বিদ্যমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আপাতত সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে দোকান ও শপিংমল বন্ধের সরকারি সিদ্ধান্তই বলবৎ থাকবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকেল ৪ টায় বিদ্যুৎ ভবনে বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এ অনুরোধ জানান।
এর আগে, দোকান খোলা ও বন্ধের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করার জন্য সংগঠনটির পক্ষ থেকে দাবি জানানো হয়। একই দাবি বিদ্যুৎমন্ত্রীর কাছেও উপস্থাপন করেন সংগঠনটির নেতারা। তবে এই দাবি আপাতত নাকচ করে দিয়েছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী।
বৈঠকে অংশ নেওয়া বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান টিপু বলেন, সামনে পহেলা বৈশাখ ও কোরবানির ঈদ। আমরা দাবি করেছিলাম রাত ৮টা পর্যন্ত যেন দোকানপাট খোলা রাখা যায়। আর সকাল ৯টার পরিবর্তে বেলা ১১টা থেকে দোকান খুলে সন্ধ্যা ৬টার পরিবর্তে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা রাখার দাবি জানিয়েছিলাম। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী আমাদের কথা শুনেছেন। তিনি বলেছেন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলবেন। তবে, আপাতত সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী আমাদের সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বিপনীবিতান ও মার্কেট বন্ধ রাখার অনুরোধ জানিয়েছেন।
এর আগে, শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সারাদেশে দোকান, বিপণিবিতান ও শপিংমল খোলার সময় পরিবর্তনের দাবি জানায় বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি। এ বিষয়ে নেওয়া সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য সরকারের প্রতি অনুরোধ জানায় সংগঠনটি।
সংগঠনটির স্ট্যান্ডিং কমিটির এক জরুরি ভার্চুয়াল সভায় দেশের প্রায় ৭০ লাখ দোকান মালিক এবং আড়াই কোটি কর্মচারীর স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে এ সময়সূচি পুনর্বিবেচনার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে সরকার বেশকিছু নতুন নির্দেশনা জারি করেছে। এর মধ্যে অফিসের সময়সূচিতে পরিবর্তন আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সরকারি-বেসরকারি অফিস চলবে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। এছাড়া দেশের সব দোকানপাট, বাণিজ্য বিতান ও শপিং মল সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বন্ধ করতে হবে।
আরটিভি/এমএ




