জাতীয় ছাত্রশক্তির ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা কর্তৃক আয়োজিত আলোচনা সভায় সৃষ্ট হট্টগোলের ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটি মোবাইল ফোনে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করছে বলে জানিয়েছেন সংগঠনটির নেতারা।
এর আগে ২৬ জুলাই জাতীয় ছাত্রশক্তির দপ্তর সম্পাদক মাহফুজুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় শৃঙ্খলা কমিটি। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হলেও এখনো চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন জমা পড়েনি।
সংগঠনের সূত্রে জানা গেছে, হবিগঞ্জ ও সিলেটে এনসিপি নেতাদের ওপর হামলার ঘটনায় সংগঠনের নেতাকর্মীরা ব্যস্ত থাকায় নির্ধারিত ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়া সম্ভব হয়নি। বর্তমানে সরেজমিনে না গিয়ে ফোনে সংশ্লিষ্টদের (স্টেকহোল্ডারদের) সঙ্গে কথা বলে চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রস্তুতের কাজ চলছে। পরবর্তী সিদ্ধান্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে। ঘটনার দিনের পরিস্থিতির পূর্ণাঙ্গ তদন্তের জন্য কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি জাহিদ আহসান ও সাধারণ সম্পাদক আবু বাকের মজুমদারের অনুমোদনক্রমে গঠিত তিন সদস্যের কমিটিতে রয়েছেন হাসিব আল ইসলাম, মাহফুজুর রহমান ও শাবাব হোসেন মেহের।
ইবি শাখা ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক ফুয়াদ হাসান বলেন, ঘটনার পরপরই প্রাথমিকভাবে সংশ্লিষ্টতা চিহ্নিত হওয়ায় এনসিপির এক নেতাকে শোকজ করা হয়েছে। কেন্দ্র থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে কেউ আসেননি। এনসিপির শোকজ নোটিশের জবাব পাওয়ার পর হয়তো সিদ্ধান্ত আসতে পারে।
প্রসঙ্গত, গত ২৬ জুলাই দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় আয়োজিত ‘বর্ষা বিপ্লবের স্মৃতিচারণ ও নতুন রাজনৈতিক ধারা বিনির্মাণ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় ছাত্রশক্তির নবগঠিত কমিটিকে কেন্দ্র করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা হট্টগোল সৃষ্টি করেন। এ সময় ইবি শাখা ছাত্রশক্তির নবগঠিত কমিটির আহ্বায়ক ফুয়াদ হাসানের সভাপতিত্বে এবং সদস্যসচিব ইফতেহার উদ্দীনের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব আখতার হোসেন। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক আলী আহসান জুনায়েদ ও সারোয়ার তুষার এবং যুগ্ম মুখ্য সংগঠক ডা. মাহমুদা আলম মিতু। প্রধান বক্তা ছিলেন জাতীয় ছাত্রশক্তির সভাপতি জাহিদ আহসান।
আরটিভি/টিআর




