ৫১৩২
মাওলানা হাবিবুর রহমান (দাড়িপাল্লা): ৩৭৮৪
সুনামগঞ্জ-৪
নুরুল ইসলাম (ধানের শীষ): ৫৯৬
মো. সামছ উদ্দিন (দাঁড়িপাল্লা): ৩৪৫
দেওয়ান জয়নুল জাকেরীন (মোটর সাইকেল): ২৯৯
ময়মনসিংহ-৪
আবু ওয়াহাব আকন্দ (বিএনপি): ৮৬৩
কামরুল আহসান এমরুল (জামায়াত): ৬৮১
নেত্রকোনা-১
কায়সার কামাল (ধানের শীষ): ১০৮৭
গোলাম রব্বানী (রিকশা): ৪৫৩
নেত্রকোনা-২
ডাক্তার আনোয়ারুল হক (ধানের শীষ): ১০৮১
ফাহিম রহমান খান পাঠান (শাপলা কলি): ২৪২
মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম (হাতপাখা): ৬৩
এ বি এম রফিকুল ইসলাম তালুকদার (লাঙ্গল)” ৫৯
গাজী আব্দুর রহীম রুহি (বটগাছ): ৫
বান্দরবান
মোট কেন্দ্র: ১৮৭
মোট প্রাপ্ত কেন্দ্র:০৬
সাচিং প্রু জেরী (বিএনপি): ৫০৯০
আবু জাফর মো.ওয়ালী উল্লাহ (জাতীয় পার্টি):৭৫
আবু সাঈদ মো.সুজা উদ্দীন (এনসিপি):৯৭২
আবুল কালাম আজাদ (ইসলামী আন্দোলন):১৫০
নোয়াখালী-৩
মোট কেন্দ্র: ১৬৬
গণনা হওয়া কেন্দ্রের সংখ্যা ৯ (স্থানীয় সূত্র)
ধানের শীষ: ৭৩৫৫
দাঁড়িপাল্লা: ৫৬১০
চট্টগ্রাম-০৯
কেন্দ্র :০৪
বিএনপি প্রার্থী আবু সুফিয়ান (ধানের শীষ): ৩৮৬৯
ড. এ কে ফজলুল হক (দাঁড়িপাল্লা): ১১৩০
১৪নং হাজীপুর ইউনিয়ন ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ড এর ফলাফল
ধানের শীষ: ১০৩০
দাঁড়িপাল্লা: ৬২০
হাফিজ উদ্দিন আহমদ (ধানের শীষ): ৫০০৭৪
মুহা. নিজামুল হক (ফুলকপি): ১৯৫০২
মজিবর রহমান সরোয়ার (ধানের শীষ): ৬৯০৫
মুফতি ফয়জুল করীম (হাতপাখা): ৩৯৩৮
মনীষা চক্রবর্তী (মই): ৯৭৮
মো. হাফিজ ইব্রাহিম (ধানের শীষ): ৪০৪৩
মোহাম্মদ ফজলুল করিম (দাঁড়িপাল্লা: ১৭৯৪
সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত একটানা চলার পর ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। বাংলাদেশে এই প্রথমবারের মতো একই সাথে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হলো। নির্বাচন নিয়ে বিভিন্ন দলের কিছু অভিযোগ থাকলেও বড় কোনো সহিংসতার ঘটনা ঘটেনি, তবে খুলনায় দুই পক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তির পর এক বিএনপি নেতার মৃত্যু হয়েছে।
এর আগে, উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্যদিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে দেশের ২৯৯টি আসনে ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যেসব ভোটার কেন্দ্রে উপস্থিত রয়েছেন তারা সবাই ভোট দেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ কার্যক্রম শেষ হবে।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টায় ভোটগ্রহণ শেষ হয়। এরপর গণনার প্রক্রিয়া শুরু করেছেন ভোটগ্রহণ কর্মকর্তারা। তবে, যেসব কেন্দ্রে বিকেল ৪টার মধ্যে ভোটার লাইনে দাঁড়ানো থাকবেন, সেখানে তাদের ভোটগ্রহণ শেষ করে গণনা করা হবে।
নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব আখতার আহমেদ জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে দুপুর ২টা পর্যন্ত ৩৬ হাজার ৩১ কেন্দ্রে ৪৭ দশমিক ৯১ শতাংশ ভোট পড়েছে।
এর আগে, সকাল সাড়ে ৭টায় সারাদেশের ৪২ হাজার ৭৭৯টি কেন্দ্রে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। টানা ৯ ঘণ্টা বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলে। তবে শেরপুর-৩ আসনে এক প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে সেখানে ভোটগ্রহণ স্থগিত রাখা হয়েছে। এখনে পরবর্তীতে নতুন তফসিল অনুযায়ী সম্পন্ন হবে।
ইসি জানায়, ভোটগ্রহণ শেষে গণনার সময় প্রথমে সংসদ নির্বাচনের ব্যালট ও গণভোটের ব্যালট আলাদা করা হবে। এরপর আলাদা আলাদা দলে ভাগ হয়ে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তারা সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোট গণনা করবেন।
এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৯ আসনে মোট প্রার্থী সংখ্যা দুই হাজার ২৮ জন। দলীয় প্রার্থী এক হাজার ৭৫৫ জন এবং স্বতন্ত্র ২৭৩ জন। নারী প্রার্থীর সংখ্যা ৮৩ জন, যার মধ্যে ৬৩ জন দলীয় এবং ২০ জন স্বতন্ত্র। পুরুষ প্রার্থীর সংখ্যা এক হাজার ৯৪৬ জন, এর মধ্যে এক হাজার ৬৯২ জন দলীয় এবং ২৫৩ জন স্বতন্ত্র।
এদিকে, ভোটে নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিভিন্ন বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। এরমধ্যে সেনাবাহিনীর সদস্য এক লাখ তিন হাজার, নৌবাহিনীর উপকূলীয় পাঁচ জেলায় ১৭ আসনে ৫ হাজার এবং বিমানবাহিনীর সাড়ে ৩ হাজার সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন।
বিজিবি ৩৭ হাজার ৪৫৩ জন, কোস্টগার্ড ৩ হাজার ৫৮৫ জন, পুলিশ ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬০৩ জন, র্যাব ৯ হাজার ৩৪৯ জন, আনসার ৫ লাখ ৬৭ হাজার ৮৬৮ জন এবং বিএনসিসি ১ হাজার ৯২২ জন সদস্য দিয়ে ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করছেন।
আরটিভি খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন
Loading...
আরও পড়ুন
© All Rights Reserved 2016-2026 | RTV Online | It is illegal to use contents, pictures, and videos of this website without authority's permission