ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

প্রবাসী ভাইদের সর্বোচ্চ সুবিধা আদায়ে মালয়েশিয়ার সঙ্গে আলোচনা হবে: প্রধানমন্ত্রী

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২২ জুন ২০২৬, ০২:২৪ এএম
কুয়ালালামপুরে প্রবাসী বাংলাদেশিদের এক মতবিনিময় অনুষ্ঠানে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত

প্রবাসীদের সর্বোচ্চ সুবিধা আদায়ের জন্য মালয়েশিয়ার সরকার প্রধানের সঙ্গে আলোচনা করবেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রোববার (২১ জুন) স্থানীয় সময় রাত সাড়ে ১০টার দিকে কুয়ালালামপুরে হোটেল শাংগ্রি লা হোটেলে প্রবাসী বাংলাদেশিদের এক মতবিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ কথা জানান।

তিনি বলেন, প্রবাসীদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই, আজকে আমাদের কী দাবি আছে সেটা থেকে বেরিয়ে এসে আসুন আমরা চিন্তা করি, আমাদের কী কর্তব্য আছে দেশের প্রতি। আসুন আমরা সবাই মিলে দেশের জন্য কিছু করার চিন্তা করি, যাতে সকলে মিলে ভালো থাকতে পারি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনাদের প্রতি দেশবাসীর পক্ষ থেকে একটি অনুরোধ থাকবে- আসুন আজকে থেকে আমরা চিন্তা করি, আমরা কী করতে পারি দেশের জন্য। এটাই হোক আমাদের আজকের চিন্তা, আপনাদের কাছে এই আশা রাখছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ দেশ থেকে কেউ একজন, একটা গোষ্ঠী নিতে নিতে দেশটিকে একদম শেষ করে দিয়েছে। দেশটাকে একদম ধ্বংস করে দিয়েছে। আমরা চেষ্টা করছি, বুকের রক্ত দিয়েছে মানুষ দেশকে স্বৈরাচার মুক্ত করেছে। এখন সবাই মিলে দেশটাকে গড়ে তুলি।

রাত সাড়ে ৯টায় কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে শাংগ্রি লা হোটেলে পৌঁছার পর মালয়েশিয়া প্রবাসীদের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। সাথে ছিলেন তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান।

দেশ গঠনের নিজের চিন্তা ও পরিকল্পনাগুলো প্রবাসীদের কাছে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। বিএনপির নির্বাচনি অঙ্গীকারগুলো বিশেষ করে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, খাল পুনঃখননসহ বিভিন্ন কর্মসূচিগুলো নিয়ে কথা বলেন তারেক রহমান।

তিনি বলেন, আমি আমার চিন্তার কথাগুলো আপনাদেরকে বলেছি। দোয়া করবেন যাতে এইগুলো বাস্তবায়ন আমরা করতে পারি।

প্রধানমন্ত্রী নিজের পরিকল্পনাগুলো একে একে তুলে ধরেন। উপস্থিত প্রবাসীরা মনোযোগ দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য শোনেন এবং তার চিন্তাভাবনার প্রতি সমর্থন প্রকাশ করেন।

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি বাংলাদেশের সামনে একটা অত্যন্ত সুন্দর এবং উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ আছে। তবে এখানে একটা বিরাট 'তবে' আছে। তবে হচ্ছে যে, আমাদেরকে এর জন্য পরিশ্রম করতে হবে, আমাদেরকে এর জন্য কষ্ট করতে হবে এবং সবচেয়ে বড় বিষয়টি হচ্ছে যে, আমাদেরকে এর জন্য ধৈর্য ধারণ করতে হবে।

তিনি বলেন, আমি আসার সময় কুয়ালালামপুর থেকে রাস্তাগুলো অনেক পরিষ্কার লেগেছে আমার কাছে এবং এই পরিষ্কার করার কাজটি কিন্তু আমার দেশের ভাইরাই করছে। আমার দেশের ভাইরা যদি এখানে এত সুন্দর কাজ করতে পারে তাহলে আমরা দেশে কেন পারব না? প্রশ্ন রাখেন প্রধানমন্ত্রী।

১/১১ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেখুন বিশেষ করে ওয়ান ইলেভেনের সময় এবং তারপরেও আমার সাথে, আমার মায়ের সাথে, আমার ভাইয়ের সাথে এমন অনেক ঘটনা ঘটেছে যা কল্পনা করা যায় না।

তিনি বলেন, এই মুহূর্তে বিএনপি দেশ পরিচালনার দায়িত্বে আছে। আমি প্রধানমন্ত্রী, আমি চাইলে ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে হয়ত অনেক কিছুর প্রতিশোধ নিতে পারি। কিন্তু আমি যদি সেটা করি, তাতে উপকার কী হবে, বলতে পারেন? কারো উপকার হবে না। তাই এই প্রতিশোধ, প্রতিহিংসা থেকে আমাদের বের হয়ে আসতে হবে।

উপস্থিত প্রবাসীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনারা প্রবাসী। অবশ্যই দেশের প্রতি আপনাদের দাবি আছে, পাশাপাশি, দেশের প্রতি আপনাদের কর্তব্যও আছে। প্রবাসী হিসেবে আপনার যেমন দেশের প্রতি কর্তব্য আছে, দেশি হিসেবে আমাদেরও দেশের প্রতি কর্তব্য আছে। আসুন আমাদের কী দাবি আছে সেটা থেকে বেরিয়ে এসে চিন্তা করি দেশের প্রতি আমাদের কী কর্তব্য আছে। আমরা দেশ থেকে কী নেব এই মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আমি আমাদের প্রবাসী ভাইদের জন্য সর্বোচ্চ সুবিধা আদায়ের লক্ষ্যে এ দেশের সরকার প্রধানের সঙ্গে কথা বলব। চেষ্টা করব এ দেশের আইনের মধ্যে থেকে সর্বোচ্চটা আদায় করতে।

দুইদিনের সরকারি সফরে সোমবার (২২ জুন) সকালে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে একান্ত বৈঠক করবেন তারেক রহমান।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় দুপুরে জাতিসংঘ সদরদপ্তরে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় বলে নিশ্চিত করেছেন  প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব একেএম নাজমুল হক।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক
মানবিকতার তাগিদেই সীমান্ত খুলে দিয়েছিলো বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী 
রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, মানবিকতার তাগিদেই বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের জন্য সীমান্ত খুলে দিয়েছিল। তবে দীর্ঘদিন ধরে এই সংকটের ভার একা বাংলাদেশের পক্ষে বহন করা সম্ভব নয়। সংকটের উৎপত্তি যেহেতু মিয়ানমারে, এর টেকসই সমাধানও মিয়ানমারেই নিহিত। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সাইডলাইনে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আয়োজিত উচ্চপর্যায়ের এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। বাংলাদেশ ও গাম্বিয়ার যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে সংকটের স্থায়ী সমাধান, বিচার ও জবাবদিহি এবং রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের বিষয়ে আলোচনা হয়। তারেক রহমান বলেন, দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে মিয়ানমারে রোহিঙ্গারা বৈষম্য, নিপীড়ন ও বঞ্চনার শিকার হয়ে আসছেন। ২০১৭ সালে সহিংসতার পর সংকট আরও ভয়াবহ রূপ নেয়। বর্তমানে বাংলাদেশ ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে মানবিক দায়িত্ব পালন করছে। কিন্তু মিয়ানমারে সহিংসতা অব্যাহত থাকায় নতুন করে মানুষ বাস্তুচ্যুত হচ্ছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের শিবিরগুলোতে রোহিঙ্গাদের খাদ্য ও স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হচ্ছে। প্রায় ৬ হাজার লার্নিং সেন্টারের মাধ্যমে শিশুদের মিয়ানমারের পাঠ্যক্রমভিত্তিক শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে। তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণও দেওয়া হচ্ছে, যাতে ভবিষ্যতে তারা রাখাইন রাজ্যে পুনঃএকীভূত হতে পারে। তবে দীর্ঘমেয়াদি এই পরিস্থিতির কারণে কক্সবাজারের স্থানীয় জনগোষ্ঠীসহ বাংলাদেশের ওপর সামাজিক, অর্থনৈতিক, পরিবেশগত ও নিরাপত্তাজনিত চাপ বাড়ছে বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। দীর্ঘস্থায়ী অনিশ্চয়তা মানবপাচার, মাদকপাচার, অবৈধ অভিবাসন ও অন্যান্য আন্তঃদেশীয় অপরাধের ঝুঁকিও বাড়াচ্ছে। তারেক রহমান বলেন, মানবিক সহায়তার প্রয়োজন বাড়লেও আন্তর্জাতিক অর্থায়ন কমছে। ২০২৫ সালের যৌথ সাড়াদান পরিকল্পনায় ৯৩৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি সহায়তা চাওয়া হলেও ২০২৬ সালের জন্য সেই আবেদন কমে প্রায় ৭১০ মিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। তার মতে, এই প্রবণতা অব্যাহত থাকা উচিত নয়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানবিক সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ হলেও এটি রাজনৈতিক নিষ্ক্রিয়তার বিকল্প হতে পারে না। অনির্দিষ্টকাল ধরে শুধু বাংলাদেশকেই এ দায়িত্ব বহন করতে বলা যায় না। তিনি জানান, রাখাইন রাজ্যের পরিস্থিতি এখনো গভীরভাবে উদ্বেগজনক। রোহিঙ্গারা জোরপূর্বক নিয়োগ, নির্বিচারে আটক, চলাচলে বিধিনিষেধ, জোরপূর্বক শ্রমসহ বিভিন্ন ধরনের নিরাপত্তাহীনতার মুখে রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী ও আরাকান আর্মি- উভয়ের বিরুদ্ধেই গুরুতর লঙ্ঘনের অভিযোগের তথ্য রয়েছে বলেও জানান তিনি। রোহিঙ্গাদের দ্রুত, নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য একটি বিশ্বাসযোগ্য রোডম্যাপ প্রণয়নের আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি রোহিঙ্গাসহ মিয়ানমারের বেসামরিক জনগণের ওপর সহিংসতা বন্ধ, পর্যাপ্ত মানবিক সহায়তা নিশ্চিত, বিচার ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠা এবং মানবপাচার, মাদকপাচার ও অন্যান্য আন্তঃসীমান্ত অপরাধ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশ চায় না রোহিঙ্গারা চিরকাল বাস্তুচ্যুত অবস্থায় থাকুক। নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত হলে তাদের নিজভূমিতে প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। এখন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কেও দৃঢ়ভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। আরটিভি/এআর 
মানবিকতার তাগিদেই সীমান্ত খুলে দিয়েছিলো বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী 
রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে প্রধানমন্ত্রীর ৫ প্রস্তাব
দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে মিয়ানমারে রোহিঙ্গারা বৈষম্য, নিপীড়ন ও বঞ্চনার শিকার হয়ে আসছে। সংকটের মূল কারণ ও তার সমাধানে জাতিসংঘ অধিবেশনের সাইডলাইন বৈঠকে পাঁচটি প্রস্তাব রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে স্থানীয় সময় বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সাইডলাইনে রোহিঙ্গা বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এ প্রস্তাবনা তুলেন তিনি। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে প্রতিশ্রুতি থেকে কার্যকর পদক্ষেপে যাওয়ার সময় এসেছে। দীর্ঘস্থায়ী বাস্তুচ্যুতির ব্যয় প্রতিদিনই বাড়ছে-শুধু রোহিঙ্গাদের জন্য নয়, কক্সবাজারের আশ্রয়দাতা স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্যও। বাংলাদেশের ওপর সামাজিক, অর্থনৈতিক, পরিবেশগত ও নিরাপত্তাজনিত চাপ এখন বিপুল। দীর্ঘস্থায়ী অনিশ্চয়তা ও হতাশা নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ ও নিরাপত্তাঝুঁকি তৈরি করছে। এর মধ্যে রয়েছে মানবপাচার, অবৈধভাবে অভিবাসী পাচার, মাদকপাচার এবং অন্যান্য আন্তঃদেশীয় অপরাধ। কেউ কেউ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নৌকায় করে মালয়েশিয়ার উদ্দেশে পাড়ি দিচ্ছেন। একটি দেশে অমীমাংসিত থেকে যাওয়া সংকট পুরো অঞ্চলের জন্য নিরাপত্তাজনিত চ্যালেঞ্জে পরিণত হতে পারে। এসময় রোহিঙ্গাদের বাস্তুচ্যুতি ব্যবস্থাপনা থেকে এই বাস্তুচ্যুতির অবসান ঘটাতে পাঁচটি ক্ষেত্রে কিছু জরুরি পদক্ষেপের প্রস্তাব রাখেন প্রধামন্ত্রী তারেক রহমান।  তার প্রস্তাবনাগুলো হলো:— প্রথমত, আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক অংশীজনদের রোহিঙ্গাদের দ্রুত, নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসইভাবে মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের জন্য একটি সুস্পষ্ট ও বিশ্বাসযোগ্য রোডম্যাপ প্রণয়ন করতে হবে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও অন্যান্য রাষ্ট্রকে স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় সহায়তা করতে হবে এবং তাদের প্রভাব কাজে লাগিয়ে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে হবে, যা প্রত্যাবাসনের অনুকূল। দ্বিতীয়ত, রোহিঙ্গাসহ মিয়ানমারের বেসামরিক জনগণের ওপর সহিংসতা বন্ধ করতে হবে। রোহিঙ্গাদের নিজভূমিতে তাদের মৌলিক অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে, যাতে তারা ফিরে যাওয়ার বিষয়ে আস্থা ফিরে পান। তৃতীয়ত, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে রোহিঙ্গাদের জন্য পর্যাপ্ত ও পূর্বানুমেয় মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। একইভাবে, আশ্রয়দাতা স্থানীয় জনগোষ্ঠীকেও সহায়তা করতে হবে। তাদের উদার আতিথেয়তার কারণে তাদের উন্নয়নের আকাঙ্ক্ষা যেন বাধাগ্রস্ত না হয়। চতুর্থত, টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য ন্যায়বিচার ও জবাবদিহি অপরিহার্য। আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে জবাবদিহি নিশ্চিতের প্রচেষ্টায় গাম্বিয়ার নেতৃত্বের জন্য আমরা গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। একই সঙ্গে আমরা আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকাও স্বীকার করি, যেখানে ব্যক্তিগত অপরাধের দায় নির্ধারণের পাশাপাশি অন্যান্য আন্তর্জাতিক বিচার ও তদন্তব্যবস্থাও কাজ করছে। আন্তর্জাতিক বিচারিক ও তদন্তব্যবস্থাগুলোকে অব্যাহত সহায়তা দিতে হবে। গুরুতর অপরাধের জন্য দায়ীদের অবশ্যই জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। পঞ্চমত, এই অঞ্চলে অস্থিতিশীলতা উসকে দেওয়া মাদকভিত্তিক অর্থনীতি, মানবপাচার, ডিজিটাল প্রতারণা, অবৈধ অস্ত্র এবং অন্যান্য আন্তঃসীমান্ত অপরাধ মোকাবিলায় আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করতে হবে। আরটিভি/এসআর  
রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে প্রধানমন্ত্রীর ৫ প্রস্তাব
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে প্রতিযোগী নয়, বরং হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের তাগিদ এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামানের
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে (এআই) প্রতিযোগী হিসেবে না দেখে কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির কার্যকর হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনের উপ-প্রধান এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান। 
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে প্রতিযোগী নয়, বরং হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের তাগিদ এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামানের
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর বৈঠক
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বিশ্বখ্যাত দানশীল সংস্থা বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মার্ক সুজম্যান।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর বৈঠক
আরও পড়ুন
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক
রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে প্রধানমন্ত্রীর ৫ প্রস্তাব
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর বৈঠক
মানবিক সহায়তা সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর প্রাতরাশ বৈঠক