ঢাকা সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩

তারেক রহমানকে চিঠি পাঠালেন ট্রাম্প, দিলেন যে বার্তা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৩:৫২ পিএম
বাংলাদেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।  ফাইল ছবি

বাংলাদেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে চিঠি পাঠিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) হোয়াইট হাউস থেকে পাঠানো ওই চিঠিতে তারেক রহমানের ঐতিহাসিক বিজয় উপলক্ষে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। চিঠিতে আমেরিকান জনগণের পক্ষ থেকে নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীর সফলতাও কামনা করা হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের অংশীদারিত্ব পারস্পরিক সম্মান এবং একটি মুক্ত ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে শক্তিশালী ও সার্বভৌম রাষ্ট্রগুলোর সমৃদ্ধি নিশ্চিত করার যৌথ স্বার্থের ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে। আশা করা যাচ্ছে, নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও এগিয়ে যাবে।

এছাড়া পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তির বাস্তবায়নের মাধ্যমে কৃষক ও শ্রমিকদের উপকারে আসবে—এমন প্রত্যাশার কথাও চিটিতে উল্লেখ করা হয়। পাশাপাশি, নিয়মিত প্রতিরক্ষা চুক্তিসমূহ সম্পন্ন করে বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীর জন্য উচ্চমানের আমেরিকান সরঞ্জামে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়।

আরও পড়ুন

চিঠির শেষাংশে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের সম্পর্ককে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে আরও শক্তিশালী করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়। এসময় বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের প্রতি পূর্ণ আস্থা রয়েছে বলেও জানানো হয়।

এর আগে, নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে সরাসরি অভিনন্দন জানিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ঢাকাস্থ দূতাবাস ও রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন। দূতাবাসের এক বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশের জনগণকে সফল নির্বাচনের জন্য অভিনন্দন। বিএনপি ও তারেক রহমানকে ঐতিহাসিক বিজয়ের জন্য শুভেচ্ছা। যুক্তরাষ্ট্র নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করতে উন্মুখ।

এর আগে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান, চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফসহ বিশ্বের অনেক নেতা তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের এই অভিনন্দন বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

এদিকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর প্রথম ভাষণে জাতীয় ঐক্য, অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার, দুর্নীতি দমন এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব জোরদারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তারেক রহমান। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এই উষ্ণ সম্পর্ক বাংলাদেশের জন্য বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও নিরাপত্তা ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কঠোর অবস্থান, জবাবদিহির আওতায় সংসদ সদস্যরাও
দলের ভেতরে যে কোনো মূল্যে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় কঠোর বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, ‘চাঁদাবাজ ও দখলদারদের জায়গা বিএনপিতে নেই।’ 
চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কঠোর অবস্থান, জবাবদিহির আওতায় সংসদ সদস্যরাও
সিনিয়র সহকারী সচিব হলেন ২০ নন-ক্যাডার কর্মকর্তা
ক্যাডার বহির্ভূত (নন-ক্যাডার) ২০ সহকারী সচিবকে সিনিয়র সহকারী সচিব (নন ক্যাডার) পদে পদোন্নতি দিয়েছে সরকার।
সিনিয়র সহকারী সচিব হলেন ২০ নন-ক্যাডার কর্মকর্তা
সরানো হচ্ছে সচিবালয়
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে ঢাকার আবদুল গনি রোডে অবস্থিত সচিবালয় সরিয়ে নেওয়া হবে শেরেবাংলা নগরে। পাশাপাশি বর্তমান সচিবালয় চত্বরে পুরান ঢাকার নিম্ন আদালত স্থানান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে। এর আগে গত বুধবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে এক সভায় সচিবালয় স্থানান্তরের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। প্রস্তাবিত প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৪০৯ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। তবে এখনো প্রকল্পটির চূড়ান্ত অনুমোদন মেলেনি। সব প্রস্তুতি শেষ করে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে নির্মাণকাজের উদ্বোধন করতে চায় সরকার। সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনার পর সচিবালয় স্থানান্তরের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে তৎপরতা বেড়েছে। এ লক্ষ্যে প্রকল্পের উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) তৈরির কাজ চলছে। গণপূর্ত অধিদপ্তর ইতিমধ্যে প্রস্তাবিত ভবনগুলোর অবস্থান নির্ধারণ করে একটি নকশাও প্রস্তুত করেছে। গৃহায়ন ও গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী গণমাধ্যমকে জানান, সচিবালয় স্থানান্তরের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন। তা অনুসরণ করে দ্রুত প্রকল্প বাস্তবায়ন কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যের প্রকল্পের নঁকশাও প্রধানমন্ত্রী দেখেছেন। তার ওপর বিভিন্ন পরামর্শ দিয়েছেন। সেসব আমলে নিয়ে প্রকল্পের কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টরা জানান, এ প্রকল্পের বাস্তবায়নকাল ধরা হয়েছে চলতি বছরের নভেম্বর থেকে ২০২৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। গণপূর্ত অধিদপ্তর ভবনগুলোর অবস্থান নির্ধারণ করে একটি লে-আউট প্রস্তুত করেছে। প্রকল্পটি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) অননুমোদিত নতুন প্রকল্পের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। প্রয়োজনীয় তথ্য গণপূর্ত অধিদপ্তর থেকে মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রকল্পটি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় উপস্থাপন করা হবে। সেখানে অনুমোদন পেলে নির্মাণকাজ শুরুর আনুষ্ঠানিক উদ্যোগ নেওয়া হবে। আগামী ডিসেম্বরে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের লক্ষ্য থাকলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা যাবে কি না, তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মধ্যে অনিশ্চয়তা রয়েছে। নতুন সচিবালয় কমপ্লেক্সের নকশা নিয়ে কাজ করছে স্থাপত্য অধিদপ্তর। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর সামনে তিনটি বিকল্প নকশা উপস্থাপন করা হয়েছে। প্রকল্প অনুমোদনের পর গণপূর্ত অধিদপ্তরের মাধ্যমে নির্মাণকাজ বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রাথমিক পরিকল্পনায় প্রথম ধাপে তিন বছরের মধ্যে কয়েকটি মন্ত্রণালয় নতুন স্থানে স্থানান্তরের লক্ষ্য রাখা হয়েছে। তবে সব ভবন নির্মাণ, প্রয়োজনীয় অবকাঠামো তৈরি এবং দাপ্তরিক কার্যক্রম স্থানান্তরের পুরো প্রক্রিয়া শেষ করতে আরও সময় লাগতে পারে। নতুন সচিবালয় নির্মিত হলে রাজধানীর প্রশাসনিক অবকাঠামোয় বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে। তবে প্রকল্পের ব্যয়, নকশা ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনা এখনো চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। আরটিভি/টিআর
সরানো হচ্ছে সচিবালয়
দেশের ৬৪ জেলায় তথ্য কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী
তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, সাংবাদিকদের পেশাগত সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি এবং সাধারণ মানুষের বিনোদনের চাহিদা পূরণে দেশের ৬৪ জেলায় তথ্য কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হবে।
দেশের ৬৪ জেলায় তথ্য কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী
জুলাই জাদুঘরের নথি হত্যাকাণ্ডের প্রমাণ: নেদারল্যান্ডসের উপমন্ত্রী
জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের নথিপত্র এখন নিছক ঐতিহাসিক দলিল নয়, বরং এসব নথি হত্যাকাণ্ডের প্রমাণ বহন করছে বলে উল্লেখ করেছেন নেদারল্যান্ডসের আন্তর্জাতিক সহযোগিতাবিষয়ক উপমন্ত্রী স্টিভেন কোলেট। রোববার (১১ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বলেন। এসময় গণভবনে পাওয়া নথিপত্রে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান চলাকালে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের বিবরণ পর্যালোচনা করে তিনি বলেন, জাদুঘরটি শুধু বাংলাদেশের মানুষের জন্য নয়, বিশ্বের প্রত্যেক নাগরিকের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। স্টিভেন কোলেট বলেন, জুলাই জাদুঘর আমার দেখা সবচেয়ে হৃদয়স্পর্শী জাদুঘর। জুলাই জাদুঘরে দেখানো নথিগুলো এখন নিছক নথিপত্রই নয়; বরং তা ওই সময়ের হত্যাকাণ্ডের প্রমাণ উপস্থাপন করছে। পরিদর্শনকালে নেদারল্যান্ডসের উপমন্ত্রী ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড ও নির্যাতনের স্মারক ঘুরে দেখেন। এসময় জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ভিডিওচিত্র দেখেন তিনি। অভ্যুত্থানে নিহত শহীদ মাহামুদুর রহমান সৈকতের আত্মত্যাগের কথা তার সামনে তুলে ধরেন সৈকতের বোন সাবরিনা আফরোজ সেবন্তি। জাদুঘর পরিদর্শন শেষে স্টিভেন কোলেট বাংলাদেশের জনগণের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, আমি এই জাদুঘরের জন্য বাংলাদেশের জনগণকে অভিবাদন জানাই। এই জাদুঘর আমাদের সবাইকে এমন এক ইতিহাসের কথা বলে, যা কখনো ভুলে যাওয়া উচিত নয়। তিনি আরো বলেন, জুলাই জাদুঘর আমাদের মর্যাদা ও মানবাধিকারের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা রেখে ভবিষ্যৎ গঠনের ক্ষেত্রে দায়বদ্ধ করে তোলে। এসময় বাংলাদেশে নিযুক্ত নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত ইউরিস ভ্যান বোমেল, দূতাবাসের ডেপুটি হেড অব মিশন ইয়ানা ভান দের লিন্দেন, ফার্স্ট সেক্রেটারি জাওয়াদ আজওয়ি এবং রাজনীতি ও জনকূটনীতিবিষয়ক উপদেষ্টা লুবাইন মাসুম উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/টিআর
জুলাই জাদুঘরের নথি হত্যাকাণ্ডের প্রমাণ: নেদারল্যান্ডসের উপমন্ত্রী
আরও পড়ুন
সরানো হচ্ছে সচিবালয়
খুলনার খান সাইফুলের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী
মারুবেনি করপোরেশনের সঙ্গে বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা প্রধানমন্ত্রীর
জেলেনস্কিকে সরাতে চান ট্রাম্প, রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তিতে তোলপাড়