ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সলিমুল্লাহ মুসলিম হল সংলগ্ন ফুটপাতে এক পথশিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা করার সময় এক যুবককে হাতেনাতে ধরেন শিক্ষার্থীরা। অভিযুক্তকে দ্রুত শাহবাগ থানায় সোপর্দ করা হয়।
ঘটনার তথ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানিয়েছে ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য সর্ব মিত্র চাকমা। তিনি জানিয়েছেন, অভিযুক্ত মাহবুবুর রহমান, যিনি পার্শ্ববর্তী পলাশী মার্কেটে দুধ সরবরাহের কাজ করেন, রাতের অন্ধকারে এ অপরাধের চেষ্টা করেন।
সর্ব মিত্র চাকমা বলেন, সিভিল সোসাইটির শর্তানুযায়ী কোনো ধরনের শারীরিক আঘাত ছাড়া তাকে থানায় আনা হয়। সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের শিক্ষার্থীরা আমাকে ফোন দিয়ে জানায়, আমি তৎক্ষণাৎ থানায় গিয়েছিলাম। অভিযুক্ত অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করেছেন এবং বলেন, শয়তানের প্ররোচনায় তিনি এটি করেছেন।
তিনি লিখেছেন, মামলার খরচ চালানো, আইনি জটিলতা ইত্যাদির কারণে মামলার বাদী হিসেবে কেউ থাকতে না চাওয়ায় মামলা না দিয়ে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। যারা কথায় কথায় আইনের দোহাই দেন, এবার একটু চোখ খুলুন। দেখুন, আমি আইনের বাইরে যেতে পারিনি আজ! আইন কতভাবে আমাদের হাত-পা বেঁধে রেখেছে, দেখুন!।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ছোট শিশুর নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা থাকলেও ধর্ষণ চেষ্টার ক্ষেত্রে সাধারণত খুব কম প্রমাণ থাকে। কৌশলে জিজ্ঞেস করলে মোটামুটি স্বীকার করে, কিন্তু এটি কনক্রিট কোনো প্রমাণ নয়। মামলার খরচ ও আইনি জটিলতার কারণে মামলা না দিয়ে মুচলেকা নিয়ে তাকে ছাড় দেওয়া হয়।
সর্ব মিত্র চাকমা এই ঘটনায় আইনের সীমাবদ্ধতার কথাও তুলে ধরেছেন।
আরটিভি/এসকে





