খালেদা জিয়া কোনো আসনেই পরাজিত হননি, সংসদীয় নির্বাচনে অনন্য রেকর্ড

আরটিভি নিউজ

মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ , ০৮:২০ এএম


খালেদা জিয়া কোনো আসনেই পরাজিত হননি, সংসদীয় নির্বাচনে অনন্য রেকর্ড
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি ব্যতিক্রমী নির্বাচনী রেকর্ড গড়ে তুলেছেন বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। সংসদীয় রাজনীতিতে তিনি যে আসনেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন, সেখানেই বিজয়ী হয়েছেন একবারও নির্বাচনে পরাজিত হননি।

বিজ্ঞাপন

১৯৯১ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত অনুষ্ঠিত তিনটি সাধারণ নির্বাচনে বেগম খালেদা জিয়া প্রতিবার পাঁচটি করে আসনে প্রার্থী হন এবং প্রতিটি আসনেই জয়লাভ করেন। ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি তিনটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তিনটিতেই বিজয়ী হন।

১৯৯১ সালের পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি বগুড়া-৭, ঢাকা-৫, ঢাকা-৯, ফেনী-১ ও চট্টগ্রাম-৮ আসনে প্রার্থী হন। পাঁচটিতেই বিজয়ের পর তিনি ফেনী-১ আসনটি রেখে বাকি চারটি আসন ছেড়ে দেন।

বিজ্ঞাপন

১৯৯৬ সালের নির্বাচনে তিনি বগুড়া-৬, বগুড়া-৭, ফেনী-১, লক্ষ্মীপুর-২ ও চট্টগ্রাম-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। সবগুলো আসনে জয়ী হয়ে শেষ পর্যন্ত তিনি ফেনী-১ আসনটি প্রতিনিধিত্ব করার সিদ্ধান্ত নেন।

২০০১ সালের নির্বাচনে তিনি আবারও বগুড়া-৬, বগুড়া-৭, ফেনী-১, লক্ষ্মীপুর-২ ও চট্টগ্রাম-১ আসনে প্রার্থী হন এবং প্রতিটি আসনে জয়লাভ করেন। সে সময় তিনি বগুড়া-৬ আসনটি নিজের জন্য রাখেন।

বিজ্ঞাপন

২০০৮ সালের নির্বাচনে খালেদা জিয়া বগুড়া-৬, বগুড়া-৭ ও ফেনী-১—এই তিনটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সবগুলোতেই বিজয়ী হন। পরে তিনি ফেনী-১ আসনটি রেখে বাকি দুটি ছেড়ে দেন।

তার নির্বাচনী ইতিহাস বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বগুড়া, ফেনী, লক্ষ্মীপুর ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের আসনগুলোতেই তিনি সবচেয়ে বেশি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। এছাড়া ১৯৯১ সালে তিনি ঢাকার একটি আসন এবং ২০০১ সালে খুলনার একটি আসন থেকেও নির্বাচন করেন।

বিজ্ঞাপন

নির্বাচনগুলোর ফলাফলে শুধু বিজয়ই নয়, বরং প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের সঙ্গে তার ভোটের ব্যবধানও ছিল উল্লেখযোগ্য, যা তার জনপ্রিয়তার প্রতিফলন বলে মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা।

আরও পড়ুন

ক্ষমতায় থাকাকালে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন সরকার শিক্ষা খাতে বেশ কয়েকটি যুগান্তকারী উদ্যোগ গ্রহণ করে। এর মধ্যে রয়েছে বাধ্যতামূলক বিনামূল্যে প্রাথমিক শিক্ষা, মেয়েদের জন্য দশম শ্রেণি পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা, ছাত্রীদের উপবৃত্তি কর্মসূচি এবং শিক্ষা কার্যক্রমে খাদ্য সহায়তা প্রদান। এছাড়া সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ২৭ বছর থেকে বাড়িয়ে ৩০ বছর করা হয় এবং শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হয়, যা দেশের শিক্ষা ক্ষেত্রে দৃশ্যমান অগ্রগতিতে ভূমিকা রাখে।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

logo_appslogo_apps
বিজ্ঞাপন

Loading...

আরও পড়ুন

© All Rights Reserved 2016-2026 | RTV Online | It is illegal to use contents, pictures, and videos of this website without authority's permission