আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন সমীকরণ তৈরি করেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্য।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ২৫৩টি আসনে দলভিত্তিক আসন ভাগাভাগির চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।
এ সময় জোটের অন্যতম শরিক জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, এখন থেকে কোনো প্রার্থী আর নিজ দলের পরিচয়ে পরিচিত হবেন না। প্রতিটি আসনে তারা জোটের অভিন্ন প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
নাহিদ ইসলাম এই সমঝোতাকে একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত হিসেবে বর্ণনা করে জানান, জোটের প্রতিটি সদস্য দল তাদের ব্যক্তিগত দলীয় পরিচয় বিসর্জন দিয়ে একটি অভিন্ন প্ল্যাটফর্মে সমবেত হয়েছে। সারা বাংলাদেশের সব আসনে এখন থেকে আমাদের নির্দিষ্ট কোনো দলের প্রার্থী থাকবে না। আজ থেকে প্রতিটি প্রার্থীই এই ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের একক প্রতিনিধি হিসেবে বিবেচিত হবেন। জনগণের ম্যান্ডেট পাওয়ার জন্য এবং বৈষম্যবিরোধী লক্ষ্য অর্জনে এই সংহতি অপরিহার্য বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এই জোটের রাজনৈতিক গুরুত্ব তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা এবং রাষ্ট্র সংস্কারের আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তবে রূপ দিতেই এই ঐক্যবদ্ধ যাত্রা শুরু হয়েছে। জামায়াত এবং এনসিপিসহ ১০টি দল ২৫৩টি আসনে চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছালেও বাকি ৪৭টি আসন নিয়ে কৌশলগত অবস্থান বজায় রাখা হয়েছে।
নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, এই জোটের লক্ষ্য কেবল নির্বাচন নয় বরং দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক সংস্কার নিশ্চিত করা।
আরটিভি/এআর





