ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

একনজরে তারেক রহমান

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ০২:০৮ পিএম
ফাইল ছবি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এর আগে তিনি দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান ও সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তারেক রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং পরবর্তী রাজনৈতিক উত্থান-পতনের একজন প্রত্যক্ষ সাক্ষী ও অংশগ্রহণকারী।

তারেক রহমানের জন্ম ১৯৬৫ সালের ২০ নভেম্বর। যদিও ইংল্যান্ডে তার ব্যবসায়িক নথিতে জন্ম সাল ১৯৬৭ সাল উল্লেখ করেছেন তিনি নিজেই। তিনি সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া দম্পতির প্রথম সন্তান।

Untitled-design-1-2412011633

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়, যখন তার পিতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন এবং মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়, তখন তারেক রহমান, তার মা ও ভাইসহ আরও অনেক মুক্তিযোদ্ধা সামরিক কর্মকর্তার পরিবারের সদস্যদের গ্রেপ্তার করা হয়।

সে সময় তিনি ছিলেন বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য কারাবন্দী হওয়া সর্বকনিষ্ঠদের একজন। ঢাকার বিএএফ শাহীন কলেজে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা শেষে তিনি ১৯৮০-এর দশকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে ভর্তি হন। বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নের সময় তিনি সক্রেটিস, প্লেটো, অ্যারিস্টটল, হবস, লক, রুশো, ভলতেয়ার, কার্ল মার্কসসহ প্রখ্যাত দার্শনিক ও চিন্তাবিদদের রাজনৈতিক দর্শন নিয়ে পড়াশোনা করেন।

Web-Image

১৯৮৬ সালে এরশাদ সরকারের পাতানো নির্বাচনের প্রাক্কালে তিনি গৃহবন্দিত্ব এড়িয়ে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন।

সেখানে তিনি তুলে ধরেন, কীভাবে নিরাপত্তা সংস্থাগুলো একতরফা নির্বাচনের বিরুদ্ধে আন্দোলন দমন করার চেষ্টা করছিল। এর পরপরই জেনারেল এইচ এম এরশাদের স্বৈরাচারী সরকার তার কণ্ঠ রোধ করতে তাকে ও তার মা বেগম খালেদা জিয়াকে একাধিকবার গৃহবন্দী করে। এরশাদবিরোধী আন্দোলনের সময় তিনি তার মায়ের সঙ্গে রাজপথে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। ১৯৮৮ সালে গাবতলী উপজেলা ইউনিটের সাধারণ সদস্য হিসেবে বিএনপিতে যোগ দেন।

আরও পড়ুন

তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনের মাধ্যমে তিনি জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করেন এবং এরশাদ সরকারের পতনে ভূমিকা রাখেন।
১৯৯১ সালের নির্বাচনের আগে তিনি বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেশের প্রায় প্রতিটি জেলায় প্রচারণায় অংশ নেন। ওই নির্বাচনে বিএনপির বিজয়ের মধ্য দিয়ে বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন।

দলীয় গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে তিনি বগুড়ায় তৃণমূল থেকে নেতা নির্বাচনের উদ্যোগ নেন। ১৯৯৩ সালে বগুড়া জেলা ইউনিটে একটি সম্মেলনের আয়োজন করেন, যেখানে গোপন ব্যালটের মাধ্যমে নেতৃত্ব নির্বাচন করা হয়।

এই সফল উদ্যোগের পর তিনি অন্যান্য জেলা ইউনিটকেও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নেতা নির্বাচনে উৎসাহিত করেন।

72f599383e7658c7039bfaef659ad81d-677e5b7e85b23

২০০১ সালের নির্বাচনের আগে তিনি স্থানীয় সমস্যা ও সুশাসন নিয়ে গবেষণার জন্য ঢাকায় একটি কার্যালয় স্থাপন করেন। সেখানে তিনি বুদ্ধিজীবী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে নিয়মিত আলোচনা করেন। তার এই উদ্যোগের ফলেই ২০০১ সালের নির্বাচনে বিএনপি নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করে। চেয়ারপারসনের সন্তান হওয়া সত্ত্বেও এবং তৃণমূল থেকে ব্যাপক সমর্থন থাকলেও তিনি কোনো মন্ত্রিত্ব বা সংসদ সদস্যপদ গ্রহণ করেননি। বরং তিনি দলের তৃণমূল শক্তিশালী করার কাজেই মনোযোগ দেন। এই অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০২ সালে বিএনপির স্থায়ী কমিটি তাকে সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক পদে মনোনীত করে।

দলের ঊর্ধ্বতন পর্যায়ে নিয়োগ লাভের পরপরই তারেক রহমান দেশব্যাপী দলের মাঠপর্যায়ের নেতা, কর্মী ও সমর্থকদের সাথে ব্যাপক গণসংযোগ শুরু করেন। মূল সংগঠনসহ সহযোগী সংগঠন যেমন জাতীয়তাবাদী যুব দল, জাতীয়তাবাদী ছাত্র দল, জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল ইত্যাদি আয়োজিত উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মতবিনিময় সভায় অংশ নিয়ে তারেক রহমান কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন ও মাঠপর্যায়ের নেতৃবৃন্দের বক্তব্য ও মতামত গ্রহণ করেন। মূলত এই জনসংযোগ কার্যক্রমের ফলে দলের নেতাকর্মীদের তরুণ অংশটির মাঝে তারেক রহমান শুধুমাত্র প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধানমন্ত্রীর সন্তানের পরিচিত থেকে বেরিয়ে এসে দলের একজন দক্ষ সংগঠক ও সক্রিয় নেতা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।

image-198089-1746942122_(1)

২০০৫ সালে তিনি দেশব্যাপী তৃণমূল সম্মেলনের আয়োজন করেন এবং প্রতিটি উপজেলা ইউনিটের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এসব সম্মেলনে তিনি কৃষকদের জন্য সরকারি ভর্তুকি, বয়স্কদের জন্য ভাতা, পরিবেশ রক্ষায় পলিথিন ব্যাগবিরোধী উদ্যোগ এবং নারী শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি কর্মসূচি সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করেন। এসব উদ্যোগ স্কুলে লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্য কমাতে সহায়ক ভূমিকা রাখে। এ সময় তিনি ব্যক্তিগতভাবে সম্মেলনে নিবন্ধন করা অন্তত ১৮ হাজার মানুষের চিঠির জবাব দেন।

২০০৭ সালে আওয়ামী লীগ সমর্থিত সামরিক শাসন জারি হলে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। সে সময় দায়িত্বশীল সরকারি কর্মকর্তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের নির্দেশে দুর্নীতি দমন কমিশনসহ বিভিন্ন দপ্তরকে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিতে বাধ্য করা হয়। একই সময়ে বেগম খালেদা জিয়াকে দেশত্যাগে বাধ্য করার কৌশলের অংশ হিসেবে তাকে গ্রেপ্তার ও নির্যাতন করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বিদেশে যেতে হয়।

আরও পড়ুন

তিনি ২০০৯ সালে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন এবং দল পুনর্গঠনের কাজে সক্রিয় হন। ২০১৮ সালে তার মা, তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, মিথ্যা মামলায় কারাবন্দী হলে তাকে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। সেই থেকে তিনি শেখ হাসিনার সরকারের বিরুদ্ধে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন।

zia

১৯৯৪ সালে ব্যক্তিগত জীবনে তারেক রহমান সাবেক নৌবাহিনী প্রধান ও দুইবারের মন্ত্রী প্রয়াত রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানের কন্যা ডা. জোবায়দা রহমানকে বিয়ে করেন। ডা. জোবায়দা রহমান একজন কার্ডিওলজিস্ট এবং তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজে পড়াশোনা করেছেন। তাদের একমাত্র কন্যা জাইমা জারনাজ রহমান।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
নাসীরুদ্দীন দম্পতির আছে ২২ লাখ টাকার গহনা ও নগদ ২৫ লাখ টাকা
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী  হলফনামায় দেখিয়েছেন তার হাতে বর্তমানে নগদ ২৫ লাখ টাকা আছে। পাশাপাশি স্বামী-স্ত্রী মিলে তাদের ২২ লাখ টাকার গহনা আছে। তিনি জামায়াতে ইসলামীর জোট থেকে ঢাকা-৮ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। হলফনামায় পেশা হিসেবে মার্কেটিং কনসালটেন্ট উল্লেখ করেছেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তার নামে কোনো বাড়ি বা অ্যাপার্টমেন্ট নেই। ২ লাখ ৪৫ হাজার ৩৩৩ টাকা আয় দেখিয়েছেন। তার হাতে নগদ ২৫ লাখ টাকা এবং স্ত্রীর নামে ৫ লাখ টাকা রয়েছে। হলফনামা অনুযায়ী, ব্যাংকে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ৮ হাজার ২৭৫ টাকা জমা আছে, তবে স্ত্রীর নামে আছে ৬ লাখ ১৯ হাজার ৯৮০ টাকা। ৪০ হাজার টাকার ইলেকট্রিক পণ্য ও এক লাখ টাকার আসবাবপত্র আছে। বর্তমানে ৪০ লাখ টাকার সম্পদ রয়েছে। তিনি ব্যাংক থেকে কোনো ঋণ গ্রহণ করেননি। আয়কর রিটার্নে দেখানো সম্পদের পরিমাণ ২৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা বলেও হলফনামা সূত্রে জানা গেছে। আরটিভি/কেএইচ
নাসীরুদ্দীন দম্পতির আছে ২২ লাখ টাকার গহনা ও নগদ ২৫ লাখ টাকা
তারেক রহমানকে মোদির চিঠি
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে তার ছেলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে চিঠি লিখেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের ফেসবুক পেজে চিঠিটি প্রকাশ করা হয়। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে ‘প্রিয় তারেক রহমান সাহেব’ সম্বোধন করে মোদি লিখেছেন, আপনার মা, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারপারসন মহামান্য বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণের খবরে আমি গভীরভাবে শোকাহত। এই গভীর ব্যক্তিগত শোকের সময়ে আমার আন্তরিক সমবেদনা গ্রহণ করুন। তার আত্মা চিরশান্তিতে বিশ্রাম নিক—এই কামনা করি। ‘২০১৫ সালের জুনে ঢাকায় ‘বেগম সাহেবার’ সঙ্গে সাক্ষাৎ ও আলোচনা কথা স্মরণ করছি। তিনি (খালেদা জিয়া) ছিলেন দৃঢ় প্রত্যয়ী ও অটল বিশ্বাসের এক বিরল নেতৃত্ব, বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার গৌরব অর্জন করেছিলেন। বাংলাদেশের উন্নয়নে যেমন তিনি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন, তেমনি ভারত–বাংলাদেশ সম্পর্ক জোরদার করতেও তার ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য। মোদি আরও লিখেছেন, তার (খালেদা জিয়া) মৃত্যুতে এক অপূরণীয় শূন্যতা তৈরি হলেও তার দৃষ্টিভঙ্গি এবং উত্তরাধিকার অক্ষুণ্ণ থাকবে। আমি নিশ্চিত যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল আপনার দক্ষ নেতৃত্বে তার আদর্শ এগিয়ে নিয়ে যাবে এবং ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে গভীর ও ঐতিহাসিক অংশীদারিত্বের একটি নতুন সূচনা এবং সমৃদ্ধি নিশ্চিত করার জন্য একটি পথপ্রদর্শক আলো হিসেবে কাজ করবে। ‘জাতীয় শোকের এই মুহূর্তে আমার ভাবনাও বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে আছে, যারা তাদের ইতিহাসে অসাধারণ শক্তি ও মর্যাদা প্রদর্শন করেছেন। আমি নিশ্চিত, তারা তাদের যৌথ মূল্যবোধ, গণতান্ত্রিক ঐতিহ্য এবং গভীর জাতীয় ঐক্যের ভিত্তিতে শান্তি ও সম্প্রীতির সঙ্গে এগিয়ে যাবে।’ চিঠির শেষে মোদি লিখেছেন, আবারও আমার আন্তরিক সমবেদনা গ্রহণ করুন। এই কঠিন সময়ে আপনাকে ও আপনার পরিবারকে সৃষ্টিকর্তা যেন ধৈর্য ও শক্তি দান করেন—এই প্রার্থনা করি। আপনার ভবিষ্যৎ কাজের জন্যও আমার শুভকামনা রইল। আরটিভি/আরএ
তারেক রহমানকে মোদির চিঠি
নিউজটি প্রত্যাহার করা হয়েছে
বিএনপির অনুরোধের প্রেক্ষিতে নিউজটি প্রত্যাহার করা হয়েছে।
নিউজটি প্রত্যাহার করা হয়েছে
এনসিপি থেকে এবার তাসনিম জারার স্বামীর পদত্যাগ 
ডা. তাসনিম জারার পর এবার তার স্বামী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক খালেদ সাইফুল্লাহ পদত্যাগ করেছেন। তবে পদত্যাগ করার আগেই শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ এনে তাকে নির্বাহী কমিটির হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ থেকে বের করে দেওয়া হয়। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) রাত ৯টা ৪৬ মিনিটে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে অনানুষ্ঠানিকভাবে দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বরাবর পদত্যাগপত্র জমা দেন। এর আগে, এদিন সকাল ১১টা ২৪ মিনিটে নির্বাহী কমিটির গ্রুপ থেকে তাকে বের করে দেন সদস্যসচিব আখতার হোসেন। এনসিপির দায়িত্বশীল এক নেতা বলেন, খালেদ সাইফুল্লাহ দল থেকে পদত্যাগ না করেই দল থেকে পদত্যাগ করা তার স্ত্রী তাসনিম জারার নির্বাচনে সহযোগিতা করেছেন। কোনো প্রকার অনুমতিও নেননি তিনি। আমরা আশঙ্কা করছি তিনি এখান থেকে তথ্যও পাচার করতে পারেন। সেজন্য আমরা দলের সদস্যসচিব বরাবর অভিযোগ দিলে তিনি গ্রুপ থেকে বের করেন। পরে তিনি রাতে পদত্যাগপত্র দেন। আহবায়ক বরাবর দেওয়া পদত্যাগপত্রে কোনো কারণ উল্লেখ না করেই খালেদ সাইফুল্লাহ লিখেন, আমি জাতীয় নাগরিক পার্টির সকল পদ ও দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করছি। এর আগে, গত শনিবার দল থেকে পদত্যাগ করেন সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. তাসনিম জারা। তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ঢাকা-৯ আসন থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। তাসনিম জারা এনসিপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি ছিলেন, একই কমিটির সদস্য ছিলেন তার স্বামী খালেদ সাইফুল্লাহ। শেষ পর্যন্ত দুজনই এনসিপির সঙ্গে সম্পর্ক ত্যাগ করেছেন। আরটিভি/এমএ
এনসিপি থেকে এবার তাসনিম জারার স্বামীর পদত্যাগ 
তারেক রহমানের সঙ্গে শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
ঢাকায় সফররত শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিজিথা হেরাথ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।  বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৮টায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাৎকালে শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত শ্রীলঙ্কার হাইকমিশনার ধর্মপাল বিরাক্কোডি উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বিএনপির পক্ষে স্থায়ী কমিটির সদস্য জনাব আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন। আরও পড়ুন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হাসানের মৃত্যুতে তারেক রহমানের শোক বিএনপির মিডিয়া সেল সূত্রে জানানো হয়, সাক্ষাৎকালে পারস্পরিক কুশল বিনিময়ের পাশাপাশি বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, আঞ্চলিক রাজনীতি এবং পারস্পরিক সহযোগিতা নিয়ে মতবিনিময় হয়। আরটিভি/আরএ
তারেক রহমানের সঙ্গে শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
আরও পড়ুন
তারেক রহমানকে মোদির চিঠি
নিউজটি প্রত্যাহার করা হয়েছে
তারেক রহমানের সঙ্গে শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হাসানের মৃত্যুতে তারেক রহমানের শোক