ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ শেষ হয়েছে। এ শপথের মধ্য দিয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এ নিয়ে চতুর্থবারের মতো সরকার গঠন করেছে।
তবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার গঠনের পর এবার আলোচনার কেন্দ্রে এখন সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের ভোট ঈদুল ফিতরের আগেই অর্থাৎ রোজার মধ্যে করার পরিকল্পনা করছেন বলে জানিয়েছেন নিবাচন কমিশনার (ইসি) আব্দুর রহমানেল মাছউদ। শিগগিরই সংরক্ষিত আসনের নির্বাচনের তফসিল দেওয়া হতে পারে।
৫০টি সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপি জোটের ভাগে ৩৭টি আসন পড়তে পারে। এসব আসনে মনোনয়ন পেতে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নেত্রীরা।
বিএনপির নীতিনির্ধারণী ফোরামের কয়েকজন নেতা বলেছেন, ইসির তফসিল অনুযায়ী সংরক্ষিত নারী আসনে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হবে। বিএনপিতে যোগ্য নারী নেত্রীর সংখ্যা অনেক। তাঁদের রাজনৈতিক ত্যাগ, অভিজ্ঞতা ও অবদান বিবেচনায় নিয়েই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এবার তরুণ নেত্রীদের মূল্যায়নের সম্ভাবনাও রয়েছে।
সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় আছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেত্রী শিরিন সুলতানা, মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস, সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ, সহসভাপতি নাজমুন নাহার বেবী, সাবেক এমপি শাম্মী আকতার, নিলোফার চৌধুরী মনি, আসিফা আশরাফী পাপিয়া, রাশেদা বেগম হীরা, রেহেনা আকতার রানু, ইয়াসমিন আরা হক, জাহান পান্না, বিলকিস ইসলাম ও ফরিদা ইয়াসমিন।
এ ছাড়া কণ্ঠশিল্পী বেবী নাজনীন, রিজিয়া পারভীন ও কনক চাঁপা এবং ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের স্ত্রী হাসনা জসীমউদ্দীন মওদুদের নামও আলোচনায় রয়েছে। ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নিপুণ রায় চৌধুরী, কেন্দ্রীয় নেত্রী অপর্ণা রায়, শাহানা আকতার সানু, নিয়াজ হালিমা আর্লি, জেবা আমিন খান, স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম-সম্পাদক নাসিমা আক্তার সীমু, রাবেয়া আলম, তানজিন চৌধুরী লিলি, শওকত আরা উর্মি, সেলিনা সুলতানা নিশিতা, বীথিকা বিনতে হুসাইন, ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা, হেলেন জেরিন খান, আরিফা সুলতানা রুমা, সামিরা তানজিনা চৌধুরী ও সৈয়দা আদিবা হোসেনের নামও আলোচনায় আছে।
সানজিদা ইসলাম তুলি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হয়েছেন। সংরক্ষিত নারী আসনে প্রার্থী হবেন কি না, জানতে চাইলে গতকাল তিনি বলেন, সরকারে থেকে বাংলাদেশের জন্য কাজ করতে চাই। সে জন্যই তো এত দিন আন্দোলন করলাম। আমাকে মন্ত্রণালয়ে কেন দায়িত্ব দেওয়া হলো না—এই দায়িত্ব নেওয়ার মতো জায়গায় তো আমরা আছি, ছিলাম।
আরটিভি/এমআই





