ঢাকা শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩১ আশ্বিন ১৪৩৩

শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনাল পরিচালনা : বিশ্বখ্যাত ৫ এভিয়েশনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা

বাসস

প্রকাশ : ০১ জুলাই ২০২৬, ১০:৩৯ পিএম
ছবি : সংগৃহীত

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের (এইচএসআইএ) তৃতীয় টার্মিনাল পরিচালনার দায়িত্ব পেতে বিশ্বের পাঁচটি শীর্ষস্থানীয় বিমানবন্দর সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান প্রতিযোগিতায় নেমেছে, যা বাংলাদেশের বিমান পরিবহন খাতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এটি আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে ওঠার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের লক্ষ্যের প্রতি ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক আস্থারই প্রতিফলন।

স্বাধীনতার পর এই প্রথমবারের মতো বিশ্বখ্যাত বিমানবন্দর সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং খাতে প্রবেশ করতে চাইছে। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) তৃতীয় টার্মিনালে যাত্রী গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের জন্য দ্বিতীয় অপারেটর নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরই এই আগ্রহ দেখা গেছে।

আলোচনার সঙ্গে যুক্ত বেবিচকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন যে, যাত্রীসেবা সম্পর্কিত গ্রাউন্ড সার্ভিসের জন্য দ্বিতীয় একজন অপারেটর নিয়োগ করা হবে। তবে নতুন টার্মিনালের কার্গো হ্যান্ডলিং বা পণ্য ওঠানো-নামানোর দায়িত্ব এককভাবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের হাতেই থাকবে।

ওই কর্মকর্তা বলেন, দ্বিতীয় হ্যান্ডলারের কাজ শুধু যাত্রী ও গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং কার্যক্রমের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে। কার্গো হ্যান্ডলিংয়ের দায়িত্ব এককভাবে বিমানের কাছেই থাকছে।

আরও পড়ুন

আগ্রহী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে যুক্তরাজ্যের মেনজিস এভিয়েশন, সুইজারল্যান্ডের সুইসপোর্ট, তুরস্কের চেলেবি এভিয়েশন হোল্ডিং, সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) এমিরেটস গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান ডনাটা এবং সিঙ্গাপুরের স্যাটস। এই সবগুলোই বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত বিমানবন্দর সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান।

বেবিচকের সাবেক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) মুহাম্মদ মাফিদুর রহমান বলেন, একসঙ্গে এতগুলো আন্তর্জাতিক এভিয়েশন কোম্পানির আগ্রহ দেখানোর ঘটনা বাংলাদেশে বিরল। এটি দক্ষিণ এশিয়ার এভিয়েশন খাতে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান কৌশলগত গুরুত্বকেই প্রমাণ করে।

কূটনৈতিক তৎপরতায় আস্থার প্রতিফলন
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে যুক্তরাজ্য, সুইজারল্যান্ড, তুরস্ক এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূতরা বাংলাদেশের এভিয়েশন কর্তৃপক্ষের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে পৃথকভাবে বৈঠক করেছেন। সেখানে তারা নিজ নিজ দেশের কোম্পানির আগ্রহের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন।

মাফিদুর রহমান বলেন, এই কূটনৈতিক তৎপরতা প্রমাণ করে, বাংলাদেশের সম্প্রসারণশীল এভিয়েশন বাজারকে বিশ্ব কতটা বাণিজ্যিক গুরুত্ব দিচ্ছে এবং দেশের দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনার ওপর আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের কতটা আস্থা রয়েছে।

একটি যুগান্তকারী সংস্কার
তৃতীয় টার্মিনালের এই সিদ্ধান্তটি একটি বড় ধরনের নীতিগত পরিবর্তনকে নির্দেশ করে। কারণ, গত কয়েক দশক ধরে যাত্রী গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের একক দায়িত্ব ছিল বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ওপর। এখন সেখানে প্রতিযোগিতা তৈরি হচ্ছে।

আরও পড়ুন

বিদেশি এয়ারলাইন্সগুলো দীর্ঘদিন ধরেই এই খাতে আরও বেশি প্রতিযোগিতার দাবি জানিয়ে আসছিল। তাদের মতে, এর ফলে সেবার মান উন্নত হবে, উড়োজাহাজ প্রস্তুত করার সময় কমবে এবং বাংলাদেশের বিমানবন্দর আন্তর্জাতিক মানের সমপর্যায়ে পৌঁছাবে।

নভোএয়ারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং এয়ারলাইন অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (এওএবি) সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, আমি মনে করি, বিষয়টি আরও গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা দরকার, এমনকি এটি পরের ধাপে করা হলেও চলতো। তবে আপাতত যাত্রী সেবা হ্যান্ডলিংয়ে অন্তত প্রতিযোগিতা শুরু হচ্ছে দেখে আমি আনন্দিত।

বিশিষ্ট এভিয়েশন উদ্যোক্তা এবং টাস এভিয়েশন গ্রুপের চেয়ারম্যান কে এম মুজিবুল হকও এই বৈশ্বিক আগ্রহকে একটি ইতিবাচক দিক বলে মনে করছেন।

তিনি বলেন, কার্গো ভিলেজ এবং গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং-উভয় কার্যক্রমই আন্তর্জাতিকভাবে অভিজ্ঞ অপারেটরদের দ্বারা পরিচালিত হওয়া উচিত।

বেবিচকের সাবেক চেয়ারম্যান মাফিদুর রহমানও মনে করেন, টার্মিনালের উন্নত কার্গো সিস্টেমের সর্বোচ্চ সুফল পেতে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের সহায়তা নেওয়া যেতে পারে।

তিনি বলেন, যেসব যন্ত্রপাতি বসানো হয়েছে তা অত্যন্ত আধুনিক এবং এগুলো পরিচালনার জন্য অভিজ্ঞ অপারেটরের প্রয়োজন।

আরও পড়ুন

তিনি আরও বলেন, শুরুতেই বিমানের পাশাপাশি একজন অভিজ্ঞ আন্তর্জাতিক অপারেটর কাজ করলে ভালো হতো। এতে করে পুরোপুরি স্থানীয়ভাবে পরিচালনার আগে আমাদের জনবল কাজগুলো শিখে নিতে পারত।

তবে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, হতাশ হওয়ার কিছু নেই। দক্ষ পেশাদারদের সঠিকভাবে কাজে লাগানো গেলে এভিয়েশন খাত নতুন গতি পাবে।

বিমানের আত্মবিশ্বাস
বিমানের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) বোসরা ইসলাম জানান, বিমান ইতোমধ্যেই প্রয়োজনীয় গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং যন্ত্রপাতি সংগ্রহ করেছে এবং তৃতীয় টার্মিনালের জন্য আরও ১ হাজারের বেশি অতিরিক্ত কর্মী নিয়োগ করেছে।

তিনি বলেন, আমরা তৃতীয় টার্মিনালে যাত্রী ও কার্গো হ্যান্ডলিং কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত।

তিনি আরও জানান, বিমান কার্গো হ্যান্ডলিং ব্যবস্থার বিষয়ে জাপানি কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে কাজ করছে। তবে দ্বিতীয় যাত্রী গ্রাউন্ড হ্যান্ডলার নিয়োগের বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক চিঠি তারা পাননি।

চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরের পর জাপান এয়ারপোর্ট টার্মিনাল কোম্পানি, সুমিতোমো কর্পোরেশন, নিপ্পন কোয়েই এবং নারিতা ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট কর্পোরেশন সমন্বয়ে গঠিত একটি জাপানি কনসোর্টিয়াম হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব নেবে।

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
একদিনে ৩ বিভাগ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী
একদিনে দেশের তিনটি বিভাগ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রংপুর, রাজশাহী ও চট্টগ্রামের তিনটি পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গোৎসবের শুভেচ্ছা জানাবেন তিনি। এ সফর ঘিরে শুরু হয়েছে প্রস্তুতি।
একদিনে ৩ বিভাগ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী
হাইতিতে জাতিসংঘ মিশনে যোগ দিতে দেশ ছাড়লেন ৫০ সেনা
হাইতিতে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ অনুমোদিত গ্যাং সাপ্রেশন ফোর্সে (জিএসএফ) যোগ দিতে দেশ ছেড়েছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অগ্রবর্তী দলের ৫০ সদস্য।
হাইতিতে জাতিসংঘ মিশনে যোগ দিতে দেশ ছাড়লেন ৫০ সেনা
সংসদ ভবন এলাকা পরিচ্ছন্ন ও সংস্কারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণ পরিচ্ছন্ন রাখা, সবুজায়ন ও প্রয়োজনীয় সংস্কারকাজ সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণ পরিদর্শনকালে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এ নির্দেশনা দেন। প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব নাজমুল হক এ কথা জানান। তিনি জানান, পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী সংসদ ভবন প্রাঙ্গণের মাঠ, বাগান ও বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি সংসদ ভবনসংলগ্ন এলাকার সার্বিক পরিবেশ, অবকাঠামোগত অবস্থা ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। সহকারী প্রেস সচিব জানান, জাতীয় সংসদ প্লাজার সৌন্দর্য ও পরিবেশ অক্ষুণ্ন রাখতে নিয়মিত পরিচর্যা ও যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের ওপর গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী। মাঠ ও বাগান পরিচ্ছন্ন রাখার পাশাপাশি বিদ্যমান গাছপালার সঠিক পরিচর্যা এবং সবুজায়ন কার্যক্রম জোরদার করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও তিনি দেন। এছাড়া সংসদ প্লাজা ও এর আশপাশের এলাকায় যেসব স্থানে সংস্কার দরকার, সেগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত সংস্কারকাজ সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সহকারী প্রেস সচিব নাজমুল হক আরও জানান, জাতীয় সংসদ ভবনের স্বতন্ত্র স্থাপত্যশৈলী ও নান্দনিক পরিবেশ বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সংসদ ভবন প্রাঙ্গণ ও এর সংলগ্ন এলাকায় নিয়মিত তদারকি ও রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করার নির্দেশও দেন তিনি। আরটিভি/টিআর
সংসদ ভবন এলাকা পরিচ্ছন্ন ও সংস্কারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
পায়রা বন্দরে আন্ধারমানিক নদীর ওপর সেতুর ডেক নির্মাণ সম্পন্ন
পায়রা বন্দরের প্রথম টার্মিনাল প্রকল্পের আওতায় আন্ধারমানিক নদীর ওপর সেতু নির্মাণ ও সংশ্লিষ্ট কাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক অর্জিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সেতুটির সর্বশেষ কংক্রিট ঢালাই সম্পন্ন হওয়ার মধ্য দিয়ে ডেক নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে। এর ফলে পায়রা বন্দরের সঙ্গে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপনের পথ আরও সুগম হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও যোগাযোগে নতুন সম্ভাবনা সেতুটি চালু হলে রাবনাবাদ নদীর তীরবর্তী চরিপাড়ায় অবস্থিত পায়রা বন্দরের প্রথম টার্মিনালে খালাস করা পণ্য সরাসরি সড়কপথে ঢাকা ও দেশের অন্যান্য প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্রে পরিবহন করা সম্ভব হবে। এর ফলে পরিবহনে সময় ও ব্যয় কমার পাশাপাশি আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে নতুন গতি সঞ্চার হবে। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারী ও ব্যবসায়ীরাও সরাসরি সড়কপথে বন্দরে যাতায়াত করতে পারবেন। পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ থেকে জানা যায় যে দেশি বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বন্দরের আওতাধীন শিল্পাঞ্চলে বিভিন্ন কলকারখানা স্থাপনে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। এসব শিল্পকারখানায় বন্দরের মহাপরিকল্পনার অংশ হিসেবে সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের মাধ্যমে  বিদ্যুৎ সরবারহ নিশ্চিত করা হবে।এর ফলে পরিবেশবান্ধব শিল্পায়নের পাশাপাশি বন্দরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণ এবং বন্দরকেন্দ্রিক অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করার সুযোগ তৈরি হবে। নতুন করে প্রাণ ফিরে পাচ্ছে টার্মিনাল এই গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক অর্জনের মাত্র কয়েক দিন আগেই পায়রা বন্দরের প্রথম টার্মিনালে আরেকটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। বিগত ৭ অক্টোবর সকালে চীনের পতাকাবাহী পণ্যবাহী জাহাজ ফান ঝৌ-৬ (Fan Zhou-6) সরাসরি প্রথম টার্মিনালে নোঙ্গর করেছে। জাহাজটিতে আধুনিক পণ্য ওঠানো-নামানোর পাঁচটি সরঞ্জাম আনা হয়েছে। দুই বছর পর এই প্রথম টার্মিনালে বড় ধরনের পরিচালন সরঞ্জাম পৌঁছাল।  নদীর উপযোগী বিশেষ নকশায় নির্মিত সেতু আন্ধারমানিক নদীর উপর নির্মিত সেতুটির দৈর্ঘ্য ১ হাজার ১৮০ মিটার। এক্সট্রাডোজড প্রযুক্তিতে নির্মিত সেতুটির টাওয়ারের উচ্চতা ৫৮ দশমিক ৫ মিটার। সেতুর মূল ডেকের প্রস্থ ২৩ দশমিক ২ মিটার এবং সংযোগ ডেকের প্রস্থ ২১ দশমিক ২ মিটার। সেতুতে প্রতিটি দিকে দুটি করে মোট চারটি লেন রয়েছে । আন্ধারমানিক নদীতে নৌযান চলাচল সব সময় সচল রাখার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সেতুটি মাত্র দুটি প্রধান পিলারের ওপর নির্মাণের নকশা করা হয়েছে। ফলে জাহাজ ও লঞ্চের নির্বিঘ্ন চলাচলের পাশাপাশি নদীর স্বাভাবিক প্রবাহও ঠিক থাকবে। ২০২৪ সালের ১ ফেব্রুয়ারি প্রথম পাইল স্থাপনের মধ্য দিয়ে সেতুটির নির্মাণকাজ শুরু হয়। চায়না সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন কর্পোরেশন (সিসিইসিসি) এবং চায়না রেলওয়ে ব্রিজ কনস্ট্রাকশন গ্রুপ (সিআরবিজি) যৌথভাবে সেতুটি নির্মাণ করছে। নির্মাণকাজ তদারকি করছে একটি কোরিয়ান পরামর্শক প্রতিষ্ঠান। নতুন সম্ভাবনার প্রতীক  নির্মাণকাজ প্রায় শেষের দিকে পৌঁছানোয় সেতুটি স্থানীয় মানুষের কাছে আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিনই স্থানীয় বাসিন্দা ও দর্শনার্থীরা নির্মাণস্থলের পাশের ছয় লেনের সড়কে জড়ো হচ্ছে নদীর ওপর সেতুটির নির্মাণ অগ্রগতি দেখতে। প্রকল্পের নকশা অনুযায়ী, রাতে সেতুটিতে এমনভাবে আলোকসজ্জা করা হবে, যাতে তা শাপলা ফুলের আকৃতি ফুটিয়ে তোলে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, সেতুটি শুধু যান চলাচলের সুবিধা বাড়াবে না; পায়রা বন্দরের সড়ক যোগাযোগ ও পণ্য পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন, স্থানীয় পরিবহন নেটওয়ার্ক শক্তিশালীকরণ এবং বন্দরের কার্যক্রম ও সম্প্রসারণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। প্রকল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করেন, সেতুটি বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে।  আরটিভি/টিআর
পায়রা বন্দরে আন্ধারমানিক নদীর ওপর সেতুর ডেক নির্মাণ সম্পন্ন
অধ্যক্ষ সম্মেলন ২৯ নভেম্বর, প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রী
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত ২ হাজার ৩১৮টি কলেজের অধ্যক্ষদের নিয়ে আগামী ২৯ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে ‘অধ্যক্ষ সম্মেলন-২০২৬’। রাজধানীর মিরপুরে শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামের এ সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার সম্মতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
অধ্যক্ষ সম্মেলন ২৯ নভেম্বর, প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রী
আরও পড়ুন
শাহজালালে সৌদিগামী ৮৬ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে সাড়ে ১৩ হাজার যাত্রী
ঢাকায় বিমানের ফ্লাইটের জরুরি অবতরণ
ভাড়ায় ডাকাতি করতে বিমানে দেশে, কাজ শেষে ফেরেন ইউরোপে
‘ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ’ এখনও শাহজালাল বিমানবন্দরেই আছেন