আর্জেন্টাইন ফুটবল কিংবদন্তি ডিয়েগো ম্যারাডোনার মৃত্যুকে ঘিরে চিকিৎসাজনিত অবহেলার অভিযোগে আবারও নতুন করে বিচার শুরু হয়েছে। এক বিচারককে ঘিরে বিতর্ক ও নীতিগত লঙ্ঘনের অভিযোগে আগের বিচার প্রক্রিয়া ভেস্তে যাওয়ার পর মঙ্গলবার (নতুন রায় অনুযায়ী) এই মামলা পুনরায় শুরু হয়।
২০২০ সালের নভেম্বরে মৃত্যুর আগে মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচারের পর নিজ বাসায় চিকিৎসাধীন ছিলেন ম্যারাডোনা। হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার কয়েকদিনের মধ্যেই তার মৃত্যু হয়। এরপরই অভিযোগ ওঠে যে, তার চিকিৎসায় নিয়োজিত মেডিক্যাল টিমের অবহেলার কারণেই এই বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়কের মৃত্যু হয়েছে।
মামলায় মোট সাত সদস্যের মেডিক্যাল টিমকে অভিযুক্ত করা হয়েছে, যার মধ্যে চিকিৎসক, মনোবিদ ও নার্স রয়েছেন। তারা ম্যারাডোনার হাসপাতাল-পরবর্তী গৃহচিকিৎসার দায়িত্বে ছিলেন।
এর আগে ২০২৫ সালের মে মাসে এক বিচারকের বিরুদ্ধে একটি ডকুমেন্টারিতে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ ওঠায় পুরো বিচার প্রক্রিয়া বাতিল করা হয়। পরে সেই বিচারক জুলিয়েতা মাকিনতাখকে অভিশংসন করা হয়।
নতুন করে শুরু হওয়া এই বিচারে প্রায় ১২০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে। আদালত নির্ধারণ করবে, চিকিৎসকদের অবহেলাই কি না ম্যারাডোনার মৃত্যুর জন্য দায়ী। অভিযোগ প্রমাণিত হলে অভিযুক্তদের ৮ থেকে ২৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।
এই বিচারকে কেন্দ্র করে আবারও আলোচনায় উঠে এসেছে বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা তারকা ডিয়েগো ম্যারাডোনার মৃত্যু-রহস্য।
আরটিভি/এসকে



