সড়কে সমঝোতার ভিত্তিতে টাকা নেওয়া চাঁদা নয়: সড়ক পরিবহন মন্ত্রী

আরটিভি নিউজ

বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ , ০৭:১৬ পিএম


সড়কে সমঝোতার ভিত্তিতে টাকা নেওয়া চাঁদা নয়: সড়ক পরিবহন মন্ত্রী
নবনিযুক্ত সড়ক পরিবহন ও যোগাযোগ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। ফাইল ছবি

সড়কে বিভিন্ন পরিবহন থেকে সমঝোতার ভিত্তিতে টাকা নেওয়া হলে সেটা চাঁদার পর্যায়ে পড়ে না বলে মন্তব্য করেছেন নবনিযুক্ত সড়ক পরিবহন ও যোগাযোগ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেছেন, সড়কে বিভিন্ন পরিবহন থেকে সমঝোতার ভিত্তিতে টাকা নেওয়া হলে সেটা চাঁদা নয়, বরং টাকা দিতে বাধ্য করা হলে সেটা চাঁদা।

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন নবনিযুক্ত সড়ক পরিবহন ও যোগাযোগ মন্ত্রী।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, সড়কে পরিবহনের চাঁদা যেটা বলা হয়, সেভাবে আমি চাঁদা দেখি না। মালিক সমিতি, শ্রমিক সমিতি আছে, তারা তাদের কল্যাণে এটা ব্যয় করে। এটা অলিখিত বিধির মতো। চাঁদা আমি সেটাকে বলতে চাই, যেটা কেউ দিতে চায় না বা বাধ্য করা হয়।

মন্ত্রী বলেন, মালিক সমিতি নির্দিষ্ট হারে টাকা তুলে মালিকদের কল্যাণে ব্যবহার করতে চায়। কতটুকু ব্যবহার হয় সেটা নিয়ে হয়ত বিতর্ক আছে। কিন্তু, তারা সমঝোতার ভিত্তিতে এ কাজটা করেন।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

রবিউল আলম আরও বলেন, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনসহ অনেক সংস্থা আছে। তারা এটা সমঝোতার ভিত্তিতে করে (টাকা তোলে)। সেখানে আবার প্রাধান্য পায় যখন যার প্রভাব থাকে। যে দল ক্ষমতায় থাকে, সেই দলের শ্রমিক সংগঠনের একটা আধিপত্য থাকে। কিন্তু, এটা চাঁদা আকারে আমাদের কাছে দেখার সুযোগ হচ্ছে না। কারণ, তারা সমঝোতা ভিত্তিতে এটা করছে।

তিনি বলেন, যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের অধীনে যেসব জায়গা আছে সেখানে বাইরে থেকে কেউ চাপ প্রয়োগ করে চাঁদা নেবে বা সুবিধা নেবে সে সুযোগ নেই। কিন্তু মালিকরা যদি সমঝোতার ভিত্তিতে সেটা করে, তাহলে আমরা তাদের সঙ্গে কথা বলে দেখব যে, সেখানে কেউ বঞ্চিত হচ্ছে কি না এবং সেই অর্থের অপব্যবহার হচ্ছে কি না। 

এরপর সড়কে যানজটের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, মহাসড়কের ওপরই অনেক জায়গায় বাজার বসে গেছে। সেখানে যানজট হচ্ছে। এগুলোকে একটা শৃঙ্খলার মধ্যে আনতে হবে।

ঈদের ছুটিতে বাড়ি ফেরার বিষয়ে রবিউল আলম বলেন, ছুটি ছোট হয়ে গেলে চাপ নেওয়াটা একটু কঠিন হয়ে যায়। গতবার ছুটি বড় ছিল। এতে একটা সুবিধা পাওয়া গেছে। এবার আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে ওই প্রক্রিয়াটা অনুসরণ করব। পাশাপাশি নতুন করে আর কী প্রক্রিয়া গ্রহণ করলে ভোগান্তি কমবে, সেটা ঠিক করা হবে। আশা করছি, আপনাদের নিরাপদে বাড়ি পাঠাতে আমরা সক্ষম হব। তবে, ছুটির ব্যাপারটা এখানে খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সেক্ষেত্রেও কোনো কিছু করা যায় কি না, আরও ৫-৭-১০ দিন গেলে আমরা বিস্তারিতভাবে বলতে পারব।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

logo_appslogo_apps
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

© All Rights Reserved 2016-2026 | RTV Online | It is illegal to use contents, pictures, and videos of this website without authority's permission