কোনো এলাকার উন্নয়ন করতে হলে স্থানীয় প্রশাসনকে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি। তিনি বলেন, প্রশাসনের আন্তরিকতা ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়।
বুধবার (১৪ মে) বরগুনা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের হলরুমে নির্বাচনি ইশতেহার ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন চিফ হুইপ।
নুরুল ইসলাম মনি বলেন, বরগুনাসহ বঙ্গোপসাগর উপকূলীয় অঞ্চলের জেলাগুলো প্রতিনিয়ত নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখোমুখি হয়। এতে সাধারণ মানুষকে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হতে হয়। এসব দুর্যোগ মোকাবিলা ও ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে উপকূলীয় জেলাগুলোকে নিয়ে পৃথক ‘উপকূলীয় মন্ত্রণালয়’ গঠনের দাবি জানানো হয়েছে।
তিনি জানান, উপকূলীয় অঞ্চলের উন্নয়নে বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বরগুনায় ইকোনমিক জোন গড়ে তোলা, উপকূলীয় বাতাসকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন, সুন্দরবন থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত পরিকল্পিত পর্যটন শিল্প গড়ে তোলা এবং গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ।
এ ছাড়া মাছ সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাত করে বিদেশে রপ্তানির ব্যবস্থা, জাহাজভাঙা শিল্প গড়ে তুলতে তালতলী ও পাথরঘাটা এলাকায় জরিপ কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলেও জানান তিনি।
পাশাপাশি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ, মৎস্য গবেষণা ও উন্নয়ন কেন্দ্র এবং আধুনিক আবহাওয়া অফিস স্থাপনের পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন।
গভীর সমুদ্রে মাছ শিকার করা জেলেদের সঙ্গে উপকূলের নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানান চিফ হুইপ।
মাদক নির্মূলে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, বরগুনাকে মাদকমুক্ত করতে সর্বোচ্চ কার্যক্রম হাতে নেওয়া হবে। নতুন প্রজন্ম যাতে মাদকে আসক্ত না হয়, সে জন্য বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা হবে।
আরটিভি/এমএ



