ঢাকা শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩

সারা দেশে শুরু ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৮ জুন ২০২৬, ০৯:০১ এএম
ছবি: সংগৃহীত

সারা দেশে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৬ শুরু হয়েছে।

রোববার (২৮ জুন) সকাল আটটা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত একযোগে পরিচালিত এই কর্মসূচির আওতায় ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী প্রায় ২ কোটি ৪০ লাখ ৩৬ হাজার শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং ইউনিসেফের যৌথ সহযোগিতায় আয়োজিত এই ক্যাম্পেইনে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের একটি নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের একটি লাল রঙের উচ্চমাত্রার ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হচ্ছে।

এই উপলক্ষে সারা দেশে প্রায় এক লাখ ২০ হাজার স্থায়ী কেন্দ্রের পাশাপাশি বাস টার্মিনাল, রেলস্টেশন ও ফেরিঘাটের মতো জনসমাগমপূর্ণ স্থানে প্রায় ৫০০টি অস্থায়ী কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবীরা শিশুদের ক্যাপসুল খাওয়ানোর দায়িত্ব পালন করছেন।

আরও পড়ুন

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, নির্ধারিত দিনে কোনো শিশু বিশেষ কারণে ক্যাপসুল গ্রহণ করতে না পারলে পরদিন সংশ্লিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে তা গ্রহণ করা যাবে। এ ছাড়া দেশের ১২টি জেলার ৫৮টি দুর্গম ও প্রত্যন্ত উপজেলায় আরও চার দিন বিশেষ ক্যাম্পেইন কার্যক্রম পরিচালিত হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে সব অভিভাবকদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিকটস্থ কেন্দ্রে শিশুদের নিয়ে এসে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর বিশেষ আহ্বান জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, শিশুদের অন্ধত্ব ও পুষ্টিহীনতা প্রতিরোধে দেশে ১৯৭৩ সালে ‘জাতীয় রাতকানা রোগ প্রতিরোধ কর্মসূচি’ নামে প্রথম ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়। ১৯৯৫ সালে এটি জাতীয় টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) সঙ্গে যুক্ত করা হয়। পরে ২০০৩ সালে ‘জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন’ নামে পৃথক কর্মসূচি হিসেবে এটি চালু হয়। ২০১১ সাল থেকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জাতীয় পুষ্টিসেবা (এনএনএস) অপারেশন প্ল্যানের আওতায় গত বছরের মার্চ পর্যন্ত কার্যক্রমটি পরিচালিত হয়। পরবর্তীতে কিছুদিন তা বন্ধ থাকলেও চলতি ২০২৬ সালে পুনরায় এটি চালু করা হয়েছে। বর্তমানে এই জাতীয় কর্মসূচিটি বাস্তবায়নের মূল দায়িত্বে রয়েছে জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান।

আরটিভি/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ভয়াবহ বিপর্যয়ের সামনে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশসহ ৮ দেশ, গবেষকদের সতর্কবার্তা
বাংলাদেশ ছাড়াও তালিকায় উঠে এসেছে ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান, চীন, আফগানিস্তান ও মিয়ানমারের নাম। 
ভয়াবহ বিপর্যয়ের সামনে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশসহ ৮ দেশ, গবেষকদের সতর্কবার্তা
গাড়ি পার্কিং নিয়ে পরিবহন মালিকদের সতর্কতা
দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে যানবাহন ও পণ্য পরিবহনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাস্তার দুই পাশে এবং অনিরাপদ ও নির্জন স্থানে গাড়ি পার্কিং না করার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি।
গাড়ি পার্কিং নিয়ে পরিবহন মালিকদের সতর্কতা
পে-স্কেলে বেতন পাবেন না যেসব সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন বেতন-ভাতার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
পে-স্কেলে বেতন পাবেন না যেসব সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী
পে স্কেল / বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তান থাকলে মাসে ভাতা পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা
জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬-এ প্রথমবারের মতো সরকারি কর্মচারীদের বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তানের জন্য ‘প্রতিবন্ধী সন্তান ভাতা’ চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন প্রতি সন্তানের জন্য মাসে ৩ হাজার টাকা করে ভাতা পাবেন সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মচারীরা। একজন সরকারি চাকরিজীবী সর্বোচ্চ দুই সন্তানের জন্য এই সুবিধা পাবেন। এর বেশি থাকলে পাবেন না। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন বা প্রতিবন্ধী সন্তানের মা কিংবা বাবার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে এই টাকা যাবে। সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা নির্ধারণসংক্রান্ত পে স্কেলের গেজেটে এই সুবিধার কথা উল্লেখ রয়েছে।  শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) গেজেট প্রকাশ করা হয়। গেজেটে বলা হয়েছে, অনধিক দুই সন্তানের জন্য বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তান ভাতা পাবেন। তবে দুইয়ের বেশি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তান থাকলেও সর্বোচ্চ দুই সন্তানের জন্যই এ ভাতা দেওয়া হবে। এই ভাতা পাওয়ার ক্ষেত্রে অন্য কোনো ভাতা গ্রহণের সুযোগ রাখা হয়নি। অর্থাৎ বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তানের জন্য একাধিক সরকারি ভাতা একসঙ্গে নেওয়া যাবে না। নতুন বেতনকাঠামো বা নবম পে স্কেলের আওতায় প্রায় ২৪ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সোয়া ৯ লাখ পেনশনভোগী সুবিধা পাবেন। অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, সরকারি চাকরিজীবীদের কতজনের সন্তান প্রতিবন্ধী সে ধরনের তথ্য নেই। তবে এখন তা অর্থ বিভাগের সমন্বিত বাজেট ও হিসাব ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার বা আইবাসে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। প্রতিবন্ধী কীভাবে যাচাই হবে, এ বিষয়ে জানতে চাইলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বা কর্মচারী যে মন্ত্রণালয়ে কর্মরত এটা তারা যাচাই–বাছাই করবেন। সরকারি চাকরিজীবীর মা বা বাবা যত দিন চাকরিতে থাকবেন, তত দিন এই ভাতা পাওয়া যাবে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য এ সুবিধা নির্ধারণের ফলে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তান থাকা পরিবারগুলো তাদের সন্তানের চিকিৎসা, শিক্ষা, থেরাপি ও পরিচর্যায় এই টাকা ব্যয় করতে পারবে। এতে তারা কিছুটা স্বস্তি পাবে। এ ভাতা সেই ব্যয়ের একটি অংশ পূরণে সহায়তা করবে। আরটিভি/এমএ
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তান থাকলে মাসে ভাতা পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা
‘অভিন্ন ও মানসম্পন্ন প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা চালু হলে শ্রমবাজারে তরুণদের গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে’
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (এনএসডিএ) গভর্নিং বডির তৃতীয় সভায় সভাপতিত্বকালে তিনি এ কথা বলেন।
‘অভিন্ন ও মানসম্পন্ন প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা চালু হলে শ্রমবাজারে তরুণদের গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে’