ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

জামায়াতকে নিয়ে এবি পার্টি সভাপতির ঠাট্টা, ভিডিও ভাইরাল 

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৩ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:১৬ এএম
ছবি: সংগৃহীত

জামায়াতে ইসলামীকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) সভাপতি মজিবুর রহমান মঞ্জু।

সম্প্রতি একটি ঘরোয়া বৈঠকে আলোচনা করতে গিয়ে তিনি এমন মন্তব্য করেন করেন বেল জানা গেছে। নোয়াখালীর আঞ্চলিক ভাষা মিশ্রিত ঢঙে রীতিমতো হাস্যরস করা ৩২ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ফেনী-২ আসনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) সভাপতি মজিবুর রহমান মঞ্জু। তাকে সমর্থন জানিয়ে দলীয় সিদ্ধান্তেই জামায়াতের দীর্ঘদিনের ঘোষিত প্রার্থী লিয়াকত আলী ভূঞা মনোনয়নপত্র জমা দেননি।

তবে ভিডিওতে জামায়াত এক প্রকারে যেচে গিয়ে এবি পার্টির সঙ্গে নির্বাচনি সমঝোতা করতে গিয়েছে বলে দাবি করেছেন ১১ দলের প্রার্থী মজিবুর রহমান মঞ্জু। একই সঙ্গে আগেভাগেই জামায়াতের প্রার্থী প্রত্যাহার নিয়েও হাস্যরস করেছেন তিনি।

মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, উনাদের (জামায়াত) ইন্টারেস্টে আমরা উনাদের সাথে আসছি। আমাদেরকে সহযোগিতা করা তো উনাদেরই নৈতিক দায়িত্ব। আমি তো উনার কাছে যেয়ে খুঁজুম না (খুঁজব না)। এ সময় অন্যরা তার সঙ্গে একমত পোষণ করেন।

তিনি আরও বলেন, দুই নাম্বার হচ্ছে, উনারা একটা ভুল করছেন। উনারা যদি লিয়াকত সাহেবকে প্রার্থী হিসেবে রেখে দিতেন, তাইলে আজকে উনাদের কথা ছিল। উনারা তো লিয়াকত সাহেবের (মনোনয়ন) প্রত্যাহার করে ফেলছেন, আমাদের সাথে আলোচনা শেষ হওয়ার আগেই। অন্তত আমি যদি কই, আমি ইলেকশন করতাইন্নো, তো উনাদের অবস্থা কী? এখন উনারা ভোট করবো কারে লই?

এদিকে, ভাইরাল ভিডিও নিয়ে এবি পার্টির একটি জেলার পেজ থেকে দাবি করা হয়, গতকাল এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেন। এই মতবিনিময়ে অনানুষ্ঠানিক আলাপ করেন প্রায় ৪০ মিনিট। অনেকটা ঘরোয়া আলাপ। পরে শেষে এসে তিনি ফরমাল বক্তব্য রাখেন।

এক সাংবাদিক জামায়াতের নমিনেশন না দেয়া প্রসঙ্গে প্রশ্ন করেন। তখন তিনি দীর্ঘ আলাপ করেন। তিনি বোঝানোর চেষ্টা করেন যে, জামায়াত একটি সাংগঠনিক শক্তির রাজনৈতিক দল। এখানে ব্যক্তির চেয়ে সংগঠনকে বেশি প্রাধান্য দেয়া হয়। কিন্তু আমরা ব্যক্তিকেও প্রাধান্য দিতে চাই। এখন জামায়াত তাদের নমিনেশন দেয় নাই, এটাতো জামায়াতের সিদ্ধান্ত। জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতারা বলেছেন যে, নির্বাচনের যাবতীয় দায়িত্ব আমাদের। আপনারা শুধু জয়েন করেন আমাদের জোটে।

এরপর তিনি বলেন যে-জামায়াত যে নমিনেশন দেয়নি এটাতো তাদের ভুল। এরজন্য তো আমরা দায়ী না। কারণ আমাদের জোটের আলাপ তো এখনো ফাইনাল হয় নাই। জামায়াতের উচিত ছিল নমিনেশন দেয়া। এখন আমরা যদি ভোট না করি, তাহলে জামায়াত কাকে ভোট দিবে? অর্থ্যাৎ নমিনেশন না দেয়াতে আমাদের কোন হাত নাই। তিনি এও বলেছেন- আমি জোটের নমিনেশন ঠিক করার কেউ না। আমি শুধু এটার পার্ট মাত্র। এখন সবাই আমাদের উপর মনেকষ্ট নিচ্ছেন, এতে আমাদের দোষ কোথায়? এরপর তিনি জোটের প্রয়োজনীয়তা এবং আগামীর রাজনীতির সংকট নিয়েও কথা বলেন।

দীর্ঘ প্রায় ১ ঘন্টার আলাপে আগে পরে তিনি এইকথাগুলো বলেন। কিন্তু পুরো আলাপের একটা ক্লিপ একটা নিউজ পোর্টাল ভাইরাল করার অপচেষ্টা করেছে। মঞ্জু বক্তব্যের শুরুতেই বলেছেন- এটা ইনফরমাল আলাপ, তোমরা কেউ ভিডিও করিও না। এখন আপনি আপনার বন্ধুদের সাথেও তো ইনফরমাল কথা বলেন। সব কথা যদি কোট করা হয়, তাহলে কি রাজনীতি বলে কোন কিছু থাকে? সবেচেয়ে বড় কথা হলো- তিনি পুরো ১ ঘন্টা আলাপে পুরো বিষয়টাকে ব্যাখ্যা করেছেন। আপনি যদি ২ মিনিটে পুরো বক্তব্য বুঝতে চান, তাহলে বলতে হবে এটা সুনিশ্চিত প্রোপাগান্ডা।

আমরা জামায়াত জোটের সবাইকে বলতে চাই, সামনে রাজনৈতিক একটি ক্রশিয়াল মোমেন্ট অপেক্ষা করছে। এই জোট শুধু নির্বাচনী জোটে শেষ হবে না বরং দীর্ঘমেয়াদী সংগ্রামে রাজপথে লড়াই করতে হবে। তাই সবাইকে রাজনৈতিক সহনশীল আচরনের অনুরোধ করছি।

আরটিভি/কেএইচ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস
দ্বিতীয় দফায় মালয়েশিয়ায় চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস। বুধবার (১৪ অক্টোবর) রাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌছান তিনি। এ সময় তার সঙ্গে তার সহধর্মিনী আফরোজা আব্বাস উপস্থিত ছিলেন।  গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার সহকারী একান্ত সচিব মিজানুর রহমান সোহেল। তিনি জানান, মির্জা আব্বাস এখন অনেকটাই সুস্থ। এর আগে গত ১৬ সেপ্টেম্বর ফলোআপ চিকিৎসার জন্য মালয়েশিয়া যান প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা। তিনি মালয়েশিয়ার প্রিন্স কোর্ট মেডিক্যাল সেন্টারে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তারও আগে দীর্ঘ প্রায় পাঁচ মাস সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়া চিকিৎসা শেষে গত ২ সেপ্টেম্বর দেশে ফেরেন মির্জা আব্বাস। গত ১১ মার্চ ইফতারের সময়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে জ্ঞান হারালে তাকে রাতেই এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা জানান, তার মস্তিষ্কে রক্তঃক্ষরণ হয়েছে। পরে দ্রুত অস্ত্রোপচার করে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে সিঙ্গাপুরে নিয়ে যাওয়া হয়। সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে দেড় মাস চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে মালয়েশিয়ায় প্রিন্স কোর্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আরটিভি/টিআর
চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস
‘পরাজিত ফ্যাসিবাদের দোসররা বিদেশে বিলাসবহুল জীবনযাপন করছেন’
বুধবার (১৪ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টায় ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার গাজিরটেক ইউনিয়নে রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রামে নির্যাতনের শিকার অসহায় নেতাকর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সহায়তা বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব অভিযোগ করেন।
‘পরাজিত ফ্যাসিবাদের দোসররা বিদেশে বিলাসবহুল জীবনযাপন করছেন’
কোনো ফ্যাসিস্টের জায়গা বাংলাদেশে হবে না: আমানউল্লাহ আমান
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-২ আসনের সংসদ সদস্য আমানউল্লাহ আমান বলেছেন, কোনো ফ্যাসিস্টের জায়গা বাংলাদেশে হবে না। যেখানেই ফ্যাসিস্টদের ছায়া দেখা যাবে, সেখানেই প্রশাসনকে অবহিত করে তাদের ধরিয়ে দিতে হবে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিকেলে কেরানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষ্যে জেলা পরিষদের অর্থায়নে এবং উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত আর্থিক অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সাবেক ডাকসু নেতা আমানউল্লাহ আমান বলেন, যেখানে ফ্যাসিস্টের ছায়া দেখবেন, প্রশাসনকে বলে তাদের ধরিয়ে দেবেন। কোনো ফ্যাসিস্টের জায়গা বাংলাদেশে দেওয়া যাবে না। উপস্থিত নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণকে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আপনারা প্রত্যেকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এগিয়ে যাবেন। জনগণের সঙ্গে সর্বদা নিবেদিত থাকবেন। জনগণকে রাস্তায় দেখলে সালাম দেবেন, সম্মান করবেন। সমাজকে সম্মান করলে সম্মান পাবেন। ধর্মীয় সম্প্রীতির ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বিএনপি চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বক্তব্য পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার; ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার। বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় আছে এবং থাকবে, সরকার তা নিশ্চিত করবে। হিন্দু সম্প্রদায়ের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যে নির্দেশনা দিয়েছেন, সেই বিশ্বাসের প্রতিফলন আমরা ঘটাব। আমরা সবাই হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সমান অধিকার ভোগ করব। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. ইয়াছিন ফেরদৌস মুরাদ। কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. উমর ফারুকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্থানীয় বিভিন্ন মন্দির কমিটির প্রতিনিধিদের হাতে আর্থিক অনুদানের চেক তুলে দেওয়া হয়। আরটিভি/এসআর  
কোনো ফ্যাসিস্টের জায়গা বাংলাদেশে হবে না: আমানউল্লাহ আমান
জুরাইনে চিরনিদ্রায় শায়িত বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ দলের নেতা-কর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের অকৃত্রিম ভালোবাসা আর শ্রদ্ধায় চিরনিদ্রায় শায়িত হয়েছেন।   বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টায় রাজধানীর জুরাইন কবরস্থানে বাবার কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়েছে। দাফন শেষে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। এ সময় তার ছেলে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্যসচিব তানভীর আহমেদ রবিন সবার কাছে বাবার মাগফিরাতের জন্য দোয়া কামনা করেন। এর আগে বেলা ১১টায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় সালাহউদ্দিন আহমেদের প্রথম জানাজা হয়। এতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, জাতীয় সংসদের স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, চিফ হুইপসহ বিএনপির শীর্ষ নেতারা অংশ নেন। এরপর রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে তার দ্বিতীয় জানাজা হয়। এতে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাসহ ঢাকা মহানগর, থানা ও ওয়ার্ড পর্যায়ের বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন। জানাজা শেষে দলের নেতাকর্মীরা সাবেক এই সংসদ সদস্যের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানান। পরে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় নিজ এলাকা রাজধানীর শ্যামপুরের লাল মসজিদে। সেখানে বিকেল ৩টায় তার তৃতীয় ও শেষ জানাজা হয়। উল্লেখ্য, গতকাল মঙ্গলবার সালাহউদ্দিন আহমেদ রাত ৮টা ১০ মিনিটে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীরা শোক প্রকাশ করেন।  আরটিভি/এসআর  
জুরাইনে চিরনিদ্রায় শায়িত বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদ
সার সংকটে ১১ দলীয় জোটের এমপিদের হাত থাকতে পারে: মীর শাহে আলম
স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, যেসব এলাকায় বিএনপির সংসদ সদস্য (এমপি) রয়েছেন, সেখানে সারসংকট বা এ-সংক্রান্ত কোনো সমস্যা হয়নি। যেসব জেলায় সার নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়েছে, সেসব জেলার এমপিরা ১১-দলীয় জোটের। সরকারকে বিভ্রান্ত করতে তারা দলীয় লোকজনের মাধ্যমে এই সংকট তৈরি করে থাকতে পারেন। বুধবার (১৪ অক্টোবর) বেলা ৩টার দিকে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার ঘোড়াইঘাট এলাকায় গড়াই নদীর ওপর প্রস্তাবিত শহীদ আবরার ফাহাদ সেতুর স্থান পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি আরও বলেন, উত্তরাধিকারসূত্রে তারা যেসব সার ডিলার পেয়েছেন, তাদের স্বৈরাচারী সরকারের আমলে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। তাদের অসহযোগিতার কারণে কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে। বর্তমান সরকারের আমলে সার ডিলার নিয়োগে কোনো অনিয়ম হয়ে থাকলে তা খতিয়ে দেখা হবে। এর আগে প্রতিমন্ত্রী উপজেলার রায়ডাঙ্গায় শহীদ আবরার ফাহাদের কবর জিয়ারত করেন। কবর জিয়ারত শেষে গাড়িতে ওঠার সময় সেখানে ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে প্রতিমন্ত্রী সেতু নির্মাণের জন্য প্রস্তাবিত দুটি স্থান ঘুরে দেখেন। এ সময় জেলার বর্তমান ও সাবেক বিএনপিদলীয় সংসদ সদস্যরা এবং শহীদ আবরার ফাহাদের বাবা মো. বরকত উল্লাহ উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/টিআর
সার সংকটে ১১ দলীয় জোটের এমপিদের হাত থাকতে পারে: মীর শাহে আলম
আরও পড়ুন
‘হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জন্য সরকার ও বিরোধী দলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে’
যুক্তরাষ্ট্রে ড. ইউনূসকে হেনস্তা, হাসিনাকে দায়ী করলেন জামায়াত আমির
যুক্তরাষ্ট্রে ড. ইউনূসকে হেনস্তার ঘটনায় জামায়াতের নিন্দা
স্পেনের জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজা ষষ্ঠ ফিলিপকে জামায়াতের শুভেচ্ছা