ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

জরুরি সেবা ৯৯৯: মোবাইল রিচার্জসহ যেসব আবদার করা হচ্ছে

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৬ মে ২০২৬, ০২:১৪ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

দেশের মানুষের আস্থা ও নির্ভরতার অন্যতম প্রতীক হয়ে উঠেছে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯। প্রতিদিনের জীবনযাত্রায় দুর্ঘটনা কিংবা যে কোন সংকটময় মুহূর্তে দ্রুত সহায়তা পাওয়ার জন্য চালু হয়েছে এ সেবা। দেশের যে কোন প্রান্ত থেকে ফোন করলেই মিলে যায় পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও অ্যাম্বুলেন্সসহ নানা ধরনের সুবিধা।

রাজধানীর আব্দুল গণি রোডের পুলিশ কন্ট্রোল রুম থেকে দেশের জনগণকে সপ্তাহের সাত দিন ২৪ ঘণ্টা এই সেবা প্রদান করা হয়। বর্তমানে মানুষ থানায় গিয়ে অভিযোগ করার চেয়ে ৯৯৯-এ অভিযোগ জানাতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। তবে, জরুরি সেবার জন্য চালু হওয়া এই গুরুত্বপূর্ণ নম্বরটি এখন বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে অপ্রয়োজনীয় ও ভুয়া কলের কারণে।

জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ -এর পরিসংখ্যান বলছে, মোট কলের অর্ধেকের বেশি কলই প্রকৃত জরুরি সহায়তার জন্য আসে না। ফলে প্রকৃত বিপদগ্রস্ত মানুষের সহায়তা পেতে বিলম্ব হচ্ছে, বাড়ছে সেবাদানকারীদের ওপর চাপ।

পুলিশ জানিয়েছে, ২০১৭ সালের ১২ ডিসেম্বর চালু হওয়া এ সেবা মূলত পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও অ্যাম্বুলেন্স সেবা দেওয়ার জন্য কাজ করে। এছাড়া জমি বিরোধ, পারিবারিক সহিংসতা, দুর্ঘটনাসহ নানা অভিযোগও এখানে আসে। ১০০টি লাইনে তিন শিফটে ৪৫০ জন কর্মী সেবা দেন।

জুলহাস হাজী নামে এক ব্যক্তি বলেন, ভোলা থেকে ঢাকাগামী কর্ণফুলী-৩ লঞ্চে সাত মাস বয়সি এক শিশু গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে আমি ৯৯৯ ফোন করি। আমি ফোন দেওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই উদ্ধারকাজ শুরু হয়। শিশুটির অবস্থা খুবই খারাপ ছিল। ৯৯৯ না থাকলে হয়তো তাকে বাঁচানো সম্ভব হতো না।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, জরুরি সেবার অধিকাংশ কলই অপ্রয়োজনীয়। অনেক সময় কেউ মোবাইল রিচার্জ চেয়েও ফোন করেন, কেউ আর্থিক সহায়তা চান, আবার কেউ সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক বিষয় নিয়ে কল করেন। এমনকি ছোট শিশুর কান্না থামাতে অনেক অভিভাবক শিশুর হাতে ৯৯৯ নম্বর ধরিয়ে দেন। কিছু ক্ষেত্রে কলাররা ভুয়া তথ্য দিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বিভ্রান্তও করেন।

এ বিষয়ে কলটেকার রতন হোসেন বলেন, একবার সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর থেকে একজন কল করে আগুন লাগার খবর দেন। আমরা তাৎক্ষণিকভাবে ফায়ার সার্ভিসকে জানাই। পরে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে এমন কোনো ঘটনাই ঘটেনি। পরে আমাদেরকে ফোন করা ব্যক্তিটিকে ফোন দিলে নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়।

পুলিশ জানায়, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ২০১৭ সালের ১২ ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত মোট কল এসেছে ৭ কোটি ১১ লাখ ৭১ হাজার ৪২২টি। এর মধ্যে সেবা প্রদান করা হয়েছে মোট ৩ কোটি ১৭ লাখ ৩৮ হাজার ৯২৭টি কলে, যা মোট কলের ৪৪ দশমিক ৬০ শতাংশ। বিপরীতে সেবা প্রদান করা হয়নি এমন কল এসেছে ৩ কোটি ৯৪ লাখ ৩২ হাজার ৪৯৫টি, যা মোট কলের ৫৫ দশমিক ৪০ শতাংশ। অর্থাৎ জরুরি সেবার তুলনায় অযাচিত ও অপ্রয়োজনীয় কলের সংখ্যাই বেশি। প্রকৃত জরুরি কল বা ‘ইমার্জেন্সি কল ফর সার্ভিস (সিএফএস)’ ছিল মোট ২৬ লাখ ৫৯ হাজার ৯৪টি। এসব কলের মধ্যে পুলিশের সহায়তা চেয়েছে ২২ লাখ ২৮ হাজার ৩৫টি, ফায়ার সার্ভিস সহায়তা চেয়েছে ২ লাখ ৫ হাজার ৪৪৮টি, অ্যাম্বুলেন্স চেয়েছে ২ লাখ ২৫ হাজার ৬১১টি।

তবে সবচেয়ে বেশি উদ্বেগজনক হলো ফাঁকা কল ও প্রাঙ্ক কলের সংখ্যা। তথ্য অনুযায়ী, ফোন করার পর কথা বলেনি এমন কলের সংখ্যা ৩ কোটি ৭ লাখ ২৮ হাজার ৭২৯টি, প্রাঙ্ক কলের সংখ্যা ২৬ লাখ ৭৪ হাজার ১৬৭টি, মিস কলের সংখ্যা ৬০ লাখ ২৯ হাজার ৫৯৯টি। যা সব মিলিয়ে জরুরি সেবার কার্যক্রমে সময় নষ্ট এবং প্রকৃত জরুরি কল রিসিভের ক্ষেত্রে বড় চাপ তৈরি করছে।

জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর গণমাধ্যম ও জনসংযোগ কর্মকর্তা আনোয়ার সাত্তার বলেন, আগে ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত অপ্রয়োজনীয় কল আসত। বর্তমানে সচেতনতামূলক কার্যক্রমের ফলে তা কিছুটা কমে ৫০ শতাংশের কাছাকাছি এসেছে। কেউ বারবার বিরক্তিকর কল করলে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সেই নম্বর ব্লক করা হয়।

যদিও বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০০১-এর ৭০ ধারায় অযৌক্তিক ও বিরক্তিকর ফোনকলকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এ অপরাধে সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে ছয় মাসের কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। তবে বাস্তবে এ আইনের প্রয়োগ খুব একটা দেখা যায় না।

জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর প্রধান এবং পুলিশের অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মহিউল ইসলাম বলেন, অপ্রয়োজনীয় কলের কারণে বর্তমানে জরুরি কল রিসিভ করতে প্রায় দুই মিনিট পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হচ্ছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। বিশ্বের কোথাও জরুরি সেবায় এত দীর্ঘ ওয়েটিং টাইম দেখা যায় না।

তিনি আরও বলেন, অনেক সময় কলকারী ব্যক্তি অশালীন ভাষাও ব্যবহার করেন, যা কলটেকারদের ওপর মানসিক চাপ তৈরি করে। তবে তাৎক্ষণিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থার পরিবর্তে আমরা সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর জোর দিচ্ছি।

আরও পড়ুন

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জরুরি সেবা ৯৯৯ কেবল একটি ফোন নম্বর নয়, এটি মানুষের জীবনরক্ষার অন্যতম ভরসা। তাই এই সেবাকে কার্যকর রাখতে অপ্রয়োজনীয় ও ভুয়া কল থেকে বিরত থাকা এবং জনসচেতনতা বাড়ানো এখন সময়ের দাবি।

আরটিভি/এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
মঞ্চ একই, সময় আলাদা: জাতিসংঘে বাংলাদেশের কণ্ঠস্বর
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন ঘিরে এবার আলোচনায় বাংলাদেশের জিয়া পরিবার।
মঞ্চ একই, সময় আলাদা: জাতিসংঘে বাংলাদেশের কণ্ঠস্বর
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে প্রধানমন্ত্রী ভাষণ দেবেন আজ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রথমবারের মতো বাংলায় ভাষণ দেবেন।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে প্রধানমন্ত্রী ভাষণ দেবেন আজ
আরও ১১ উড়োজাহাজ কিনতে বোয়িংয়ের সঙ্গে চুক্তি সই বিমানের
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকাবাহী বিমান সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এবং যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের মধ্যে আরও ১১টি অত্যাধুনিক বোয়িং উড়োজাহাজ সংগ্রহের লক্ষ্যে একটি সম্পূরক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইডলাইনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান রুমী এ হোসেন এবং বোয়িংয়ের কমার্শিয়াল সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং বিভাগের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ব্র্যাড ম্যাকমুলেন নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ূন কবির, ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্‌দী আমিন, যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিক এবং যুক্তরাষ্ট্রের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস্টোফার ল্যান্ডাউ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক বাণিজ্যবিষয়ক যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগের আন্ডার সেক্রেটারি উইলিয়াম কিমিট, বোয়িং গ্লোবালের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ব্রেন্ডান নেলসন, বোয়িং কমার্শিয়াল এয়ারপ্লেনসের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্টেফানি পোপ, দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. পল কাপুর, বোয়িং কমার্শিয়াল এয়ারপ্লেনসের ইউরেশিয়া, ভারত ও দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের বাণিজ্যিক বিক্রয় ও বিপণন বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট পল রিগি এবং উভয় প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান রুমী এ হোসেন বলেন, “আজকের এই সম্পূরক চুক্তি বিমানের চলমান বহর আধুনিকায়ন ও নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ কার্যক্রমে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। আমাদের বহর পরিকল্পনার সুনির্দিষ্ট প্রয়োজনীয়তার আলোকে এই ক্রয়াদেশ প্রদান করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে বোয়িংয়ের সঙ্গে আমাদের যে কার্যকর ও পারস্পরিক সহযোগিতামূলক সম্পর্ক রয়েছে, তা উড়োজাহাজ সরবরাহ ও পরবর্তী সহায়তা ব্যবস্থাপনার বিষয়ে আমাদের আস্থা জুগিয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “জাতীয় পতাকাবাহী বিমান সংস্থা হিসেবে বাংলাদেশে বসবাসকারী জনগণ, প্রবাসী বাংলাদেশি, ব্যবসায়ী ও পর্যটকদের ক্রমবর্ধমান যোগাযোগের চাহিদা পূরণে বিমানের নেটওয়ার্ক ও সক্ষমতা উন্নয়নে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আগামী বছরগুলোতে দেশের আন্তর্জাতিক আকাশ যোগাযোগ আরও শক্তিশালী করার জন্য একটি বিস্তৃত ও সুপরিকল্পিত দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এই চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে।” নতুন এই চুক্তি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের দীর্ঘমেয়াদি বহর আধুনিকায়ন কর্মসূচিকে আরও শক্তিশালী করবে। একই সঙ্গে এটি বিমানের পরিচালন সক্ষমতা, পরিচালনাগত নমনীয়তা ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে। বিদ্যমান বোয়িং বহরের সঙ্গে প্রয়োজনীয় সামঞ্জস্য ও ধারাবাহিকতা বজায় রাখার ক্ষেত্রেও এই চুক্তি সহায়ক হবে। বাংলাদেশের জাতীয় পতাকাবাহী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স দেশের ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক যোগাযোগের চাহিদা পূরণ এবং দীর্ঘমেয়াদে জাতীয় বিমান পরিবহন সক্ষমতা জোরদারের লক্ষ্যে একটি আধুনিক, দক্ষ ও বাণিজ্যিকভাবে টেকসই বহর গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। জাতীয় অগ্রাধিকার, প্রযোজ্য আইন ও বিধিবিধান এবং বৈশ্বিক বিমান পরিবহন খাতের ক্রমবিকাশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ভবিষ্যতেও তার বহর ও নেটওয়ার্কের প্রয়োজনীয়তা নিয়মিতভাবে পর্যালোচনা করবে।
আরও ১১ উড়োজাহাজ কিনতে বোয়িংয়ের সঙ্গে চুক্তি সই বিমানের
‘কোনো শিশুই শিক্ষার বাইরে থাকবে না’
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ইসফেন্দিয়ার জাহেদ হাসান মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
‘কোনো শিশুই শিক্ষার বাইরে থাকবে না’
ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আরও নিরাপদ ও টেকসই বিশ্ব গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
স্থানীয় সময় বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জাতিসংঘ সদরদপ্তরের ট্রাস্টিশিপ কাউন্সিলে ‘ক্লাইমেট অ্যাকশন অ্যান্ড দ্য জাস্ট ট্রানজিশন’ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের সভায় বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের উদ্যোগে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আরও নিরাপদ ও টেকসই বিশ্ব গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
আরও পড়ুন
বিপদে এক ফোন, পাশে ৯৯৯
ওয়াশরুমে গিয়ে বিপাকে প্রবাসী, ৯৯৯-এ ফোনে মিলল সহায়তা
গভীর গর্তে মাটিচাপা শ্রমিক, ৯৯৯-এ ফোনের পর জীবিত উদ্ধার